২০ দিনে আক্রান্ত ২৪ কোটিরও বেশি মানুষ! করোনার নয়া রূপ কেন এত আতঙ্ক ছড়াচ্ছে চিনে?

Corona outbreak in China : বাড়ির পাশেই চিনের পরিস্থিতি কারও নজর এড়ায়নি। এখন সেখানে ফের করোনা বেড়ে যাওয়ায় আতঙ্কও চরমে।

Aritra Som
৪ মিনিট
২০ দিনে আক্রান্ত ২৪ কোটিরও বেশি মানুষ! করোনার নয়া রূপ কেন এত আতঙ্ক ছড়াচ্ছে চিনে?

২৫ ডিসেম্বরে কলকাতার পার্ক স্ট্রিটে কেবল মাথা আর মাথা। সোশ্যাল মিডিয়া, খবরের চ্যানেলে সেই অগুনতি ভিড়েরই একের পর এক ছবি, ফুটেজ। সকলে অবাক, এত মানুষ ক্রিসমাসের আনন্দে মেতে উঠেছেন! পার্ক স্ট্রিটে ভিড় করে কী এমন করছে সবাই, সেই প্রশ্নে ভ্রু ঈষৎ বেঁকেছেও। আবার বাংলার জনগণের একটা অংশ এই ছবি দেখে প্রমাদ গুনছে। ভয় পাচ্ছেন তাঁরা। ফের যদি করোনা বাড়ে?

দুর্গাপুজোর সময়ও তো মানুষজন ভিড় করে রাস্তায় বেরিয়েছিল। তাহলে এখন কেন হঠাৎ আতঙ্ক ফিরে আসছে? সৌজন্যে সম্প্রতি ঘটে চলা বেশকিছু খবর। অহরহ করোনা নিয়ে সতর্কবাণী, সাম্প্রতিক পরিস্থিতি, কেন্দ্রীয় সরকারের ঘনঘন বৈঠক… সব মিলিয়ে ফের বছর দুয়েক আগের শঙ্কায় ফিরে যাচ্ছে জনগণ। রাজ্যসভা, লোকসভায় মাস্ক মাস্ক পরে বসে আছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, উপ রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়, স্পিকার ওম বিড়লা। এই ছবি ফের সামনে এনেছে একটি প্রশ্নের। ফের করোনা বাড়ছে? তার মানে, ফের লকডাউন?

করোনা যে আবার বাড়তে শুরু করেছে, সেই খবর সত্যি। কিন্তু কেন্দ্র, রাজ্য দুই প্রশাসনই বারবার বলছে, লকডাউনের আশঙ্কার কোনও কারণ নেই। করোনা বাড়লেও, ভারতে পরিস্থিতি একেবারেই উদ্বেগজনক পর্যায়ে যায়নি। কেবল বিপদ এড়াতে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। তবুও মুখ থেকে শঙ্কার রেখা যাচ্ছে না ভারতবাসীর। কারণ? বাড়ির পাশেই চিনের পরিস্থিতি কারও নজর এড়ায়নি। দু’বছর আগে এই চিনের উহান প্রদেশ থেকেই ছড়িয়ে পড়েছিল করোনা। তারপর কী হয়েছিল, সেই সংবাদ নতুন করে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এখন ফের চিনে করোনা বেড়ে যাওয়ায় তাই আতঙ্কও চরমে।

চিনের পরিস্থিতি ঠিক কী?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ফের করোনার বাড়াবাড়ি! মরণ কামড় এড়াতে দেশে কী কী বিধিনিষেধ আরোপ হল, জেনে নিন

Covid situation in India : ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট থেকেই এই ভ্যারিয়েন্টটি এসেছে। চিনের রিপোর্ট বলছে, প্রতিদিন ১০ লাখের বেশি মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন।

চিনের ন্যাশনাল হেলথ কমিশনের সাম্প্রতিক একটি রিপোর্ট যাবতীয় দুশ্চিন্তার মূলে। সেখানে বলা হয়েছে, ডিসেম্বরের প্রথম দিন থেকে ২০ তারিখ অবধি সেখানে প্রায় ২৪৮ মিলিয়ন মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন! যা এখনও অবধি চিনের সর্বকালীন রেকর্ড। ২০২০, ২০২১-এর বীভৎসতার থেকেও বেশি মানুষ এবার আক্রান্ত হয়েছেন। এবং এই গ্রাফ হঠাৎ করেই বাড়তে শুরু করেছে। আর থামার নাম নিচ্ছে না। এও বলা হচ্ছে, আক্রান্তের সংখ্যাটা চিনের মোট জনসংখ্যার মাত্র ১৮ শতাংশ। বিপদ যে আরও বেশির দিকে যেতে পারে, তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও।

