চিলি ফ্লেক্সের বদলে গোল্ড ফ্লেক্স! তাক লাগাবে ২৪ ক্যারেট খাঁটি সোনা দিয়ে তৈরি এই পিৎজা
Gold Pizza : পিৎজার ওপর সোনার টপিংস, শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি, কত খরচ হল জানেন?

আধুনিক হওয়ার বেশ কিছু ধরনের মধ্যে একটি হল, চকমকপ্রদ কিছু করে তাক লাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা। আজকের সময়ে দাঁড়িয়ে এ ঘটনা অবশ্য নতুন কিছুই নয়। আর এই চমকের তালিকা থেকে বাদ পড়ে না খাবারও। প্রায়দিনই সোশ্যাল মিডিয়ায় সামনে এসে ইউনিক কিছু খাবারের রেসিপি। কখনও তেঁতুল জলের বদলে আমার পাল্প দিয়ে ফুচকা তো কখনও গন্ধরাজ লেবু দিয়ে মোমো এমনকী সম্প্রতি আমের স্লাইস দিয়ে সাজানো পিৎজার ছবিও ভাইরাল হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। এবার সেই তালিকাতেই নাম জুড়ে গেল আরও এক অভিনব পিৎজার। যদিও আম নয় এর ক্ষেত্রে দামই আকাশছোঁয়া!
অভিনব জিনিসের দাম বেশি হবে তা স্বাভাবিক ঠিকই তাই বলে খোদ সোনায় মোড়ানো খাবার হলে যে বিষয়টা কেমন হতে পরে ভাবতে পারছেন কি? শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি, সম্প্রতি এক শেফ খোদ ২৪-ক্যারেট সোনার ফ্লেক্স দিয়ে ১.৬ লক্ষ টাকার পিজ্জা তৈরির একটি ভিডিও প্রকাশ করেন ইন্টারনেটে। শেফের নাম ব্রুক বেয়েভস্কি। তিনি তাঁর একজন নামজাদা ক্লাইন্টের জন্য তৈরি করেছেন এই অভিনব পিৎজাটি, বলেই জানা গিয়েছে। বছর খানেক আগেই ২৪ ক্যারেট খাঁটি সোনার পাত দিয়ে এক অভিনব মিষ্টির কথা সামনে আসে। নাম ‘গোল্ডেন ঘেভার’। জানা গিয়েছিল, সেই মিষ্টি কিনতে প্রতি কেজিতে প্রায় ২৫,০০০ টাকা করে খসবে। এবার সেইরকমই সোনার পাত ব্যবহার করা হল ইতালীয় জনপ্রিয় খাবার পিৎজায়। সর্বাধিক ঠিক কত টাকা পর্যন্ত ব্যয় করা যেতে পারে এই খাবারের পিছনে এ যেন তারই একটা প্রচ্ছন্ন পরীক্ষা।
ভিডিওর শুরুতেই শেফ ব্রুক জানান যে এই অভিনব পিৎজাটি তিনি এক বিশেষ ক্লাইন্টের কথায় বানাতে চলেছেন। তিনি স্ক্র্যাচ থেকে এই পিৎজা তৈরি করতে ব্যবহৃত সমস্ত অভিনব এবং জমকালো উপাদানগুলিকেও দেখিয়েছেন ভিডিওতে। ইন্টারনেটে ভাইরাল হওয়া এই ক্লিপটিতে, ব্রুককে কিছু জৈব ডুমুর, অঙ্কুরিত গ্লুটেন ময়দার মিশ্রণ, অ্যাডাপটোজেনিক মাশরুম পাউডার এবং জৈব বাদাম কিনতে দেখা যায়। সমস্ত দামী উপাদান কেনার পর, দোকানে ব্রুকের মোট মূল্য দাঁড়ায় প্রায় $1000 অর্থাৎ আনুমানিক ৮১,৭০০ টাকা। পাশাপাশি পিৎজা তৈরির উপাদান হিসেবে ছিল নিউজিল্যান্ড থেকে আসা জৈব মধু সহ আরও বেশ কয়েকটি উপাদানও। এখানেই শেষ নয়, আসল চমকটাই বাকি এখনও। এইসব উপাদান ছাড়াও এই পিৎজা তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছিল খাঁটি ২৪ ক্যারেট ভোজ্য সোনা। পিৎজা তৈরির ওই ভিডিওতে সেফ জানান, টপিংয়ের জন্য, তিনি যে পেস্টো ব্যবহার করছেন, তাতে ২৪-ক্যারেট সোনার ফ্লেক্স রয়েছে।
- আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
Aluminum Foil Risks: কিছু গবেষণায় প্রমাণ পাওয়া গেছে যে, অ্যালুমিনিয়াম আলঝাইমার্সের অন্যতম কারণ।
View this post on Instagram
এই পিৎজার ভিডিওটি সামনে আসার পর থেকে নেট মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ কেউ এমন অভিনব জিনিস দেখে চমকে জন কেউ আবার সরাসরি একে অপচয় বলে দাগিয়ে দিতেও ছাড়েননি। অনেকেই বলেছেন এই সোনা দেওয়া পিৎজা করবার টাকায় সরাসরি ইতালি ভ্রমণ করে কিছু খাঁটি পিজ্জা চেখে দেখাও হয়ে যাবে। এখন পর্যন্ত ভিডিওটিকে এক মিলিয়নেরও বেশি বার চালানো হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। ফলে সব মিলিয়ে এই ঘটনা একদিকে যেমন চমক তৈরি করেছে, অন্যদিকে তেমনই এই আর্থিক টানাপোড়েনের পরিস্থিতিতে বিপ্রতীপ একার নিয়েছে তা বলাই বাহুল্য।
















