নতুন বছরের শুরুতেই আকণ্ঠ মদ্যপান! কীভাবে কাটাবেন হ্যাংওভার?

Hangover Detox: ২৪ ডিসেম্বর রাতে থেকে সপ্তাহভর যা যা অনিয়ম-বেনিয়ম হয়েছে তা থেকে সুস্থ যাপনে ফিরে আসতে হলে দরকার ডিটক্সিফিকেশন।

inscript
২ মিনিট
নতুন বছরের শুরুতেই আকণ্ঠ মদ্যপান! কীভাবে কাটাবেন হ্যাংওভার?

৩১ ডিসেম্বর রাত, নতুন বছর সকাল কীভাবে হলো, জানা হল না। ঘুম ভেঙেছে বেলায়, মাথা ভার, ঝিম ধরে আছে। ১ তারিখ রাতেও প্রবল আয়োজন। সেসব সেরে ২ তারিখ কাজে যোগ। কিন্তু হ্যাংওভার তো কাটে না। শীতের রাতে অ্যালকোহল যে গরম করেছে শরীরকে তার তাপ কাটাতে কাটাতেই পেরিয়ে যাচ্ছে বেলা। বুঁদ হয়ে ডুবে যাও, করুক মাথা ঝিমঝিম বললে তো চলে না, নতুন বছর সপ্তাহের একদম মাঝামাঝি দিন। ছুটিছাটার মরশুম কাটিয়ে কাজে ফিরতে হলে এই হ্যাংওভার তো চলবে না। শরীর মাথা দুই-ই ডিটক্স করার পালা। ডিটক্স ডায়েট এবং ভারী-ক্যালোরিযুক্ত খাবার সমস্ত ক্ষতিকারক টক্সিন মুছে শরীরকে পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। সেই ২৪ ডিসেম্বর রাতে থেকে সপ্তাহভর যা যা অনিয়ম-বেনিয়ম হয়েছে তা থেকে সুস্থ যাপনে ফিরে আসতে হলে দরকার এই ডিটক্সিফিকেশন। ডিটক্সের উদ্দেশ্য হলো পর্যাপ্ত হাইড্রেশনের মাধ্যমে অন্ত্রের স্বাস্থ্য ফিরিয়ে আনা। সারাদিন সাধারণ পানীয় জল খাওয়া ভালো তো বটেই, কিন্তু ডিটক্স ওয়াটার সাধারণ পানীয়ের একঘেয়ে ভাব দূরও করে আবার পানীয়তে বিশেষ স্বাদ এবং পুষ্টি যোগ করে।

কীভাবে পার্টির পরে বারোটা বেজে যায় শরীরের?

আজকাল পার্টিতে আমরা যে ধরনের খাবার খাই তা বেশিরভাগই ময়দাজাত। অন্ত্রের উপর এই খাবার চাপ বাড়ায়। এই জাতীয় খাবারে ফাইবার থাকে না তাই কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে শুরু করে অন্যান্য হজমের সমস্যা হতে পারে। অন্ত্রের প্রদাহও খুব সাধারণ একটি সমস্যা।

কীভাবে পার্টির পরে ডিটক্স করা যায় নিজেকে?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মদ না খেয়েই মাতাল! জানেন কোন কঠিন অসুখ বাসা বাঁধছে আপনার শরীরে

Auto Brewery Syndrome: ধরুন শরীর যদি নিজেই অ্যালকোহল তৈরি করে আপনাকে মদের নেশায় ডুবিয়ে দিত, তাহলে কেমন হতো?

ডিটক্স কথাটির সাধারণ অর্থ হল নেশাজাত বর্জ্যকে দূর করা। যে কোনও ধরনের ডিটক্স ওয়াটারের প্রাথমিক কাজই তাই আমাদের সিস্টেমকে পরিষ্কার করা। আমাদের দেহে লিভার এবং কিডনির মতো অঙ্গ রোজই টক্সিন জাতীয় পদার্থ শরীর থেকে বের করে দেয়। রোজের ডায়েটে ডিটক্স ওয়াটারের মতো কিছু যুক্ত হলে শরীরে ভিটামিন, খনিজ পদার্থের পরিমাণ বাড়ে, শরীর হাইড্রেটেড হয় আর আমাদের শরীর থেকে এই জাতীয় দূষক বা টক্সিনগুলি বেরিয়ে যায়। হাইড্রেটিং ডিটক্স ওয়াটার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও দূর করে।

তবে শুধু ডিটক্স ওয়াটার দিয়েই হ্যাংওভার কেটে যাবে এমন না। সপ্তাহব্যাপী অনিয়ম থেকে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে হলে, স্বাস্থ্য ফেরাতে হলে একদিন প্রচুর ডিটক্স করে নিলেই হয় না। দৈনন্দিন স্বাস্থ্যকর অভ্যাসে ফিরতে হবে।

