নামমাত্র বিনিয়োগ, মুক্তো চাষে তিন লক্ষ আয় নিশ্চিত, জানুন কীভাবে শুরু করবেন

আপনি যদি এই মুক্তো ফার্মিং-এর ব্যবসা করতে পারেন, তাহলে আপনি সাফল্য পাবেন খুবই সহজে। উপরন্তু, সরকারের তরফ থেকেও সাহায্য করা হয়ে থাকে এই মুক্তো চাষের ব্যবসায়।

Sourish Das
৭ মিনিট
নামমাত্র বিনিয়োগ, মুক্তো চাষে তিন লক্ষ আয় নিশ্চিত, জানুন কীভাবে শুরু করবেন

ভারতে দিন-প্রতিদিন যেভাবে মূল্যবৃদ্ধি বাড়ছে, তাতে এই সময় সকলের প্রয়োজন বাড়তি আয়। কিন্তু, নিজের ক্ষমতায় একটা বড় ব্যবসা দাঁড় করানো তো আর সহজ কথা নয়। তার ওপর যদি তা হয় উচ্চ-লাভজনক একটি ব্যাবসা। বিশাল পরিকাঠামো, উন্নত প্রযুক্তি, সবকিছুই প্রয়োজন। আর তার সঙ্গেই লাগবে পুঁজি। কিন্তু আপনি কি জানেন, ভারতে এমন একটি ব্যবসা করার দারুণ পরিবেশ রয়েছে, যেখানে মাত্র ২৫,০০০ টাকা বিনিয়োগ করে প্রতি মাসে রোজগার করতে পারবেন ৩ লাখ টাকা করে? চলুন জেনে নেওয়া যাক এই বিশেষ ব্যবসার ব্যাপারে, এবং জানা যাক কীভাবে আপনি এই ব্যবসা শুরু করবেন।

আমরা এখানে কথা বলব উচ্চ-লাভজনক মুক্তো তৈরির ব্যবসার ব্যাপারে। আপনি যদি এই মুক্তো ফার্মিং-এর ব্যবসা করতে পারেন, তাহলে আপনি সাফল্য পাবেন খুবই সহজে। উপরন্তু, সরকারের তরফ থেকেও সাহায্য করা হয়ে থাকে এই মুক্তো চাষের ব্যবসায়। যদি আপনি নিজের উদ্যোগে একটি মুক্তো ফার্ম তৈরি করেন, তাহলে ভারত সরকারের তরফ থেকে ৫০ শতাংশ সাবসিডি দেওয়া হয়ে থাকে। ভারত সরকারের মৎস্য দপ্তরের তরফ থেকেও তাদের ব্লু রেভোলিউশন প্রজেক্টের অংশ হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে মুক্তো চাষকে। প্রত্যেকটি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যেন তারা তাদের অঞ্চলের সমস্ত মুক্তো-চাষিদের আর্থিক সাহায্য করে। এছাড়াও, কেন্দ্রীয় সরকারের ব্লু রেভোলিউশন প্রকল্প থেকেও সাহায্য পাওয়ার সম্ভাবনা থাকছে মুক্তো-চাষিদের কাছে।

কীভাবে শুরু করবেন মুক্তো চাষের ব্যবসা?

ছোট পুকুর হোক, কিংবা সিমেন্টের তৈরি কোনও টাব, এমনকী, সাধারণ কোনও মাছের ট্যাঙ্কেও আপনি চাষ করতে পারেন মুক্তো। এই চাষের জন্য একাধিক পদ্ধতি রয়েছে। যে কোনও চাষি যে কোনও একটি পদ্ধতি অনুযায়ী মুক্তো চাষ করতে পারেন।

১. প্রথমত মুক্তো চাষের জন্য আপনার সবচেয়ে আগে যা লাগবে, সেটা হলো ভালো জল। আপনি যেখানেই মুক্তো চাষ করুন না কেন, সেই জায়গার জল যদি মুক্তো-প্রদানকারী ঝিনুকের জন্য সঠিক না হয়, তবে আপনার চাষ সফল হবে না। তাই যদি ভালোভাবে মুক্তো চাষ করতে হয়, তাহলে প্রথমে কোনও একটি সরকারি ল্যাবরেটরি থেকে আপনার জলাশয়ের জল একবার টেস্ট করান। দেখে নিন, সেই জলে ঝিনুক বাঁচতে পারবে কি না।

