একই মানুষের বহু যৌনসম্পর্কে আগ্রহ, কেন এমন হয়!

Polygamy: বহুগামীতা এখনও প্রকট পুরুষ পাহাড়ি গোরিলাদের মধ্যে। বিবর্তন ও জেনেটিক্সের সংজ্ঞা দিয়ে বললে, গোরিলা তো আদতেই মানুষের নিকটাত্মীয়ই।

Madhurima Pattanayak
৫ মিনিট
একই মানুষের বহু যৌনসম্পর্কে আগ্রহ, কেন এমন হয়!

ইউরোপ এবং এশিয়ার বিস্তীর্ণ জঙ্গলে প্রেইরি ভোলস বলে একধরনের খুদে স্তন্যপায়ীদের দেখা যায়, ইঁদুরেরই জাতভাই বলা চলে। এরা যখন নিজেদের সঙ্গী খুঁজে পায়, তাদের সঙ্গে সারা জীবন কাটিয়ে দেয়, একসঙ্গে বাসা বাঁধে, একে-অপরের সঙ্গে সময় কাটায়, সন্তানের জন্ম দেয়। অন্য দিকে আরেক রকমের ভোলস, মনটেন ভোলস নাম তাদের- এই প্রেইরি ভোলসদেরই নিকট আত্মীয় বলা চলে, তারা আবার এই আজীবন ঘর বাঁধার ধার ধারে না। তারা ওই একটি সঙ্গীর সঙ্গে একবারই যৌন ভাবে মিলিত হয়, মানে নতুন প্রজন্মের ভাষায় যাকে বলে ওয়ান-নাইট স্ট্যান্ড।

কিন্তু এই সারা জীবনের মতো একসঙ্গে থাকার আগে একটি কষ্টকর ধাপ পেরোতে হয় প্রেইরি ভোলসদেরই- সেই ধাপটিতে টানা চব্বিশ ঘণ্টা ধরে এদের যৌন মিলনের পর্ব চলে। হ্যাঁ, চব্বিশ ঘণ্টা! আর তার পরেই তারা চিরকাল একসঙ্গে থাকা শুরু করে। কিন্তু কী এমন ঘটল যৌনমিলনের সময় যা এই পুরুষ ও স্ত্রী প্রেইরি ভোলসদের সারাজীবন অবিচ্ছেদ্দ্য করে তোলে?

১৯৯৯ সালে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মেন্টাল হেলথের তৎকালীন ডিরেক্টর ড: থমাস আর. ইন্সেল প্রথম পরীক্ষা করে দেখেন, যৌন মিলনের সময় এদের শরীরে ক্ষরিত হয় অক্সিটোসিন। এই হরমোন দু'টি স্তন্যপায়ীকে একসঙ্গে থাকতে এবং সম্পর্ক ও বিশ্বাসের ভিত তৈরি করতে সাহায্য করে; এবং অবশ্যই প্রজনন ও সন্তান লালন-পালনে সাহায্য করে। এর পাশাপাশি ক্ষরিত হয় ভেসোপ্রেসিন নামের আরেকটি হরমোন। এই দুই হরমোনের উপস্থিতি ও ক্ষরণই এদের একগামী করে তোলে। একগামীতার পেছনে কিন্তু এর পাশাপাশি কাজ করে ডোপামাইন নামের আরেকটি হরমোন, যাকে চলতি কথায় 'হ্যাপি হরমোন' বলে। মানুষের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম ঘটে না- মহিলাদের ক্ষেত্রে অক্সিটোসিন এবং পুরুষদের ক্ষেত্রে ভেসোপ্রেসিনই কারণ একগামীতার পেছনে।

একটা কথা মানতেই হবে, আমরা যা করি, যে ভাবে চলি - অর্থাৎ আমাদের সমস্ত আচার-আচরণে সামাজিক প্রভাবের পাশাপাশিও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব থাকে আমাদের জিনের। ভোলসদের ক্ষেত্রেও তার কোনও ব্যতিক্রম হয় না। প্রেইরি ভোলস আর মন্টেন ভোলসের জিন শতকরা নিরানব্বই শতাংশ মিল আছে, ওই এক শতাংশ জিনের অমিলেই দুই আত্মীয়ের আচার-আচরণ বা জীবন-ধারণে এত পার্থক্য দেখা যায়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কাটা মুণ্ডুকে মেকআপ, একই ঘরে যৌনতা! আফতাবের মানসিক বিকৃতির আড়ালে লুকিয়ে যে সত্য

