অধীরের লড়াইয়ে জল ঢালছে কংগ্রেস হাইকমান্ডই

Adhir Chowdhury vs Mallikarjun Kharge: ক্ষমতার কাছাকাছি না যেতে পারলে যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকেই প্রচ্ছন্ন সমর্থন দিয়ে যাবেন না সেই গ্যারান্টিও কি খাড়্গে দিতে পারবেন?

Sambit Pal
৪ মিনিট
অধীরের লড়াইয়ে জল ঢালছে কংগ্রেস হাইকমান্ডই

তিনি দেখেননি সেই মানুষটিকে যিনি ভোটের দিন দলীয় কর্মীদের বাঁচাতে ও বিরোধী দুষ্কৃতীদের তাড়াতে কীভাবে দৌড়তে পারেন রাস্তায় রাস্তায়। তিনি দেখেননি সেই মানুষটিকে যিনি বন্যা কবলিত এলাকায় একটি স্যান্ডো গেঞ্জি পরে ত্রাণের কাজে নেমে পড়তে পারেন। তিনি দেখেননি সেই মানুষটিকে যিনি মাঠে-ঘাটে ঘুরে রাজনীতি করতে ভালোবাসেন। তিনি দেখেননি সেই মানুষটিকে যিনি জেলে বসেও নির্বাচন জিততে পারেন।

'তিনি' মল্লিকার্জুন খাড়্গে ও 'মানুষটি' অধীর রঞ্জন চৌধুরী। আসলে অধীর হলেন রাজনীতির ট্র্যাজিক হিরো। সেই বাম আমল থেকে এখন তৃণমূল আমল — ট্র্যাজেডি তাঁর পিছু ছাড়েনি। তাঁকে সরকারি দলের বিরুদ্ধে তীব্র লড়াই লড়তে হয়েছে। এবার নিজের দলের সঙ্গেও তাঁর লড়াই প্রকাশ্যে এল।

ইন্ডিয়া জোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের থাকা না থাকা নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করায় অধীরকে প্রকাশ্যে খুব ধমকে দিয়েছেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে। বলে দিয়েছেন, তিনি ও হাইকমান্ড ঠিক করবেন কে জোটে থাকবেন ও কে থাকবেন না। অধীর ঠিক করবেন না। আর দলের লাইন না মানলে অধীর দল ছেড়ে দিতে পারেন।

এবারের নির্বাচনে পাঁচবারের সাংসদ অধীর চৌধুরী বহরমপুর আসনটি ধরে রাখতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে নানা মহলে নানারকম সংশয় দেখা দিয়েছে। সেই সংশয়ের সুযোগ নিয়েই বিদায়ী লোকসভার বিরোধী দলনেতা অধীরকে দলের সভাপতি এরকম চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি দিয়ে দিলেন কিনা জানা নেই। তবে তিনি যে অধীরকে চিনেও চেনেন না বা কংগ্রেসকে বাঁচানোর রাস্তা জেনেও জানেন না তা আবারও বুঝিয়ে দিলেন।

একথা ঠিক যে অধীর চৌধুরী তৃণমূলের সঙ্গে জোট করার থেকে সিপিআইএমের সঙ্গেই জোটে বেশি আগ্রহী ছিলেন। আবার একথাও ঠিক যে ভোটের আগে জোটের আলোচনায় পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সভাপতি হয়েও তাঁর কোনও ভূমিকা ছিল না। তিনি ও তাঁর সঙ্গীরা শুধু বলে আসতে পেরেছিলেন তাঁরা তৃণমূলের সঙ্গে জোট চান না, দরকার হলে একাই লড়তে চান। সেই কথা শুনেই অধীরের জন্য দরজা বন্ধ করে দিয়েছিলেন রাহুল গান্ধিরা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
জিতলেও মানুষের নেতা হয়ে উঠতে পারবেন মোদি?

