সকাল না সন্ধ্যা? কখন ব্যায়াম করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাবেন?

Body Clock And Fitness: যুক্তরাজ্যের 'ওপেন হার্ট' (Open Heart) জার্নালে প্রকাশিত একটি নতুন সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, নিজের ক্রোনোটাইপের সঙ্গে মিলিয়ে ব্যায়াম করলে হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা অনেক বৃদ্ধি পায়।

Sampriti Ghosh
২ মিনিট
সকাল না সন্ধ্যা? কখন ব্যায়াম করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাবেন?

সকাল সকাল অ্যালার্ম বেজে উঠতেই প্রতিদিনের চেনা যুদ্ধটা শুরু হয়। বিছানায় এপাশ-ওপাশ করতে করতে মনে হয়, "ধুর! আজ আর জিমে যাব না" কিংবা "আজ থাক, কাল থেকে দৌড়ানো শুরু করব।" শরীরচর্চা বা ব্যায়াম স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারী, তা আমরা সবাই জানি। তা সত্ত্বেও বিছানা ছেড়ে ওঠার এই অনীহা বা আলসেমি আমাদের অনেকেরই নিত্যদিনের সঙ্গী। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন, এই অনিচ্ছার পিছনে হয়তো আপনার অলসতা নয়, বরং আপনার বেছে নেওয়া 'সময়টা' দায়ী হতে পারে? হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন। হয়তো আপনি যে সময়ে ব্যায়াম করার চেষ্টা করছেন, সেটি আপনার শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ির সঙ্গে মিলছে না।

বায়োলজিক্যাল ক্লক

আমাদের প্রত্যেকের শরীরের ভিতরে একটি অদৃশ্য ঘড়ি রয়েছে, যাকে বিজ্ঞানের ভাষায় বায়োলজিক্যাল ক্লক বা জৈবিক ঘড়ি বলা হয়। এই ঘড়িটি নির্ধারণ করে কখন আমরা ঘুম থেকে উঠব, কখন আমাদের এনার্জি তুঙ্গে থাকবে আর কখনই বা শরীর বিশ্রামের খোঁজ করবে। এই বায়োলজিক্যাল ক্লকের উপর ভিত্তি করে মানুষের প্রাকৃতিকভাবে সকাল বা সন্ধ্যায় চনমনে থাকার প্রবণতাকে বলা হয় ‘ক্রোনোটাইপ’। এর উপর ভিত্তি করে মানুষকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়—'মর্নিং লার্ক' (যারা সকালে দ্রুত ঘুম থেকে উঠতে ভালোবাসেন) এবং 'নাইট আউল' (যারা রাতে বেশি সক্রিয় থাকেন)। আপনি যদি একজন 'নাইট আউল' হন, তবে জোর করে ভোর ৫টায় উঠে দৌড়াতে গেলে শরীরের উপর তা অত্যাচার। শরীর তখনো ঘুমের মোহে আচ্ছন্ন থাকে, ফলে ব্যায়াম করার কোনো ইচ্ছে খুঁজে পাওয়া যায় না।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ভারতে কমছে জন্মহার, কেন চিন্তায় বিশেষজ্ঞরা?

India fertility rate: ভারতের মোট প্রজনন হার প্রথমবারের মতো রিপ্লেসমেন্ট লেভেল ২.১-এর নিচে নেমে এসেছে। একসময় জনসংখ্যা নিয়ে উদ্বিগ্ন দেশ এখন কেন জন্মহার কমে যাওয়ায় চিন্তিত?

যুক্তরাজ্যের 'ওপেন হার্ট' (Open Heart) জার্নালে প্রকাশিত একটি নতুন সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, নিজের ক্রোনোটাইপের সঙ্গে মিলিয়ে ব্যায়াম করলে হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা অনেক বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে যারা ইতিমধ্যেই হৃদরোগের উচ্চ ঝুঁকিতে আছেন, তাদের জন্য এটি দারুণ কার্যকর। পাকিস্তানের ৪০ ও ৫০ বছর বয়সি প্রায় ১৩৪ জন মানুষ এই গবেষণায় অংশ নিয়েছিলেন। তাদের প্রত্যেকেরই উচ্চ রক্তচাপ বা অতিরিক্ত ওজনের মতো হৃদরোগের অন্তত একটি ঝুঁকি ছিল। তাদের টানা তিন মাস, সপ্তাহে পাঁচ দিন, প্রতিদিন ৪০ মিনিট করে ট্রেডমিলে দ্রুত হাঁটার (ব্রিস্ক-ওয়াকিং) নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। যারা নিজেদের বডি ক্লক মিলিয়ে সঠিক সময়ে ব্যায়াম করেছিলেন, তাদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, ফুসফুসের কার্যক্ষমতা (অ্যারোবিক ক্যাপাসিটি), মেটাবলিক মার্কার এবং ঘুমের গুণগত মানের ক্ষেত্রে অনেক বড় এবং ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গিয়েছে।

সকাল বনাম বিকেল: ভালো ও মন্দ দিক

দিনের কোন সময়ে ব্যায়াম করলে আপনি সেরা ফলাফল পাবেন, তা সম্পূর্ণ নির্ভর করে আপনার জীবনযাত্রা এবং শরীরের উপর।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
জরায়ু মুখের ক্যান্সার রুখতে শুরু HPV টিকাকরণ, কেন এত গুরুত্বপূর্ণ এই ভ্যাকসিন?

