মোদি-মমতার জয়ের পথ সুগম করেছে, রাজনীতিতে যেভাবে উত্থান আইপ্যাকের

IPAC: এক সময় যেখানে নির্বাচন কৌশল বলতে শুধুই ছিল মিছিল, পোস্টার, জনসভা আর নেতাদের ব্যক্তিগত প্রভাব সেখানে এখন সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছে তথ্য, সমীক্ষা ও ডিজিটাল কৌশল। এই রূপান্তরের কেন্দ্রেই উঠে এসেছে আইপ্যাকের নাম।

Sangita Ghorai
৫ মিনিট
মোদি-মমতার জয়ের পথ সুগম করেছে, রাজনীতিতে যেভাবে উত্থান আইপ্যাকের

রাজ্য-রাজনীতিতে এখন চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে আইপ্যাক। ৮ জানুয়ারি আইপ্যাকের সল্টলেক দফতর এবং আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে ইডি অভিযানের পর থেকেই রাজনৈতিক মহল ছাড়িয়ে জনমানসেও আইপ্যাক নিয়ে আলোচনা বিস্তর। একসময় নরেন্দ্র মোদির হয়েও কাজ করেছে এই রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। কিন্তু কীভাবে সংস্থার উত্থান? কীভাবেই বা কাজ করে এই সংস্থা?

ভারতীয় রাজনীতিতে গত এক দশকে যেভাবে নির্বাচন পরিচালনার ধরন বদলেছে, তার অন্যতম প্রধান প্রতীক ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি (IPAC)। এক সময় যেখানে নির্বাচন কৌশল বলতে শুধুই ছিল মিছিল, পোস্টার, জনসভা আর নেতাদের ব্যক্তিগত প্রভাব সেখানে এখন সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছে তথ্য, সমীক্ষা ও ডিজিটাল কৌশল। এই রূপান্তরের কেন্দ্রেই উঠে এসেছে আইপ্যাকের নাম।

আইপ্যাকের জন্ম ও উত্থান

২০১৩-১৪ সালে নরেন্দ্র মোদির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে উত্থানের সময় আইপ্যাকের পথচলা শুরু। রাজনৈতিক কৌশলবিদ প্রশান্ত কিশোরের নেতৃত্বে ‘সিটিজেন্স ফর অ্যাকাউন্টেবল গভর্ন্যান্স (CAG)’ নামে যে স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ গড়ে উঠেছিল, প্রশান্ত কিশোরের নেতৃত্বাধীন এই টিমই ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদির ‘চায়ে পে চর্চা’ এবং ‘থ্রি-ডি র‍্যালি’-র মতো আইকনিক প্রচারের পরিকল্পনা করেছিল। সেটিই পরবর্তীতে আইপ্যাকের রূপ নেয়। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির হয়ে তথ্যভিত্তিক প্রচার, সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার ও বুথ-স্তরের পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় এই টিম। তখন এই পরামর্শদাতা সংস্থার অন্যতম মুখ ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। আর আইপ্যাকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা প্রতীক জৈন আড়ালে থেকেই শক্ত করছিলেন রাজনৈতিক জমির ভিত।

১৩ বছর আগে, তরুণ প্রতীক ধৈর্যের পাঠ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদিকে। তখন মোদি প্রধানমন্ত্রী নন, গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। ২০০৭ সালে সাংবাদিক কর্ণ থাপরের সঙ্গে গুজরাত দাঙ্গা নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে ‘অপ্রিয়’ প্রশ্নে ক্ষুব্ধ হয়ে মোদির আসন ছেড়ে উঠে যাওয়ার ঘটনা সেই সময় আলোচনায় আসে। ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, ২০১৪ লোকসভা ভোটের প্রস্তুতির সময় ওই সাক্ষাৎকারের ক্লিপিং বারবার দেখিয়ে দর্শকের চোখে মোদির শরীরী ভাষার নেতিবাচক প্রভাব বোঝানো হয়। মোট ১৭ বার সেই ফুটেজ দেখিয়ে সহনশীলতা ও ধৈর্যের পাঠ দেওয়া হয়েছিল, যার অন্যতম পুরোধা ছিলেন প্রতীক।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
তাঁর জন্য ইডির সঙ্গে সম্মুখসমরে মমতা, কে এই প্রতীক জৈন?

Pratik Jain I-PAC: ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরেই সিটিজেনস ফর অ্যাকাউন্টেবল গভর্নেন্স নামের একটি সংস্থা তৈরি করেন প্রতীক। সংস্থাটি ছিল গুজরাটের আহমেদাবাদে। উনিশ মাস এখানে কাজ করেন তিনি। সেখানে কাজ করতে করতেই তাঁর সাক্ষাৎ প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে।

২০১৪-তে সাফল্য পাওয়ার পর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি পিকের টিমকে। ২০১৫ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে নীতীশ কুমার-লালু যাদব জোটের হয়ে কাজ করে আইপ্যাক। ‘বিহার মে বহার হ্যায়, ফের সে নীতীশ কুমার হো’ এই স্লোগান শুধু প্রচারের ভাষাই নয়, নির্বাচনী বয়ানের দিকও বদলে দেয়। পরবর্তী সময়ে পঞ্জাবে কংগ্রেস (২০১৭), অন্ধ্রপ্রদেশে ওয়াইএসআর কংগ্রেস, তামিলনাড়ুতে ডিএমকে, দিল্লিতে আম আদমি পার্টি— একাধিক রাজ্যে আইপ্যাক বিভিন্ন দলের সঙ্গে কাজ করে।

