স্বল্পবসনাদের প্রেমের টোপ দিয়ে নৃশংসভাবে খুন করত 'বিকিনি কিলার' শোভরাজ

বহু ক্ষেত্রে খুন করে মসৃণভাবে সেখান থেকে চলে যেতে সক্ষম হতেন চার্লস। এই আশ্চর্য ক্ষমতার জন্য তাঁর আরেক নাম হয়েছিল, 'দ্য সারপেন্ট' অর্থাৎ 'সাপ'।

Rupa Mitra
৫ মিনিট
স্বল্পবসনাদের প্রেমের টোপ দিয়ে নৃশংসভাবে খুন করত 'বিকিনি কিলার' শোভরাজ

ভিয়েতনামের সবথেকে বড় শহর 'সাইগন', যার বর্তমান নাম 'হো চি মিন সিটি'। ১৯৪৪ সালের ৬ এপ্রিল এই শহরে জন্মগ্রহণ করেছিল জন্মসূত্রে ভারতীয় বাবা এবং ভিয়েতনামি মায়ের গর্ভে এক শিশুসন্তান। বিবাহসূত্রে আবদ্ধ না হওয়ার কারণে শিশুসন্তানটিকে কখনওই পিতৃপরিচয় দিতে রাজি হননি তাঁর বাবা। হয়তো এই কারণেই পরবর্তী জীবনে তিলে তিলে শিশুটিকে অপরাধ জগতের দিকে ঠেলে দিয়েছিল তাঁর মানসিক যন্ত্রণা। মাত্র ১৯ বছর বয়সে কারাগারের মুখ দেখেছিলেন তিনি। তাঁর ঝকঝকে স্মার্ট চেহারা, সুন্দর বিনয়ী স্বভাব সকলকে মুগ্ধ করত। এটিই ছিল তাঁর প্রথম এবং প্রধান হাতিয়ার। আসলে বহু অপরাধীর মতোই, মনের ভেতর একরাশ অন্ধকার ছড়িয়ে দিয়েছিল তাঁর বিপন্ন শৈশব। ইনি হলেন কুখ্যাত অপরাধী চার্লস শোভরাজ। জন্মদাতা পিতা হলেন শোভরাজ হারচার্ড ভাবানি ও জন্মদাত্রী মা হলেন ত্রান লোয়াং ফুন।

শোভরাজের জন্মদাতা তাঁর জন্মকে স্বীকৃতি না দেওয়ার ফলে, তাঁর মা ফ্রান্সের এক সেনানায়ককে বিবাহ করেন। তিনি শোভরাজকে দত্তক নিতে রাজি হয়েছিলেন, কিন্তু ততদিনে শোভরাজ অন্ধকার জগতের দিকে পা বাড়িয়ে দিয়েছেন। ধীরে ধীরে নিজের পরিবার থেকে তিনি আলাদা হয়ে যান। স্কুলের বোর্ডিং থেকে দু'বার পালিয়েছিলেন তিনি। ফ্রান্স থেকে সাইগন ফিরে যেতে চেয়েছিলেন তিনি। যদিও তা সম্ভব হয়নি। এরপর ধীরে ধীরে ডাকাতি, ড্রাগ এবং হিরের চোরাচালানের এক অন্ধকার জগতে তলিয়ে গিয়েছিলেন শোভরাজ।

মাত্র ১৯ বছর বয়সে প্রথম জেল খেটেছিলেন শোভরাজ। তাঁর অসম্ভব সুন্দর ব্যবহার এবং ঝকঝকে চেহারা মুগ্ধ করেছিল জেলকর্তাদের। এটাই ছিল চার্লসের হাতিয়ার এবং কৌশল। তাঁর নম্র ব্যবহার উল্টোদিকের লোকটিকে সহজেই তাঁর প্রতি বিশ্বাসভাজন করে তুলত। অসংখ্যবার ধরা পড়েও জেল থেকে পালাতে সক্ষম হয়েছেন শোভরাজ। ১২ থেকে ৩০টি খুনের অপরাধী তিনি। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, তাঁর শিকার ছিল হিপি সংস্কৃতির ধারক ও বাহক তরুণ প্রজন্ম। গোয়েন্দা দফতরের বক্তব্য অনুযায়ী, সিয়াটেলের এক তরুণীই ছিল তাঁর প্রথম শিকার। খুন করে যাঁকে থাইল্যান্ডের এক সমুদ্র-খাঁড়িতে ভাসিয়ে দিয়েছিল চার্লস। শোভরাজের আরও একটি ব্যক্তিত্ব ছিল, তা হলো, তিনি কথা বলতে পারতেন নানা ভাষায়। তাঁর ব্যক্তিত্বের মধ্যে ছিল তীব্র আকর্ষণী ক্ষমতা, যা মেয়েদের সহজে আকৃষ্ট করত। ওষুধ দিয়ে বেহুঁশ করার পর সর্বস্ব লুঠ করে, বহু ক্ষেত্রে খুন করে মসৃণভাবে সেখান থেকে চলে যেতে সক্ষম হতেন চার্লস। এই আশ্চর্য ক্ষমতার জন্য তাঁর আরেক নাম হয়েছিল, 'দ্য সারপেন্ট' অর্থাৎ 'সাপ'। সাপের মতোই ধুর্ত এবং বিষময় ছিলেন তিনি। খুনের ধরন দেখে তাঁকে বলা হতো, 'দ্য স্প্লিটিং কিলার'।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
সাধারণ অটোচালক থেকে নৃশংসতম খুনি, তিলে তিলে যেভাবে ত্রাস হয়ে উঠল অটো শঙ্কর?