২০২৪ সালের একটি আনুমানিক হিসাব (ICMR - NCRP) অনুযায়ী, ভারতে মাত্র এক বছরে প্রায় ৭৮,৪৯৯ জন নারী নতুন করে এই ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৪২,৩৯২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। সঠিক সময়ে টিকাদান এবং নিয়মিত স্ক্রিনিং না করানোর ফলেই এই মৃত্যুর হার এত বেশি।

  • সকালের ব্যায়াম (Morning Workout): সকালে ব্যায়াম করলে সারাদিনের খাবার হজম করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, যা ফ্যাট বার্ন করতে সাহায্য করে। এছাড়া সকালের তাজা বাতাস মনকে প্রফুল্ল রাখে। তবে অসুবিধা হলো, সকালে শরীরের তাপমাত্রা এবং রক্তচাপ কিছুটা কম থাকে। পেশিগুলি শক্ত হয়ে থাকে, যার ফলে হুট করে ভারী ব্যায়াম করলে চোট পাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

  • বিকেলের ব্যায়াম (Evening Workout): গবেষণায় দেখা গিয়েছে, দুপুর ২টো থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে মানুষের শরীরের তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি থাকে। এই সময়ে পেশিগুলো নমনীয় থাকে, ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বেশি থাকে এবং শক্তির স্তরও তুঙ্গে থাকে। ফলে ভারী ব্যায়াম বা স্ট্রেন্থ ট্রেনিংয়ের জন্য এটি আদর্শ সময়। তবে অসুবিধা হলো, কর্মব্যস্ত দিনের শেষে শরীর অনেক সময় এতটাই ক্লান্ত থাকে যে নতুন করে ব্যায়াম করার এনার্জি পাওয়া যায় না। এছাড়া ঘুমানোর ঠিক ২-৩ ঘণ্টা আগে খুব ভারী ব্যায়াম করলে রাতে ঘুমের সমস্যা হতে পারে।

আপনার জন্য কোন সময় সঠিক?

যদি দেখেন নির্দিষ্ট কোনো সময়ে ব্যায়াম করতে গিয়ে আপনি প্রতিনিয়ত ক্লান্তি বা অনীহা বোধ করছেন, তবে সময় পরিবর্তনের এটাই উপযুক্ত সুযোগ। নিজের জন্য সঠিক সময়টি খুঁজে পেতে নিচের ধাপগুলি অনুসরণ করতে পারেন:

  • পরীক্ষা করুন: এক সপ্তাহ প্রতিদিন সকালে ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন। পরের সপ্তাহটি বেছে নিন বিকেল বা সন্ধ্যার জন্য।

  • শরীরের ভাষা বুঝুন: কোন সময়ে আপনার শরীর বেশি সাড়া দিচ্ছে? কখন ব্যায়াম করার পর নিজেকে বেশি এনার্জেটিক মনে হচ্ছে? যেখানে আপনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন, সেটিই আপনার সময়।

  • জোর করবেন না: সমাজ বা সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রেন্ড দেখে ভোরবেলা উঠে দৌড়াতে হবে এমন কোনো নিয়ম নেই। রাত ৮টায় জিম করা যদি আপনার শরীরে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে, তবে সেটাই আপনার জন্য সেরা।

ব্যায়াম করার মূল উদ্দেশ্য হলো শরীর ও মনকে সুস্থ রাখা, নিজেকে কষ্ট দেওয়া নয়। জোর করে অনিচ্ছাসত্ত্বেও ব্যায়াম করলে তা দীর্ঘস্থায়ী হয় না, কয়েকদিন পর মানুষ তা ছেড়ে দেয়। তাই ব্যায়াম করতে ইচ্ছে না করার গ্লানিতে না ভুগে, আপনার শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়িটির কথা শুনুন। সময়টা একটু বদলে দেখুন, হয়তো খুব সাধারণ এই পরিবর্তনটাই আপনার ফিটনেস জার্নিকে আনন্দদায়ক এবং নিয়মিত করে তুলবে। ফিট থাকার আসল চাবিকাঠি হলো ধারাবাহিকতা। সপ্তাহে এক-দুদিন অতিরিক্ত খাটুনির চেয়ে প্রতিদিন নিয়ম মেনে অল্প করে ব্যায়াম করা অনেক বেশি কার্যকর। মানুষ প্রায়ই শুরুতে খুব বড় লক্ষ্য নির্ধারণ করে ফেলেন; তার চেয়ে লক্ষ্যটাকে ছোট ছোট ভাগে ভেঙে অর্জন করা সহজ।

মনে রাখবেন, অসময়ে অনিচ্ছার ব্যায়ামের চেয়ে, সঠিক সময়ে ১০ মিনিটের হাসিখুশি শরীরচর্চাও অনেক বেশি ফলদায়ক।