তৃণমূল কংগ্রেসে আইপ্যাকের প্রবেশ

২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় বিজেপির ব্যাপক উত্থানের পরই তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত হয় আইপ্যাক। এরপর ধাপে ধাপে জনমানসে তৃণমূলের ভাবমূর্তি বদলাতে একাধিক কর্মসূচি নেয় এই ভোটকৌশল সংস্থা। বিজেপির আক্রমণাত্মক প্রচার, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের লাগাতার সফর ও ক্ষমতা দখলের জোরালো প্রচেষ্টার মুখে তৃণমূলের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল সংগঠন ও বার্তা, দুটোকেই শানিত করা।

২০২১ সালের হাই-ভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচনে আইপ্যাকের পরিকল্পনাতেই সামনে আসে ‘বাংলা নিজের মেয়েকে চায়’ স্লোগান এবং ‘দুয়ারে সরকার’-এর মতো প্রকল্প। এই জনমুখী প্রচার ও কর্মসূচিগুলিই তৃণমূলকে বিপুল জয় পেতে উল্লেখযোগ্য ভাবে সাহায্য করে। এই পর্বে আইপ্যাকের ভূমিকা ছিল পর্দার আড়ালে, কিন্তু গভীর। দলীয় সূত্র অনুযায়ী, আইপ্যাক রাজ্যজুড়ে সমীক্ষা চালিয়ে ভোটারের প্রধান উদ্বেগ, অঞ্চলভিত্তিক ইস্যু ও বিরোধী শক্তির প্রভাব বিশ্লেষণ করে। তার ভিত্তিতেই তৈরি হয় ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচি, যা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি মানুষের সমস্যার সঙ্গে যুক্ত করার এক অভিনব মাধ্যম হয়ে ওঠে।

কী ভাবে কাজ করে আইপ্যাক?

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশও মনে করেন, আইপ্যাকের উত্থানের পূর্বে ভারতবর্ষে নির্বাচনের প্রচার হতো কর্মীদের মাধ্যমে। কিন্তু পেশাদার রাজনীতির চলন হয়েছে এই সংস্থার মাধ্যমেই। আইপ্যাক মূলত তথ্যনির্ভর কাজ করে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
একমাত্র এই চালেই পরাজিত হতে পারে বিজেপি, যে উপায় বাতলে দিলেন প্রশান্ত কিশোর

Prasant Kishor on BJP Defeat : বছর গেলেই ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের মহারণ। সব মিলিয়ে রাজনৈতিক দলগুলিও নিজেদের নীল নকশা তৈরি করে নিচ্ছে।

তথ্য ও সমীক্ষা

রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্র ধরে ভোটার প্রবণতা, স্থানীয় ক্ষোভ, উন্নয়ন প্রকল্পের প্রভাব ও সম্ভাব্য ঝুঁকি চিহ্নিত করা হয়।

ন্যারেটিভ গঠন

যেমন ‘বাংলার মেয়ে’, ‘বহিরাগত বনাম স্থানীয়’, ‘কেন্দ্রের বঞ্চনা’ এই রাজনৈতিক বয়ানগুলিকে তথ্যভিত্তিক সাজিয়ে তুলে ধরার কৌশল তৈরি হয়।

সাংগঠনিক কৌশল

বুথ-স্তরে কর্মী সক্রিয় করা, দুর্বল এলাকা চিহ্নিত করে বিশেষ নজর দেওয়া এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার চালানো।

নেতৃত্বের ইমেজ ম্যানেজমেন্ট

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত লড়াই, আঘাতের পরেও হুইলচেয়ারে প্রচার, এই ছবিগুলিকে রাজনৈতিক প্রতীকে পরিণত করার পরিকল্পনাতেও আইপ্যাকের ভূমিকা ছিল বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অভিমত।

২০২১ সালের জয়ের পরেও আইপ্যাকের সঙ্গে তৃণমূলের সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন হয়নি। প্রশাসনিক ফিডব্যাক, জনমত সমীক্ষা এবং বিভিন্ন কর্মসূচির মূল্যায়নে এই সংস্থার পরামর্শ নেওয়া হচ্ছিল বলে দাবি বিরোধীদের। যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব বারবার বলেছে, আইপ্যাক কোনো সিদ্ধান্ত নেয় না; তারা কেবল পরামর্শ দেয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও প্রথমের দিকে আইপ্যাকের প্রতি নরম ছিলেন না। প্রকাশ্য মঞ্চে তাঁকে বলতে শোনা যায়, “প্যাক-ফ্যাকের কথা শুনে কেউ কাজ করবেন না।” আবার তিনিই সবাইকে অবাক করে দিয়ে কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানেই নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে একটি সভায় ‘আমার আইপ্যাক’ বলে সম্বোধন করেন। সাম্প্রতিক ইডি অভিযানের সময় তো আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনকে তাঁর পার্টির ইনচার্জ বলেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আইপ্যাক আসলে ভারতীয় রাজনীতির একটি নতুন যুগের প্রতিফলন। যেখানে নির্বাচন আর শুধুই আদর্শের লড়াই নয়, তথ্য, কৌশল ও পেশাদার ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রও।

আইপ্যাকের উত্থান দেখিয়েছে, আধুনিক ভারতীয় রাজনীতিতে পেশাদার রাজনৈতিক পরামর্শদাতাদের ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে তাদের কাজ সেই পরিবর্তনেরই একটি বড় উদাহরণ। তবে এই মডেল গণতন্ত্রকে কতটা শক্তিশালী করছে, নাকি রাজনৈতিক ক্ষমতাকে আরও কেন্দ্রীভূত করছে? সে প্রশ্নের উত্তর সময়ই দেবে।

লিখেছেন
Sangita Ghorai
Sangita Ghorai
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।