বালকনাথ নয়, প্রথমবার ভোটে জেতা ভজনলালকেই কেন রাজস্থানে বাছল বিজেপি?

Rajasthan CM: মঙ্গলবার জয়পুরের সর্দার পটেল মার্গে বিজেপির রাজ্য দফতরে বিজেপির সদ্যজয়ী বিধায়কদের বৈঠকে নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক তথা ব্রাহ্মণ নেতা ভজনলাল শর্মার নাম ঘোষণা করলেন তিন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক।

Sohini Das
৩ মিনিট
বালকনাথ নয়, প্রথমবার ভোটে জেতা ভজনলালকেই কেন রাজস্থানে বাছল বিজেপি?

কংগ্রেসের হাত থেকে কার্যত মরুশহর ছিনিয়ে নিয়েছে বিজেপি। মুখ থুবড়ে পড়েছে গেহলট সরকার। বিধানসভা ভোটে পাঁচ রাজ্যের মধ্যে তিনটিতেই জিতেছে বিজেপি। শুধু তেলঙ্গানাতেই মান বাঁচিয়েছে কংগ্রেস। ইতিমধ্যেই সেখানে তাঁরা নিজেদের মুখ্য়মন্ত্রী নির্বাচনের কাজ সেরে ফেলেছে। বাকি তিনটি রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী বাছতে গিয়ে পুরনো মুখ ছেঁটে ফেলে নতুন মুখকেই ক্ষমতায় আনতে চাইছে বিজেপি। তেমনটাই দেখা গিয়েছে ছত্তীসগঢ় ও মধ্যপ্রদেশ। ওই দু'জায়গাতেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রমন সিংহ ও শিবরাজ সিংহ চৌহানকে ছেঁটে ফেলেছে বিজেপি। এবার পালা রাজস্থানের।

রাজস্থানেও কার্যত একই পথে হাঁটতে চলেছে বিজেপি। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থীর তালিকায় ছিল এককালের মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে থেকে শুরু করে মহন্ত বালকনাথের মতো অনেক নামই। তাঁদের পিছনে ফেলে মুখ্যমন্ত্রীর তালিকায় রাজস্থানে ব্রাহ্মণ নেতা ভজনলাল শর্মাকেই এগিয়ে রাখছেন রাজস্থানে বহাল তিন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক। অনেকেই ভেবেছিলেন, মহন্ত বালকনাথই এগিয়ে থাকছেন মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে। তবে সেই ভাবনাচিন্তা উল্টে পাল্টে গিয়েছে তিন পর্যবেক্ষকের রায়ে।

স্বাভাবিক ভাবেই বিজেপি প্রতিটি পদক্ষেপই এখন ফেলছে ২০২৪ লোকসভা ভোটের কথা ভেবে। প্রায় প্রতিটি রাজ্যেই সাংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে পরবর্তী লোকসভা ভোটের কথা খেয়াল রাখছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। ছত্তীসগঢ়, মধ্যপ্রদেশ এবং রাজস্থানেও সেই পথই নেওয়া হচ্ছে বলে মত রাজনৈতিক অভিজ্ঞদের। পুরনো পরিচিত মুখেদের সরিয়ে রাজ্যের দায়িত্ব নতুন মুখেদের হাতেই যে তুলে দিতে চাইছে বিজেপি, তার পরিচয় মিলল এবার রাজস্থানেও।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
রাজস্থানে কি বালকনাথ? কোথায় কাকে মুখ্যমন্ত্রী বাছবে বিজেপি

Assembly Polls 2023: তিনটি রাজ্যে কে হতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী, তা নিয়ে একাধিক বৈঠক সেরেছেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কেন্দ্রীয় বিজেপির তিন মাথা এক হচ্ছে বারবার।

মঙ্গলবার জয়পুরের সর্দার পটেল মার্গে বিজেপির রাজ্য দফতরে বিজেপির সদ্যজয়ী বিধায়কদের বৈঠকে নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক তথা ব্রাহ্মণ নেতা ভজনলাল শর্মার নাম ঘোষণা করলেন তিন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক। এই প্রসঙ্গে মনে রাখা দরকার, এ বারেই প্রথম বার বিধানসভা ভোটে জিতেছেন ভজনলাল। ৫৬ বছরে ভজনলাল বরাবরই দলের অন্দরে সঙ্ঘঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ছিলেন। শুধু মুখ্যমন্ত্রী বাছার ক্ষেত্রে নয়, উপমুখ্যমন্ত্রীর ক্ষেত্রেও একই মডেলে এগোচ্ছে বিজেপি। আপাতত দু'জন উপমুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী রয়েছে রাজস্থানে। প্রথম জন জয়পুর রাজপরিবারের সদস্যা তথা বিদ্যাধরনগরের বিধায়ক দীয়া কুমারী। দ্বিতীয় জন ডুডু কেন্দ্রের বিধায়ক তথা অনগ্রসর নেতা প্রেমচাঁদ বৈরওয়া।