লিখেছেন
Sampriti Ghosh
Sampriti Ghosh
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

চিনির বিকল্প স্টেভিয়া! ঘরের বাগানে রাখা যায় যে ‘মধু পাতা’

Stevia benefits: গাছ থেকে সদ্য তোলা কাঁচা পাতা কিংবা রোদে শুকিয়ে নেওয়া পাতা সরাসরি চা বা যেকোনো পানীয়ের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। এতে চিনির মতো একই রকম মিষ্টতা পাওয়া যায়। স্টিভিয়ার নির্যাস থেকে তৈরি মিষ্টান্ন ডায়াবেটিস রোগীরা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধির ঝুঁকি থাকে না বললেই চলে।

ফুটপাথের ধারের সেই খাবার যেভাবে হয়ে উঠল কলকাতার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য

Kolkata Street food history: সুতানুটি-গোবিন্দপুর-কলিকাতার শ্রমজীবী মানুষের তৃপ্তির জন্য জন্ম হয়েছিল ফুটপাতের খাবারের। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের 'সংবাদ প্রভাকর' থেকে হুতোম প্যাঁচার নকশা, এফএও সমীক্ষা থেকে এফএসএসএআই আইন হয়ে ২০২৫ সালে রাসেল স্ট্রিটে প্লাস্টিক-মুক্ত ফুড হাবের জন্ম। কলকাতার স্ট্রিট ফুড আজও এই শহরের প্রাণ। এই শহরের অন্যতম ঐতিহ্য।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি কেন আরশোলার মৃত্যুতে দুঃখ পেয়েছিলেন?

Sanae Takaichi cockroach story: ঘটনাটি আপাতদৃষ্টিতে খুব সাধারণ। সরকারি বাসভবনে গভীর রাতে একা কাজ করতে গিয়ে তিনি একটি আরশোলা দেখতে পেয়েছিলেন। সচরাচর আরশোলা দেখলে তিনি চিৎকার করে ওঠেন, কিন্তু সেদিন তিনি সেটিকে মারেননি।

স্ট্রেস কি সবসময় খারাপ? কখন স্বাভাবিক চাপ হয়ে ওঠে মানসিক স্বাস্থ্যের ঝুঁকি?

mental stress: একটি ইঁদুরের উপর পরীক্ষা করতে গিয়ে তারা দেখেছেন, একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত ইঁদুরটির মধ্যে স্ট্রেস বাড়ানোর সঙ্গে তার কাজকর্মের মান আরও উন্নত হয়েছে। কিন্তু নির্দিষ্ট সীমা পার করবার পর পরই তার ফলাফল করার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা ক্রমশ কমতে কমতে শেষে সেটা প্রায় শূন্যতে নেমে গিয়েছে।

নিজের সর্বস্ব দিয়ে হাসপাতাল গড়েছিলেন রাধাগোবিন্দ কর

History of RG Kar Medical College and Hospital: আজ যে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল বারবার খবরের শিরোনামে, তার দীর্ঘ ইতিহাস কী? কে ছিলেন রাধাগোবিন্দ কর, যিনি নিজের সম্পত্তি বিক্রি করে গরিব মানুষের চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল গড়ে তুলেছিলেন? প্লেগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বাংলায় চিকিৎসাবিজ্ঞান চর্চা ও সমাজসেবায় তাঁর অবদান আজ কতটা মনে রাখা হয়েছে?

হিরোশিমা-নাগাসাকির আগুন থেকে বেঁচে যাঁরা, কেমন ছিল তাঁদের পরের জীবন?

Hiroshima, Nagasaki: বিস্ফোরণের বহু বছর পর এমিকোর ঘরে মেয়ে এল, আর তারও পর জন্ম নিল এমিকোর নাতনি কাজুমি কুওয়াহারা। নবজাতক নাতনিকে দেখে চিকিৎসকেরা পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, "এই বাচ্চা তিন দিনের বেশি বাঁচবে না।" জিনের ভিতরে লুকিয়ে থাকা কোনো অজানা দুর্বলতা যেন জন্ম থেকেই জাপটে ধরেছিল ছোট কাজুমিকে।

কেন কম ঘুমেও কেউ সুস্থ, কেউ হারাচ্ছেন স্মৃতি? জানালেন গবেষকরা

sleep deprivation and brain health: গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে AQP4 (Aquaporin-4) নামে একটি জিন। এই জিনকে অনেকটা মস্তিষ্কের 'সাফাই কর্মী' বলা যায়। আমরা যখন গভীর ঘুমে থাকি, তখন মস্তিষ্কে শুরু হয় এক বিশেষ পরিষ্কার করার কাজ। সারাদিনে জমে থাকা বর্জ্য এবং আলঝাইমার্স রোগের সঙ্গে যুক্ত ক্ষতিকর প্রোটিন এই সময় ধীরে ধীরে শরীর থেকে বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে। আর সেই গুরুত্বপূর্ণ কাজে বড় ভূমিকা পালন করে AQP4 জিন।