শুরু থেকেই চিনের শি জিনপিংয়ের প্রশাসন একটি নির্দিষ্ট নিয়ম নিয়ে ময়দানে নেমেছিল। ‘জিরো কোভিড পলিসি’। করোনার বাড়বাড়ন্ত আটকাতে কড়া লকডাউনের পথে হেঁটেছিল তারা। তাতে গ্রাফ সামান্য কমলেও সামগ্রিক পরিস্থিতির উন্নতি যে হয়নি, তা বোঝাই যাচ্ছে। স্বাভাবিক জনজীবন ব্যহত হচ্ছে, এই দাবিতে আন্দোলনও শুরু হয়। সেই চাপা আগুনে ঘি দেয় নভেম্বরের একটি ঘটনা। চিনের একটি বিল্ডিংয়ে আগুন লেগে যাওয়ায় সেখানে আটকে পড়েন বেশকিছু মানুষ। বারবার সাহায্য চাওয়ার কথা বললেও কিছু হয়নি। জিরো কোভিড পলিসির জন্য দমকলও সময় মতো আসতে পারেনি। ফলে জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মারা যান ১০ জন।

এরপরই বিক্ষোভে ফেটে পড়ে চিন। বেজিং, সাংহাইয়ের রাস্তায় নামে শত শত মানুষ। একটাই দাবি ছিল, স্বাভাবিক জনজীবন ফেরত আনো। জিরো কোভিড পলিসি হটাও। বিক্ষোভের জেরে শেষমেশ খানিকটা পিছু হটে প্রশাসন। তারপরই ফের বাড়তে থাকে করোনা। ভাইরাসের নতুন স্ট্রেইন বিএফ.৭ (BF.7)-এর আক্রমণই বেশি। এই স্ট্রেইনের উপদ্রবই এখন চিনে ছড়িয়ে পড়ছে। ২০১৯-এর ডিসেম্বর এভাবেই দেখেছিল করোনার প্রাদুর্ভাব। তারপরই গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। তাই এবারও ভয়টা জাঁকিয়ে বসছে মানুষের মনে।

বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নাকে কয়েক ফোঁটা নিলেই করোনা গায়েব! বিশেষ এই ন্যাজাল ভ্যাকসিন কবে মিলবে , জানুন

Covid Intranasal Vaccine : এটি ইনজেকশন নয়; এর জন্য যন্ত্রণায় চোখ বন্ধ করে থাকতে হবে না। নাক দিয়ে এই ভ্যাকসিন নেওয়া যাবে!

যদিও যাবতীয় ভয় দূরে সরিয়ে রাখার কথা বলছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁদের বক্তব্য, এই BF.7 করোনা ভ্যারিয়েন্টটি একেবারে নতুন নয়। প্রায় ২২ মাস ধরে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এর মতো স্ট্রেইনের উপস্থিতি দেখা গিয়েছে। ওমিক্রনের মতো এরও মারণ ক্ষমতা তুলনামূলক অনেকটা কম হলেও, বেশি সংখ্যক মানুষকে আক্রান্ত করছে। ভাইরাসের মূল চরিত্রই হল সেটা। সাধারণত ভাইরাস চায়, যার দেহে সে বাসা বেঁধেছে, সে যেন জীবিত থাকে। তাহলে সেটিও নিজের কাজ করতে পারবে, বেঁচে থাকতে পারবে। বদলে যত বেশি সংখ্যক ‘হোস্ট’-এর দেহে ছড়ানোর চেষ্টা করতে পারে। তাই এখনই ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই।

তাহলে চিনে এমন ভয়াবহ আকার ধারণ করল কেন এই স্ট্রেইনটি? এত বেশি সংখ্যক মানুষ কেন আক্রান্ত হচ্ছে সেখানে? এর পিছনে বেশকিছু কারণ তুলে ধরছেন গবেষকরা।

চিনের পরিস্থিতির পিছনে কারণ?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
করোনা বদলে দিয়েছে টিন-এজারদের মস্তিষ্ক! ভয়াবহ তথ্য উঠে এল গবেষণায়

Covid and Depression: কোভিড ১৯-এর প্রভাবে শিশু ও তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য এবং সুস্থতার ওপর যে প্রভাব পড়েছে তা অনেকদিন পর্যন্ত স্থায়ী থাকবে।

