ভোটের আগেই বিজয় মিছিল! বসিরহাটের রাশ হাতে রাখতে আদৌ পারবেন তৃণমূলের হাজী নুরুল?

Lok Sabha Election 2024: শনিবার ভোট বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে। ভোটের ফল বেরোতে বেরোতে আগামী চার তারিখ মঙ্গলবার। তার আগেই হাসনাবাদে বিজয় মিছিল নিয়ে বেরিয়ে পড়লেন তৃণমূল কর্মী সমর্থকেরা।

Sohini Das
৩ মিনিট
ভোটের আগেই বিজয় মিছিল! বসিরহাটের রাশ হাতে রাখতে আদৌ পারবেন তৃণমূলের হাজী নুরুল?

রাত পোহালেই ভোট সন্দেশখালিতে। কলকাতা উত্তর ও দক্ষিণের একাধিক জরুরি কেন্দ্রের সঙ্গেই বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের ভোট ১ জুন শনিবার। তৃণমূল ঘনিষ্ঠ নেতা শেখ শাহজাহান ও তার সাঙ্গপাঙ্গের বিরুদ্ধে যেখানে প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছিলেন স্থানীয় মানুষ। সন্দেশখালির ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে ওঠে জমি জবরদখল থেকে শুরু করে সন্দেশখালির মেয়ে-বউদের নির্যাতনের অভিযোগ। লোকসভা ভোটের আগে সন্দেশখালি ইস্যুকেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার করার চেষ্টা করেছে বিরোধীরা। লোকসভা ভোটের প্রার্থী নির্বাচনও হয়েছে সে কথা মাথায় রেখেই। তার পর অবশ্য সন্দেশখালিকে কেন্দ্র করে বাংলার রাজনীতির উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে বহু জল। এমনকী প্রশ্ন উঠে গিয়েছে সন্দেশখালি ঘটনার সত্যতা নিয়েও।

শনিবার ভোট বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে। ভোটের ফল বেরোতে বেরোতে আগামী চার তারিখ মঙ্গলবার। এরই মধ্যে দেশ জুড়ে শুরু হয়ে গিয়েছে নানা ভবিষ্যদ্বাণী, ভোট ঘিরে নানা কথাবার্তা। কেউ বলছে এই দল জিতবে, তো কেউ বলছে ওই দল। অবশ্য বসিরহাট কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী হাজী নুরুল ইসলামের জয় নিয়ে কোনও সংশয় নেই তাঁর সতীর্থদের। তাই ভোট হওয়ার আগেই হাসনাবাদে বিজয় মিছিল নিয়ে বেরিয়ে পড়লেন তৃণমূল কর্মী সমর্থকেরা। পাটলি খানপুর এলাকায় সবুজ আবির মেখে বাজনা বাজিয়ে মিষ্টি খাইয়ে পালন হল বিরাট উৎসব। পাটলি খানপুর অঞ্চলের তৃণমূল সভাপতি পিন্টু মোল্লার নেতৃত্বে বেরলো বিরাট বিজয়মিছিল।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ভোটের মধ্যেই দলবদল! কেন বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে সন্দেশখালির প্রতিবাদী মুখ?

Sandeshkhali: সন্দেশখালির অশান্তিতে প্রতিবাদীদের মুখ হিসেবেও দেখা গিয়েছিল সিরিয়াকে। সেই সিরিয়াই বৃহস্পতিবার শশী পাঁজা এবং মমতাবালা ঠাকুরের হাত ধরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন।

এই বছর লোকসভা নির্বাচনে গোটা বাংলার চোখ রয়েছে বসিরহাট কেন্দ্রের উপরে। হবে না-ই বা কেন? বিতর্কিত সন্দেশখালি এলাকা যে পড়ে এই কেন্দ্রে আওতাতেই। যেখানে এতদিন চলত তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান রাজ। এই লোকসভা ভোটে সন্দেশখালির প্রতিবাদী মুখ রেখা পাত্রকেই প্রার্থী করেছে বিজেপি। রাজনীতিতে অনভিজ্ঞ রেখা। তবে সন্দেশখালি কাণ্ডের জের দিয়ে যে ভোটতরী হাসতে হাসতে পার করে যাবে গেরুয়া শিবির, সেই আস্থা তাদের ছিল। কিন্তু ভোট যত এগিয়ে আসতে লাগত সন্দেশখালির আকাশ কালো হয়ে এল বিজেপির জন্য। একের পর এক সামনে আসতে শুরু করল স্টিং অপারেশনের ভিডিওর ঘনঘটা। কোথাও সন্দেশখালি বিজেপির মণ্ডল সভাপতি দাবি করলেন, সন্দেশখালির সমস্ত ঘটনাই সাজানো বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর। কোথাও আবার রেখা পাত্রকে বলতে শোনা গেল, রাষ্ট্রপতির কাছে গিয়ে অভিযোগ জানিয়েছিলেন যাঁরা, তাঁরা সবাই ভুয়ো। এখানেই শেষ নয়। একের পর ধর্ষণের অভিযোগ আনা মেয়েরা বলতে শুরু করলেন, তাঁদের দিয়ে জোর করে অভিযোগ লেখানো হয়েছিল সন্দেশখালি কাণ্ডে। সই করানো হয় সাদা কাগজেও। এই সব কাণ্ডে সন্দেশখালিতে বিজেপির জায়গা সামান্য হলেও নড়েছে, তা নিয়ে সন্দেহ নেই।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
সাদা কাগজে সই করিয়ে ‘মিথ্যে’ ধর্ষণের অভিযোগ! ভয়াবহ সত্য জানান দিচ্ছে সন্দেশখালি