সময়মতো খাবার খাওয়া: খাবারের অনিয়ম মানেই রোগকে নেমন্তন্নের চিঠি পাঠানো। একটি নির্দিষ্ট সময়ে প্রাতঃরাশ, দুপুরের খাবার এবং রাতের খাবার খাওয়া শরীরকে ভালো রাখতে সাহায্য করে।

শরীরকে হাইড্রেটেড রাখুন: প্রতিদিন কম করে ৭-৮ গ্লাস জল খেতেই হবে! জল শরীরের যাবতীয় দূষক সরিয়ে দিতে পারে। শুধু প্রচুর মদ্যপানের পরেই জল খাওয়ার তাগিদ অনুভব হলে হবে না, রোজ জল এবং খাদ্যতালিকায় অন্যান্য হাইড্রেটিং খাবার মানে যাতে জলীয় ভাগ বেশি তা যোগ করতে হবে।

পরিশ্রুত পণ্য না খাওয়ারই চেষ্টা করুন: পরিশোধিত পণ্য বা রিফানইড খাবার অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। এইসব খাবারে ফাইবার থাকে না এবং তাই এগুলি হজমের প্রক্রিয়া ধীর করে দেয় যার ফলে ওজন বৃদ্ধি এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে।

প্রচুর রঙিন ফল এবং শাকসবজি খান: ফাইবার, ভিটামিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, ফল এবং শাকসবজি কতটা উপকারি এই নিয়ে দিস্তা দিস্তা লেখা ইতিমধ্যেই আছে, তা সকলের জানাও।

শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকুন: নিয়মিত ব্যায়াম হজম করতে এবং নিয়মিত মলত্যাগে সাহায্য করে।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

২০২৫ যে শব্দগুলির সঙ্গে পরিচয় করাল

Word of the year: গুগল ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয়রা ২০২৫ সালে যেসব শব্দের অর্থ সবচেয়ে বেশি খুঁজেছে, তা তাদের মানসিক অবস্থার প্রতিফলন। যেমন—সিজফায়ার অর্থাৎ যুদ্ধবিরতি, মক ড্রিল অর্থাৎ নিরাপত্তার জন্য মহড়া।

জ্যোতির্ময় দত্ত: লেখালেখির বাইরে এক খ্যাপাটে মানবতাবাদী

Jyotirmoy Dutta: বামপন্থার সমালোচক ছিলেন জ্যোতির্ময় দত্ত। তাঁর আদর্শ ছিল রবীন্দ্রনাথ ও মহাত্মা গান্ধীর মানবতা।

ঘৃণার রাজনীতি: এখন লক্ষ্য খ্রিস্টান?

Anti-Christian violence India: মিচেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশে খ্রিস্টান নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৮৩৪টি (গড়ে মাসে ৭০ টি)। ২০২৫ সালে নভেম্বর মাস পর্যন্ত নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৭০৬ টি।

এক বাঙালির জেদে জুড়ল দুই বাংলা: টেলিগ্রাফ ম্যান শিবচন্দ্র নন্দী

Seebchunder Nandy: ১৮৫১ সালে কলকাতা-ডায়মন্ড হারবার লাইনের প্রথম সংকেত প্রেরণের সময় শিব চন্দ্র নন্দী ডায়মন্ড হারবার থেকে বার্তা পাঠান, অন্য প্রান্তে ও'শাগনেসির সঙ্গে ছিলেন লর্ড ডালহৌসি।

অন্যের দুঃখে কেন আমাদের মিষ্টি হাসি? শ্যাডনফ্রয়ডার মনস্তত্ত্ব

Schadenfreude: বর্তমান যুগে এই অনুভূতি আগুনের মতো ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে। আমরা এখন যাকে 'ট্রোলিং' বলি, তার মূলে রয়েছে এই শ্যাডনফ্রয়ডা।

দেশে দেশে নানাবেশে আছেন সে এক সান্তা ক্লজ

Santa Claus Across Cultures: ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত রঙিন চিত্র সংকলনে জর্জ ওয়েবস্টার লিখেছিলেন, সান্তা ক্লজের বাড়ি "নর্থ পোলের নিকটে"।

বিপন্ন ভারতের প্রাচীন পর্বতমালা‍! যেভাবে ধ্বংসের মুখে আরাবল্লী

Aravalli Hills Under Threat: পরিবেশবিদদের মতে, আরাবল্লী কেটে ফেললে দিল্লির দূষণ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নেবে।

শৈশবের ‘রিওয়্যারিং’: স্ক্রিনের নীল আলো গিলে খাচ্ছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে?

Screen Addiction Destroying the Mental Health: বাস্তব জগত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ডিজিটাল জগতে ডুবে থাকায় শিশুদের মানসিক কাঠামোর এক আমূল পরিবর্তন ঘটে যাচ্ছে।