২. জল টেস্ট করা হয়ে গেলে আপনি কোনও একটি পেশাদার প্রতিষ্ঠান থেকে ঝিনুক চাষ করার একটি প্রফেশনাল কোর্স করে নিতে পারেন। এই মুহূর্তে ভারতে বেশ কিছু ইনস্টিটিউট এমন রয়েছে, যারা মুক্তো চাষ করার প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। এদের মধ্যে একটি অন্যতম সংস্থা হল সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট ফর ফ্রেশওয়াটার অ্যাকোয়াকালচার বা CIFA। এই সংস্থা থেকে যদি আপনি মুক্তো চাষের সঠিক পদ্ধতি শিখে নেন, তাহলে আপনার মুক্তো চাষের ক্ষেত্রে সুবিধা হবে।

৩. মুক্তো চাষ করার সবথেকে ভালো সময় হলো শরৎকাল। সেপ্টেম্বর কিংবা অক্টোবর থেকে আপনি চাষ শুরু করতে পারেন এবং ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত এই চাষ করা যায়। স্থানীয় কোনও পুকুর কিংবা কোনও জলাশয় থেকে আপনারা ঝিনুক অথবা অয়েস্টার সংগ্রহ করতে পারেন। বিশেষজ্ঞরা বলেন, অয়েস্টার ঝিনুক থেকে পাওয়া মুক্তো সবথেকে ভালো হয়। তাই যতটা সম্ভব, ওয়েস্টার ঝিনুক দিয়ে নিজের মুক্তো চাষ শুরু করুন। তবে এই ঝিনুক যদি আপনি সংগ্রহ করতে না পারেন, তবে আপনি কিছু টাকার বিনিময়ে এই ধরনের ঝিনুকের চারা কিনতে পারেন।

৪. একটা ঝিনুক থেকে ২ থেকে ৮টি মুক্তো আপনি পেয়ে যেতে পারেন। যদি এটি আকারে ছোট হয়, তাহলে সর্বাধিক ৫টি মুক্তো পাওয়া সম্ভব। কিন্তু যদি ঝিনুক আকারে বড় হয়, তাহলে সর্বাধিক ২৮টি পর্যন্ত মুক্তো তৈরি করতে পারে একটি ঝিনুক। যখন আপনি ঝিনুক সংগ্রহ করে ফেলবেন, তারপর ৪ থেকে ৬দিন পর্যন্ত সেটিকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে রাখতে পারেন। সেখানে যখন ঝিনুকের শরীর-স্বাস্থ্য ভালো হয়ে উঠবে, তারপর তাদের আপনার জলাশয়ে ছেড়ে দিন। সেখানে এটা স্বাভাবিক সময়মতো বড় হবে। তবে যদি আপনি জলাশয়ে এই ঝিনুক ছাড়ার আগে তাদের দেহে একটি বিশেষ ধরনের মুক্তো আগে থেকে প্রবেশ করিয়ে দেন তাহলে আরও ভালোভাবে তারা মুক্তো তৈরি করতে পারবে। অন্যদিকে, যদি অয়েস্টার দিয়ে মুক্তো চাষ করার পরিকল্পনা থাকে, তাহলে আপনি নাইলন ব্যাগে ১০ দিনের জন্য আপনার অয়েস্টারগুলিকে রাখুন। তাহলে আপনার অয়েস্টারের শরীর-স্বাস্থ্য ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

কতদিন লাগে ভালো মুক্তো তৈরি করতে?

একটি মুক্তো সঠিকভাবে তৈরি হতে এবং সেগুলি ভালোভাবে বড় হতে মোটামুটি ৬ মাস মতো সময় লাগে। তবে মাথায় রাখা উচিত, আপনি যদি বড় সাইজের মুক্তো পেতে চান, তাহলে ঝিনুক বড় হওয়ার জন্য এক বছর সময় দিন। তাহলে আপনি অনেক বেশি সংখ্যায় মুক্তো পেয়ে যাবেন এবং সেই মুক্তো দেখতেও অনেক বেশি সুন্দর হবে।

বাড়িতে কীভাবে করবেন মুক্তো চাষ?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মাত্র দু'মাসেই লাখপতি হওয়ার সুযোগ অল্প পুঁজির এই পরিবেশবান্ধব ব্যবসায়