Narendra Modi Muslim Vote: ২০১৯ সালের আগে মোদিকে 'দলিত অচ্ছুৎ মানুষদের' পা ধুইয়ে দিতেও দেখা গেছে। সমুদ্র সৈকত থেকে আবর্জনা তুলতেও দেখা গেছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে জোট না হওয়ার জন্য দরাদরিতে ব্যর্থ হওয়ার দায় রাহুল গান্ধি-মল্লিকার্জুন খাড়্গেরা অধীরের উপর চাপাতে পারেন না। জাতীয় কংগ্রেস নেতৃত্বের দেরি ও গড়িমসিতেই কংগ্রেস ও তৃণমূলের মধ্যে জোট হয়নি।

ইন্ডিয়া জোটে সিপিআইএমকে রেখেও কেরলে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করতে কোনও অসুবিধা হয় না খাড়্গেদের। সেখানে সিপিএমের মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন রাহুল গান্ধিদের গালাগাল করলে ঝাঁপিয়ে পড়তে অসুবিধা হয় না খাড়্গেদের। কারণ সেখানে ক্ষমতার কাছাকাছি পৌঁছতে পারে কংগ্রেস। সেখানে বামেদের থেকে কংগ্রেসের বেশি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

আর পশ্চিমবঙ্গে দলকে শেষ করে দিতে কোনও অসুবিধা হয় না খাড়্গেদের। যেখানে বিজেপি-তৃণমূলের মেরুকরণের লড়াই থেকে বেরিয়ে বাম-কংগ্রেস একটি বিকল্প তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে সেখানে অধীরের লড়াইয়ে জল ঢেলে দিতে অসুবিধা হয় না হাইকমান্ডের। যে তৃণমূল রাজ্যে কংগ্রেসকে খেয়ে নিল, সেই তৃণমূলের জন্য নিজের রাজ্য সভাপতিকে কড়া তিরস্কার করতে অসুবিধা হয় না খাড়্গের। কারণ সেখানে ক্ষমতা অনেক দূরে। কেন্দ্রের ক্ষমতাই তাঁদের একমাত্র লক্ষ্য এই মুহূর্তে। অধীরের একটা বা দু'টি আসন দেওয়া রাজ্য কংগ্রেসের থেকে তৃণমূল তাঁদের বেশি প্রিয়।

বাংলায় এখনও যে সব কর্মীরা হাত চিহ্ন নিয়ে লড়ে যাচ্ছেন, তাঁদের মনোবল ভেঙে দেওয়ার জন্য খাড়্গের হুঁশিয়ারি যথেষ্ট। কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি তো পশ্চিমবঙ্গ কংগ্রেসকে তৃণমূল দলের সঙ্গে মিশিয়ে দিলেই পারেন। 'তৃণমূল কংগ্রেস একটি জাতীয় কংগ্রেসের অনুমোদিত শাখা' বলে চালিয়ে দিতে পারেন।

আসলে যুগ যুগ ধরে কংগ্রেস হাইকমান্ডের এই উপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্তেই দলের এই হাল হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই হাইকমান্ডের চাপেই দল ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন এবং তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি করেছিলেন। আজ পর্যন্ত মহারাষ্ট্রে শরদ পাওয়ার, পশ্চিমবঙ্গে মমতা ও অন্ধ্রপ্রদেশে জগন রেড্ডিই কংগ্রেস ছেড়ে নিজেদের দলকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন। কংগ্রেস ছেড়ে দিলেও বাকি অনেক নেতার সেই শক্তি হয়নি। অধীর চৌধুরীও কংগ্রেস ছেড়ে একক প্রচেষ্টায় নিজের দল তৈরির ক্ষমতা রাখেন না। কারণ তিনি নিজেকে মুর্শিদাবাদের 'রাজ্য' সভাপতি করে রেখেছেন। এর মধ্যে যে উত্তরবঙ্গে ও বিশেষত যে মালদা-মুর্শিদাবাদে কংগ্রেসের নিজের শক্তি আছে, সেই এলাকায় ভোটগ্রহণও শেষ। সুতরাং অধীর এখন নরম টার্গেট।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মোদি আর বিজেপি দুই-ই এবার ব্যাকফুটে || মুখোমুখি পরাকলা প্রভাকর

Exclusive Interview of Parakala Prabhakar: বিজেপি কি সত্যিই ২৩০-এর বেশি আসন পাবে না? হিন্দু-মুসলিম ন্যারেটিভের বাইরে গিয়ে ইলেক্টোরাল বন্ড নিয়ে আদৌ চিন্তিত মানুষ? ইনস্ক্রিপ্টের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় পরকলা প্রভাকর।

উল্টোদিকে ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে মল্লিকার্জুন খাড়্গে হেরে যাওয়ার পর অধীরকে লোকসভার বিরোধী দলনেতা করার সিদ্ধান্তে কংগ্রসের অনেকেই অখুশি ছিলেন। তার মধ্যে খাড়্গেও অন্যতম। সেই পুরনো ক্ষতও যে এই মন্তব্য করতে খাড়্গেকে অনুপ্রেরণা দেয়নি তাই বা কে বলতে পারে!

