Exclusive : ডেলিভারি শ্রমিকদের নিয়ে কী ভাবছে কংগ্রেস? যা জানালেন কানহাইয়া কুমার

Kanhaiya Kumar Exclusive : গিগ শ্রমিকদের অবস্থা নিয়ে কংগ্রেস কী ভাবছে তা ইনস্ক্রিপ্টকে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন কানহাইয়া।

inscript
২ মিনিট
Exclusive : ডেলিভারি শ্রমিকদের নিয়ে কী ভাবছে কংগ্রেস? যা জানালেন কানহাইয়া কুমার

ভারতে জোম্যাটো, অ্যামাজন, উবর, ওলা থেকে শুরু করে বিভিন্ন অ্যাপ ভিত্তিক পরিষেবা বাড়ছে। গত কয়েক বছরে একমাত্র এই ক্ষেত্রেই নিয়োগ হয়েছে সবচেয়ে বেশি। কিন্তু এই শ্রমিকরা চুক্তিভিত্তিক। কর্মসংস্থান দেশে তলানিতে এসে ঠেকেছে। সেই অবস্থায় ভারতে ক্রমেই বেড়েছে গিগ অর্থনীতির দাপট, বেড়েছে ডেলিভারি শ্রমিক। অথচ এই শ্রমিকদের চাকরি না রয়েছে নিশ্চয়তা, না আছে পেনশন, না আছে প্রভিডেন্ড ফান্ড না আছে বীমা। কংগ্রেস যুব সম্প্রদায়ের চাকরির বিষয়টিকে জোর দিচ্ছে সবচেয়ে বেশি। ক্ষমতায় এলে ডেলিভারি শ্রমিকদের নিরাপত্তার দিকটি নিয়ে কী ভাবছে কংগ্রেস, তা স্পষ্ট করে জানালেন কানহাইয়া কুমার। মালদহে ইনস্ক্রিপ্টকে এক একান্ত কথোপকথনে কংগ্রেস নেতা কানহাইয়া জানান, রাজস্থানে ক্ষমতায় থাকার সময় কংগ্রেসই গিগ শ্রমিক বা ডেলিভারি শ্রমিকদের নিয়ে আইন পাস করে।

ভারতের গিগ শ্রমিকরা তথাকথিত নিয়োগকর্তা-কর্মচারী- এই সম্পর্কের বাইরে পড়েন। কিন্তু এই শ্রমিকরাই বিশ্বের পঞ্চম বৃহৎ অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে কারণ এই ক্ষেত্রটি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। কোভিডের পরে বেকারত্বের হার যত বেড়েছে ডেলিভারি কর্মীর সংখ্যাও বেড়েছে তত।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
'ন্যায় যাত্রা' নিয়ে মালদহে রাহুল, নিজের গড়ে কেন গড়হাজির ডালু?

Bharat Jodo Nyay Yatra: মালদহ আদতে যার গড়, যে নেতার জন্য মালদহে কংগ্রেসের এত প্রতাপ, সেই আবু হাসেম খান চৌধুরী ওরফে ডালু কোথায় এই বিরাট ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রায়?

ভারতের গিগ অর্থনীতির সঙ্গে জড়িয়ে আছেন ঠিক কত শ্রমিক তার কোনও সরকারি পরিসংখ্যান নেই। তবে এই ডেলিভারি শ্রমিকদের সংখ্যা ১০ মিলিয়ন থেকে ১৫ মিলিয়নের মধ্যেই। নীতি আয়োগের অনুমান ২০৩০ সালের মধ্যে গিগ অর্থনীতিতে জুড়ে থাকা শ্রমিকদের সংখ্যা ২৩.৫ মিলিয়নেরও বেশি হতে পারে। অথচ এই শ্রমিকদের চাকরি অনিশ্চিত, চিকিৎসা ও দুর্ঘটনা সংক্রান্ত বীমা নেই। দাবি দাওয়া জানানোর জায়গাও নেই। শ্রমিক হিসেবে স্বীকৃতি, শ্রম আইনের অধীনে সমস্ত সুবিধা পাওয়া, নির্দিষ্ট কাজের সময় এবং কাজের যোগ্য পরিবেশ সহ বিবিধ দাবি শ্রমিকদের মধ্যে থেকে আগেও উঠে এসেছে। এই গিগ শ্রমিকদের অবস্থা নিয়ে কংগ্রেস কী ভাবছে তা ইনস্ক্রিপ্টকে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন কানহাইয়া।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কংগ্রেস-তৃণমূল বন্ধুতার পথে কাঁটা অতিরিক্ত 'বামপ্রীতি'! মালদহের সভা থেকে যা বললেন মমতা