Sandeshkhali Incident: ধর্ষণের অভিযোগ মিথ্যা বলে সম্প্রতি যে ভিডিও সামনে এসেছে, তাতে ওই মহিলা জানিয়েছেন, তাঁকে রান্নার কাজের টাকা দেওয়া হয়নি। সেই অভিযোগকেই ধর্ষণের অভিযোগের রূপ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে না জানিয়ে।

লোকসভা ভোটে অবশ্য তৃণমূল তাদের পুরনো নেতা হাজী নুরুল ইসলামেই আস্থা রেখেছে গোড়া থেকে। ভোটের শুরুতেই প্রচারে বেরিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন নুরুল। চিকিৎসার জন্য তাঁকে আনা হয় কলকাতাতে। তবে সেই অসুস্থতা সারিয়ে ভোটের আগে ঠিক চাঙ্গা হয়ে উঠেছেন তৃণমূল প্রার্থী। শেখ শাহজাহানের গ্রেফতারির পর তৃণমূল আরও বেশি করে চেষ্টা করেছে ঘাসফুল সরকারের জনকল্যাণ প্রকল্পগুলো সেখানকার মানুষের চোখের সামনে তুলে ধরার। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে টাকা বাড়ানোর কথাকে সামনে রেখে প্রচারকে জোরালো করেছে তৃণমূল। তার পর সন্দেশখালি কাণ্ডে স্টিং অপারেশনের ভিডিওগুলিকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের হারানো বিশ্বাস যেন অনেকটাই ফিরেছে। ভোটের আগে একাধিক বার সন্দেশখালির একাধিক গ্রামবাসী, বিশেষত মেয়েদের মুখে শোনা গিয়েছে মমতার প্রশংসা। শেখ শাহাজাহানের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েছিল এলাকার মহিলারা। সেই গ্রামীণ মহিলাদেরই লক্ষ্মীর ভান্ডারের মতো প্রকল্প, সুযোগসুবিধার কথা বলে আস্থা অর্জন করার চেষ্টা করে গিয়েছে তৃণমূল শিবির।

লোকসভা ভোটে যে তৃণমূল প্রার্থীরই জয় নিশ্চিত, জনমানসে সেই ধারণা তৈরি করতেই কি বিজয় মিছিল বের করার কৌশল নিয়েছে তৃণমূল। এর মাধ্যমে বিরোধীর আত্মবিশ্বাসকে আঘাত করাই কি আসলে মূল উদ্দেশ্য তাদের? ভোটের কিছুদিন আগেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে এসেছেন বসিরহাট বিজেপির জেনারেল সেক্রেটারি সিরিয়া পরভিন। সন্দেশখালির ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নামতে দেখা গিয়েছিল তাঁকেই। তৃণমূলের আনুষ্ঠানিক ভাবে যোগ দিতে এসে তিনি জানান, সত্যিই সন্দেশখালিতে যে সব মহিলাদের সম্ভ্রম নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে তাঁদের সম্ভ্রমরক্ষার আন্দোলনে নেমেছিলেন তিনি। তবে পরে ভুল ভাঙে। সিরিয়ার কথায়, "পরে বুঝতে পারি গোটাটাই হাতে লেখা গল্প। আন্দোলন করার জন্য মহিলাদের টাকা দেওয়া হত। দেওয়া হত মোবাইলও।" তাঁর আরও অভিযোগ, বিজেপি নেতাদের জন্য তাঁদেরকে পিঠে বানাতে বাধ্য করা হত। তার উপরেই নির্ভর করত তাঁদের বিজেপির পদ। সিরিয়ার তৃণমূলে আসাও কি একটা বড় জোরের জায়গা তৃণমূলের জন্য? সত্যিই কি বসিরহাট কেন্দ্রে নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখতে পারবে তৃণমূল? হাজী নুরুল ও তাঁর সতীর্থরা যেভাবে ভোটের আগেই জয়ঘোষণা করে বসে আছেন, তাতে সংশয় জাগে বৈকি। সন্দেশখালিতে বামেদের প্রার্থীও এলাকার দীর্ঘদিনের স্থানীয় নেতা। সন্দেশখালি ঘটনার সময় জেলে পর্যন্ত গিয়েছিলেন তিনি। সিপিএমের সেই নিরাপদ সরকারও যে বিজেপি ও তৃণমূলকে জোর টক্কর দিতে চলেছে বসিরহাটে, তা বলাই যায়। তবে সত্যিই বসিরহাটের রাশ থাকে কার হাতে শেষমেশ, তা স্থির হতে চলেছে আগামী ৪ জুনেই।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।