কেষ্টর 'বীরত্ব' কেন জাহির করছেন মমতা? কতটা অপরিহার্য বীরভূমের বেতাজ বাদশা

Anubrata Mondal: যেভাবে কেষ্টর বীরত্ব তুলে ধরার চেষ্টা করলেন খোদ দলনেত্রী, তাতে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক যে, কেন তাঁর প্রতি এত নরম দল?

tiasa gupta
৪ মিনিট
কেষ্টর 'বীরত্ব' কেন জাহির করছেন মমতা? কতটা অপরিহার্য বীরভূমের বেতাজ বাদশা

আগেই কেষ্টর ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি নেয়নি দল। মিটিং করে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে, 'তোমার আসন শূন্য আজি...।' সেই আসন যে পূরণ করা হবে না, সেই বার্তাও দিয়েছিল দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। তাঁর বীরত্বের নমুনা আগেই দেখেছে দল, দেখেছে বীরভূম। পার্থর মতো বীরভূমের বেতাজ বাদশাকে ফেলতে না-পারার অনেক কারণ ছিল। তাই তাঁকে ঝেড়ে ফেলার সাহস দেখায়নি দল। এবার একেবারে তাঁকে বীরের তকমা! খোদ সুপ্রিমো জনালেন, বীরের সম্মান দিয়ে ফিরিয়ে আনতে হবে কেষ্টকে। নেতাজি ইন্ডোরের সভা থেকে এভাবে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার বীরভূমের দাপুটে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলকে নিয়ে সরব হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আদরের কেষ্টর পাশে আগেও দাঁড়িয়েছেন দিদি। তাঁকে বারবার সমর্থন করার চেষ্টা করেছেন তিনি। এদিন যেভাবে কেষ্টর বীরত্ব তুলে ধরার চেষ্টা করলেন খোদ দলনেত্রী, তাতে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক যে, কেন তাঁর প্রতি এত নরম দল?

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতারের পর অনুব্রতর গ্রেফতারি তাঁকে পৌঁছে দিয়েছে, তৃণমূলের 'কলঙ্কিত নায়ক’-এর তালিকায় দুই নম্বরে। পার্থর ডানা ছাঁটতে দল কোনওরকম রেয়াত করেনি, কিন্তু অনুব্রতর বেলায় জিরো টলারেন্স নীতি এখনও নেননি মমতা, অভিষেকরা। আসলে সামনে পঞ্চায়েত ভোট, তার ওপর বীরভূমে সংগঠন সামলাতে অনুব্রতর বিকল্প নেই বলেই কি তাঁর ডানা ছাঁটার সাহস দেখাল না দল? এদিন মমতা কীভাবে তাঁকে 'বীর’-এর সম্মান দেওয়ার কথা বললেন?

৮ সেপ্টেম্বর নেতাজি ইনডোরে দলের পঞ্চায়েত সংক্রান্ত বিশেষ অধিবেশনে দাঁড়িয়ে দিদি বুঝিয়ে দিলেন, কেষ্টকে চোখ বন্ধ করে ভরসা করা যায়। লোকসভা হোক কিংবা পঞ্চায়েত, কেষ্ট অপরিহার্য। কেষ্টকে জেলে আটকে রাখলেও বীরভূমের দুটো লোকসভা আসন কেউ দখল করতে পারবে না। সেই সঙ্গে বীরভূমের তৃণমূলকে নেত্রীর নির্দেশ— বীরের সম্মান দিয়ে কেষ্টকে জেল থেকে বের করে আনবেন।

পার্থ চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর তাঁর দায় নেয়নি দল। কিন্তু অনুব্রতকে সিবিআই ধরার পরেই দিদি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, পার্থ আর অনুব্রত এক নন। তিনি তাঁর প্রিয় কেষ্টর পাশে রয়েছেন।

এদিন নেতাজি ইনডোরে মমতা বলেন, “ভাবছে কি জেলে বন্দি করে রেখে দু’টো লোকসভা সিট দখল করবে? সে গুড়ে বালি!” এরপরেই মমতা বলেন, “বীরভূম থেকে কারা এসেছেন? যতদিন কেষ্ট ফিরে না আসছে লড়াই তিনগুণ বাড়বে। বীরভূম শক্ত মাটি।”

তৃণমূল নেত্রী এদিন বোঝাতে চান, অনুব্রতকে অনেকদিন ধরেই টার্গেট করা হচ্ছিল। সেই ধারাবাহিকতাতেই প্রতি নির্বাচনে তাঁকে নজরবন্দি করে রাখা হতো। কিন্তু তাতে হাতি-ঘোড়া হয়ে যায়নি। বীরভূমে তৃণমূল থেকেছে নিরঙ্কুশ। কার্যত বিরোধীশূন্য। ঘটনা হলো, যতবার অনুব্রতকে ভোটের সময় নজরবন্দি করা হয়েছিল, ততবার হাসতে হাসতে তিনি বলতেন, ও এমনিই ভোট হয়ে যাবে। মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করে নিলে কেষ্ট পান চিবোতে চিবোতে বলতেন, "ল্যান্ডফোন নাই নাকি?" দিদি যেন এদিন বুঝিয়ে দিলেন, অনুব্রতকে নজরবন্দি করে যেমন বীরভূমে তৃণমূলকে আটকানো যায়নি, তেমন ওঁকে জেলে আটকে রেখেও জোড়াফুলের জয়কে আটকানো যাবে না।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কেষ্টর কতটা ডানা ছাঁটবে দল? বীরভূমের সিংহাসন থাকবে অনুব্রতর দখলেই?

