এক বছরে ২৮ লক্ষ টাকার অর্ডার! জোম্যাটোকে বড়লোক বানিয়েছেন এই ব্যক্তি, কী খাবার কিনেছেন?
Zomato : প্রতি মিনিটে ১৮৬টি বিরিয়ানির অর্ডার! সুইগির পরে এবার জোমাটোর প্রতিবেদনে উঠে এল যে চাঞ্চল্যকর তথ্য

সুইগির পর এবার সামনে এল জোম্যাটোর রেকর্ড। এখানেও তালিকার শীর্ষ স্থানে সেই বিরিয়ানি। Zomato জানিয়েছে যে, ২০২২ সালের নথি অনুযায়ী সারা বিশ্বে প্রতি মিনিটে ১৮৬টি বিরিয়ানি সরবরাহ করেছে বিভিন্ন প্রান্তে।
মানুষের মধ্যে কবে কীভাবে বিরিয়ানি খাওয়ার প্রবণতা এই হারে বৃদ্ধি পেল তা যদিও সঠিক ভাবে বলতে পারছেন না কেউই কিন্তু বর্তমানে খাবার পছন্দের তালিকাতে বিরিয়ানি সর্বাগ্রে। পাড়ার মোড়ে মোড়ে এখন লাল শালুতে বাঁধা হাঁড়ির ছবিটা খুবই পরিচিত। আর আধুনিকতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রতিটি দোকানই নিজেদের জুড়ে নিয়েছেন বিভিন্ন গুড ডেলিভারি চেনের সঙ্গে। এর ফলে খাবারের ব্যবসায় এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। ঘরে বসে সুইচ টিপে দিলেই দরজার গোড়ায় কড়া নাড়ছে পছন্দের বিরিয়ানি। সস্তার চলতি বিরিয়ানি থেকে নামজাদা দকনে দামী বিরিয়ানি, সবই রয়েছে তালিকায়। পকেট এবং জিভের সঙ্গে সমঝোতা করে একটা বেছে নিলেই কেল্লাফতে!
- আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
Swiggy Food delivery Bangalore : যা দেখে রীতিমতো ঘাবড়ে গিয়েছে এই বেসরকারি সংস্থাটিও। আপাতত এটাই সুইগির ২০২২-এ সবচেয়ে বেশি টাকার অর্ডার।
শুধু বিরিয়ানি নয়, বর্তমানে অনলাইন খাবারের চাহিদা বেড়েছে আরও নানা ক্ষেত্রেই। এই তালিকায় বিরিয়ানির পরেই রয়েছে মাশালা ধোসা, চিকেন ফ্রাইড রাইস, পনির বাটার মাসালা, বাটার নান, ভেজ ফ্রাইড রাইস, এবং তন্দুরি চিকেন রয়েছে। কলকাতার সমীক্ষা বলছে চিকেন রোলের চাহিদাও তুঙ্গে।
জোম্যাটো কর্তৃক প্রকাশিত তথ্যে জানা গিয়েছে, এই বছর প্রায় ২৮ লক্ষ টাকার বেশি খাবারের অর্ডার করেছিলেন পুনের এক গ্রাহক। এর পরের নামটি হল দিল্লির অঙ্কুর নামে একজনের। টিং এই বছর জোমাটোতে মোট অর্ডার দিয়েছেন ৩৩০০টি। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে নয়টি করে! তৃতীয় গ্রাহক হিসেবে উঠে এসেছে রাহুল নামের এক ব্যক্তির নাম, যিনি গোটা বছরে এই অ্যাপের মাধ্যমে ১০৯৮ টি কেক অর্ডার করেছিলেন। আর সবথেকে বেশি মূল্যের অর্ডার হিসেবে উঠে এসেছে ২৫০০০ টাকা দামের একটি পিজ্জা।
তবে ব্যবসার এই তথিগুলির পাশাপাশি প্রকাশ্যে এসেছে আরও একটি চাঞ্চল্যকর দিক, যেখানে দেখা যাচ্ছে খাবারে পাওয়া ছাড়ের হিসাব। ২০২২ সালে সর্বাধিক ৬.৯৬ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ছাড় পেয়েছেন একজন ব্যবহারকারী। অর্থাৎ সব মিলিয়ে খাবারের দুনিয়ায় চলছে জোরদার ব্যবসা। একদিকে খাটনি মুক্তি অন্যদিকে স্বদবদল, তার ওপর বার যান্ত্রিক জীবনের একঘেয়েমি সব মিলিয়েই আসক্তি বাড়ছে ফাস্ট ফুডের। দেশীয় অর্থনীতির দিকে তাকালে অবশ্য চিত্রটা চমকপ্রদ, তবে দেশীয় স্বাস্থ্যের নিরিখে হিসেবটা কতটা উপকারী তা অবশ্য ক্রেতারাই হিসেব কষে দেখে নেবেন। তবে নতুন বছরে উৎসবের মরশুমে যে এই গ্রাফটা আরও বেশ খানিকটা ঊর্ধ্বমুখী হবে, তা বলাই বাহুল্য!
















