হাই কোর্টে ফের মুখ পুড়ল রাজ‍্যের! কেন বিতর্ক সোনালি চক্রবর্তীকে নিয়ে?

Sonali Chakrabarty: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকে সোনালি চক্রবর্তীকে সরানো নিয়ে হাই কোর্টে আবার মুখ পুড়ল রাজ্য সরকারের।

tiasa gupta
৪ মিনিট
হাই কোর্টে ফের মুখ পুড়ল রাজ‍্যের! কেন বিতর্ক সোনালি চক্রবর্তীকে নিয়ে?

করোনা হোক কিংবা এসএসসি। বারবার হাই কোর্টে মুখ পুড়েছে রাজ্য সরকারের। এসএসসি কেলেঙ্কারি নিয়ে বারবার রাজ্য সরকারকে জেরবার হতে হয়েছে উচ্চ আদালতে। রাজ্য সরকারি কর্মীরা ডিএ না পাওয়ায় সেই মামলাও গড়ায় হাই কোর্টে। এবার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকে সোনালি চক্রবর্তীকে সরানো নিয়ে হাই কোর্টে আবার মুখ পুড়ল রাজ্য সরকারের।

সোনালি চক্রবর্তীকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকে অপসারণের নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। একই সঙ্গে তাঁর পুনর্নিয়োগের সিদ্ধান্তও খারিজ করল প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী সোনালি। তাঁকে পুনর্নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রাজ্য সরকার। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে সোনালি চক্রবর্তীর নিয়োগ ইউজিসি-র নিয়ম মেনে হয়নি বলে এই অভিযোগে আদালতে একটি জনস্বার্থ মামলা (PIL) দায়ের হয়। ১২ জুলাই এই মামলার শুনানির পর রায়দান স্থগিত ছিল। ১৩ সেপ্টেম্বর সেই মামলায় কলকাতা হাই কোর্ট রাজ্যের পুনরায় নিয়োগের সিদ্ধান্তকে খারিজ করে। একই সঙ্গে আদলতের পর্যবেক্ষণ, রাজ্য সরকারের উপাচার্য নিয়োগের কোনও এক্তিয়ার নেই। এই নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য যেতে পারে বলে জানা গেছে।

কেন অপসারণ

২০২১ সালের ২৭ অগাস্ট সোনালি চক্রবর্তীকে পুনরায় উপাচার্য পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই সিদ্ধান্ত খারিজ করল কলকাতা হাই কোর্ট। এর ফলে সোনালি ওই পদে থাকতে পারবেন না। হাই কোর্টের বক্তব্য, রাজ্য সরকারের এক্তিয়ার নেই উপাচার্য নিয়োগের। ২০২১ সালের অগাস্ট মাসে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়-সহ একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ করেছিল রাজ্য সরকার। সেই সময়ে রাজ্যপাল তথা আচার্য জগদীপ ধনকড় এই নিয়োগে অনুমতি দেননি। রাজভবনের সিলমোহর ছাড়াই বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগ করেছিল রাজ্য সরকার। এরপরই হাই কোর্টে যে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করে বলা হয়েছিল, এই নিয়োগ বেআইনি। রাজভবনকে এড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ করার অর্থ সাংবিধানিক পদ, প্রতিষ্ঠানকে সরাসরি অস্বীকার করা। মামলাকারীর আবেদনে উল্লেখ করা হয়, একটা গণতান্ত্রিক দেশের রাজ্য সরকার যদি সাংবিধানিক বিধিকে লঙ্ঘন করে, রাজ্যপাল তথা রাজভবনকে পাশ কাটিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাথায় পছন্দের লোক বসায়, তাহলে সেখানে সংকট অনিবার্য।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
পথকুকুরের দায়িত্ব নিলেই বাড়তি চাপ! সুপ্রিম মন্তব্যে তীব্র আলোড়ন শহরের পশুপ্রেমীদের মধ্যে

Stray Dogs: শ্রীলেখা মিত্র-র বক্তব্য, "সুপ্রিম কোর্ট যদি এমন কথা বলেন, তাহলে আমাদের মত পথকুকুরকে যারা খাওয়াতে ভালবাসে, তাদের কী হবে?

