মিলে গেল অভিষেক-মমতার সুর, ধর্ষণ রুখতে কড়া আইন চেয়ে রাতারাতি মোদিকে চিঠি মুখ্যমন্ত্রীর

Mamata Banerjee: চিঠিতে আশঙ্কা প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, দেশে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। রোজ গড়ে ৯০টি ধর্ষণের ঘটনা হচ্ছে। এই ধরনের ‘গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল’ ঘটনা বন্ধ করতে অবিলম্বে কড়া আইন আনা প্রয়োজন।

inscript
৪ মিনিট
মিলে গেল অভিষেক-মমতার সুর, ধর্ষণ রুখতে কড়া আইন চেয়ে রাতারাতি মোদিকে চিঠি মুখ্যমন্ত্রীর

আরজি কর কাণ্ডকে কেন্দ্র করে উত্তাল রাজ্য, দেশ। হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট, প্রায় সর্বত্রই মুখ পুড়েছে রাজ্য সরকারের। আরজি কর মামলা নিয়ে বিক্ষোভ- আন্দোলন থেকেও বারবার উঠেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের পদত্যাগের দাবি। বৃহস্পতিবারও সুপ্রিম শুনানিতে একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়েছে রাজ্য। এই পরিস্থিতিতে ধর্ষণ নিয়ে কঠোর আইন আনার দাবি করে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখলেন প্রধানমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবারই নবান্নে বৈঠক করে চিঠির কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা আলাপন বন্দযোপাধ্যায়।

এদিন সকালেই সোশ্য়াল মিডিয়ায় ধর্ষণ রুখতে কঠোর আইন আনার কথা বলতে শোনা গিয়েছিল তৃণমূল সাংসদ তথা সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে। সেখানে তিনি পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের সমস্ত রাজ্যের সরকারকে অনুরোধ করেছিলেন, যাতে ধর্ষণ বিরোধী কঠোর আইন বলবৎ করার বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে চাপ দেয়। অভিষেকের সেই ডাকে প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই সাড়া দিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তড়িঘড়ি সেই আবেদন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠিও লিখে দিলেন তিনি। যেখানে তিনি কেন্দ্রীয় সরকারকে অনুরোধ করেছেন যাতে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টের মাধ্যমে ১৫ দিনের মধ্যে দোষীর বিচার প্রক্রিয়া শেষ করে শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।

গত ৯ অগস্ট আরজিকর হাসপাতালের বক্ষ বিভাগের সেমিনার রুম থেকে উদ্ধার হয় এক তরুণী চিকিৎসকের দেহ। ময়নাতদন্তে মেলে নৃশংস শারীরিক নির্যাতন ও ধর্ষণের প্রমাণ। সেই ঘটনা ঘিরে সব মহলে সমালোচনার শিকার হয়েছে রাজ্য। এমনকী ওই চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার, ঘটনাস্থল সিল করা, ময়নাতদন্তে সময় লাগানো থেকে এফআইআরে দেরি, এমনকী প্রমাণ লোপাটের চেষ্টার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে রাজ্যের বিরুদ্ধে। অনেকেই দাবি করেছেন, প্রশাসন কারওর অপরাধ ঢাকা দেওয়ার চেষ্টা করছে। আরজি কর কলেজের অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে বাঁচানোর চেষ্টা করার অভিযোগও আনা হয় রাজ্যের বিরুদ্ধে। সন্দীপবাবু ইস্তফা দেওয়ার পর রাতারাতি তাঁকে রাজ্যের অন্য একটি সরকারি হাসপাতালের অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ নিয়ে হাইকোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়ে রাজ্য। অবশেষে সিবিআইয়ের তদন্তের মুখে একের পর এক পর্দা উঠতে শুরু করেছে সন্দীপবাবুর বেআইনি কাজকর্মের উপর থেকে। যার জেরে বুধবার সন্দীপ ঘোষকে অপসারণ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এই সব ঘটনা নিয়ে যখন কার্যত জেরবার রাজ্য সরকার, সেই আবহেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখে পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

চিঠিতে আশঙ্কা প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, দেশে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। রোজ গড়ে ৯০টি ধর্ষণের ঘটনা হচ্ছে। এই ধরনের ‘গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল’ ঘটনা বন্ধ করতে অবিলম্বে কড়া আইন আনা প্রয়োজন। চিঠিতে আরও দাবি করা হয়েছে, ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টের মাধ্যমে এই ধরনের ঘটনার দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে শাস্তি নিশ্চিত করার বিষয়টিও রাখা হোক আইনে। ঘটনা ঘটার ১৫ দিনের মধ্যে বিচার শেষ করার দাবিও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আরজি কর: রাস্তা জুড়ে আঁকায়-লেখায় প্রতিবাদ, যে ভাবে আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠছে গ্রাফিতি

