ট্রাম্প-নেতানিয়াহু যৌথ হামলা! পরমাণু প্রকল্প বন্ধ রাখবে ইরান?

Iran-Israel Conflict: ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইরানের ওপর হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু ট্রাম্প তাঁকে থামিয়ে মার্কিন হামলার নির্দেশ দেন।

inscript
৪ মিনিট
ট্রাম্প-নেতানিয়াহু যৌথ হামলা! পরমাণু প্রকল্প বন্ধ রাখবে ইরান?

দিন কয়েক আগের ঘটনা। গোটা বিশ্বকে চমকে দিয়ে ইরানের পরমাণু গবেষণাকেন্দ্রে হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হামলায় ইরানের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ট্রাম্প দাবি করছিলেন, এই হামলায় ইরানের পরমাণু অস্ত্র তৈরির ক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। তবে ট্রাম্পের দাবি উড়িয়ে দিয়ে তেহরান জানিয়ে দেয়, হামলার আগেই তারা সব সরঞ্জাম সরিয়ে নিয়েছিল। এই অবস্থায় প্রশ্ন উঠছে, ইজরায়েল-মার্কিন আগ্রাসন কতটা ধাক্কা দিতে পারল ইরানকে? ইরান কি পরমাণু প্রকল্প গুটিয়ে নেবে?

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বলছে, এই হামলা ইরানের পরমাণু কর্মসূচি কয়েক মাস পিছিয়ে দিতে পারে। তবে এটুকুই। প্রকল্প স্থগিত হবে এমন কোনও ইঙ্গিত নেই। এই হামলায় দু'টি পরমাণু কেন্দ্রের প্রবেশপথ বন্ধ হয়েছে, তবে ভূগর্ভস্থ কাঠামো অক্ষত রয়েছে।

ইরান এই হামলার জবাবে জাতিসংঘের পরমাণু পরিদর্শকদের সঙ্গে সহযোগিতা বন্ধ করেছে। ইরান এখন তাদের পরমাণু কার্যক্রম গোপন জায়গায় সরিয়ে নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছে তামাম আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলছেন, ইরান তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ভান্ডার ব্যবহার করে পরমাণু বোমা তৈরির চেষ্টা ত্বরান্বিত করতে পারে। সে কথা মাথায় রেখেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজরায়েল ইরানের কার্যক্রমের ওপর কড়া নজর রাখছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ইরানের পারমাণবিক ঘাঁটিগুলির কতটা ক্ষতি হয়েছে?

Nuclear: সেন্ট্রিফিউজ রটার তৈরির কেন্দ্র ও পরীক্ষা কেন্দ্রে টার্গেট করে হামলা করায় কারাজ ওয়ার্কশপে সেন্ট্রিফিউজ উৎপাদনের দুটি ভবন ধ্বংস হয়েছে।

পাশাপাশি, ট্রাম্প প্রশাসন মার্কিন পরমাণু অস্ত্রাগারের বরাদ্দ বাজেট বাড়িয়েছে। জাতীয় পরমাণু নিরাপত্তা প্রশাসনের বার্ষিক বাজেটে ৫৫০ কোটি ডলার বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে মোট সামরিক বাজেট ২৫০০ কোটি ডলারে গিয়ে ঠেকেছে। এই অর্থ পুরনো যুদ্ধাস্ত্র আধুনিকীকরণ, নতুন অস্ত্র তৈরি এবং ৩০০০-এর বেশি পরমাণু যুদ্ধাস্ত্র প্রস্তুত রাখতে ব্যবহার হবে। তবে, এই বাজেট বাড়ানোর জন্য বৈজ্ঞানিক গবেষণার তহবিল কমানো হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সারা বিশ্ব উদ্বেগ প্রকাশ করছে। বিজ্ঞান গবেষকরা বলছেন, সামরিক এবং অন্যান্য গবেষণার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি। বিজ্ঞানের দ্বাররুদ্ধ করে সমরাস্ত্রে মনোযোগ সভ্যতার সূচক নয়।

ট্রাম্প যে পরমাণু অস্ত্র নিয়ে ভাবিত তার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্দরেই। বছরের শুরুতে ট্রাম্প প্রশাসন জাতীয় পরমাণু নিরাপত্তা প্রশাসনের কিছু কর্মীকে বরখাস্ত করেছিল। পরে তড়িঘড়ি তাদের আবার নিয়োগ করা হয়। এই ঘটনা সামনে আসছে এখন। এই সংস্থা মার্কিন পরমাণু অস্ত্রের দেখভালের জন্য কাজ করে। ৫৫ হাজারের বেশি কর্মীর কাজ তদারকি করে।

উল্লেখ করা জরুরি, ট্রাম্পের ইরান নীতি আন্তর্জাতিক মঞ্চের পাশাপাশি তাঁর নিজের দেশেও বিতর্ক তৈরি করেছে। প্রশ্ন উঠছে, কেন আগ বাড়িয়ে ট্রাম্প এ কাজ করলেন, কেন কোনও আলাপ আলোচনা করলেন না। ফোর্ডো, নাতাঞ্জ এবং ইসফাহানে হামলায় তাঁর নির্দেশেই বি-২ বোমারু বিমান এবং একটি সাবমেরিন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। ট্রাম্প ওসামা বিন লাদেনের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে এই হামলার তুলনা করেন। তিনি বলেন, ইরান আর পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না। তবে গোয়েন্দা প্রতিবেদন বলছে, এই দাবি যথাযথ নয়। ট্রাম্পের আক্রমণ ইরানের পরমাণু কর্মসূচিকে শুধু কিছুটা পিছিয়ে দিয়েছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ইরান থেকে ট্রাম্প, নেতানিয়াহু আসলে কী চান?

