প্যালেস্টাইনের সাংবাদিকদের জেলবন্দির যে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার তথ্য সামনে এল

Palestinian Journalists Detained Without Charge: নিউইয়র্কভিত্তিক সাংবাদিক সুরক্ষা সংগঠন Committee to Protect Journalists-এর তথ্য বলছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে অন্তত ৯০ জনের বেশি প্যালেস্তাইনের সাংবাদিক এই আইনের আওতায় আটক হয়েছেন। তাঁদের অনেকের অভিযোগ, বন্দিত্বের অভিজ্ঞতা ছিল ভয়াবহ।

inscript
৪ মিনিট
প্যালেস্টাইনের সাংবাদিকদের জেলবন্দির যে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার তথ্য সামনে এল

কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ নেই, নেই প্রকাশ্য বিচারও— তবু মাসের পর মাস জেলবন্দি। ‘প্রশাসনিক আটক’ নামে পরিচিত এই আইনি ব্যবস্থাকে ঘিরে বহুদিনের বিতর্ক নতুন করে সামনে এসেছে গাজা-ইজরায়েল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে। নিউইয়র্কভিত্তিক সাংবাদিক সুরক্ষা সংগঠন Committee to Protect Journalists-এর তথ্য বলছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে অন্তত ৯০ জনের বেশি প্যালেস্টাইনের সাংবাদিক এই আইনের আওতায় আটক হয়েছেন। তাঁদের অনেকের অভিযোগ, বন্দিত্বের অভিজ্ঞতা ছিল ভয়াবহ।

সাংবাদিকতার কাজ নিয়ে যথেষ্ট ঝুঁকি রয়েছে। আর যুদ্ধের মধ্যে কাজ করা মানে প্রতিদিন রীতিমত প্রাণহানির আশঙ্কা নিয়েই মাঠে নামা। তবু গাজার বহু সাংবাদিক নিজেদের জীবন বাজি রেখে বোমাবর্ষণ, ধ্বংসস্তূপ, হাসপাতালের করুণ দৃশ্য, শরণার্থী শিবিরের বাস্তব পরিস্থিতি— সবই তুলে ধরছিলেন বিশ্বের সামনে। সেই মানুষগুলিই যখন আটক হলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ ছিল, তা অনেক ক্ষেত্রেই পরিষ্কার করে জানানো হয়নি।

সিপিজের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর থেকে অন্তত ৯০-এর বেশি প্যালেস্টাইনের সাংবাদিককে কোনো না কোনো সময়ে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৬০ জন মুক্তি পেয়ে তাঁদের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। কেউ বলেছেন, গ্রেফতারের মুহূর্তেই তাঁকে মাটিতে ফেলে লাথি মারা হয়। কারও চোখ বেঁধে হাত পিছনে বেঁধে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। কেউ আবার জানিয়েছেন, জেরা চলাকালীন বারবার মাথায় আঘাত করা হয়েছে। অনেকের শরীরেই সেই ক্ষতের চিহ্ন এখনও রয়ে গিয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, নির্যাতন ছিল শুধু তথ্য আদায়ের জন্য নয়; কখনও কখনও তা ছিল ভয় দেখানোর জন্য, কখনও অপমান করার উদ্দেশ্যে।

সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ এসেছে খাদ্য ও চিকিৎসা বঞ্চনার প্রসঙ্গে। একাধিক সাংবাদিক জানিয়েছেন, তাঁদের নিয়মিত পর্যাপ্ত খাবার দেওয়া হয়নি। অনেকে উল্লেখ করেছেন, কয়েক মাসে তাঁদের শরীরের ওজন অনেকটাই কমে যায়। সিপিজের তথ্য অনুযায়ী, বেশ কয়েকজনের শরীরের ওজন গড়ে ২০ থেকে ২৫ কিলোগ্রাম পর্যন্ত কমে গিয়েছে। অপুষ্টি, দুর্বলতা ও রক্তাল্পতার লক্ষণ দেখা দিলেও যথাযথ চিকিৎসা মিলেনি, এমন দাবিও করেছেন অনেকে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
এই মৃত্যু যেন আপনার ঘুম কেড়ে নেয়...

