সাদা কাগজে সই করিয়ে ‘মিথ্যে’ ধর্ষণের অভিযোগ! ভয়াবহ সত্য জানান দিচ্ছে সন্দেশখালি

Sandeshkhali Incident: ধর্ষণের অভিযোগ মিথ্যা বলে সম্প্রতি যে ভিডিও সামনে এসেছে, তাতে ওই মহিলা জানিয়েছেন, তাঁকে রান্নার কাজের টাকা দেওয়া হয়নি। সেই অভিযোগকেই ধর্ষণের অভিযোগের রূপ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে না জানিয়ে।

Sohini Das
৫ মিনিট
সাদা কাগজে সই করিয়ে ‘মিথ্যে’ ধর্ষণের অভিযোগ! ভয়াবহ সত্য জানান দিচ্ছে সন্দেশখালি

সন্দেশখালি ঘটনায় একের পর এক বিস্ফোরক সব তথ্য ভিডিও আসা শুরু হয়েছে। যা কার্যত পাল্টে দিতে চলেছে লোকসভা ভোটের আগে রাজ্যরাজনীতির মতিগতি। আগামী ১ জুন বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে লোকসভা ভোট। চলতি ভোটে শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিরোধীদের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার ছিল সন্দেশখালি। তবে সন্দেশখালির ভোট আসতে আসতে সেই সব হিসেব নিকেশ যেন ক্রমশ পাল্টে যেতে বসেছে। সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান ও তার সাঙ্গপাঙ্গদের বিরুদ্ধে সেখানকার মহিলাদের উপর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছিল। তার প্রতিবাদে আন্দোলনে নেমেছিলেন সেখানকার মেয়েরা। তবে সেই আন্দোলনের অনেকটাই নাকি সাজিয়ে তোলা। সম্প্রতি একের পর এক স্টিং অপারেশনে সামনে আসতে শুরু করেছে সেই তথ্য। কখনও সামনে আসছে সন্দেশখালি বিজেপির মণ্ডল সভাপতির বক্তব্য, তো কখনও খোদ বিজেপি প্রার্থী সন্দেশখালির প্রতিবাদী মুখ রেখা পাত্র বলছেন, রাষ্ট্রপতির কাছে অভিযোগ জানাতে যাওয়া নির্যাতিতারা ভুয়ো। সব মিলিয়ে সন্দেশখালিতে কোনটা সত্য, কোনটা মিথ্যে, সবটাই তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছে। এরই মধ্যে আবার সন্দেশখালিতে ধর্ষণের অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করে বসলেন সেখানকার এক অভিযোগকারিনী।

সম্প্রতি সামনে এসেছে সন্দেশখালি সংক্রান্ত আরও একটি ভিডিও। যেখানে এক মহিলা দাবি করেছেন, তাঁকে দিয়ে জোর করে ধর্ষণের অভিযোগ লেখানো হয়েছিল সে সময়ে। সেই ভিডিওটিরও অবশ্য সত্যতা যাচাই করা যায়নি। ভিডিওয় মহিলা দাবি করেছিলেন, তাঁকে ধর্ষণ করা হয়েছিল বলে মিথ্যে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল থানায়। এমনকী না জানিয়ে সাদা কাগজে সই পর্যন্ত করানো হয়। যা তিনি জানতে পারেন এক সপ্তাহ পরে। সেসময় তিনি যখন মামলাটি তুলতে চান, তখন তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলেও নালিশ মহিলার।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
রাষ্ট্রপতির কাছে সন্দেশখালির 'নকল' নির্যাতিতা, স্বীকারোক্তি খোদ রেখা পাত্রের!

Sandeshkhali Incident: সন্দেশখালির ঘটনার পরে রাষ্ট্রপতির কাছে অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলেন যাঁরা, তাঁরা নাকি সাজানো। আর এমনটা বলছেন সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের মুখ তথা লোকসভা ভোটে বসিরহাটের বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র খোদ।