বিধানসভা ভোটের পর জয়ী তিন রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ বেছে নেওয়ার জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষক দল পাঠিয়েছিল বিজেপির কেন্দ্র নেতৃত্ব। রাজস্থানে পর্যবেক্ষক হিসেবে পৌঁছেছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মন্ত্রী বিনোদ তাওড়ে এবং রাজ্যসভা সাংসদ সরোজ পাণ্ডে। তাঁরাই এদিন জয়পুরে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ভজনলালের নাম ঘোষণা করেন। ভজনলালের নাম ঘোষণার পরে বসুন্ধরা অনুগামীরা বিক্ষোভ দেখাতে পারেন, এমন আশঙ্কাও ছিল। তবে তেমন কিছু ঘটেনি মরুপ্রদেশে। দলের ভিতরের কেউই এ নিয়ে বিশেষ প্রশ্ন করেননি। মোদি-শাহের পছন্দ নিয়েও সওয়াল করেননি কেউ। যতদূর জানা গিয়েছে, বসুন্ধরাই পরিষদীয় দলের নেতা হিসেবে ভজনলালের নাম প্রস্তাব করেছিলেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বিজেপিকেই বেছে নিলেন রাজস্থানের মেয়েরা, কেন ভোটে মুখ পুড়ল কংগ্রেসের?

Assembly Election Result 2023 Rajasthan: যে যে ভোটকেন্দ্রে মহিলা ভোটার বেশি, সেই ভোটকেন্দ্রগুলিতে গো-হারান হেরেছে কংগ্রেস। রাজস্থানের মেয়েদের নিরঙ্কুশ সমর্থন গিয়েছে মোদি-ম্যাজিকের দিকেই।

দু'শো আসনের রাজস্থান ভোটে এ বার ১১৫টি ভোটে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বিজেপি। বাকি দুই রাজ্যের মতোই জাতপাতের সমীকরণ মাথায় রেখেই রাজস্থানেও কোনও উচ্চবর্ণের নেতাকেই মুখ্য়মন্ত্রী করার সম্ভবনা ছিল বিজেপির। দলের দীর্ঘদিনের ভোটব্যাঙ্ক রাজপুতদের মধ্যে থেকেও কেউ উঠে আসতে পারেন বলে মনে করেছিলেন অনেকে। তবে শেষপর্যন্ত ছাত্রসংগঠন এবিভিপি থেকে উঠে আসা ব্রাহ্মন নেতার উপরেই বেশি ভরসা রাখল বিজেপি। তবে মজার ব্যাপার হল, ভজনলাল নিজে ব্রাহ্মন নেতা হলেও উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেওয়া দুই নেতার মধ্যে দিয়া কুমারী রাজপুত এবং প্রেম চাঁদ বৈরওয়াকে তফসিলি জাতির প্রতিনিধি।

আদতে ভরতপুরের বাসিন্দা ভজনলাল শর্মা। তবে সেই ভরতপুরের আসন থেকে মোটেও টিকিট পাননি ভজনলাল। তার অন্যতম কারণ এটাই, যে ওই আসনটিতে যে জয় আসবেই, এমন আত্মবিশ্বাস ছিল না দলের অন্দরেই। সাঙ্গানা থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হন ভজনলাল। এই বিধানসভা কেন্দ্রটি ব্রাহ্মণ অধ্যুষিত। তাঁর জিততে কোনও অসুবিধাই হয়নি। কংগ্রেস প্রার্থী পুষ্পেন্দ্র ভরদ্বাজকে তিনি ৪৮,০৮১ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন।

১৯৯৩ সালে জয়পুরের রাজস্থান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেছিলেন তিনি। ছাত্র জীবনেই তিনি যোগ দিয়েছিলেন, আরএসএস-এর ছাত্র শাখা, অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ বা এবিভিপি-র সঙ্গে। এবিভিপি এবং আরএসএস-এর ঘর থেকেই বিজেপির সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন তিনি। রাজনীতির পাশাপাশি, তিনি শ্রী কৃষ্ণ কানহাইয়া অ্যান্ড কোম্পানি নামে এক সংস্থার মালিক। ভারত সরকারের রেল মন্ত্রকের বেতনভুক কর্মচারীও বটে। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় দেড় কোটি। এছাড়া, ঋণ রয়েছে ৩৫ লক্ষ টাকার। মরুরাজ্যে সবচেয়ে বেশিদিন সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি। তবে এই প্রথম ভোটে জিতে বিধায়ক হচ্ছেন ভজনলাল। আর সেই প্রথম বারেই যে মুখ্যমন্ত্রীর আসনের শিকে ছিঁড়বে তাঁর কপালে, এ কার্যত অভাবনীয় বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।