Mamata Banerjee: কংগ্রেসের সঙ্গে জোট না করার জন্য ফের বামেদেরকেই দুষেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন সিপিএমের উপর।

কানহাইয়া কুমার বলছেন, রাজস্থানে কংগ্রেস সরকার ছিল কিছুকাল আগেও। সেই প্রথম, দেশের কোনও রাজ্য সরকার গিগ শ্রমিকদের নিয়ে আইন পাস করেছিল। রাজস্থানে কংগ্রেসই প্রথম এমন কাজ করে। কানহাইয়া ইনস্ক্রিপ্টকে বলেন, "এই দেশের যুবকরা কংগ্রেসের সঙ্গে জুড়ুন আমরা চাই। কংগ্রেস সরকার রাহুল গান্ধির নেতৃত্বে, মল্লিকার্জুন খাড়্গের নেতৃত্বে দেশের যুবকদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্য অবিচল হয়ে কাজ করবে। যারা শ্রমিক রয়েছেন, সে গিগ শ্রমিকই হন বা অসংগঠিত ক্ষেত্রের মজুর বা সংগঠিত শ্রমিক, পেনশন স্কিম থেকে শুরু করে সমস্ত কল্যাণমূলক কাজগুলি কংগ্রেস করবে। এটা কেবল প্রতিশ্রুতি নয়। আমাদের সরকার যেখানে এসেছে গিগ শ্রমিকদের নিরাপত্তা আমরা নিশ্চিত করেছি।" কানহাইয়া জানান, ভারত জোড়ো যাত্রা যখন শুরু হয়, সেই প্রথম দফার সময়েই গিগ শ্রমিকদের প্রতিনিধি দল রাহুল গান্ধির সঙ্গে এসে দেখা করেন। রাজস্থানে তখনই কংগ্রেস সরকার এই নিয়ে আইন পাস করে।

একই কথা বলেন জয়রাম রমেশও। জয়রামের অভিযোগ, মোদি সরকার শ্রমিকদের দাবি দাওয়া শোনে না, মোদিজি হাজারও শ্রমিক সংগঠনগুলির কণ্ঠরোধ করছেন। জয়রাম রমেশ বলছেন, গিগ অর্থনীতির ফলে লক্ষ লক্ষ গিগ শ্রমিক পেয়েছে এই দেশ, অথচ এই শ্রমিকরা নিরাপত্তাহীন।

ইনস্ক্রিপ্টের প্রশ্নের উত্তরে জয়রাম বলছেন, "রাহুল গান্ধি বলছেন পাঁচটি ন্যায়ের কথা। এই পাঁচটি ন্যায়ের লক্ষ্যেই ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা নিয়ে রাজ্যে রাজ্যে হাঁটছেন রাহুল। এই পাঁচটি ন্যায় হলো- নারী ন্যায়, যুবা ন্যায়, কৃষক ন্যায়, শ্রমিক ন্যায়, অংশীদারিত্বের ন্যায়। আর শ্রমিকদের ন্যায়ের মধ্যে আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে গিগ ইকোনমির লক্ষ্য লক্ষ্য শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষার বিধি বলবৎ করা"।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।