শমীক ভট্টাচার্যকে সভাপতি করে তৃণমূলের সুবিধা করে দিল বিজেপি?

Samik Bhattacharya: শমীক ভট্টাচার্য সংখ্যালঘুদের মুসলমান-মৌলবাদ ও 'ধর্মীয় ফ্যাসিজম' ছেড়ে বিজেপির দিকে এগিয়ে আসতে আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি শুনিয়েছেন বাংলার বহুত্ববাদের কথা।

Sambit Pal
৫ মিনিট
শমীক ভট্টাচার্যকে সভাপতি করে তৃণমূলের সুবিধা করে দিল বিজেপি?

২০০৬ সালে শ্যামপুকুরে বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের ফাঁকে গলি, তস্য গলি পেরিয়ে একটি বাড়িতে দলীয় কর্মী ও দলীয় পতাকায় ঠাসা একচিলতে ঘরে বসেছিলেন তিনি। সেই বোধহয় প্রথমবার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া। মুখে সেই চিরাচরিত উদ্বেগের ছাপ। কিন্তু কথায় চিরাচরিত প্রত্যয়। সেই থেকে অনেকবার হার নিশ্চিত জেনেও ভোটের ময়দানে লড়াই করে গেছেন। ভাগ্যে শিঁকে ছিঁড়েছে বসিরহাটে উপনির্বাচনে। তিনি বিধায়ক হয়েছেন। আবার হেরেছেন। সব শেষে তিনি রাজ্যসভায় সাংসদ হিসেবে গেছেন।

বিজেপির একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে শমীক ভট্টাচার্য কোনওদিন হাল ছাড়েননি। যখন অনেক পাখি এসেছে এবং উড়ে গেছে বা কেউ উড়িয়ে দিয়েছে, তখন তপন শিকদার থেকে শুরু করে তথাগত রায়, রাহুল সিংহ, দিলীপ ঘোষ, এমনকী সুকান্ত মজুমদারের সভাপতিত্বেও তিনি মুরলীধর সেন স্ট্রিটের অফিসে নিজের উজ্জ্বল উপস্থিতি বজায় রেখেছেন। ব্যক্তিগত জীবনের বিতর্কের ঝড়-ঝঞ্ঝাও তিনি সামলে নিয়েছেন। রাজনৈতিক জীবনে তার বিশেষ প্রভাব পড়েনি।

শমীক ভট্টাচার্যকে রাজ্য সভাপতি করে এক ঢিলে অনেক পাখি মারতে চেয়েছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। শুভেন্দু, দিলীপ, সুকান্ত সহ দলের নানা গোষ্ঠীর কাউকেই খুশি বা অখুশি না করে, 'নির্দলীয়' শমীককে রাজ্য সভাপতির আসনে অভিষিক্ত করেছেন জগৎ প্রকাশ নাড্ডারা। আরএসএসের শাখা করে উঠে আসা দীর্ঘদিনের বিজেপি নেতাকে রাজ্য সভাপতির আসনে বসিয়ে পুরনো বিজেপি কর্মীদেরও সন্তুষ্ট করতে চেয়েছেন তাঁরা। খোদ আরএসএসের লোকই রাজ্য বিজেপির শীর্ষে আবার বসলেন।

অন্যদিকে শহুরে মধ্যবিত্ত বাঙালির সামনে শক্তি-সুনীলের ভক্ত, বাগ্মী শমীককে রেখে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি যেন বাঙালিয়ানায় প্রত্যাবর্তন করছে। নীতিগতভাবে শমীক গেরুয়া উত্তরীয় গলায় পরে বা কপালে লাল টিকা পরে ঘোরেন না। সাধারণত পাঞ্জাবী-পায়জামার থেকে সাদা জামা ও প্যান্ট পরাতেই তিনি স্বচ্ছন্দ। এতেও জনমানসে রাজ্য বিজেপির চেহারার একটি পরিবর্তন তো হবে বটেই। তিনি বলনে-চলনে যেন কমিউনিস্ট কিন্তু আসলে আরএসএস! এই চেহারাও শহুরে মধ্যবিত্তদের কাছে আকর্ষণীয় হতে পারে।

কিন্তু দুর্জনেরা বলছেন, শমীক রাজ্য বিজেপির সভাপতি হওয়ায় সবচেয়ে বেশি খুশি হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। কারণ, কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতাদের নাকি পশ্চিমবঙ্গ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাড়ানোর কোনও তাড়া নেই।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কেন শমীকের হাতে গুরুদায়িত্ব অর্পণ করল বিজেপি?

