মালদহে জয় 'মহব্বতে'রই , ঘৃণার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে বাংলাকে ডাক রাহুলের

Bharat Jodo Nyay Yatra: রাহুল জানান, দেশে এখন বিচারধারার লড়াই চলছে। একদিকে ঘৃণা (নফরত) ও হিংসার বিচারধারা, অন্যদিকে ভালোবাসা (মহব্বত) ও ভাতৃত্বে (ভাইচারা)-র বিচারধারা।

Sohini Das
৪ মিনিট
মালদহে জয় 'মহব্বতে'রই , ঘৃণার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে বাংলাকে ডাক রাহুলের

'ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা' নিয়ে তৃতীয় বার বাংলায় কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি। গত ১৪ জানুয়ারি মণিপুর দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলেন রাহুল। সেখান থেকে অসম হয়ে বাংলায় ঢোকে রাহুলের যাত্রা। তবে জরুরি কারণে সেইদিনই দিল্লি ফিরে যেতে হয়েছিল কংগ্রেস নেতাকে। দু'দিনের বিরতি নিয়ে গত ২৮ তারিখ ফের বাংলায় ফেরে যাত্রা। জলপাইগুড়ি জুড়ে কার্যত চলেছে রাহুল-ম্যাজিক। সেখান থেকে বিহারে গিয়েছিলেন রাহুলরা। সেখানে যাত্রা ও সভা শেষ করে বুধবার ফের মালদহ দিয়ে বাংলায় ঢুকেছে যাত্রা।

ঘটনাচক্রে এই দিনই মালদহে ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভাও। আর রাহুল যে পথে যাত্রা করেছেন, কার্যত সেই পথেই আজ মালদহে পৌঁছেছেন তৃণমূলনেত্রী। তৃণমূল-কংগ্রেস দ্বৈরথ যেন সপ্তমে পৌঁছেছে গত কয়েকদিনে। বিজেপি বিরোধী 'ইন্ডিয়া' জোটের দুই প্রধান দল কংগ্রেস ও তৃণমূল। অথচ লোকসভা ভোটের ঠিক আগে দু-দলের মধ্যে তেমন সমঝোতার ছবিটা দেখা যাচ্ছে না। গোড়া থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে এসেছেন, তিনি নিজের রাজ্যে একাই লড়তে চান। আসন সমঝোতা নিয়ে রাজ্যের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর সঙ্গে সম্প্রতি তুঙ্গে উঠেছে বিবাদ। যাত্রায় কংগ্রেসের তরফে বারবার আমন্ত্রণ জানানো হলেও সেই আমন্ত্রণ তিনি ফিরিয়েছেন। কংগ্রেসের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন সভা থেকে।

বিহার থেকে বাংলায় ঢুকে রাহলের ভারত জোড়ো যাত্রা শুরু হয় মালদহের ভালুকায়। জলপাইগুড়ির মতোই এদিন মালদহেও রাহুলকে ঘিরে উপচে পড়ে ভিড়। এমনকী ভিড়ের চাপে রাহুলের গাড়ির কাচ পর্যন্ত ভেঙে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এদিন বিকেলে মালদহ থেকেই জনসাধারণের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন রাহুল। তাঁর কথায় উঠে এসেছে নানা বিষয়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
'ন্যায় যাত্রা' নিয়ে মালদহে রাহুল, নিজের গড়ে কেন গড়হাজির ডালু?

Bharat Jodo Nyay Yatra: মালদহ আদতে যার গড়, যে নেতার জন্য মালদহে কংগ্রেসের এত প্রতাপ, সেই আবু হাসেম খান চৌধুরী ওরফে ডালু কোথায় এই বিরাট ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রায়?

২০২৪ সালে মণিপুর থেকে মহারাষ্ট্র 'যাত্রা' করার পরিকল্পনা নিয়েছে কংগ্রেস। তবে এ বছর সেই ভারত জোড়ো যাত্রার সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে 'ন্যায়' শব্দটিও। ইতিমধ্যেই মণিপুর থেকে অসম হয়ে ভারতে ঢুকেছে যাত্রা। তার ফাঁকে ঘোরা হয়ে গিয়েছে বিহারও। রাহুল বুধবার জানান, আজকের দেশের বিভিন্ন কোণায় বিভিন্ন রকম ভাবে অন্যায় চলছে। এই মুহুর্তে হিন্দুস্থানে যে পরিমাণ বেকারত্বের সমস্যা রয়েছে, তা গত চল্লিশ-পঞ্চাশ বছকে ছিল না। আর্থিক অন্যায়, সামাজিক অন্যায় থেকে শুরু করে মহিলাদের উপর অন্যায় বেড়েই চলেছে দেশ জুড়ে। শুধু তাই নয়, কৃষক থেকে শুরু করে মজুর-শ্রমজীবী মানুষের উপর অন্যায়ের মতো হাজার রকমের ন্যায়হীনতা হয়েই চলেছে মোদি জমানায়। এদিন ভাষণ দিতে উঠে মোদি সরকারের কৃষি-আইনের বিরুদ্ধেও গর্জে ওঠেন রাহুল। তিনি জানান, এ জন্যই চলতি বছরের ভারত জোড়ো যাত্রার সঙ্গে এ বছর জুড়ে দেওয়া হয়েছে ন্যায় শব্দটি। ক্ষমতায় এলে দেশে জাতিগণনা বা কাস্ট সেন্সাসের মতো গোটা দেশে সামাজিক 'ন্যায়' করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন রাহুল। মোট জনসংখ্যার কত সংখ্যক মানুষ পিছিয়ে পড়া, কত সংখ্যক মানুষ দলিত, তা জানতে কাজে আসবে এই কাস্ট সেন্সাস।