লোকসভা ভোট যত এগোচ্ছে, ততই যেন এক এক করে পর্দা উঠছে সন্দেশখালি মামলা থেকে। সামনে আসছে একের পর এক স্টিং অপারেশনের ভিডিও। যা রাজ্য-রাজনীতিকে তোলপার করে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। কিছুদিন আগেই সন্দেশখালি বিজেপির মণ্ডল সভাপতি গঙ্গাধর কয়ালের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। যেখানে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছিল, সন্দেশখালিতে টাকার বিনিময়ে ধর্ষণের ‘মিথ্যে’ অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে। বসিরহাট আসনে বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রও দু’হাজার টাকার বিনিময়ে ধর্ষণের ‘মিথ্যে’ অভিযোগ দায়ের করেছিলেন বলেও দাবি করেন ওই বিজেপি নেতা। বিজেপি অবশ্য সে সব অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছিল ওই ভিডিও বিকৃত ও সাজানো। তবে তার রেশ কাটতে না কাটতেই একই দাবি করে বসলেন সন্দেশকারীর এক মহিলা। যিনি সাফ জানালেন ভিডিওয়, তিনি যে ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন, সে কথা মিথ্যে। এবং তাঁকে দিয়ে থানায় মিথ্যে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। যার নেপথ্যে ছিলেন সন্দেশখালির প্রতিবাদী মুখ মাম্পি দাস ও পিয়ালী দাস।

সন্দেশখালি মামলা নিয়ে তোলপাড় শুরু হতেই লোকসভা ভোটে তাকেই অস্ত্র বানিয়েছিল বিজেপি। তারা বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে প্রার্থী করেছিল সন্দেশখালির প্রতিবাদী মুখ রেখা পাত্রকে। সেই রেখাকে দিয়ে এতদিন জোর প্রচারও চালিয়েছে বিজেপি। তবে ভোটের মুখে সেই তুরুপের তাসই যেন ব্যাকফায়ার করা শুরু করেছে বিজেপির জন্য। ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে রেখা পাত্রের অন্য একটি ভিডিও। যেখানে রেখার সঙ্গে দেখা গিয়েছে মাম্পিকেও। সেখানে তাদের আলোচনা করতে শোনা গিয়েছে, রাষ্ট্রপতির কাছে নালিশ নিয়ে যাওয়া নির্যাতিতাদের নিয়ে। তাঁদের কথায়, তাঁরা নাকি সকলেই সাজানো। বিজেপি ঘনিষ্ঠ অনুপ দাসই নাকি তাঁদের সাজিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে নিয়ে যে আবার নাকি শাহজাহান-সঙ্গী শিবুরও ঘনিষ্ঠ। তার থেকে মাসে মাসে টাকা নিত অনুপ, এমন দাবিও করেছেন রেখারা। প্রশ্ন উঠে গিয়েছে রাষ্ট্রপতির দরবারে যাওয়া নির্যাতিতাদের পরিচয় নিয়েও। সেই ভিডিওরও সত্যতা সম্পর্কে অবশ্য নিঃসন্দেহ হওয়ার জায়গা নেই।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
সন্দেশখালিতে সরব! কেন যৌনহেনস্থায় অভিযুক্ত রেভান্নার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না বিজেপি?

Prajwal Revanna ‘sex video’ case: এদিকে, সেই সব অপরাধ লুকিয়ে এতদিন দিব্যি ভোট প্রচার চালিয়ে গিয়েছেন প্রজ্জ্বল রেভান্না। তাঁর সমর্থনে কর্ণাটকে এসেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