এই নিয়ে দীর্ঘ শুনানি হয় কলকাতা হাই কোর্টে। এরপর ১৩ তারিখ প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চ সোনালি চক্রবর্তীর নিয়োগকে খারিজ করে দিল। আদালত স্পষ্ট করেই বলেছে, এইভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাথায় পছন্দের লোক বসানো যায় না।

সোনালি চক্রবর্তী রাষ্ট্রবিজ্ঞানের একজন অধ্যাপিকা। ২০১৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন অস্থায়ী উপাচার্য সুরঞ্জন দাস যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে যোগ দিলে সেই শূন্যপদে সোনালি চক্রবর্তীকে স্থায়ী উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ করা হয়। সোনালি চক্রবর্তী কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর কন্যা এবং পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর স্বামী। বিখ্যাত পরিবারের উত্তরাধিকারী এবং স্বামী প্রভাবশালী হওয়ার কারণেই কি তিনি রাজ্য সরকারের পছন্দের লোক হয়ে ওঠেন? এত করেও 'রাজ্য সরকারের পছন্দের' সোনালির পদ টিকল না। তাঁকে অপসৃত হতেই হলো।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে সোনালির কাজের মেয়াদ শেষ হয়েছে গত বছর। ২৭ অগাস্ট তাঁকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে পুনর্নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। সেইমতো তিনি কাজ শুরু করেন। তবে তাঁর নিয়োগ নিয়ে হাই কোর্টে মামলা দায়ের হয়। মামলায় বলা হয়েছিল, এই নিয়োগ বেআইনি। অনেক শুনানির পর প্রধান বিচারপতি তাঁর নিয়োগ খারিজ করে দেন।

রাজ্যের যুক্তি

হাই কোর্টের নির্দেশ জারির পর এবার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকে সরতে হবে সোনালি চক্রবর্তীকে। তবে রাজ্য সরকার এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে। রাজ্যের যুক্তি, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজকর্ম ভালোভাবে চালানোর জন্যই সোনালিকে ওই পদে পুনর্নিয়োগ করা হয়েছিল। এটা কোনও পক্ষপাতিত্ব নয়। প্রশ্ন হলো, তাঁর ব্যক্তি-পরিচয় কি এক্ষেত্রে কোনও প্রভাব বিস্তার করেনি? এদিকে শিক্ষা দফতর-সূত্রে জানা যাচ্ছে, রাজ্যের আরও ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে একইভাবে বহাল রেখেছে উচ্চশিক্ষা দফতর। অর্থাৎ, পাঁচ বছর মেয়াদ শেষে আরও পাঁচ বছরের জন্য বহাল রাখা হয়েছে। এই তালিকায় যেমন রয়েছে যাদবপুর, প্রেসিডেন্সি- তেমনই রয়েছেন রবীন্দ্রভারতীর উপাচার্যও। সোনালি চক্রবর্তীর মামলার রায়কে হাতিয়ার করে কেউ বাকিদের নিয়োগ নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করলে এইসব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের ভবিষ্যৎও অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে।

রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলের বক্তব্য, জুলাই মাসে মামলার শুনানিতে রাজ্যের তরফে অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় সোনালি চক্রবর্তীর নিয়োগের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেছিলেন, "কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী নিয়োগ এবং পুনর্নিয়োগ আলাদা ব্যাপার। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (University Grants Commission, UGC) নীতি অথবা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী নিয়োগ করা যায়।" তিনি জানান, উপাচার্য পুনর্নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজ্যপালের ক্ষমতা একইরকম নয়। এ-বিষয়ে রাজ্যের সিদ্ধান্তকে মেনে নিতে হয় রাজ্যপালকে। বিশ্ববিদ্যালয় সেনেট ও মন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করে উপাচার্যকে নিয়োগ করতে পারেন রাজ্যপাল।

মামলাকারীর আইনজীবীর যুক্তি

উপাচার্য পুনর্নিয়োগের বিরোধিতা করেন মামলাকারী অনিন্দ্যসুন্দর দাস। তাঁর আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের আইন অনুযায়ী রাজ্যের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য রাজ্যপাল। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগের ক্ষমতা রাজ্যপালেরই। রাজ্যপালের সম্মতি না নিয়ে উপাচার্য নিয়োগ করা যায় না। সোনালি চক্রবর্তী নিয়োগের ব্যাপারে তৎকালীন রাজ্যপালকে কিছুই জানানো হয়নি৷ প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চ দু'পক্ষের বক্তব্য শুনে দীর্ঘদিন রায়দান স্থগিত রেখেছিল। ১৩ সেপ্টেম্বর প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ রায় দেয়, সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিয়োগ আইন স‌ংগত হয়নি। তাই তাঁকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকে সরানো হোক। তাহলে এবারও পুনর্মূষিক ভবঃ, আদালতে মুখরক্ষা হলো না রাজ্যের।

লিখেছেন
tiasa gupta
tiasa gupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।