শুধু কাস্ট সেন্সাসই নয়, একই সঙ্গে আর পাঁচটি ন্যায়ের প্রতিশ্রুতি দেন কংগ্রেস নেতা রাহুল। কী সেগুলি। রাহুল জানাচ্ছেন, তাঁর মধ্যে রয়েছে আর্থিক ন্যায়, সামাজিক ন্যায়, কৃষকদের জন্য ন্যায়, শ্রমিকদের জন্য ন্যায় এবং নারীদের জন্য ন্যায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ঠুকে এদিন রাহুল বলে, 'যাত্রা'-র ভাষণ তেমন লম্বা হয় না। কারণ নিজের 'মন কি বাত' মানুষকে জানানো তার উদ্দেশ্য নয়। বরং মানুষের মনের কথা জানা ও বুঝতেই মানুষের কাছে এসেছেন তিনি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কাঁচ ভাঙল রাহুলের গাড়ির! ন্যায় যাত্রায় নিরাপত্তার ব্যবস্থাই করেনি তৃণমূল প্রশাসন?

Rahul Gandhi Bharat Jodo Nyay Yatra : আসলে কাঁচ ভাঙা নয়, চোখে পড়ছে কংগ্রেস আর তৃণমূলের চিড়

রাহুল জানান, দেশে এখন বিচারধারার লড়াই চলছে। একদিকে ঘৃণা (নফরত) ও হিংসার বিচারধারা, অন্যদিকে ভালোবাসা (মহব্বত) ও ভাতৃত্বে (ভাইচারা)-র বিচারধারা। প্রসঙ্গত, এবার যাত্রায় রাহুলদের মূল স্লোগানই হল,নফরত কি বাজার মে মহব্বত কি দুকান। এদিনের বক্তৃতাতেও ফের উঠে এসেছে সেই কথাই। বাংলার প্রতিটি নাগরিকের কাছে রাহুলের আর্জি, "আপনারা দেশকে রাস্তা দেখান। আপনারা মননশীল মানুষ। বাংলা থেকে অসংখ্য় মননশীল মানুষের জন্ম হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর থেকে শুরু করে অমর্ত্য সেনের মতো অসংখ্য নোবেলজয়ীরা এসেছেন এই বাংলা থেকে। বাংলার মানুষের কাছে রাহুলের আবেদন, দেশ জুড়ে আরএসএসের যে ঘৃণার বিচারধারা চলছে, তার বিরুদ্ধে একজোট হতে হবে মানুষকে, রুখতে হবে এই ধরনের প্রবণতাকে। একই সঙ্গে, ভারত জোড়ো যাত্রা চলকালীন বাংলা থেকে তিনি যে বিপুল ভালোবাসা পেয়েছেন তার জন্য কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি।

একই সঙ্গে এ দিনের ভাষণে আব্দুল গনিখান চৌধুরীর কথাও উল্লেখ করতে ভোলেননি রাহুল। বহুদিন ধরেই কংগ্রেসের দুর্গ মালদহ। আর সেই দাপটের অন্যতম কারণ গণিখানের পরিবার। বরকত নামে পরিচিত ছিলেন তিনি এলাকায়। গণিখানের পরে তার ভাই আবু হাসেম খান চৌধুরী ওরফে ডালুরর হাতে গিয়েছে সেই রাশ। গোটা বাংলায় যখন কংগ্রেস জমানা অপসৃয়মান, সেসময়েও দক্ষিণ মালদায় সেই প্রতাপ ধরে রাখতে পেরেছিল গনিখানদের পরিবার। তাঁকে স্মরণ করেই এ দিনের বক্তৃতা শেষ করেন রাহুল।

এরপরে মালদহ থেকে মুর্শিদাবাদের দিকে এগোবে যাত্রা। বহরমপুর কংগ্রেসের আরও একটি দুর্গ হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে সেখানে দাপট প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর। সেখানে আগামীকাল যোগ দেবেন বেশ কয়েক জন বাম নেতা। থাকার কথা বামেদের তরুণ নেতা মীনাক্ষী। রাহুলদের স্বাগত জানাতে ইতিমধ্যেই সাজতে শুরু করেছে বহরমপুর। শোনা যাচ্ছে, সেখানে তাঁর জন্য তৈরি হচ্ছে সাত কেজি ওজনের বিশেষ ছানাবড়া মিষ্টি। যা ইতিমধ্যেই জিতে নিয়েছে জিআই ট্যাগ। এখন মুর্শিদাবাদেও রাহুলের এই মহব্বতের দুকান কতটা ভালোবাসা বিলাতে পারে, সেদিকেই চোখ বাংলার।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।