গৌরীশঙ্কর থেকে অটো শঙ্কর হয়ে ওঠার পিছনে কারণ খুঁজতে গেলেই নানা মুনির নানা মত। বাবার বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক থেকে প্রচণ্ড দারিদ্র, মানসিক বিকার থেকে লোভ, সমাজের অবহেলা থেকে কিছু স্বার্থপর হোমরাচোমরা ব্যক্তিদের প্রভাব, সবকিছুই সেখানে পাওয়া যায়।

বিভিন্ন ভাষায় কথা বলার সুবাদে এবং এক ধনী স্বেচ্ছাসেবীর সঙ্গে পরিচিত হওয়ার ফলে ওপরমহলেও কিছু জানাশোনা হয়ে গিয়েছিল শোভরাজের। প্যারিসে থাকার সময় এক অভিজাত, রক্ষণশীল পরিবারের তরুণী শাঁতাল কোম্পাগ্যাননের প্রেমে পড়েন তিনি। জীবনে বোধহয় এই প্রথমবার এবং শেষবারের মতো শোভরাজ কাউকে ভালবেসেছিলেন। শোভরাজের অপরাধের ইতিহাস জানতেন সেই তরুণী, এবং দ্বিতীয়বার গাড়ি চুরির অপরাধে হাজতবাসের ঘটনাও তিনি জানতেন। কিন্তু তবু তাদের ভালবাসা অটুট ছিল।এরপর তাঁরা বিবাহসূত্রে আবদ্ধ হন এবং ১৯৭০ সালে তৃতীয়বার গ্রেফতারি এড়ানোর জন্য অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে নিয়ে ফ্রান্স ছেড়ে এশিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। নকল নথিপত্র নিয়েই পূর্ব ইউরোপ ঘুরে মুম্বই পৌঁছন তাঁরা। পূর্ব ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পর্যটকদের ওপর লুটপাট চালান তাঁরা। এরপর মুম্বইতে জন্ম হয় তাঁর কন্যা 'ঊষা'-র। মুম্বই এসে শোভরাজ গাড়ি চুরির চক্র তৈরি করে ফেলেন। চোরাচালানের পাশাপাশি তাঁর নতুন নেশা হয়ে দাঁড়ায় জুয়া। ভারতে এসে আবার ডাকাতির ঘটনায় ধরা পড়েন তিনি এবং জামিনের টাকা জোগাড় করে কোনওরকমে আবারও মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে পালান 'কাবুল'। পৃথিবীজুড়ে এইভাবে ডাকাতি, জুয়া, চোরাচালান, খুন এবং আরও বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজ আজও পর্যন্ত কোনও অপরাধীকে করতে দেখা যায়নি। থাইল্যান্ড, নেপাল,ভারত, মালয়েশিয়া, ফ্রান্স, আফগানিস্তান, তুরস্ক, গ্রিস এই দেশগুলি ছিল তাঁর বিচরণক্ষেত্র।

তাঁর চেহারার প্রেমে পড়ে যেত অনেকেই

কাবুলে শুরু হয় শোভরাজের অপরাধের আর এক নতুন ধারা। এবার তাঁর মূল নিশানা ছিল 'হিপি সম্প্রদায়'। এখানে তিনি আবার ধরা পড়েন এবং অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথা হওয়ায় অসুস্থতার ভান করে হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানেই রক্ষীদের মাদকাসক্ত করে পালিয়ে যান। এবার তাঁর গন্তব্য ছিল ইরান। সেখানে তিনি একাই যান এবং মেয়েকে নিয়ে স্ত্রী ছিলেন কাবুলে। স্বামীর অপরাধ আর মেনে নিতে পারছিলেন না স্ত্রী শাঁতাল। বহু চেষ্টা করেও তিনি চার্লসকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে পারলেন না। তিনি শিশুকন্যা ঊষাকে নিয়ে ফিরে এলেন প্যারিসে। তিনি শোভরাজকে ভালবাসতেন। তবু তিনি ঠিক করেছিলেন, সুপথে না ফিরলে তিনি স্বামীর মুখ দর্শন করবেন না।