WB BJP: যখন তৃণমূল থেকে আগত শুভেন্দু অধিকারীকেও কট্টর হিন্দুত্বের লাইন ধরতে দেখা গেছে, শমীকের বক্তব্যে উঠে এসেছে সংখ্যালঘুদের উন্নয়নের কথা। তাঁর কথায়, দল যত কট্টরপন্থী অবস্থান নেবে সংখ্যালঘুরা ততই একজোট হয়ে তৃনমূলকে ভোট দেবে।

কথাটি একদম অমূলক নয়। অসাধারণ বক্তৃতা দেওয়ার ক্ষমতা থাকলেও শুভেন্দু অধিকারী বা দিলীপ ঘোষের মতো আগ্রাসী নেতা নন শমীক। দীর্ঘদিন দলীয় মুখপাত্র হিসেবে কাজ করার জন্য মুখের কথায় বিরোধীদের বিঁধতে অবশ্যই সাবলীল তিনি। তবুও, অন্যদের তুলনায় তিনি অনেক নরমপন্থী। তৃণমূলের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে জঙ্গি আন্দোলন করার জন্য বা তৃণমূলী আক্রমণ থেকে দলীয় কর্মীদের রক্ষা করার জন্য একজন বিজেপি নেতার মধ্যে যে আগ্রাসন দরকার তার জন্য শমীককে নিজে অনেক বদলাতে হবে।

তার থেকেও অবশ্য বড় কথা হলো, সভাপতি হিসেবে অভিষেকের (যে শব্দটি নিয়ে শমীকের প্রবল আপত্তি রয়েছে শুনলাম) প্রথমদিনই তিনি রাজ্য বিজেপির দলীয় লাইন গুলিয়ে দিয়েছেন।

এত দিন ধরে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীদের প্রবল মুসলমান-বিদ্বেষ এবং হিন্দুত্বের উপর ভরসা করার যে লাইন রাজ্য বিজেপি নিয়ে চলছিল, তা লঘু করে দিয়েছেন নতুন সভাপতি। যে মুসলমানদের ভোটকে হিসেবের বাইরে রেখে রাজ্য বিজেপি ২০২৬-এর দিকে যাওয়ার রাস্তা তৈরি করছিল, সেখানে শমীক ভট্টাচার্য সংখ্যালঘুদের মুসলমান-মৌলবাদ ও 'ধর্মীয় ফ্যাসিজম' ছেড়ে বিজেপির দিকে এগিয়ে আসতে আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি শুনিয়েছেন বাংলার বহুত্ববাদের কথা। এ তো নরেন্দ্র মোদির 'সবকা সাথ সবকা বিকাশ'-এরই প্রতিধ্বনি। অনেকেই বলতে পারেন এ আর নতুন কী?

এসব কথা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিপ্রিয় বাঙালির কাছে আাশাব্যঞ্জক ও স্বস্তিদায়ক। কিন্তু বিজেপির জন্য মোটেই কাজের কথা নয়। সাম্প্রতিক মুর্শিদাবাদ দাঙ্গাই হোক বা নতুন ওয়াকফ আইন নিয়ে প্রতিবাদ — সংখ্যালঘু-বিদ্বেষ গোপনে পোষণ করা বাঙালিদের মনে সংখ্যালঘুদের প্রতি বিরক্তি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এই পরিস্থিতির জন্য অনেকে প্রকাশ্যে, আবার অনেকে মনে মনে তৃণমূলকে যেমন গালাগালি দিয়েছে, তেমনই বিজেপির উপরে তাঁদের ভরসা বেড়েছে। এমন একটি ধারণাও তৈরি হয়েছে যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে তবেই 'ওরা' শায়েস্তা হবে।

এ কথা গোপনে হলেও বিজেপি নেতারা স্বীকার করবেন যে, সাম্প্রদায়িক ইস্যুতে আন্দোলনে তাঁরা যতটা স্বচ্ছন্দ ততটা ঠিক অন্য কোনও সামাজিক বা অর্থনৈতিক ইস্যুতে নন। গোটা রাজ্যটি যখন দুর্নীতি ও তৃণমূলের দাদাগিরিতে ডুবে রয়েছে, তখনও মুর্শিদাবাদ বা মহেশতলা ইস্যুতেই বিজেপি নেতা-কর্মীরা চাঙ্গা বোধ করেন। আরজি কর হোক বা শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি — এই সব আন্দোলনে বিজেপি বিশেষ দাগ কাটতে পারে না। কাজেই এই পরিস্থিতিতে রাজ্য বিজেপির একমাত্র ইউএসপি (ইউনিক সেলিং প্রোপোজিশন) তাঁরা এমন হেলায় ছেড়ে দেবেন!

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
জাতগণনার সিদ্ধান্ত বিজেপির কাছে ব্যুমেরাং হবে না তো?

BJP Caste Census: নরেন্দ্র মোদি সরকারের জাতগণনার সিদ্ধান্ত অনেককেই অবাক করেছে কারণ রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ বর্ণব্যবস্থার ঘোষিত সমর্থক।

তাই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে শমীক ভট্টাচার্যকে সভাপতি করে তৃণমূলের সুবিধা করে দিল কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব?