Delhi Murder Case Update: শ্রদ্ধার কাটা মুণ্ডু ফ্রিজ থেকে বের করে তাতে মেক আপ করাতেন আফতাব! আবার কোনও কারণে রাগ হলে সেই কাটা মুণ্ডুকে চড়ও মারতেন, এমনটাই দাবি দিল্লি পুলিশের

এই দুই নিকট আত্মীয়ের জিনের কাজ-কারবার খুঁটিয়ে দেখতে গিয়ে ধরা পড়ল, অক্সিটোসিন আর ভেসোপ্রেসিন প্রেইরি ভোলসদের শরীরে যৌন মিলনের সময় তৈরি হলেও, মন্টেন ভোলসের ক্ষেত্রে এই দু'টি হরমোনের ক্ষরণ বাধা পায়। আর অক্সিটোসিন আর ভেসোপ্রেসিনের অভাবে মন্টেন ভোলসের যৌন সঙ্গী নির্বাচনও ওই খুব সাময়িক ঘটনার মতো হয়ে যায় - ওই সেই ওয়ান-নাইট স্ট্যান্ডের মতো।

মানুষের ক্ষেত্রে একগামীতা নির্ধারণ করার পেছনে যদি অক্সিটোসিন ও ভেসোপ্রেসিনের হাত থাকে, তাহলে বহুগামীতা- যা কিনা একগামীতার উল্টো, সেক্ষেত্রেও কি অক্সিটোসিন ও ভেসোপ্রেসিনের প্রভাব থাকছে?

তারও উত্তর দেবে আমাদের জিন। মানুষ বহুগামী হবে কিনা, তা ঠিক করে দেয় তার জিন, সেই জিনের প্রকাশ অর্থাৎ জিনের কাজের ধরন ও একাধিক হরমোন এবং এই তিনটি মূল বিষয়ের পাশাপাশি অবশ্যই পারিপার্শ্বিক অবস্থার উপরেও মানুষের বহুগামীতা নির্ভর করে।

আমাদের দীর্ঘদিন ধরেই ধারণা রয়েছে, পুরুষদের মধ্যে বহুগামীতার প্রবণতা ও অন্যদিকে নারীর একগামী হওয়ার প্রবণতা বেশি। নারীর একগামীতা মানে এই নয় যে সে আজীবন একটি পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হয়, বরং একগামীতার ব্যাখ্যায় নারী একই সঙ্গে একাধিক পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হয় না।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
যৌন শোষণই নিয়তি! বাংলা সাহিত্যের নারীমন তবু চেনা ছকের বাইরে

Bengali Literature: ধূসর বিকেলে থেকে যায় সম্পর্কের ওম– শুধু বঞ্চনায়, যৌনতায় তার হিসেব মেলে না।

মহিলাদের মধ্যে একগামীতার প্রবণতা বেশি হলেও, তাদের মধ্যে বহুগামীতার ঘটনা বিরল নয়, এমনকী অস্বাভাবিকও নয়। ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ডের সাইকোলজিস্ট ব্রেন্ডেন জি়য়েশট গবেষণা করে দেখেন, মহিলাদের মধ্যে একটি বিশেষ জিনের (ভেসোপ্রেসিন রিসেপ্টর জিন) রকমফের হলেই এরকম ঘটনা ঘটছে । এই জিনের মূল কাজ আমাদের নার্ভে ভেসোপ্রেসিনের প্রবেশের যে দরজা বা রিসেপ্টর, সেই দরজার কাজকে নিয়ন্ত্রণ করা। মহিলাদের শরীরে নির্দিষ্ট এই জিনটির অন্তত পাঁচটি রকমফের (বা ভ্যারিয়েন্ট), তাদের বহুগামীতার পেছনে দায়ী। সুইডেনের ক্যারোলিন্সকা ইনস্টিটিউটের গবেষক হেস ওয়ালামের গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, ভেসোপ্রেসিন রিসেপ্টর জিনের রকমভেদের পাশাপাশি, অক্সিটোসিন রিসেপ্টর জিনও দায়ী মহিলাদের বহুগামীতার পেছনে।

