আরজি কর: রাস্তা জুড়ে আঁকায়-লেখায় প্রতিবাদ, যে ভাবে আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠছে গ্রাফিতি

Kolkata Doctor Rape-Murder Case: স্লোগান, গানের পাশাপাশি এই আন্দোলনের চরিত্র হয়ে উঠেছে রং-তুলিও। আর তার প্রমাণ মিলবে কলেজ স্ট্রিটে গেলেই। সেখানে রাস্তা জুড়ে প্রতিবাদ এঁকে দিয়েছেন শিল্পীরা।

Sohini Das
৩ মিনিট
আরজি কর: রাস্তা জুড়ে আঁকায়-লেখায় প্রতিবাদ, যে ভাবে আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠছে গ্রাফিতি

আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সেমিনার রুম থেকে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় উদ্ধার হয় এক চিকিৎসক তরুণীর মৃতদেহ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী, তাঁর শরীরের অন্তত চব্বিশটি জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নির্মম ভাবে ধর্ষণ ও খুন করার প্রমাণ মিলেছে সর্বত্র। সেই চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের প্রতিবাদে উত্তাল গোটা রাজ্য। রাজ্য পেরিয়ে আন্দোলনের ঢেউ ছুঁয়েছে দেশ, এমনকী ঘটনার ভয়াবহতায় কেঁপে উঠেছে গোটা বিশ্ব। নানা স্তর, নানা মহল থেকে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। চিকিৎসকেরা তো বটেই, তারকা থেকে সাংস্কৃতিক মহল, আইটি কর্মী থেকে উকিল, পিছিয়ে নেই কেউ। কোথাও তাঁকে ডাকা হচ্ছে 'তিলোত্তমা' নামে, কেউ বা তাঁকে ডেকেছেন 'অভয়া'। আরজি করের ঘটনায় তদন্তভার রাজ্যপুলিশের হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়ে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। ওই ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে মামলা করেছে সুপ্রিম কোর্টেও। স্লোগান, গানের পাশাপাশি এই আন্দোলনের চরিত্র হয়ে উঠেছে রং-তুলিও। আর তার প্রমাণ মিলবে কলেজ স্ট্রিটে গেলেই। সেখানে রাস্তা জুড়ে প্রতিবাদ এঁকে দিয়েছেন শিল্পীরা। আরজি করের নির্যাতিতার জন্য বিচার চেয়ে আঁচড়ে-রঙে বাঙ্ময় হয়ে উঠেছে রাজপথ।

আরজি কর মামলা নিয়ে গোড়া থেকেই কোণঠাসা রাজ্য সরকার। প্রমাণ লোপাট-সহ দোষীদের আশ্রয় দেওয়ার মতো একাধিক অভিযোগ তোলা হচ্ছে শাসকের বিরুদ্ধে। সেই ব্যাপারটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টেরও ভর্ৎসনার মুখে পড়েছে রাজ্য সরকার। এখনও পর্যন্ত ওই ঘটনায় এক সিভিক পুলিশকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সম্প্রতি সামনে এসেছে মৃতার ময়নাতদন্তের রিপোর্ট। নিহতের শরীরে পাওয়া ডিএনএ-র সঙ্গে অভিযুক্তের ডিএনএ মিলিয়ে দেখার চেষ্টা চলছে। বুধবার একাধিক দাবি নিয়ে সিজিও কমপ্লেক্স থেকে স্বাস্থ্যভবন পর্যন্ত মিছিল করেন চিকিৎসকদের দল। সেখানে যেমন ছিলেন জুনিয়র ডাক্তারেরা, তেমনই ছিলেন সিনিয়র চিকিৎসকেরাও। গত ৯ অগস্ট দেহ উদ্ধার হয় ওই চিকিৎসকের। তার পর থেকেই বিক্ষোভের পথে হেঁটেছেন চিকিৎসকেরা। দীর্ঘদিন ধরেই চলছে তাঁদের কর্মবিরতি। এমনকী সুপ্রিমকোর্টের উপরোধেও বিক্ষোভ প্রত্য়াহারের পথে হাঁটেনি চিকিৎসক মহল। কর্মক্ষেত্রে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা ও ধর্ষিতার সঙ্গে যা ঘটেছে, তার বিচার না-হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন তাঁরা। যে কারণে গোটা রাজ্য জুড়েই চাপের মুখে পড়েছে চিকিৎসা পরিকাঠামো। এমনকী তার আঁচ ছড়িয়েছে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালেও।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
এই উদাসীন আন্দোলনের রঙ্গমঞ্চে ইলা মিত্রকে খুব প্রয়োজন আজ