Kolkata Doctor Rape-Murder Case: স্লোগান, গানের পাশাপাশি এই আন্দোলনের চরিত্র হয়ে উঠেছে রং-তুলিও। আর তার প্রমাণ মিলবে কলেজ স্ট্রিটে গেলেই। সেখানে রাস্তা জুড়ে প্রতিবাদ এঁকে দিয়েছেন শিল্পীরা।

এদিকে বৃহস্পতিবার সকালেই কার্যত একই সুর শোনা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো তথা তৃণমূল সাংসদ তথা সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সোস্যাল মিডিয়া পোস্টে। তিনি লেখেন, ‘‘এমন কঠোর ধর্ষণ-বিরোধী আইন আনতে হবে, যা ঘটনার ৫০ দিনের মধ্যে অপরাধীকে চিহ্নিত করে দোষী সাব্যস্ত করা নিশ্চিত করবে এবং তাতে দোষীকে কঠোরতম সাজা দেওয়ার নিদান থাকবে।’’ এর পর তিনি দেশে ধর্ষণের পরিসংখ্যানও তুলে ধরেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, গত ১০ দিনে দেশে ৯০০টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। প্রতি দিন ৯০টি ধর্ষণের ঘটনার রিপোর্ট লেখানো হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি ঘণ্টায় চারটি এবং প্রতি ১৫ মিনিটে একটি ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিষেক মনে করেন, এই পরিস্থিতিতে দেশে ধর্ষণ-বিরোধী কঠিন আইন ‘জরুরি’ হয়ে পড়েছে। তিনি লিখেছেন, ‘‘সমস্ত রাজ্যগুলির সরকারের উচিত কেন্দ্রীয় সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করে কঠোর ধর্ষণ বিরোধী আইন প্রণয়নের ব্যবস্থা করা। এর থেকে বিন্দুমাত্র কম কিছু হলে, তা হবে নেহাৎই প্রতীকী এবং আদতে তাতে কোনও কাজ হবে না।’’

Over the past 10 days, while the nation has been protesting against the

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
দেহ উদ্ধারের ১২ ঘণ্টা পরেও কেন সিল হয়নি ক্রাইম সিন? রাজ্যকে প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের

R G Kar Hospital Incident: বিচারপতি পারদিওয়ালা রাজ্যকে প্রশ্ন করেন, অস্বাভাবিক মৃত্যু কখন দায়ের করা হয়? রাজ্য জানায়, দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের হয়েছিল।

incident and demanding justice, 900 RAPES have occurred across different parts of India - DURING THE VERY TIME WHEN PEOPLE WERE ON THE STREETS PROTESTING AGAINST THIS HORRIBLE CRIME.…

— Abhishek Banerjee (@abhishekaitc)

রাজনৈতিক ভাবে ওয়াকিবহাল মহলের একটি অংশ মনে করেন, তৃণমূলের অন্দরে স্পষ্টত দু'টি শিবিরের অস্তিত্ব রয়েছে। যার মধ্যে একটি অবশ্যই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ, অন্যটি অভিষেকের। সেই শিবিরের লোকেরা যে বহুক্ষেত্রেই মমতা প্রশাসনের সিদ্ধান্তের উল্টো কথা বলতে ছাড়েনি বলে দাবি একটি পক্ষের। সন্দীপের অপসারণ থেকে ডার্বি বাতিলের সিদ্ধান্ত, বহু বিষয়েই ভিন্নমত প্রকাশ করেছিলেন তাঁরা। এমনকী গত দশদিনে এ বিষয়ে অভিষেক চুপ থাকায় বহু জল্পনা ঘনীভূত হয়েছিল বাংলার রাজনীতিতে। অবশেষে বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ খুললেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড। আর কার্যত অভিষেকের সুরে সুর মিলিয়ে এদিনই প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখলেন মমতা। এ নিয়ে ইতিমধ্যেই ফের শুরু হয়েছে নানা জল্পনা।

ইতিমধ্যেই আরজি করের ঘটনার তদন্তভার গিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের হাতে। এই ঘটনায় রাজ্য পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় এক সিভিক ভলিন্টিয়ার। আরজি কর কাণ্ডে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। যেখানে ঘটনার পরম্পরার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। রাজ্যের ভূমিকায় তীব্র অসন্তোষও প্রকাশ করেছে বেঞ্চ। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের তরফে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ হেন চিঠি যথেষ্ট প্রাসঙ্গিক বলেই মনে

করা হচ্ছে।

তবে গত কয়েকদিনে গোটা দেশ থেকেই একাধিক ধর্ষণ ও যৌন হেনস্থার মামলা উঠে এসেছে। আরজি কর মামলার আবহে সেগুলোও স্বাভাবিক ভাবেই জনগণের নজর কেড়েছে। ২০১২ সালে নির্ভয়া কাণ্ডের পর ধর্ষণ সংক্রান্ত আইনে বেশ কিছু বদল এনেছিল কেন্দ্র সরকার। আরজি করের ঘটনার পরেও কি তেমন কিছু ঘটতে চলেছে ফের? সেদিকেই তাকিয়ে বাংলা তো বটেই, গোটা দেশও।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।