রাজনাথকে উপহারে টাট্টু ঘোড়া! যুদ্ধবিমানের নামে নাম দিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রীই
রাজনাথ মঙ্গোলিয়ার রাষ্ট্রপতি খুরেলসুখের কাছ থেকে পাওয়া এই বিশেষ উপহারের একটি নামও দিয়েছেন। বুধবার সাদা ঘোড়ার একটি ছবি ট্যুইট করে রাজনাথ জানিয়েছেন, ঘোড়ার নাম রেখেছেন ‘তেজস’।

প্রথম ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসেবে মঙ্গোলিয়া সফরে গিয়েছেন রাজনাথ সিং। এসমস্ত রাজনৈতিক কূটনৈতিক সফরে নেতাদের মধ্যে উপহারের সৌজন্য নতুন কথা নয়। তবে রাজনাথ সিংকে বুধবার মঙ্গোলিয়ার রাষ্ট্রপতি যে উপহার দিয়েছেন তা নির্দ্বিধায় বিশেষ। তাগড়াই একটি ঘোড়া উপহার পেয়েছেন রাজনাথ। পূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে রাজনাথের প্রথম সফর এটি। ২০১৫ সালে মঙ্গোলিয়ায় গিয়ে ঠিক এমনই এক উপহার পেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং সোমবার থেকে মঙ্গোলিয়া এবং জাপানে পাঁচ দিনের সফরে রয়েছেন। আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার পটভূমিতে দুই দেশের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক এবং প্রতিরক্ষা সম্পর্ক প্রসারের লক্ষ্যেই এই সফর। তবে সফরে বিশেষ রঙ ও মাত্রা দুই জুড়েছে সাদা জমকালো এই ঘোড়া।
রাজনাথ মঙ্গোলিয়ার রাষ্ট্রপতি খুরেলসুখের কাছ থেকে পাওয়া এই বিশেষ উপহারের একটি নামও দিয়েছেন। বুধবার সাদা ঘোড়ার একটি ছবি ট্যুইট করে রাজনাথ জানিয়েছেন, ভারতীয় যুদ্ধবিমানের নামে ঘোড়ার নাম রেখেছেন ‘তেজস’। মঙ্গলবারই ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং মঙ্গোলিয়ার রাষ্ট্রপতি উখনাগিন খুরেলসুখের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তাঁর এই সফরের মূল লক্ষ্যই ছিল কৌশলগত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পর্যালোচনা। উলানবাটারে মঙ্গোলিয়ার রাষ্ট্রপতি খুরেলসুখের সঙ্গে রাজনাথের এই বৈঠকের প্রেক্ষিতে ২০১৮ সালে তাঁর সঙ্গে রাজনাথের শেষ বৈঠকের কথাও উল্লেখ করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। সেই সময় অবশ্য মঙ্গোলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খুরেলসুখ।
- আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
এক টাকা মাসোহারাতে ১৭ বছর ধরে চলছে ডিসেরগড়ের এই প্রাথমিক স্কুল। শুধুমাত্র গরিব পরিবারের বাচ্চাদের পঠনপাঠন করিয়ে নিজের পায়ে দাঁড় করানোর উদ্দেশ্যে ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এই প্রাইমারি স্কুল।

পূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে রাজনাথের প্রথম সফর এটি।
- আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
গুলবদন বেগমের গল্প বলার শক্তিতে আকবর এতটাই মুগ্ধ হয়েছিলেন যে বাবা হুমায়ুনের জীবন ও শাসনকাল নিয়ে বই লেখার দায়িত্ব দিয়েছিলেন গুলবদন বেগমকে।
এই বৈঠকের আরও ৩ বছর আগে, অর্থাৎ ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এই দেশ থেকে একটি বিশেষ উপহার পেয়েছিলেন। সেবার একটি বাদামী রঙের রেসের ঘোড়া উপহার পেয়েছিলেন মোদি। তৎকালীন মঙ্গোলিয়ান প্রধানমন্দত্রী চিমেদ সাইখানবিলেগের কাছ থেকে এই ঘোড়াটি উপহার পেয়েছিলেন মোদি, ঘোড়ার নাম দিয়েছিলেন ‘কন্ঠক’। প্রধানমন্ত্রী মোদি তার আগে মঙ্গোলিয়ার তৎকালীন রাষ্ট্রপতি সাখিয়াগিন এলবেগডর্জের কাছ থেকে একটি বাদ্যযন্ত্র ‘মরিন খুউর’ উপহার পেয়েছিলেন।

২০১৫ সালে মঙ্গোলিয়ায় গিয়ে ঠিক এমনই এক উপহার পেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি
তবে উপহারের সঙ্গেই ছায়ার মতো লেগে থাকে বিনিময় শব্দটিও। প্রধানমন্ত্রী রামপুর রাজা গ্রন্থাগার থেকে মঙ্গোলদের ইতিহাসের উপর ত্রয়োদশ শতাব্দীর একটি বিরল পাণ্ডুলিপির একটি বিশেষ সংস্করণ রাষ্ট্রপতি এলবেগডর্জকে উপহার দেন।