Ila Mitra: মানুষকে সংবদ্ধ করে মাথা উঁচু করে বাঁচার লড়াইয়ে যেসব মেয়েরা 'আলালের ঘরে দুলালি' হয়ে চাইলেই কাটিয়ে দিতে পারতেন জীবনখানা, কিন্তু কাটাননি বলে এই সমাজটা অন্যরকম হয়েছে, ইলাদেবী তাঁদের একজন।

এরই মধ্যে যে যার মতো করে প্রতিবাদের ভাষা খুঁজে নিয়েছেন। রাস্তায় নেমে প্রায় প্রতিদিনই চলছে আন্দোলন-প্রতিবাদ। কখনও নেমেছেন অভিনেতা-তারকারা, কখনও গায়ক-গায়িকা, কখনও আবার নৃত্যশিল্পী বা বাচিকশিল্পীরা ডাক দিয়েছেন পথে নামার। আইটি কর্মী থেকে শুরু করে আইনজীবী, গাড়িচালক থেকে বিভিন্ন পেশার মানুষ এগিয়ে এসেছেন এই আন্দোলনের শরিক হতে। এর আগে এত বড় আন্দোলন শেষ কবে শহর দেখেছিল, মনে করা কঠিন। বরাবরই কলেজ স্ট্রিটের রাস্তা সরগরম থেকেছে আন্দোলনের জোয়ারে। মিটিং-মিছিলে মোড়া থেকেছে সেই রাজপথ। গোটা শহর যখন আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদে মুখর, তখন কলেজ স্ট্রিট যেন আস্ত প্রতিবাদ হয়ে জেগে রইল। আরজি করের নির্যাতিতার জন্য সুবিচার চেয়ে রঙে-স্লোগানে বাঙ্ময় হয়ে উঠল। আজ থেকে নয়, দু-এক দশক ধরেই গ্রাফিতি শিল্প হয়ে উঠেছে এক অন্যতর প্রতিবাদের ভাষা, আন্দোলনের স্বর।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
দাবি মানতে গড়িমসি স্বাস্থ্যভবনের! আরজি কর কাণ্ডে আরও বাড়বে চিকিৎসকদের আন্দোলনের ঝাঁজ?

R G Kar Protest: । এদিন বিক্ষোভকারীদের অনেকের হাতেই দেখা গিয়েছে 'প্রিন্সিপ্যাল হাওয়া' লেখা পোস্টার। কেন নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ আরজিকরে নেই, প্রশ্ন আন্দোলনকারীদের।

আর সেই স্বরই নতুন করে ফুটে উঠল কলেজস্ট্রিটের রাস্তার আনাচেকানাচে। মঙ্গলবার মধ্যরাতে সেজে উঠল কলেজস্ট্রিটের বিখ্যাত সেই রাস্তা। যার একধারে প্রেসিডেন্সি কলেজ, হেয়ার স্কুল, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় আর মেডিক্যাল কলেজ। অন্য ধারে দাঁড়িয়ে রয়েছে হিন্দু স্কুল। একসময় নবজাগরণ ও ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের আতুরঘর হয়ে উঠেছিল এই সব রাস্তাই। এখনও কান পাতলে কংক্রিটের বুকে শোনা যায় সেই সব আন্দোলন আর প্রতিবাদের ইতিহাস। আরও একবার সেই জায়গাই ফিরিয়ে আনল কলেজ স্ট্রিটের বুকে একরাশ গ্রাফিতি। রাস্তাতেই ফুটে উঠল প্রতিবাদের ছবি। মঙ্গলবার সেই প্রতিবাদের শিল্পে হাত মেলালেন চিত্রপরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়। প্রেসিডেন্সি কলেজেরই পড়ুয়া ছিলেন এক সময়। দেওয়াল লিখন, প্রতিবাদে মোড়া সেই কলেজ জীবনই যেন মঙ্গলবার ফিরে এল রং-তুলিতে। সাদা টি শার্ট আর বারমুডায় রাস্তায় তুলি হাতে দেখা গেল তাঁকে। শুধু সৃজিতই নন, অনেকেই এই আঁকায় হাত মিলিয়েছিলেন।