ধর্ষণের অভিযোগ মিথ্যা বলে সম্প্রতি যে ভিডিও সামনে এসেছে, তাতে ওই মহিলা জানিয়েছেন, তাঁকে রান্নার কাজের টাকা দেওয়া হয়নি। সেই অভিযোগকেই ধর্ষণের অভিযোগের রূপ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে না জানিয়ে। মহিলার দাবি, ‘‘আমি বাড়িতে ছিলাম না। আমার শাশুড়িকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল মাম্পি দাস আর পিয়ালি দাস। দিল্লি থেকে মহিলা কমিশন এসেছে বলে থানায় নিয়ে গিয়েছিল। থানায় ঢুকিয়ে দিয়ে গেট ফেলে দিয়েছিল। উনি আর বেরোতে পারেননি। অভিযোগ কী জানতে চেয়েছিল, উনি জানিয়েছিলেন যে রান্নার কাজের টাকা পাইনি। এর পর সাদা কাগজে সই করিয়ে নিয়েছিল। এর পর ওখান থেকে চলে যেতে বলেছিল। আমি বাড়ি ফিরে পিয়ালিকে ফোন করে জানতে চেয়েছি। পিয়ালি আমায় বলেছে, ও কোনও ব্যাপার নয়। অভিযোগ ছিল, তাই সই করিয়েছি। তোমরা নিশ্চিন্তে থাকতে পারো। এক সপ্তাহ পরে জানতে পারলাম, তিন-চার জনকে দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ করানো হয়েছে। অভিযোগ ছিল, রাতে আমাদের তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে।’’ মহিলার দাবি, তিনি ও তাঁর শাশুড়ি পুলিশের কাছে গোপন জবানবন্দি দিয়েছেন। সেখানেও তাঁরা জানিয়েছেন যে, ধর্ষণের মিথ্যে অভিযোগ করা হয়েছিল। মহিলা জানান, তাঁরা ওই মিথ্যে মামলা তুলে নিতে চান। মহিলার কথায়, ‘‘যা ঘটেনি, সে সব নিয়ে কেন মামলা লড়ব? আমাদের অত ক্ষমতা নেই। আমরা এ সব ঝামেলার মধ্যে জড়াতে চাই না।’’ মহিলার দাবি, তিনি পিয়ালির কাছেও গিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁকে অপমান, হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। তাঁর কথায়, ‘‘পিয়ালিকেও বলতে গিয়েছিলাম যে আমরা এই মামলা তুলে নিতে চাই। কিন্তু আমাদের অপমান করে দিল। বলল, ‘তোমাদের দ্বারা কিছু হবে না। তোমরা অসভ্য, ছোটলোক!’’ মহিলার আরও অভিযোগ, এ সব কারণে পাড়ায় তাঁরা একঘরে হয়ে গিয়েছেন।

ওই মহিলার সমস্ত অভিযোগই অবশ্য উড়িয়েছেন পিয়ালি দাস। তাঁর বক্তব্য, এ সমস্ত অভিযোগ মিথ্যে। তিনি বলেন, ‘‘রেখা পাত্রের সঙ্গে থানায় গিয়ে উনি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। পরে হয়তো পারিপার্শ্বিক চাপে উনি মামলা তুলে নিতে চান। তুলেও নেন। সাদা কাগজে সই করানোর যে কথা হচ্ছে, তা মিথ্যে। থানায় তো সিসিটিভি আছে। সেটা দেখা হোক। শাসকদলের লোকেরা টাকাপয়সার লোভ দেখিয়ে মহিলাদের দিয়ে এ সব বলিয়ে ভিডিয়ো ভাইরাল করছে। এ সবের কোনও সত্যতা নেই। তদন্ত হোক। যদি দোষী প্রমাণিত হই, তা হলে আইন যা শাস্তি দেবে, মাথা পেতে নেব। আর যদি তা না হয়, তা হলে কিন্তু আমি এদের নামে মানহানির মামলা করব।’’ পিয়ালির সঙ্গী মাম্পি অবশ্য এ নিয়ে এখনও মুখ খোলেননি।

সন্দেশখালি সংক্রান্ত সাম্প্রতিক একের পর এক ঘটনা এবার বিজেপির বিরুদ্ধে যেতে শুরু করেছে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে এতদিন যা ছিল বিরোধীদের ঘুঁটি, সে সব যেন বেকায়দায় ফেলতে শুরু করেছে এখন বিজেপিকেই। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি দাবি করেছেন, সন্দেশখালি সংক্রান্ত সমস্ত চক্রান্ত ছিল বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর মস্তিষ্ক প্রসূত। যদিও সেই দাবি উড়িয়ে ভিডিওগুলিকে ডিপ ফেক বলে দাবি করেছেন তিনি। একের পর এক ভিডিও যে বিজেপিকে ভালোই অস্বস্তিতে ফেলেছে, তা শুভেন্দুবাবুর ব্যবহারেই স্পষ্ট। কখনও তিনি মেজাজ হারাচ্ছেন, আবার কখনও মুখ খারাপ করে ফেলছেন। আসন্ন লোকসভার ভোটের শেষ দফায় এই সন্দেশখালি কাণ্ডের প্রভাব কি হাড়ে হাড়ে বুঝতে চলেছে বিজেপি। পাশাপাশি তৃণমূলের সামনেও হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারের বিরাট সুযোগ এসে ধরা দিয়েছে। এই সব ভিডিও আসলে কতটা ছাপ ফেলতে চলেছে লোকসভা ভোটের ফলাফলে, তার উত্তরও মিলবে শীঘ্রই।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।