আর অপেক্ষা করবেন না, চটপট কিছুটা পুঁজি জোগাড় করে নিয়ে নেমে পড়ুন পেপার ব্যাগ তৈরির ব্যবসায় এবং কয়েক মাসের মধ্যেই হয়ে যান লাখপতি।

১. যদি আপনি বাড়িতেই মুক্তো চাষ শুরু করতে চান, তাহলে আপনাকে প্রথমে একটি কাঠামো তৈরি করে নিতে হবে। এর জন্য আপনার লাগবে ন্যূনতম দু'টি ফিশ ট্যাঙ্ক। এই দু'টি ফিশ ট্যাঙ্ক একটির ওপর আরেকটি আপনাকে বসাতে হবে। এবং আপনাকে এমন ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে ওপরের ট্যাঙ্ক থেকে নিচের ট্যাঙ্কে জল পড়ে। তার জন্য প্রথম ট্যাঙ্কে একটি ছোট ছিদ্র তৈরি করুন।

২. দু'টি ট্যাঙ্কে একটি এয়ার পাম্প সেট আপ করুন। এর মধ্যে একটি হবে ভেঞ্চুরি পাম্প, যে পাম্প জলের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করবে এবং অপরটি হতে হবে এমন একটি পাম্প, যা জলের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

৩. সবক'টি পার্ট সঠিকভাবে ফিক্স করা হয়ে গেলে টানা সাতদিনের জন্য এই সিস্টেম চালাতে হবে। সকালবেলা কয়েক ঘণ্টার জন্য এই সিস্টেম চলবে, এবং রাত্রিবেলা কয়েক ঘণ্টার জন্য এই সিস্টেম চালাতে হবে।

৪. এই ফিশ ট্যাঙ্কের একটি নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং উচ্চতা হতে হবে। এটির দৈর্ঘ্য হতে হবে ৩ ফুট, প্রস্থ মোটামুটি ২.৫ ফুট এবং গভীরতা ১.৫ ফুট। এইরকম আকারের একটি ট্যাঙ্কের মধ্যে ৫০টি ঝিনুক খুবই সহজে চাষ করা সম্ভব।

৫. আপনাকে ঝিনুকের খাবার ঠিকঠাকভাবে দিতে হবে। ঝিনুক মূলত অ্যালগি খায়। তাই যে অ্যালগি আপনি চাষের ঝিনুককে খাওয়াবেন, সেটা যেন অবশ্যই ভালো মানের হয়। যত ভালো মানের অ্যালগি আপনি খাওয়াবেন, তত ভালো মানের মুক্তো পাওয়া যাবে। এছাড়াও প্রত্যেকটি ঝিনুককে ভিটামিন এবং মিনারেল খাবারের সঙ্গে দিতে হবে।

৬. এই পুরো পদ্ধতিটা করতে আপনার খরচ হবে মোটামুটি ২০,০০০ টাকা। তবে একটা বিষয় জানিয়ে রাখা ভালো, যদি আপনি বাণিজ্যিক কারণে এই মুক্তো চাষ করতে চান, তাহলে কিন্তু আপনাকে আলাদা করে লাইসেন্স তৈরি করতে হবে।

কত টাকা লাভ এই ব্যবসায়?

যদি আপনি অয়েস্টার দিয়ে মুক্তো চাষ করতে চান, তাহলে প্রতি অয়েস্টারপিছু আপনার খরচ হবে ২০ থেকে ৩০ টাকা করে। ১ মিলিমিটার থেকে ২০ মিলিমিটার অয়েস্টারের দাম এই মুহূর্তে ৩০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত। সাধারণ মুক্তো এই মুহূর্তে খুব একটা বেশি জনপ্রিয় নয়। বাজারে বর্তমানে বেশি দাম পাচ্ছে ডিজাইনার মুক্তো। তাই যদি আপনি এই ধরনের ডিজাইনার মুক্তো চাষ করেন, তাহলে আপনার লাভের অঙ্ক অনেকটা বেশি হবে। এছাড়াও ভারতীয় মার্কেটে রপ্তানি না করে যদি আপনার মুক্তো আপনি বিদেশি মার্কেটে রপ্তানি করেন তাহলে আপনার লাভের অঙ্ক অনেক বেশি বাড়বে।