প্রথম ও প্রধান কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, সঠিকভাবে ভ্যাকসিনেশনের অভাব। চিন প্রশাসনেরই একটি রিপোর্টের দিকে নজর দেওয়া যাক। সেখানে বলা হচ্ছে, দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষের টিকাকরণ সম্পূর্ণ হয়নি। সেইসঙ্গে ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে থাকা মানুষদেরও ভ্যাক্সিনেশন হয়নি। প্রশাসনের তথ্য বলছে, চিনের ৩০ শতাংশ বয়স্ক মানুষদের টিকাকরণ সম্পূর্ণ হয়নি। বুস্টার ডোজও নেননি অনেকে। এই ৩০ শতাংশ মানে কত? সংখ্যাটা ৮০ মিলিয়ন! মানে প্রায় ৮ কোটি!

চিনের জনসংখ্যার হিসেবে কম হলেও, সংখ্যাটি ফেলে দেওয়ার মতো নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জিরো কোভিড পলিসি প্রয়োগের আগেও সঠিকভাবে ভ্যাকসিনেশন প্রোগ্রামের প্রয়োজন ছিল। যাতে দেশের বেশিরভাগ মানুষ টিকার সুবিধা পান। সেটা হলে করোনার এমন আকস্মিক প্রকোপ অনেকটাই আটকানো যেত। জিরো কোভিড পলিসি যে কোনও কিছু না ভেবে প্রয়োগ করা হয়েছে, সে কথা সরাসরি বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

চিকিৎসকরা এও বলছেন, কেবল ভ্যাকসিনের মাধ্যমেই ইমিউনিটি তৈরি হয় না। ‘হার্ড ইমিউনিটি’র জন্য প্রয়োজন স্বাভাবিক জনজীবন। একেবারে লকডাউন নয়, কড়া বিধি নিষেধের মধ্যে যদি জীবনযাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করা যেত, তাহলে মানুষের দেহে স্বাভাবিক একটা প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠত। চিনের প্রশাসনের সিদ্ধান্তের জন্য সেটাও ব্যাপকভাবে হয়নি। ফলে জিরো কোভিড পলিসি এখন ব্যুমেরাং হয়ে ফিরে এসেছে।

চিনের জিংপিনের সরকারের আরও একটি প্রচার ছিল। ‘ব্যাক টু দ্য ওল্ড ট্র্যাডিশন’। চিনের প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতির দিকে জোর দিয়েছিল প্রশাসন। উল্টোদিকে, বিদেশি ভ্যাকসিনের ব্যবহার করতে দেওয়া হয়নি। ফলে জন সাধারণের মধ্যে একটা প্রাথমিক অবিশ্বাস তৈরি হয়ে যায়। সেজন্য অনেকেই ভ্যাকসিন নেননি। বাইরে থেকে ভ্যাকসিন না আসার ফলে হঠাৎ এই করোনার বাড়বাড়ন্তে মুখ থুবড়ে পড়েছে চিনের ফার্মাসিউটিকাল ইন্ডাস্ট্রি। জিরো কোভিড পলিসির জন্য ওষুধের সাপ্লাই চেনও ভেঙে পড়ে একেবারে। যার ফল বর্তমান স্পাইক।

আর ভারত?

তবে ভারতে এই পরিস্থিতি নেই। ভ্যাকসিনেশনে বারবার জোর দেওয়া হয়েছে। ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি নিজেদের মতো করে চেষ্টা করে চলেছে। বিশেষ ন্যাজাল ভ্যাকসিনও বাজারে চলে এসেছে। ভারতের একটা বড়ো অংশের মানুষের মধ্যে হার্ড ইমিউনিটি তৈরি হয়েও গিয়েছে। ফলে ভারত ও অন্যান্য জায়গায় করোনা নিয়ে এখনই ভয় পাওয়ার কারণ নেই বলে জানিয়েছে বিশেষজ্ঞরা। প্রয়োজন কেবল একটু সচেতনতা, বিধি নিষেধ মেনে চলার।

লিখেছেন
Aritra Som
Aritra Som
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

করোনা সেরে গেলেও পিছু ছাড়ছে না ক্লান্তি! লং কোভিড নিয়ে নতুন গবেষণায় কী জানা গেল?

Long COVID: করোনা সংক্রমণ থেকে সুস্থ হওয়ার পরেও অনেকের শরীরে থেকে যাচ্ছে ক্লান্তি, শ্বাসকষ্ট ও স্মৃতিশক্তির সমস্যা। লং কোভিড নিয়ে নতুন মার্কিন গবেষণায় দেখা গেল, তিন বছরে প্রায় অর্ধেক রোগীর উপসর্গ কমেছে এবং এক-চতুর্থাংশ সম্পূর্ণ সুস্থ হয়েছেন। কিন্তু কোন ধরনের উপসর্গ থাকলে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি? কী বলছে গবেষণা?