Iran-Israel conflict : ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-সহ অনেকেই গত কয়েকদিন প্রকাশ্যে ইরানের শাসনব্যবস্থা উৎখাতের কথা বলেছেন।

ট্রাম্প কিন্তু প্রথমে ইরানের সঙ্গে কূটনীতির পথে হাঁটতে চেয়েছিলেন। গত ফেব্রুয়ারিতে তিনি ইরানের সঙ্গে নতুন পরমাণু চুক্তির কথা বলেছিলেন। তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির কাছে চিঠি লিখে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তি থেকে ট্রাম্প বেরিয়ে যাওয়ায় ইরান এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। ইরান বলে, তারা অসামরিক পরমাণু শক্তির অধিকার চায়। তারা আরব দেশগুলোর সঙ্গে যৌথ পরমাণু প্রকল্পের প্রস্তাব দিয়েছে। বলাই বাহুল্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই প্রস্তাব নাকচ করেছে।

আবার, এই যুদ্ধের আবহে ইজরায়েলের সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্কেও টানাপড়েন দেখা দিয়েছে চলমান ঘটনাপ্রবাহকে কেন্দ্র করে। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইরানের ওপর হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু ট্রাম্প তাঁকে থামিয়ে মার্কিন হামলার নির্দেশ দেন। এই ঘটনায় দুই নেতার মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে। ইজরায়েল এবং ইরানের মধ্যে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি এখনও বহাল। তবে দুই পক্ষই আরও হামলার হুমকি দিয়েছে। এই সংঘাত বিশ্ব বাণিজ্যে প্রভাব ফেলছে। হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে তেল পরিবহণ ব্যাহত হচ্ছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সাধারণ মানুষের মধ্যে ট্রাম্পের এই নীতি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। তাঁর সমর্থকরা বলছেন, এই হামলা ইরানকে পরমাণু অস্ত্র তৈরি করা থেকে দূরে ঠেলে দেবে। তারা মনে করেন, এটি ইজরায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। তবে একটা বড় অংশই ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সরব। এই পদক্ষেপ বিশ্বে উত্তেজনা বাড়াবে, এ কথা না মেনে উপায় নেই। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বৃদ্ধি এবং অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সমস্যায় জেরবার মার্কিন নাগরিকসমাজ এই সংঘাতকে অপ্রয়োজনীয় মনে করছেন।

মনে রাখতে হবে, ট্রাম্পের পরমাণু নীতি শুধু ইরানেই সীমাবদ্ধ নয়। ট্রাম্প বলছেন, মার্কিন অস্ত্রের ভাঁড়ারে টান পড়েছে। ন্যাটো মিত্রদের প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তাঁর প্রশাসন আমেরিকার জন্য একটি নতুন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরির কথা বলছে। পাশাপাশি পরমাণু অপ্রসারণ প্রকল্পের তহবিল হ্রাস করা হয়েছে। এই পদক্ষেপ নিয়েও লাগাতার বিতর্ক চলছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরানে হামলা তেহরানের পরমাণু অস্ত্র তৈরির প্রচেষ্টা বন্ধ করতে পারবে না। বরং এই অতি-তৎপরতা দক্ষিণ কোরিয়া বা জাপানের মতো দেশগুলোকে নিজেদের পরমাণু অস্ত্র তৈরির দিকে ঠেলে দিতে পারে। তারা মনে করেন, মার্কিন নিরাপত্তাই এতে দুর্বল হচ্ছে। উত্তর কোরিয়ার উদাহরণ টেনে তারা বলছেন, পরমাণু অস্ত্র থাকলে কোনও দেশকে সহজে আক্রমণ করা যায় না। ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের দীর্ঘমেয়াদি ফলাফল এখনও স্পষ্ট নয়। আশা নিরাশার দোলাচলে দুলছে গোটা বিশ্ব।

লিখেছেন
inscript
inscript
17 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।

রামলীলার পর কী? কী করবেন বিরোধীরা?

INDIA bloc Unity Under strain: ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানে ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ২১ দল একজোট হলেও মঞ্চ শেষেই ভেতরের টানাপোড়েন স্পষ্ট। বাম নেতাদের বক্তৃতায় প্রাধান্য, ‘ফ্যাসিবাদ’ বিরোধী সুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জাতীয় ভূমিকা’র সতর্কবার্তা। প্রিয়াঙ্কা, সুপ্রিয়া সুলে, সঞ্জয় রাউত বক্তৃতার সুযোগ না পাওয়ায় শরিক-অসন্তোষ।

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে বিপাকে ভারতীয়রা, মিডটার্ম নির্বাচনে কতটা প্রভাব পড়বে?

US Midterm Elections 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের ৬২% ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে। ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসা কড়াকড়ি ও অর্থনৈতিক নীতির জেরে ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানাল কার্নেগির সমীক্ষা।