Israel Gaza Conflict : প্রিয় পোষ্য, বাসনপত্র, পরিবার সব একসঙ্গে নিয়ে একটাই ঘোড়ার গাড়িতে চেপে পালাচ্ছেন। সেই গাড়ির চালকও পালাচ্ছেন।

চিকিৎসা বঞ্চনার অভিযোগও কম নয়। কারও মাথায় চোট লেগেছে, কারও পাঁজরের হাড় ভেঙেছে— তবু প্রয়োজনীয় এক্স-রে বা অস্ত্রোপচার করা হয়নি বলে অভিযোগ। কিছুজনের কথায়, ডাক্তার দেখানো হলেও চিকিৎসা করা হয়েছে খুবই সামান্য এবং প্রয়োজনীয় যত্নের অভাব ছিল। এই অভিযোগগুলি যদি সত্য হয়, তাহলে তা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের গুরুতর লঙ্ঘন।

আরও ভয়াবহ অভিযোগ এসেছে যৌন সহিংসতার প্রসঙ্গে। কয়েকজন সাংবাদিক দাবি করেছেন, তাঁদের শারীরিকভাবে অপমানজনক আচরণের মুখোমুখি হতে হয়েছে। কেউ জানিয়েছেন, অপমানজনকভাবে পোশাক খুলিয়ে তল্লাশি করা হয়েছে। আবার কেউ সরাসরি যৌন নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন।

প্রশাসনিক আটক পদ্ধতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে। এই আইনের আওতায় কাউকে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা বিচার ছাড়াই মাসের পর মাস, কখনও বছরের পর বছর আটক রাখা সম্ভব। মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, এই ব্যবস্থার অপব্যবহার হলে ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতিই প্রশ্নের মুখে পড়ে। সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে এই আইনের প্রয়োগ আরও উদ্বেগজনক, কারণ এতে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

ইজরায়েলি কর্তৃপক্ষ অতীতে এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং বলেছে, নিরাপত্তাজনিত প্রয়োজনে আটক করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, নির্যাতনের অভিযোগ উঠলে তা তদন্ত করা হয়। তবে সিপিজে মনে করছে, অভিযোগের সংখ্যা ও ধারাবাহিকতা এত বেশি যে একটি স্বাধীন ও স্বচ্ছ আন্তর্জাতিক তদন্ত এখন অত্যন্ত জরুরি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হাসপাতাল থেকে আর কখনও ফিরবে বাবা? গাজায় পথ চেয়ে একরত্তি মেয়ে

Israel-Gaza War: গত সাত দিনে অন্তত পাঁচশো শিশুর মৃত্যু হয়েছে গাজায়। বাবা-মা আপ্রাণ চেষ্টা করছেন, তাঁদের সন্তানকে চারপাশের পরিস্থিতি থেকে, অসংখ্য মৃত্যুমিছিলের অভিশাপ থেকে বাঁচানোর। কিন্তু তেমনটা ঘটছে না আদপেই।

এই পুরো ঘটনাপ্রবাহ শুধু মানবাধিকার প্রশ্ন নয়; এটি সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রশ্নও। যুদ্ধের সময় তথ্যপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ এখন যেন ট্রেন্ড হয়ে গিয়েছে। কে কী দেখাবে, কোন ছবি বাইরে যাবে আর কার কথা মানুষকে শোনানো হবে— এসব নিয়েই তৈরি হয় এক অদৃশ্য যুদ্ধ।

গুরুত্বপূর্ণ হলো, ইজরায়েল গাজায় বাইরের দেশের সাংবাদিকদের ঢুকতে দিচ্ছে না। এর ফলে গাজায় সিংহভাগই প্যালেস্টাইনের সাংবাদিকরাই গ্রাউন্ড রিপোর্টিং করতে পারছেন। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় নিহত সাংবাদিকদের মধ্যে ২০০ জনই প্যালেস্টাইনের।

গাজার নিহত সাংবাদিকদের আটক এবং নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে বিশ্বজুড়ে সাংবাদিক সংগঠন ও মানবাধিকার কর্মীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, সাংবাদিকদের উপর নির্যাতন বা অমানবিক আচরণ কেবল মানবাধিকার লঙ্ঘন নয়, তা যুদ্ধাপরাধের মধ্যেও পড়তে পারে, যদি প্রমাণিত হয়।

এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, এই অভিযোগগুলির নিরপেক্ষ তদন্ত হবে কি না। আটক সাংবাদিকদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা স্বাধীনভাবে পরীক্ষা করা হবে কি না। আর ভবিষ্যতে তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গাজায় সাংবাদিকদের হত্যার দীর্ঘ ইতিহাস আছে। প্যালেস্টাইনের এক ইতিহাস বিশেষজ্ঞ দ্য কনর্ভার্সেশন-কে বলেন, সাংবাদিকদের উপর হামলা ১৯৬৭ সাল থেকে শুরু হয়েছে। ইজরায়েল ১৯৬৭ সালে দখলদারিত্বের প্রথম দিন থেকেই, মিডিয়া রিপোর্টিংয়ের উপর শক্ত নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে চেয়েছে। পরে সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণ করতে সেন্সরশিপ আনা হয়। ওই বছরেরই অগাস্টে, ইজরায়েলি সেনাবাহিনী ধারা ১০১ জারি করে প্যালেস্টাইনে রাজনৈতিক সমাবেশ এবং প্রচারমূলক প্রকাশনাগুলিকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা শুরু করে। সে সময় সমস্ত প্যালেস্টাইন সংবাদমাধ্যমগুলিকে ইজরায়েল কর্তৃপক্ষের কাছে দুটি করে মুদ্রণ কপি জমা দিতে হত। তবে বিধিনিষেধ সত্ত্বেও, স্থানীয় সাংবাদিকতা টিকে ছিল এবং তা ধীরে ধীরে বৃদ্ধিও পেয়েছিল।

১৯৮৭ সালের ডিসেম্বরে প্যালেস্টাইনবাসী প্রথম ইজরায়েলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু করে। বিদ্রোহের প্রথম বছরেই , ইজরায়েলি বাহিনী ৪৭ জন প্যালেস্টাইন সাংবাদিককে আটক করে, আটটি স্থানীয় ও আঞ্চলিক সংবাদপত্র সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করে, দুটি পত্রিকার লাইসেন্স বাতিল করে এবং চারটি প্রেস সার্ভিস অফিস বন্ধ করে দেয়।

অনেকেই মনে করেছিলেন, ইজরায়েল এবং প্যালেস্টাইন মুক্তি সংস্থার মধ্যে হওয়া অসলো চুক্তি হয়তো সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে পারবে। কিন্তু তা হয়নি। ওই চুক্তির অংশ হিসেবে প্যালেস্টাইনে নতুন কর্তৃপক্ষ আসে, এরা অস্থায়ী ভিত্তিতে প্যালেস্টাইনেকে আংশিকভাবে পরিচালনা করার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এরাও আবার নিজস্ব একটি সেন্সরশিপ ব্যবস্থা আনে। যে সংবাদমাধ্যমগুলিকে সমালোচনামূলক বলে মনে করা হতো, তাদের সাংবাদিকদের গ্রেফতার করা হতো, এমনকি কিছু সংবাদমাধ্যমকে বন্ধও করে দেওয়া হয়েছিল।

১৯৬৭ সাল থেকে শুরু করে প্রথম ইন্তিফাদা, তারপর অসলো চুক্তির পরবর্তী সময়— প্রতিটি পর্বেই সংবাদমাধ্যমের উপর নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নটি বারবার সামনে এসেছে। তবে নিউইয়র্কভিত্তিক সংগঠন Committee to Protect Journalists যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তা আবারও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। বর্তমান পরিস্থিতি আরও চিন্তার। গাজায় বাইরের দেশের সাংবাদিকদের প্রবেশ প্রায় বন্ধ। ফলে সেখানকার ঘটনাগুলি বিশ্বের সামনে তুলে ধরার দায়িত্ব এখন মূলত স্থানীয় প্যালেস্তাইনের সাংবাদিকদের উপরেই। গাজার সাংবাদিকদের এই ঘটনাপ্রবাহ আমাদের মনে করিয়ে দেয়, বোমা আর বন্দুকের শব্দের আড়ালে নীরবে চলে আরেকটি লড়াই— সত্যকে বাঁচিয়ে রাখার লড়াই, মানুষের সামনে বাস্তব তুলে ধরার লড়াই

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।