বিজেপিকে আটকাতে তৃণমূলের আসন সংখ্যা বাড়া জরুরি ও তাদের সমর্থনও বিরোধী জোটের জন্য জরুরি। ক্ষমতার কাছাকাছি গেলে তৃণমূল বিরোধী জোট থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখতে পারবে না — তা সে বাইরে থেকে সমর্থন (দিদিগিরি) বা ভিতরে সরকারে যোগ দিয়েই হোক। আবার ক্ষমতার কাছাকাছি না যেতে পারলে যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকেই প্রচ্ছন্ন সমর্থন দিয়ে যাবেন না সেই গ্যারান্টিও কি খাড়্গে দিতে পারবেন?

সুতরাং সমর্থন আদায়ের সম্ভাবনাকে জিইয়ে রাখতে নিজের দলের নেতাকে এভাবে প্রকাশ্যে তিরস্কার করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। বরং জল আরও ঘোলা হলো।

রাহুল গান্ধি একটি পন্থা নিয়েছেন বটে যে দলের লাইন মেনে চলো, নয়ত কেটে পড়। সেই লাইনে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া থেকে শুরু করে অনেক নেতাই দল ছেড়েছেন। কিন্তু তাতে কংগ্রেসের খুব ভালো কিছু হয়নি।

একটি সর্বভারতীয় দলে আঞ্চলিক আশা-আকাঙ্খা থাকেই। তাকে সামলেই চলতে হয় জাতীয় নেতৃত্বকে। যুদ্ধং দেহি মনোভাব নিয়ে চললে আখেরে দলের কী হাল হয় তা দেখেছে মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, রাজস্থান, অসমের মতো রাজ্য। শুধুই রাজ্য নেতাদের উপর সব দোষ চাপিয়ে হাইকমান্ডের ছড়ি ঘোরালে বিপদই বাড়বে। রাহুল গান্ধি এখনও নরেন্দ্র মোদি তো দূর অস্ত নিদেন পক্ষে সনিয়া গান্ধিও নন। তিনি দলকে ক্ষমতার কাছে আনতে ব্যর্থ হয়েছেন বারবার। দলের রাশও সবসময় তাঁর হাতে নেই। তাঁর লাইন তাই বারবার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে।

অধীর চৌধুরী কখনও প্রকাশ্যে রাহুল গান্ধিকে চ্যালেঞ্জ করেছেন এমনটি হয়নি কিন্তু মাঠে ঘাটে রাজনীতি করা দলীয় সৈনিকদের উপর তলা থেকে হুমকি-ধমক দিয়ে আর যাই হোক দল রাখা যায় না।

কংগ্রেসের বড় শত্রু এই উপর তলা বা হাইকমান্ডই। এটি একটি প্রমাণিত সত্য।

লিখেছেন
Sambit Pal
Sambit Pal
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।

রামলীলার পর কী? কী করবেন বিরোধীরা?

INDIA bloc Unity Under strain: ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানে ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ২১ দল একজোট হলেও মঞ্চ শেষেই ভেতরের টানাপোড়েন স্পষ্ট। বাম নেতাদের বক্তৃতায় প্রাধান্য, ‘ফ্যাসিবাদ’ বিরোধী সুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জাতীয় ভূমিকা’র সতর্কবার্তা। প্রিয়াঙ্কা, সুপ্রিয়া সুলে, সঞ্জয় রাউত বক্তৃতার সুযোগ না পাওয়ায় শরিক-অসন্তোষ।

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে বিপাকে ভারতীয়রা, মিডটার্ম নির্বাচনে কতটা প্রভাব পড়বে?

US Midterm Elections 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের ৬২% ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে। ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসা কড়াকড়ি ও অর্থনৈতিক নীতির জেরে ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানাল কার্নেগির সমীক্ষা।