‘ভারত সরকার কি ঘুমোচ্ছে?’ চিন-ভারত যুদ্ধ নিয়ে কেন একথা বললেন রাহুল গান্ধী
Rahul Gandhi : চিন যুদ্ধপ্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে দেখেও কি হাত গুটিয়ে বসে আছে ভারত?

সাম্প্রতিক চিন-ভারত যুদ্ধের রেশ এখনও কাটেনি পুরোপুরি। সাময়িকভাবে দু’পক্ষই পিছু হটেছে কিন্তু এ বিরোধের বীজ অনেক গভীরে। আর তার জেরেই সীমান্ত রেখায় বারংবার হামলার সম্মুখীন হতে হয়েছে দুই দেশকেই। ২০০৬ সাল থেকে ক্রমাগত করছে সংঘাত। এর মধ্যেই ঘটে যায় ২০২০ সালের গালওয়ান হামলা। তারপর আবার এই আকস্মিক আক্রমণ, যার জেরে নড়ে বসেছে নেশের রাজনৈতিক দলের মাথারা। এ নিয়ে চলছে নিরন্তর বিতর্ক, পাল্টা বিতর্ক। হামলা আসল কারণ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে শান্তি রক্ষার জন্য বৈঠকও হয়েছে ইতিমধ্যে।
এর মধ্যেই আকস্মিক চিন হামলার প্রসঙ্গ টেনে বিতর্ক উস্কে দেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। কেন্দ্রকে কটাক্ষ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, মোদি সরকারের কালঘুম কবে ঘুচবে? চিন যুদ্ধপ্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে দেখেও কেন ভারত হাত গুটিয়ে বসে আছে? যদিও রাহুলের এই মন্তব্যের পাল্টা জবাবও দিয়েছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি মুখপাত্র রাজ্যবর্ধন রাঠোর। ১৯৬২-র চিন যুদ্ধের স্মৃতি উস্কে দিয়ে তোপ দাগে বিজেপি। সেই যুদ্ধে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাজ্যবর্ধন।
- আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
India China conflict : অরুণাচল সীমান্তে ভারত-চিন সংঘর্ষ! জখম দু’পক্ষই
এদিন রাহুল গান্ধী একে একে প্রশ্নবাণে বেঁধে ফেলেন কেন্দ্র সরকারকে। চিন যে কোনও অনুপ্রবেশের ফিকির নয় বরং সরাসরি যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে একথাও দাবি করেন তিনি। এর জবাবে অবশ্য কেন্দ্র চিনের সঙ্গে কংগ্রেসের ঘনিষ্ঠতার ইঙ্গিত দিয়েছেন। যে কারণেই নাকি আগে থাকতে চিনা সেনাবাহিনীর গতিপ্রকৃতি আগে থেকে আজ করতে পারছেন রাহুল গান্ধী, এমনই তির্যক মন্তব্য করা হয়। এখানেই শেষ নয়, চিনের কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে কংগ্রেসের চুক্তি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন বিজেপি নেতা। তাঁর দাবি, সোনিয়া গান্ধীর নেতৃত্বাধীন রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশন নাকি চিনের টাকাতেই চলে।
এ প্রসঙ্গে আবার সামনে এসেছে ১৯৬২ সালের ভারত-চিন যুদ্ধের প্রসঙ্গ। রাহুল গান্ধীর বক্তব্য প্রকারান্তরে দেশের সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে দেবে বলেই দাবি কেন্দ্রের। দেশের নিরাপত্তা ও সীমান্ত নিয়ে রাহুল যখন প্রশ্ন তোলেন যে চিন লাদাখ ও অরুণাচলে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে আর ভারত সরকার ঘুমে মগ্ন, তখন স্মৃতিতে শান দেয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। বলেন, নেহেরুর ভারত এটা নয় তাই আগের থেকে অনেক সুরক্ষিত অরুণাচল এবং লাদাখ।
















