ত্রিপুরায় আজ হাওয়া কোন দিকে? রাম নাকি বাম কার দখলে থাকবে বাংলার এই পড়শি রাজ্য?

Tripura Election results : প্রথম থেকে লোক মুখে হাই ভোল্টেজ ভোট হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে ত্রিপুরা। উল্লেখ্য, ত্রিপুরা বিধানসভা ভোট ২০২৩-এ মূলত, ত্রিশঙ্কু হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

inscript
৩ মিনিট
ত্রিপুরায় আজ হাওয়া কোন দিকে? রাম নাকি বাম কার দখলে থাকবে বাংলার এই পড়শি রাজ্য?

রাত পোহাতেই শিরোনামে ত্রিপুরা। সকলেরই পাখির চোখ ফলাফলের দিকে। আজ আনুষ্ঠানিক ভোট গণনা এই রাজ্যে। ইতিমধ্যেই সামনে আসতে শুরু করেছে এগজিট পোল। কী হতে চলেছে? বাম নাকি রাম, কার দখলে যাবে ত্রিপুরা? ইত্যাদি নিতে এর মধ্যেই শুরু গিয়ে গিয়েছে জল্পনা। বাঙালি অধ্যুষিত বলেই ত্রিপুরার ভোটে বাংলার একটা ছাপ মিলবে বলেও শোনা যাচ্ছে কানাঘুষো। কিন্তু কোন দিকে পাল্লা ভারী থাকবে তার সঠিক উত্তর মিলবে আজই।গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ছিল ত্রিপুরার ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া। ত্রিমুখী লড়াই চলেছে সেখানে। সেই রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে এবার কোনও নতুন হিসাব উঠে আসতে পারে কি না, তার দিকেই গোটা তাকিয়ে দেশের রাজনীতি। ১৬ আসনের ত্রিপুরা বিধানসভা ভোটে প্রায় ৮০ শতাংশের উপর ভোট পড়েছে। মোট ভোট দিয়েছে প্রায় ২৪,৬৬ লাখ ভোটার।

প্রথম থেকে লোক মুখে হাই ভোল্টেজ ভোট হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে ত্রিপুরা। উল্লেখ্য, ত্রিপুরা বিধানসভা ভোট ২০২৩-এ মূলত, ত্রিশঙ্কু হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বহু রাজনৈতিক পর্যালোকদের মতে, তিপরা মথা পার্টি এবারের কিং মেকার হলেও হতে পারে। তবে ত্রিপুরা রাজবংশের সন্তান প্রদ্যোৎ দেববর্মার মথা পার্টি এই ভোটে কতটা ‘ডিসাইডিং ফ্যাক্টর’ হবে, সেদিকে এক্সিট পোল বা বুথ সমীক্ষার নজর থাকবেই। অন্যদিকে ফের নিজেদের চেনা দাপট কতটা ধীরে রাখতে পারবে বিজেপি, সেই নিয়েও একটা জল্পনা চলছে। তার ওপর আবার বিপরীতে রয়েছে বাম-কংগ্রেস জোট। গেরুয়া দুর্গে কতটা জোরেই বা ধাক্কা দেবে তারা? সব মিলিয়ে থেকেই যাচ্ছে প্রশ্ন। মোট ৬০ টি আসনে আজ ভোট গণনা প্রক্রিয়া চলবেন অর্থাৎ ত্রিপুরা বিধানসভা ভোটে এবারের ম্যাজিক ফিগার ৩১।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ত্রিপুরা কি বামের না রামের? সারা দেশের নজর আজ বাংলার পড়শি রাজ্যে

Tripura Election : মোট ভোটার ২৮.১৩ লাখ, প্রার্থী সংখ্যা ২৫৯, এক ঝলকে জেনে নিন ত্রিপুরা ভোটের সমস্ত খুঁটিনাটি

বাংলার উন্নয়ন মডেলকে সামনে রেখেই এবারে ত্রিপুরায় ভোট লড়ছে তৃণমূল। অপরদিকে স্বমহিমায় ছিল লাল এবং গেরুয়া শিবিরও। ভোট প্রক্রিয়াকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ রাখতে যাবতীয় ব্যবস্থা বজায় ছিল নির্বাচন কমিশনের তরফে। যদিও কিছু জায়গায় অশান্তি তাও এড়ানো যায়নি। ঠিক ১৪ দিনের মাথায় আজ চূড়ান্ত ফলাফল। বিজেপি ও তার সহযোগী আইপিএফটির সঙ্গে বাম কংগ্রেসের জোর টক্কর হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে তিপরা মোথাকে ঘিরে ভাবাবেগ।এর মধ্যেই বিভিন্ন এগজিট পোলের একটা হিসাব সামনে এসেছে। বেশ কয়েকটি সমীক্ষাও চালানো হয়েছে।

আসন সংখ্যা নিয়ে ভিন্ন মত থাকলেও মোটামুটি সব দিকেই শোনা যাচ্ছে, ফের সংখ্যা গরিষ্ঠ আসন গ্রহণ করবে বিজেপিই। ইন্ডিয়া টুডে অ্যাক্সিস মিডিয়ার বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, ৬০ আসনের মধ্যে প্রায় ৩৬ থেকে ৪৫ টি আসনই থাকবে গেরুয়া শিবিরের দখলে। যা কিনা ম্যাজিক ফিগারের থেকেই বেশি। অন্যদিকে তাদের সমীক্ষায় বাম কংগ্রেস জোটের ঝুলিতে থাকতে পারে ৬ থেকে ১১ টি আসন। এবং মথা পার্টি পেতে পারে ৯-১৬ টি আসন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ধর্ম নয়, চাকরিই পথ! ত্রিপুরাতে কি এবার হারানো গড় ফিরে পাবে বামেরা?

Tripura Assembly Election 2023: রাজ্য ভাগাভাগি না করেই সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই আদিবাসীদের সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ব্যবস্থা করতে চায় বামেরা।

আবার জি নিউজ-ম্যট্রিজের সমীক্ষায় বলা হচ্ছে, বিজেপির দখলে থাকতে পরে ২৯-৩৬ টি আসন। সিপিএম-কংগ্রেস জোট পাবে ১৩-২১ টি আসন, তিপরা মথা পার্টি পাবে ১১-১৬ টি আসন, বাকিরা ০-৩ টি আসন পেতে পারে। এছাড়া, টাইমস নাউ ইটিজি-র সমীক্ষা বলছে, মেরেকেটে ২৪ টি আসন পাবে বিজেপি। প্রায় ঘাড়ের কাছেই নিঃশ্বাস ফেলতে বাম কংগ্রেস জোট। ১৩ থেকে ২১টি আসন থাকতে পারে তাদের দখলে।অন্যদিকে তিপরা মথা পেতে পারে ১৪ টি আসন।

অর্থাৎ এগজিট পোলের হিসেব ফের গেরুয়া ঝড়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে ইতিমধ্যেই। আর এই ইঙ্গিত যে আদতে আসন্ন ২০২৪ ভোটের ক্ষেত্রে বিজেপি দলের অক্সিজেন জোগাচ্ছে, তা বলাই বাহুল্য! দীর্ঘ ২৫ বছরের বাম শাসনের ইতি টেনে গত ২০১৮ সালের বিধানসভা ভোটে ক্ষমতার শীর্ষে উঠে এসেছিল বিজেপি। সেই ধারাই যে এবারেও অক্ষত থাকবে এমনটাই শোনা যাচ্ছে।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।