কলকাতা বন্দরে উদ্ধার সাড়ে ১৩ কোটি টাকার ই-সিগারেট, শরীরের কী কী ক্ষতি করে এই ইলেকট্রনিক সিগারেট?

E-Cigarette Side Effects: কলকাতা বন্দরে প্রায় ৫৫ হাজার ই-সিগারেট উদ্ধার করেছে রাজস্ব গোয়েন্দা দফতর (DRI)। উদ্ধার হওয়া পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৩.৫ কোটি টাকা। ভারতে নিষিদ্ধ এই ইলেকট্রনিক সিগারেট শরীরের কী কী ক্ষতি করতে পারে?

ফ্যাটি লিভারের চিকিৎসায় DT-109 কতটা কার্যকর হতে পারে?

Fatty liver: ফ্যাটি লিভারের চিকিৎসায় DT-109 কতটা কার্যকর? অন্ত্রের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণ করে কীভাবে এই পরীক্ষাধীন ওষুধ লিভারের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে? প্রাণীর শরীরে আশাব্যঞ্জক ফল মিললেও মানুষের ক্ষেত্রে এর কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা কি প্রমাণিত হয়েছে? ভবিষ্যতে কি গুরুতর ফ্যাটি লিভারের চিকিৎসায় নতুন দিশা দেখাতে পারবে DT-109?

ইউক্রেনকে বিসর্জন দিয়ে পুতিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়াচ্ছেন ট্রাম্প?

Trump Putin relationship: ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠতা বর্তমান বিশ্বরাজনীতির জটিল সমীকরণকে নতুন করে নির্ধারণ করতে পারে?

বাংলার স্বাস্থ‍্যরক্ষায় সরকারি স্বাস্থ্যব‍্যবস্থা সংহত হওয়া জরুরি: অভিজিৎ চৌধুরী

Abhijit Chowdhury Interview: তিনি বাঙালির ‘লিভারের ডাক্তারবাবু’ বলেই সমধিক পরিচিত। দীর্ঘদিন সরকারি ক্ষেত্রে কাজ করেছেন। অবসরের পরেও জড়িয়ে রয়েছেন চিকিৎসা পরিষেবার সঙ্গে। সোনারপুরে গড়ে তুলেছেন ‘লিভার ফাউন্ডেশন’। সহযোদ্ধাদের সঙ্গে মিলে তাঁর পরবর্তী স্টেশন ‘স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়’।

হঠাৎ হৃদযন্ত্র বন্ধ হলে কী করবেন? নানা পাটেকরের মৃত্যুর পর জেনে নিন CPR-এর জরুরি নিয়ম

How to perform CPR: ধরুন, হঠাৎ কেউ জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে পড়ে গেলেন। ডাকলেও সাড়া দিচ্ছেন না, স্বাভাবিকভাবে শ্বাসও নিচ্ছেন না। এমন অবস্থায় আতঙ্কিত হয়ে দাঁড়িয়ে থাকার সময় নেই। তাহলে, কী করবেন তখন?

থালায় খাবার, নাকি বিষ? খাদ্যব্যবস্থার ভিতরে যেভাবে ঢুকছে কীটনাশক ও কর্পোরেট নিয়ন্ত্রণ

Poison on the Plate: বায়ার-মনসান্টো ও সিনজেনটার মতো 'বিগ সিক্স' কর্পোরেটের নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছে বিশ্বের বীজ বাজার। ২০২৩ সালে ভারতে ১০,৭৮৬ জন খাদ্য উৎপাদক কৃষক ও কৃষিশ্রমিকের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। ২৮ শতাংশ খাদ্য নমুনায় কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ পাওয়া যাচ্ছে। কৃষিকাজে ব্যবহৃত গ্লাইফোসেটকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ক্ষতিকারক ‘সম্ভাব্য কার্সিনোজেন’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, তবুও এর ব্যবহার থামেনি। অন্যদিকে, প্রচারের অন্তরালে সিকিম আমাদের দেশের প্রথম শতভাগ জৈব কৃষির রাজ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। সারা বিশ্বজুড়ে কৃষিবিদ বন্দনা শিবার ‘পয়জন-ফ্রি ফুড অ্যান্ড ফার্মিং ২০৩০’ অভিযানের ডাক আমাদের খাবারের থালাকে বিষমুক্ত করার আহ্বান জানাচ্ছে।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।