শোভরাজের জীবন নিয়ে নির্মিত 'দ্য সার্পেন্ট' সিরিজের পোস্টার

এরপর দু'বছর শোভরাজের কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। পর্যটকদের কাছ থেকে চুরি করা পাসপোর্টের সাহায্যে পূর্ব ইউরোপের নানা জায়গায় তিনি ঘুরে বেড়াতে লাগলেন এবং হিপিদের কাছে রত্ন-ব্যবসায়ী বলে নিজের পরিচয় দিলেন। ক্রমে ক্রমে বড় হতে লাগল তাঁর অপরাধচক্র। অজয় চৌধুরী নামে এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত তাঁর অপরাধের মূল সঙ্গী ছিল। এরপর ১৯৭৫ সালে তাঁর নামে খুনের অভিযোগ উঠে এল। মসৃণ ভাবে অপরাধ করা সত্ত্বেও সারা পৃথিবী ঘুরে বেড়ানো ছিল তাঁর একটা নেশা। ১৯৭৬ সালে দিল্লিতে একদল ফরাসি তরুণকে নিশানা করেন শোভরাজ। স্নাতকোত্তর স্তরের ওই ছাত্রদের গাইড হিসেবে পরিচয় দেয় চার্লস। বিশ্বাস অর্জনের পর তাঁদের হাতে তুলে দেন বিষ মেশানো ওষুধ। মুখে বলেন, সেগুলি আমাশয়ে‌র ওষুধ। কিন্তু তিনজন ছাত্র তাঁর দুরভিসন্ধি ধরে ফেলে। আচ্ছন্ন অবস্থাতেও তাঁরা ধরাশায়ী করে ফেলেন চার্লসকে। ফাঁসির বদলে ১২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হয় শোভরাজের। তিহার জেলে কিন্তু তিনি ছিলেন রাজার হালে। দেহের মধ্যে লুকিয়ে রাখা মূল্যবান রত্ন নিয়ে এসে ঢুকেছিলেন কারাগারে এবং কারাকর্মীদের ঘুষ দিয়ে বশ করতে বেগ পেতে হয়নি তাঁকে। ১৯৮৬ সালে কারাবাসের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে কারাকর্মীদের জন্য পার্টি দেন তিনি। সেখানে সবাইকে ঘুমের ওষুধ মেশানো খাবার খাইয়ে পালিয়ে যান। আবার ধরা পড়েন গোয়ার এক রেস্তোরাঁ থেকে এবং আরও দশ বছর বেড়ে যায় কারাবাসের মেয়াদ। ১৯৯৭ সালে মুক্তি পান ৫২ বছর বয়সি শোভরাজ ।এরপর ভারত থেকে ফিরে যান ফ্রান্সে।

প্যারিসের শহরতলিতে বিলাসবহুল জীবন কাটান শোভরাজ। সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকারের জন্য এবং নিজের ছবি তোলানোর জন্য মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করতেন তিনি। এরপর একদিন, হঠাৎই ২০০৩ সালে নেপালের কাঠমান্ডুতে তাঁকে দেখতে পান একজন সাংবাদিক। সাংবাদিকের কাছে সংবাদ পেয়ে একটি হোটেলের ক্যাসিনো থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে কাঠমান্ডু পুলিশ। ১৯৭৫ সালে দুই বিদেশি নাগরিককে খুনের অপরাধে তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডিত করা হয়।

জীবনের যে কোনও পর্বেই শোভরাজ ছিলেন নিজের মেজাজে। সারা জীবনে ৩৫ বার জেল খেটেছেন চার্লস শোভরাজ এবং নানা উপায় অবলম্বন করে বারংবার জেল থেকে পালাতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁর জীবন যে কোনও কাহিনীকেই হার মানায়। ১৯৬৩ থেকে ১৯৭৭-এর মধ্যে ১২ থেকে ২৪টি (মতান্তরে ৩০টি) খুন করেন তিনি। এর মধ্যে বেশিরভাগই নারী। বিকিনি পরা, স্নানরতা নারীরা ছিল তাঁর প্রধান শিকার। শোভরাজের চেহারার মধ্যে ছিল আশ্চর্য এক ব্যক্তিত্ব এবং তীব্র আকর্ষণ ক্ষমতা। তাঁর আশ্চর্য সুন্দর ব্যবহারে মেয়েরা সহজেই আকৃষ্ট হয়ে পড়তেন। প্রেমের অভিনয় করে এদের ওষুধ দিয়ে বেঁহুশ করে তারপর সব লুঠ করে নিয়ে সমুদ্রের ধারে বা সুইমিং পুলে নিয়ে গিয়ে ডুবিয়ে দিতেন শোভরাজ। আপাতদৃষ্টিতে মনে হতো, জলে ডুবে স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। স্বল্প পোশাকর তরুণীদের হত্যা করার জন্য তাঁকে 'বিকিনি কিলার' আখ্যা দেওয়া হয়।