ভেসোপ্রেসিন আর অক্সিটোসিন নার্ভকোশের দরজা বা রিসেপ্টর দিয়ে নার্ভকোশের ভেতর ঢুকতে না পারলে, এই রাসায়নিক দু'টি কাজও করতে পারবে না। আর এরা কাজ না করতে পারলেই বহুগামীতার প্রবণতা তৈরি হবে। ঠিক একই ঘটনা ঘটেছিল মন্টেন ভোলসের ক্ষেত্রে।

পুরুষদের ক্ষেত্রে কিন্তু ভেসোপ্রেসিন জিন এবং বহুগামীতার মধ্যে কোনও সম্পর্ক খুঁজে পাননি ড: জি়য়েটশ। অথচ হেস ওয়ালামের গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, যে সমস্ত পুরুষদের শরীরে ভেসোপ্রেসিন রিসেপ্টর জিনের রকমভেদ পাওয়া গেছে, তাদের মধ্যে বহুগামীতার প্রবণতা বেশি। শুধু তাই নয়, সেই সব পুরুষের সঙ্গীরা জানিয়েছেন যে তাদের বিবাহিত জীবন সুখের নয়। কিন্তু এই দৃষ্টান্ত থেকে এটা পরিষ্কার নয় যে, তাদের বিবাহিত জীবন সুখের নয় বলেই তারা বহুগামী নাকি বহুগামী বলেই বিবাহিত জীবন সুখের নয়। পাশাপাশি এটাও পরিষ্কার নয় ভেসোপ্রেসিন রিসেপ্টর জিনের রকমফেরই একমাত্র দায়ী কিনা তাদের বহুগামীতার পেছনে, নাকি পাশাপাশি অসুখী দাম্পত্য জীবনও এর কারণ। তবে এখানে ভেসোপ্রেসিন রিসেপ্টর জিন যে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত তা কিন্তু পরিষ্কার।

এবার আসা যাক ডোপামিনের কথায়। ডোপামিন ক্ষরণ না হলে যেমন দু'টি মানুষের মধ্যে যেমন কোনও রকম মেলবন্ধন তৈরি হতে সমস্যা হয়, অতিরিক্ত ডোপামাইন ক্ষরণ হলেও কিন্তু আবার বহুগামীতার প্রবণতা দেখা যায়। অক্সিটোসিন কিন্তু ডোপামিনের ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যে সমস্ত মানুষ শৈশবে মানসিক আঘাত বা ট্রমার শিকার হয়েছে, তাদের মধ্যে অক্সিটোসিন ক্ষরণ ঠিক মতো হয় না, আর এর ফলে অস্বাভাবিক বেশি হারে ডোপামিন ক্ষরণ হয়। শৈশবে ট্রমার শিকার যারা, তাদের মধ্যে বহুগামীতার প্রবণতা বেশি দেখা গেছে। বর্তমানে আমরা বিভিন্ন কারণে শৈশবের ট্রমা নিয়ে খোলাখুলি কথা বলতে শিখেছি, খোলাখুলি কথা বলতে শিখেছি যৌনতা নিয়েও।

এমন নয় যে বহুগামীতা কেবল বিগত কয়েক শতকে দেখা যাচ্ছে, আদিম মানুষ আদতে বহুগামীই ছিল। মোটামুটি চার লক্ষ বছর আগে থেকে মানুষের বিবর্তনের মধ্যে দিয়ে এই প্রবণতা কমে ও একগামীতার প্রবণতা বাড়ে। বহুগামীতা এখনও প্রকট পুরুষ পাহাড়ি গোরিলাদের মধ্যে। বিবর্তন ও জেনেটিক্সের সংজ্ঞা দিয়ে বললে, গোরিলা তো আদতেই মানুষের নিকটাত্মীয়ই।

আমাদের দীর্ঘদিন ধরেই ধারণা রয়েছে, পুরুষদের মধ্যে বহুগামীতার প্রবণতা বেশি। যদি বিবর্তনের লেন্স দিয়ে এর যুক্তি খোঁজা হয় তাহলে দেখা যাবে পুরুষ শুক্রাণু তৈরি করে অনেক বেশি, তাই তার কর্ষণের প্রবণতা বেশি এবং একইসঙ্গে একাধিক ডিম্বাণু নিষিক্ত করার ক্ষমতাও তার আছে। অন্যদিকে নারী, আবারও যদি অভিযোজন ও বিবর্তনের লেন্স দিয়ে দেখা হয়, দেখা যাবে তার মধ্যে একগামী হওয়ার প্রবণতা বেশি। কারণ তার জনন কোশের সংখ্যা মাত্র একটি আর সেই জনন কোশের নিষেক একটি মাত্র শুক্রাণু দিয়েই হয়, একাধিক শুক্রাণু দিয়ে নয়।