তবে মুক্তো ছাড়িয়ে নিলেই যে ঝিনুকের দাম কমে গেল, সেরকম কিন্তু নয়। মুক্তো ছাড়িয়ে নেওয়ার পরেও সেই অয়েস্টার বা ঝিনুক আপনি মার্কেটে বিক্রি করতে পারবেন। বিভিন্ন ধরনের ডিজাইনের আইটেম তৈরির ক্ষেত্রে এই ধরনের ঝিনুক বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও, অয়েস্টার ঝিনুক থেকে এক ধরনের বিশেষ তেল উৎপাদন সম্ভব। কনৌজে এই ঝিনুক থেকে তেল নিষ্কাশনের একটা বড় ব্যবসা রয়েছে। এখানেও আপনি আপনার অয়েস্টার ঝিনুক বিক্রি করতে পারবেন। পাশাপাশি, পুকুর এবং জলাশয় অয়েস্টার খুব ভালোভাবে পরিষ্কার করে। তাই দূষণের সম্ভাবনাও প্রায় নেই বললেই চলে।

এক একর আয়তনের একটি পুকুরে সর্বাধিক ২৫,০০০ অয়েস্টার কিংবা ঝিনুক একসঙ্গে চাষ করা যায়। যদি আপনি অয়েস্টার চাষ করেন, তাহলে প্রতিটি অয়েস্টার ২টি করে মুক্তো উৎপাদন করবে। প্রতিটি মুক্তোর দাম হবে ১২০ টাকা করে। আপনার পুকুরের ৫০ শতাংশ অয়েস্টার যদি ঠিকঠাকভাবে বেড়ে ওঠে, তাহলে আপনি মোটামুটি ১০ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত রোজগার করতে পারবেন বার্ষিক।

মুক্তো চাষের জন্য সরকারি সাবসিডি

এই মুহূর্তে মাছ কিংবা অন্যান্য চাষের থেকেও বেশি লাভজনক হয়ে উঠেছে মুক্তো চাষ। এই চাষের সুবিধার কথা মাথায় রেখে ভারত সরকারের মৎস্য দপ্তরের তরফ থেকে মুক্তো-চাষিদের উদ্বুদ্ধ করতে বেশ কিছু প্রকল্প শুরু করা হয়েছে। মৎস্য দপ্তরের ব্লু রেভোলিউশন প্রোজেক্টের অন্তর্গত এই বিশেষ প্রকল্পে প্রত্যেকটি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যেন তারা তাদের অঞ্চলে মুক্তো চাষকে জনপ্রিয় করে তোলে। এর জন্য ভারত সরকারের তরফ থেকে প্রত্যেকটি রাজ্যকে আলাদা করে কিছু আর্থিক সাহায্য দেওয়া হয়।

মুক্তো চাষের ব্যবসায় সরকারি প্রকল্প- প্রধানমন্ত্রী মৎস্যসম্পদ যোজনা

প্রধানমন্ত্রী মৎস্যসম্পদ যোজনার অন্তর্গত বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে ভারত সরকারের তরফ থেকে ভারতের মৎস্যচাষীদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে যেন তারা নিজেদের পুকুর কিংবা জলাশয়ে মুক্তো চাষ করেন। প্রধানমন্ত্রী মৎস্যসম্পদ যোজনায় বছর কয়েক আগেই এই মুক্তো চাষ বিষয়টিকে যুক্ত করা হয়েছে। শুধুমাত্র সমুদ্রের জলে নয়, কীভাবে মিষ্টি জলেও ভালো মুক্তো চাষ করা যায়, সেই নিয়ে গবেষকরা এখনও গবেষণা করছেন।

তবে আপাতত মুক্তো চাষের প্রত্যেকটি ইউনিটের জন্য ০.২ লক্ষ টাকা করে খরচ হয়। এর মধ্যে পুঁজি, এককালীন খরচ এবং মাসিক খরচ সবকিছুই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আপনাকে এই প্রধানমন্ত্রী মৎস্য যোজনার সুবিধা নেওয়ার জন্য রাজ্য সরকার অথবা কেন্দ্রীয় সরকারের লিজ পলিসি অনুযায়ী নিজের কোম্পানিকে রেজিস্টার করতে হবে। তারপরেই আপনি এই বিশেষ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।

কীভাবে সুবিধা নেবেন এই সরকারি প্রকল্পের?