অনুব্রতকে নিয়ে দল এত নরম কেন? এই নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ময়নাতদন্তে উঠে আসছে অনেক কারণ।

কেন অপরিহার্য কেষ্ট?

সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। আর এই পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে ফের একবার বাংলায় ঘুরে দাঁড়াতে চাইছে বিজেপি। এই অবস্থায় কোনও জায়গা ছাড়তে নারাজ তৃণমূল। তবে কি অনুব্রত মন্ডলের গ্রেফতারি সংগঠনে প্রভাব ফেলতে পারে, আর তা বুঝেই এহেন সিদ্ধান্ত? প্রশ্ন উঠছে।

একসময় বামেদের শক্ত ঘাঁটি ছিল এই বীরভূম। কিন্তু গত কয়েক বছরে তৃণমূল যেভাবে সংগঠন বিস্তার করেছে, তার নেপথ্যে যে অনুব্রত ছিলেন, সেকথা স্বীকার করে নেন দলের অনেক নেতাই। গরু পাচার মামলায় বোলপুরের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তৃণমূল নেতাকে। এদিকে আবার দল বলছে, দুর্নীতি কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।

এর আগে এখানে পঞ্চায়েতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় একাধিক আসন জিতিয়েছেন অনুব্রত। গত লোকসভা ভোটের আগে তাঁকে বলতে শোনা যায়, বীরভূমে সব আসনে না জিতলে দল ছাড়ব। এরপর দিদির ধমক খেয়ে সেই পথে পা বাড়াননি। এবার অনুব্রত-হারা বীরভূমে পঞ্চায়েতে যদি প্রভাব পড়ে, তাহলে তার জের গড়াবে লোকসভা ভোটে। কারণ সেই ভোটেরও আর বেশি দেরি নেই। দল ভালোই জানে, বীরভূমে সংগঠন তৈরিতে অনুব্রতর বিকল্প নেই, তাই তেতো পাচন খাওয়ার মতো কি তাঁকে হজম করতে হচ্ছে?

কেন দিদির প্রিয় কেষ্ট?

তিনি নাকি কোনও দিন মন্ত্রিত্ব চাননি। তিনি নাকি বড় কোনও দলীয় পদ চাননি। তাঁকে দিদির ডিফেন্ড করার পিছনে এটা বড় কারণ হলেও একমাত্র কারণ নয়। এক্ষেত্রেও বালাই সেই পঞ্চায়েত আর লোকসভা ভোটের কড়া নাড়া।

তৃণমূল সূত্রের মতে, অনুব্রতকে না সরানোর সিদ্ধান্ত কৌশলগত। অনুব্রত মন্ডল গ্রেফতারের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তা নিয়ে সরব হয়েছিলেন। সংবাদমাধ্যমে দলের এক নেতার কথায় প্রকাশ, দিদি হয়তো বুঝতে পেরেছিলেন যে, অনুব্রতর পাশে না দাঁড়ালে দলের অনেকেই হতাশ হয়ে পড়বেন। অনুব্রত ছিলেন দক্ষ সংগঠক। বীরভূমের জেলা সভাপতির পদে থেকে অতিরিক্ত কোনও পদ কখনও চাননি তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে ঠিক, কিন্তু এও ঠিক, বীরভূমে তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে অনুব্রত জনপ্রিয়। সম্ভবত সেই কারণেই বীরভূমে জেলা সভাপতি পদে আপাতত কোনও বদল হবে না।

কেষ্টকে ডিফেন্ড করেন দলনেত্রী

পার্থর ক্ষেত্রে টাকার নির্লজ্জ প্রদর্শন দেখেছে রাজ্য। অনুব্রতর ক্ষেত্রে শোনা গেছে, কালো টাকার প্রাসাদ গড়েছেন তিনি। শোনা গেছে, দেখা যায়নি। তাই কি কেষ্টকে ডিফেন্ড করা সহজ হয়েছে দিদির পক্ষে?

পার্থর ক্ষেত্রে দল জিরো টলারেন্স নীতি নিলেও অনুব্রতর হয়ে ব্যাট করেন খোদ দলনেত্রী। বলেন, "অনুব্রতকে গ্রেফতার করলেন কেন? কী করেছিল কেষ্ট? কেষ্টকে জেলে আটকালে কী হবে? ওদের এজেন্সির কিছু লোক রয়েছে, তাঁদের টাকা দিয়ে পোষে। মাঝরাতে কেন সিবিআই বাড়িতে ঢুকছে? কেষ্টর বাড়িতে তাণ্ডব চালিয়েছে সিবিআই।"

জেলে যখন এই বার্তা পৌঁছবে যে, 'বীর’ কেষ্ট, তখন তিনি কি কিছুটা অক্সিজেন পাবেন না? তবে পার্থ যে মুষড়ে পড়বে, তা বলাই যায়। মোদ্দাকথা হলো, শহর উন্নততর তৃণমূলের বার্তা দিয়ে হোর্ডিংয়ে যেভাবে মুখ ঢেকেছে, এটা কি সেই ফরমুলা মেনে অভিষেকের কোনও পাশার চাল? পঞ্চায়েত এবং লোকসভার ঠেলা সামলাতে তাই কি বীরত্বের ঢাল দিয়ে কেষ্টকে আড়াল করা হচ্ছে?

লিখেছেন
tiasa gupta
tiasa gupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।