এই বিশেষ কর্মসূচীর নাম রাখা হয়েছে 'রাতে জাগো দিনে জাগাও'। মঙ্গলবার সৃজিত-সহ অনেককেই কলেজস্ট্রিটে রাস্তায় রংতুলি হাতে দেখা গেলেও এর শুরুটা কিন্তু হয়ে গিয়েছিল ১৯ অগস্ট, সোমবার থেকেই। সারারাত ধরেই চলেছে রাস্তায় আঁকা, লেখা, স্লোগানিং, প্রতিবাদী গান-বাজনা। ঠিক হয়েছে, সারা শহর ও শহরতলিতে রোজ রাতে দল বেঁধে এই কাজ হতে থাকবে। আঁকাঝোঁকা চলবে রাস্তা জুড়ে, লেখা হবে দেওয়াল। আঁকা-গ্রাফিতির মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হবে প্রতিবাদ। যেসব এলাকায় এই কাজ হবে, তার জন্য আগে থেকেই মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হয়েছে সেই সব এলাকার থানায়, জানানো হয়েছে আবেদন। এই উদ্যোগে এগিয়ে এসেছেন অসংখ্য মানুষ। প্রতিবাদের স্বর পৌঁছে দিয়েছেন, রাস্তায় লেখা-আঁকার জন্য জোগান দিয়েছেন লেখা-আঁকার ভাবনা। কোনও রাজনৈতিক দল বা সংগঠন নয়, সাধারণ ছাত্রছাত্রী থেকে শিল্পীরা এগিয়ে এসেছেন এই প্রতিবাদ কর্মসূচীতে। এত এত রাস্তা আঁকার জন্য প্রয়োজনীয় রং-তুলি ও অন্যান্য সামগ্রী কেনার খরচ জোগার করতে ব্যবস্থা করা হয়েছে ক্রাউড ফান্ডিংয়েরও। স্লোগানে, চিৎকারে প্রতিবাদ তো রয়েইছে, তার সঙ্গেই এই অনুচ্চ প্রতিবাদকেও শহরের বুকে ছড়িয়ে দিতেই এই সাধু উদ্যোগ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

কেতকী কুশারী ডাইসনের গবেষণায় রবীন্দ্রনাথের বর্ণান্ধতা: কবির দেখা রঙের পৃথিবীটা কেমন ছিল?

Ketaki Kushari Dyson about Rabindranath Tagore color blindness: ডাইসনের ক্ষেত্রে একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ‘রঙের রবীন্দ্রনাথ’-এর ইতিহাসে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। তরুণ বয়সে তাঁর নিজের দৃষ্টিশক্তি গুরুতর সংকটের মুখে পড়েছিল। ডাইসনের নিজের বিবরণ অনুযায়ী ১৯৫৯-৬০ সালে তাঁর চোখে দুটি গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রোপচার হয়।

‘ভারতের সঙ্গে খাপ খায় না ধর্মনিরপেক্ষতা’: মোহন ভাগবতের দাবি কতটা সত্য?

Mohan bhagwat's anti secularism: উজ্জয়নীর যুব ধর্ম সংসদে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত বলেন, ধর্মনিরপেক্ষতা পশ্চিমা ধারণা, ভারতের ‘সর্ব-পন্থ-সমভাব’-এর সঙ্গে এটি খাপ খায় না। সত্যিই কি তাই? মোহন ভাগবতের ‘সর্ব-পন্থ-সমভাব’-এর যুক্তি এবং আরএসএসের ধর্মনিরপেক্ষতা নিয়ে অবস্থানের প্রেক্ষিতে নিবেদিতা মেননের ‘মিসডিরেকশন’ তত্ত্ব কী প্রশ্ন তুলছে?

পাতে মাছ, হাতে ‘সনাতনী’ সার্টিফিকেট, কোনটা চায় বাঙালি?