সমাজের কথা ছেড়ে দিয়ে, অভিযোজনগত দিক থেকে দেখলে অন্তত তাই বহুগামীতার কারণ। পাশাপাশি জিন এবং হরমোনের ভূমিকা তো আছেই।

বহুগামীতার কারণে অনেকক্ষেত্রেই ব্যক্তিগত, সামাজিক, পারিবারিক ক্ষতিও হয় গভীর ভাবে। অন্যদিকে সংখ্যাটা খুব কম হলেও অনেক সমাজেই আবার নারী ও পুরুষ উভয়ের বহুগামীতাকেই সুস্থ ভাবে মেনে নেওয়া হয়, সঙ্গীরাও একে-অপরের একাধিক সঙ্গী নির্বাচনের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নারী-পুরুষ নির্বিশেষে বহুগামিতাকে নিন্দের চোখে দেখা হলেও, শেষমেশ কারণগুলো তো মূলত বৈজ্ঞানিক।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

২০২৫ যে শব্দগুলির সঙ্গে পরিচয় করাল

Word of the year: গুগল ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয়রা ২০২৫ সালে যেসব শব্দের অর্থ সবচেয়ে বেশি খুঁজেছে, তা তাদের মানসিক অবস্থার প্রতিফলন। যেমন—সিজফায়ার অর্থাৎ যুদ্ধবিরতি, মক ড্রিল অর্থাৎ নিরাপত্তার জন্য মহড়া।

জ্যোতির্ময় দত্ত: লেখালেখির বাইরে এক খ্যাপাটে মানবতাবাদী

Jyotirmoy Dutta: বামপন্থার সমালোচক ছিলেন জ্যোতির্ময় দত্ত। তাঁর আদর্শ ছিল রবীন্দ্রনাথ ও মহাত্মা গান্ধীর মানবতা।

ঘৃণার রাজনীতি: এখন লক্ষ্য খ্রিস্টান?

Anti-Christian violence India: মিচেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশে খ্রিস্টান নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৮৩৪টি (গড়ে মাসে ৭০ টি)। ২০২৫ সালে নভেম্বর মাস পর্যন্ত নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৭০৬ টি।

এক বাঙালির জেদে জুড়ল দুই বাংলা: টেলিগ্রাফ ম্যান শিবচন্দ্র নন্দী

Seebchunder Nandy: ১৮৫১ সালে কলকাতা-ডায়মন্ড হারবার লাইনের প্রথম সংকেত প্রেরণের সময় শিব চন্দ্র নন্দী ডায়মন্ড হারবার থেকে বার্তা পাঠান, অন্য প্রান্তে ও'শাগনেসির সঙ্গে ছিলেন লর্ড ডালহৌসি।

অন্যের দুঃখে কেন আমাদের মিষ্টি হাসি? শ্যাডনফ্রয়ডার মনস্তত্ত্ব

Schadenfreude: বর্তমান যুগে এই অনুভূতি আগুনের মতো ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে। আমরা এখন যাকে 'ট্রোলিং' বলি, তার মূলে রয়েছে এই শ্যাডনফ্রয়ডা।

দেশে দেশে নানাবেশে আছেন সে এক সান্তা ক্লজ

Santa Claus Across Cultures: ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত রঙিন চিত্র সংকলনে জর্জ ওয়েবস্টার লিখেছিলেন, সান্তা ক্লজের বাড়ি "নর্থ পোলের নিকটে"।

বিপন্ন ভারতের প্রাচীন পর্বতমালা‍! যেভাবে ধ্বংসের মুখে আরাবল্লী

Aravalli Hills Under Threat: পরিবেশবিদদের মতে, আরাবল্লী কেটে ফেললে দিল্লির দূষণ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নেবে।

শৈশবের ‘রিওয়্যারিং’: স্ক্রিনের নীল আলো গিলে খাচ্ছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে?

Screen Addiction Destroying the Mental Health: বাস্তব জগত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ডিজিটাল জগতে ডুবে থাকায় শিশুদের মানসিক কাঠামোর এক আমূল পরিবর্তন ঘটে যাচ্ছে।