১৯৯৭ সালে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে শোভরাজ ফ্রান্সে যান। ভালোই দিন কাটছিল, কিন্তু হঠাৎ নেপালে তিনি কেন আসেন কেউ জানে না। নেপাল সরকার তাঁকে গ্রেফতার করল ১৯৭৫ সালের একটি অপরাধের কারণে। এখানে তিনি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ পান এবং আজও বন্দি জীবন কাটাচ্ছেন। এখন তাঁর বয়স আটাত্তর বছর। রঙিন এই অপরাধীজীবন নিয়ে তৈরি হয়েছে বেশ কিছু সিনেমা-সিরিজ, যার মধ্যে সাম্প্রতিক নেটফ্লিক্সের 'দ্য সার্পেন্ট'।

লিখেছেন
Rupa Mitra
Rupa Mitra
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

২০২৫ যে শব্দগুলির সঙ্গে পরিচয় করাল

Word of the year: গুগল ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয়রা ২০২৫ সালে যেসব শব্দের অর্থ সবচেয়ে বেশি খুঁজেছে, তা তাদের মানসিক অবস্থার প্রতিফলন। যেমন—সিজফায়ার অর্থাৎ যুদ্ধবিরতি, মক ড্রিল অর্থাৎ নিরাপত্তার জন্য মহড়া।

জ্যোতির্ময় দত্ত: লেখালেখির বাইরে এক খ্যাপাটে মানবতাবাদী

Jyotirmoy Dutta: বামপন্থার সমালোচক ছিলেন জ্যোতির্ময় দত্ত। তাঁর আদর্শ ছিল রবীন্দ্রনাথ ও মহাত্মা গান্ধীর মানবতা।

ঘৃণার রাজনীতি: এখন লক্ষ্য খ্রিস্টান?

Anti-Christian violence India: মিচেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশে খ্রিস্টান নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৮৩৪টি (গড়ে মাসে ৭০ টি)। ২০২৫ সালে নভেম্বর মাস পর্যন্ত নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৭০৬ টি।

এক বাঙালির জেদে জুড়ল দুই বাংলা: টেলিগ্রাফ ম্যান শিবচন্দ্র নন্দী

Seebchunder Nandy: ১৮৫১ সালে কলকাতা-ডায়মন্ড হারবার লাইনের প্রথম সংকেত প্রেরণের সময় শিব চন্দ্র নন্দী ডায়মন্ড হারবার থেকে বার্তা পাঠান, অন্য প্রান্তে ও'শাগনেসির সঙ্গে ছিলেন লর্ড ডালহৌসি।

অন্যের দুঃখে কেন আমাদের মিষ্টি হাসি? শ্যাডনফ্রয়ডার মনস্তত্ত্ব

Schadenfreude: বর্তমান যুগে এই অনুভূতি আগুনের মতো ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে। আমরা এখন যাকে 'ট্রোলিং' বলি, তার মূলে রয়েছে এই শ্যাডনফ্রয়ডা।

দেশে দেশে নানাবেশে আছেন সে এক সান্তা ক্লজ

Santa Claus Across Cultures: ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত রঙিন চিত্র সংকলনে জর্জ ওয়েবস্টার লিখেছিলেন, সান্তা ক্লজের বাড়ি "নর্থ পোলের নিকটে"।

বিপন্ন ভারতের প্রাচীন পর্বতমালা‍! যেভাবে ধ্বংসের মুখে আরাবল্লী

Aravalli Hills Under Threat: পরিবেশবিদদের মতে, আরাবল্লী কেটে ফেললে দিল্লির দূষণ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নেবে।

শৈশবের ‘রিওয়্যারিং’: স্ক্রিনের নীল আলো গিলে খাচ্ছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে?

Screen Addiction Destroying the Mental Health: বাস্তব জগত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ডিজিটাল জগতে ডুবে থাকায় শিশুদের মানসিক কাঠামোর এক আমূল পরিবর্তন ঘটে যাচ্ছে।