Dhirendra Shastri fish meat controversy: বিতর্কের সূত্রপাত বাগেশ্বর ধামের ধর্মগুরু ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রীর মন্তব্যে। তিনি সম্প্রতি বাংলায় এসে দুর্গাপুজোর সময় হিন্দু বাঙালিদের মাছ-মাংস না খাওয়ার আহ্বান জানান। আমিষাশী হিন্দু বাঙালিদের ‘পাখণ্ডী’ বিশেষণ উপহার দেন।

ছবির পরিকল্পনা থেকে পলিফোনিক সুর: মণিদার যে কাজগুলি শেষ পর্যন্ত হলো না

Gautam Chattopadhyay: একদিন মণিদা বলল, ‘চল তো, জয়ন্ত বোসের বাড়ি যাব। ওকে দিয়ে ছবিতে একটা পলিফোনিক আবহ সংগীত তৈরি করাব।’ তখন আমরা দূরদর্শনের জন্য ‘মহুয়া সুন্দরী’ তৈরি করছি—ময়মনসিংহ গীতিকার একটি জনপ্রিয় লোকপালা।

এক রাজকন্যার স্মৃতি যেভাবে হয়ে উঠল রাঢ় বাংলার মেয়েদের নিজস্ব উৎসব

Bhadu Festival: অবিভক্ত মানভূম জেলার পঞ্চকোটের রাজা নীলমণি সিংহদেবের অপরূপা কন্যা ভদ্রেশ্বরী দেবীর অনূঢ়া অবস্থায় অকালে মৃত্যু ঘটে। রাজকন্যার এই আকস্মিক প্রয়াণে রাজার সঙ্গে প্রজাসাধারণও শোকস্তব্ধ হয়ে পড়ে। কন্যার স্মৃতি অমলিন রাখতে শোকার্ত রাজা রাজ্যজুড়ে এক বিশেষ উৎসব পালনের নির্দেশ দেন।

আলো দিয়ে অন্ধকার দেখাতেন, ব্যঙ্গ দিয়ে সমাজের মুখোশ খুলে দিতেন গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর

Gaganendranath Tagore: আধুনিক ভারতীয় শিল্পের প্রেক্ষাপটে গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান বুঝতে হলে তাঁকে কেবল ‘ঠাকুরবাড়ির মানুষ’ হিসেবে দেখলে চলবে না; বিচার করতে হবে একজন অনুসন্ধিৎসু ও আধুনিক শিল্পী হিসেবে।

বুদ্ধের হাত, বিশ্বকর্মার যন্ত্র! ইলোরার ১০ নম্বর গুহায় আসলে কে বসে আছেন?

The caste history of vishwakarma's: ইলোরার 'সুতারের ঝোপড়ি' থেকে আধুনিক কারিগরের কর্মশালা, বিশ্বকর্মার হাজার বছরের যাত্রা আজও অব্যাহত। ইলোরার দশ নম্বর গুহায় বুদ্ধের মূর্তিকে ভক্তরা ডাকেন বিশ্বকর্মা বলে, যিনি কারিগরদের পূর্বপুরুষ, দেবতাদের স্থপতি। ঋগ্বেদের 'সর্বকর্তা' থেকে পুরাণের 'দেবশিল্পী', ব্রাহ্মণত্বের দাবি থেকে ওবিসি সংরক্ষণ—বিজয়া রামাস্বামী, জ্যান ব্রাউয়ার ও কিরিন নারায়ণের গবেষণায় উন্মোচিত হয়েছে, বিশ্বকর্মাদের ঘিরে গড়ে ওঠা বর্ণবাদ, কারিগরি ও ক্ষমতাকাঠামোর জটিল ইতিহাস।

লেপচাদের দার্জিলিং যেভাবে হয়ে উঠল ব্রিটিশদের শৈলশহর

Darjeeling history: ভারতের প্রথম ‘জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন’ (জিআই) ট্যাগ প্রাপ্ত পণ্য বিশ্বখ্যাত ‘দার্জিলিং টি’। অথচ এই চা গাছ কিন্তু দার্জিলিং-এর ‘ভূমিপুত্র’ নয়। সাহেবরা নিজেদের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে শান দিতেই এখানকার আদি বাস্তুতন্ত্রের খোলনলচে বদলে দিয়েছিল। দেশীয় বনভূমি ধ্বংস করে পাইন আর চা রোপণের মাধ্যমেই জন্ম নিয়েছিল আধুনিক পর্যটন মানচিত্রের এই ‘খাদের ধারের দার্জিলিং’।