যারা এই সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নিতে চান, তাদের প্রথমে নিজেদের সমস্ত ডিটেলস দিয়ে তৈরি করতে হবে নিজের চাষের প্রকল্পের একটি খসড়া। এর মধ্যে টেকনোলজি এবং ফিনান্স সমস্ত ডিটেলস আপনাকে যুক্ত করতে হবে। এর মধ্যে যুক্ত থাকতে হবে আপনার চাষের লাইসেন্স, সরকারি অনুমতিপত্র, এবং প্রযুক্তিগত বিবরণ। সরকারের তরফ থেকে একটি নির্দিষ্ট ইউনিট পরিমাণ আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে সেই চাষিকে। একজন স্বাধীন চাষী পাবেন ৫ ইউনিটের জন্য আর্থিক সাহায্য। অন্যদিকে, তফশিলি জাতি-উপজাতি, এবং মহিলা-সম্বলিত কোনও কো-অপারেটিভ সোসাইটির মৎস্যজীবীরা পাবেন ৫০ ইউনিটের জন্য আর্থিক সাহায্য।

যদি রাজ্য সরকার অথবা কোনও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রশাসন সরাসরি অনুমতি দেয়, তাহলেই এই চাষের জন্য আপনি কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবেন। কেন্দ্রীয় সরকারের মৎস্য দপ্তরের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে গেলে আপনি এই প্রকল্পের ব্যাপারে আরও ভালোভাবে জানতে পারবেন।

লিখেছেন
Sourish Das
Sourish Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

২০২৫ যে শব্দগুলির সঙ্গে পরিচয় করাল

Word of the year: গুগল ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয়রা ২০২৫ সালে যেসব শব্দের অর্থ সবচেয়ে বেশি খুঁজেছে, তা তাদের মানসিক অবস্থার প্রতিফলন। যেমন—সিজফায়ার অর্থাৎ যুদ্ধবিরতি, মক ড্রিল অর্থাৎ নিরাপত্তার জন্য মহড়া।

জ্যোতির্ময় দত্ত: লেখালেখির বাইরে এক খ্যাপাটে মানবতাবাদী

Jyotirmoy Dutta: বামপন্থার সমালোচক ছিলেন জ্যোতির্ময় দত্ত। তাঁর আদর্শ ছিল রবীন্দ্রনাথ ও মহাত্মা গান্ধীর মানবতা।

ঘৃণার রাজনীতি: এখন লক্ষ্য খ্রিস্টান?

Anti-Christian violence India: মিচেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশে খ্রিস্টান নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৮৩৪টি (গড়ে মাসে ৭০ টি)। ২০২৫ সালে নভেম্বর মাস পর্যন্ত নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৭০৬ টি।

এক বাঙালির জেদে জুড়ল দুই বাংলা: টেলিগ্রাফ ম্যান শিবচন্দ্র নন্দী

Seebchunder Nandy: ১৮৫১ সালে কলকাতা-ডায়মন্ড হারবার লাইনের প্রথম সংকেত প্রেরণের সময় শিব চন্দ্র নন্দী ডায়মন্ড হারবার থেকে বার্তা পাঠান, অন্য প্রান্তে ও'শাগনেসির সঙ্গে ছিলেন লর্ড ডালহৌসি।

অন্যের দুঃখে কেন আমাদের মিষ্টি হাসি? শ্যাডনফ্রয়ডার মনস্তত্ত্ব

Schadenfreude: বর্তমান যুগে এই অনুভূতি আগুনের মতো ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে। আমরা এখন যাকে 'ট্রোলিং' বলি, তার মূলে রয়েছে এই শ্যাডনফ্রয়ডা।

দেশে দেশে নানাবেশে আছেন সে এক সান্তা ক্লজ

Santa Claus Across Cultures: ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত রঙিন চিত্র সংকলনে জর্জ ওয়েবস্টার লিখেছিলেন, সান্তা ক্লজের বাড়ি "নর্থ পোলের নিকটে"।

বিপন্ন ভারতের প্রাচীন পর্বতমালা‍! যেভাবে ধ্বংসের মুখে আরাবল্লী

Aravalli Hills Under Threat: পরিবেশবিদদের মতে, আরাবল্লী কেটে ফেললে দিল্লির দূষণ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নেবে।

শৈশবের ‘রিওয়্যারিং’: স্ক্রিনের নীল আলো গিলে খাচ্ছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে?

Screen Addiction Destroying the Mental Health: বাস্তব জগত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ডিজিটাল জগতে ডুবে থাকায় শিশুদের মানসিক কাঠামোর এক আমূল পরিবর্তন ঘটে যাচ্ছে।