ঠিক এখানেই ওড়িশা-বিজেপির কৌশলের ছায়া দেখা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের বুকে। যদিও বিজেপির প্রতি নরমপন্থী বিজু জনতা দলের নবীন পট্টনায়েকের সঙ্গে তীব্র বিজেপি-বিরোধী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তুলনা সরাসরি করা যায় না। তাঁরা দুজনেই অবশ্য এক সময়ে বিজেপি পরিচালিত এনডিএ-এর শরিক ছিলেন। কিন্তু এই গত নির্বাচনের আগে পর্যন্ত ওড়িশায় নবীনকে খুব চাপে ফেলেনি বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। মন্দির ও ধর্মপ্রধান ওড়িশায় বিজু জনতা দলের স্বাভাবিক উত্তরাধিকার, বিজেপি কিন্তু কোনও তাড়াহুড়ো করেনি। অনেক আগেই বিজেডি সরকারকে ফেলে দিয়ে তারা সরকার গড়তে পারত। কিন্তু নবীনকে নির্বিঘ্নে কাজ করতে দিয়েছে বিজেপি। প্রত্যুত্তরে নবীনও সংসদে ও সংসদের বাইরে বিজেপিকে দরকারি সমর্থন জুগিয়ে গেছেন।

যখন ওড়িশায় কংগ্রেস বলে আর কিছুই নেই এবং নবীন পট্টনায়ক তাঁর নেতৃত্বের উত্তরাধিকার প্রাক্তন আইএএস অফিসার ও জন্ম-শিক্ষা সূত্রে তামিল ভিকে পান্ডিয়ানের হাতে তুলে দিচ্ছেন ও তা নিয়ে দলের নেতাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিচ্ছে, ভোটাররাও বিরক্ত হচ্ছেন, তখনই বিজেপি সুযোগ নিয়েছে। ওড়িশায় প্রথমবার একক শক্তিতে সরকার গড়েছে তারা।

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি নিজেদের শক্ত জায়গা তৈরি করে নিতে চাইছে। বলা ভালো, বাম-কংগ্রেসের জন্য কোনও জায়গাই তারা রাখতে চাইছে না। আপাতত তর্কের খাতিরে যদি ধরা হয়, ২০২৬-এ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি সত্যিই ক্ষমতাচ্যুত হন, তাহলে তৃণমূল দলটির কী হবে কেউ হলফ করে বলতে পারে না। পরিষদীয় রাজনীতিতে শূন্য হয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত বামপন্থীরা রাজ্য থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়নি। বিজেপি কখনই চাইবে না, তৃণমূলের ছাড়া কোনও শূন্যস্থান বাম বা কংগ্রেস পূরণ করুক।

খেয়াল করলে দেখা যাবে, দিল্লিতেও আম আদমি পার্টিকে ধীরে ধীরে কোণঠাসা করার সঙ্গে সঙ্গে বিজেপি এও নিশ্চিত করেছিল যে, কংগ্রেস যেন মাথা তোলার সুযোগ না পায়। ঠিক সেই পরিস্থিতিতে বিজেপি শেষ শটটি খেলে সরকারে এসেছে।

পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতিও একদম নিজেদের অনুকুলে এলে তবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব পুরোদমে ঝাঁপাবে। গোষ্ঠীদীর্ণ, বেহাল-সংগঠনের বিজেপির জন্য রাজ্যের পরিস্থিতি এখনও অনুকূল নয়। রাজ্যে মেরুকরণের সুযোগ নিয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে তারা এক ধাপ এগিয়ে গেছে। পরবর্তী ধাপে পৌঁছনোর জন্য শমীক হয়তো একটি স্টপগ্যাপ। নির্বাচনের মাস দশেক আগে 'বহুত্ববাদী' শমীক ভট্টাচার্যকে রাজ্য সভাপতি করে বিজেপির রাজনীতিকে গুলিয়ে দিলেন না তো কেন্দ্রীয় নেতারা? নাকি তাঁরা জাদুর অপেক্ষায় থাকবেন?

শুধু মনে রাখবেন, অসমের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কংগ্রেস থেকে দল বদল করে আসা, দুর্নীতিতে-অভিযুক্ত হিমন্ত বিশ্বশর্মাকে মুখ্যমন্ত্রী করে লাগাম ছেড়ে দিতে দ্বিধা করেনি বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তার জন্য অসমের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়ালের আপত্তিকেও পাত্তা দেয়নি তারা।

পশ্চিমবঙ্গেও এমন কিছু করতে পারত কি তারা?

সেই আগ্রাসী পথে না গিয়ে আপাতত পশ্চিমবঙ্গে শমীক ভট্টাচার্যকে রাজ্য সভাপতি করে রাজ্য বিজেপির অঙ্ক হঠাৎ করেই কঠিন হয়ে গেছে।

লিখেছেন
Sambit Pal
Sambit Pal
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।