হিন্দিও এক 'বাংলাদেশি' ভাষা

Bangladeshi: আসলে খাদ্য, বস্ত্র, অর্থনীতি, লোকাচার, সংস্কৃতি, স্থাননাম ভারতীয় জনজীবনের সর্বত্র আরবি ফারসির সহজাত ভাবেই ঢুকেছে। বাংলা হোক বা হিন্দি, ভাষাকাঠামোকে সমৃ্দ্ধ করেছে।

Arka Deb
৪ মিনিট
হিন্দিও এক 'বাংলাদেশি' ভাষা

নুন খাই তাই গুণ গাই। কাজেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বাধীন দিল্লি পুলিশ যখন বাংলাদেশি ভাষা নামক জুজু আমদানি করছে, বাংলাভাষী নিম্নবিত্ত মুসলিম মজুরদের যখন দেশের বিভিন্ন জায়গায় ঘাড়ধাক্কা দেওয়া হচ্ছে, বিজেপি নেতাদের মুখে কুলুপ, অথবা তাঁরা চেষ্টা করছেন যুক্তি সাজাতে। কিন্তু এই সমস্তই হচ্ছে, মিডিয়াবান্ধব পরিবেশে, সান্ধ্য হইহল্লার মধ্যে। যে মানুষ এই আলোকবৃত্ত থেকে দূরে, সে কী জানবে? যে 'তথ্য' আগে আসে চা দোকানে তা-ই হয়ে যাবে পরম সত্য? আমাদের পাঠ্যপুস্তকে কি ভাষার বহতা সম্পর্কে জানার বোঝার কোনো পথ খোলা রয়েছে?

থাকলে নিশ্চয়ই জানা যেত, বাংলা বলে কোনো ভাষা নেই এমনটা যিনি বলছেন, তাকে সপাট সমুচিত বক্তব্যে জানান দেওয়া যেত আসলে হিন্দি বলেই কোনো ভাষা নেই। এই ভাষা কাঠামো তৈরি হয়েছে ঋণশব্দে ভর করে। হিন্দি শব্দকোষের ২৫ ভাগই হল আরবি। সাধারণ ভাবেই রোজের কথাবার্তায় ব্যবহৃত হয় এইসব আরবি শব্দ। ওয়াক্ত, কলম, করিব, আমির, গরিব, দুনিয়া, কিল্লা, আখবারা, কুর্সি, শরবত, জরুরি, কবুল, খাস, তকলিফ, দিমাক, আদাব, ইন্তেজার, মসুর, ইজাজতস, আশিক, মজদুর, ইশক, মুরাব্বা, খাস, সুলতানাত, ইন্তেজার, সহি, গলত, কবুল এমন কত উদাহরণ রয়েছে। হিন্দিতে বহু প্রশাসনিক শব্দ এসেছে আরবি থেকে। যেমন জিল্লা, তহশিল, পরগণা। আদালত চত্বরে, নথিতে বহু শব্দ যা আজও ব্যবহৃত হয়, তা আসলে আরবি থেকেই নেওয়া, যেমন ধরা যাক, ওকালত, ফরিয়াদ, মহাসির, হারজি।

ভূগোল বইয়ে পড়েছি ভারতের কৃষিপণ্যকে যে ফলনের সময় অনুযায়ী দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা খারিফ ও রবি শষ্য। এই শব্দদুটিও আরবি থেকেই নেওয়া।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বেছে বেছে বাঙালিকেই ঘাড়ধাক্কা! বিধানসভা ভোটে 'কি ফ্যক্টর' বাংলাদেশি জুজু?

Migrant Workers: বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। সুতরাং ২৬-এর নির্বাচনে 'বাংলাদেশি হটাও'রাজনৈতিক ইস্যু হতে চলেছে বলে মত ওয়াকিবহল মহলের।

শুধু আরবিই নয়, ফারসির থেকেও সমানভাবে ঋণী হিন্দি ভাষা। হামেশা, হরদম, সফেদ, দূর, পাস, শায়দ, খারাব, রদ্দি, খুশ, হুশয়ার, জাওয়ান, তন্দরুস্ত, গরম, বিমার, আসান, গন্দা, ইমান্দার এমন চালু শব্দগুলি কি অমিত মালব্যরা ব্যবহার করেন। করলে তাঁর লজ্জিত হওয়া উচিত। কারণ তাঁর মাতৃভাষা কোনো কৌমার্য্য নেই, এসব শব্দই সে গ্রহণ করেছে পারসি থেকে। এই যে বলছি লজ্জা, চালু হিন্দি লব্জে শরমিন্দা, এও একটি পারসি শব্দ।

ভারতবর্ষের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর জহরলাল নেহরু। 'জহর' শব্দটিই একটি আরবি শব্দ। সৌদি আরবের রাজা ফাদের স্ত্রী ছিলেন জওহিরা। জওহরলাল ১৯৬২ সালে চিন যুদ্ধের পর কেঁদে ফেলেছিলেন 'এ মেরি ওয়াতন কি লোগো' শব্দটি শুনে। সেই 'ওয়াতন' শব্দটিই আরবি। আরবি-ফারসি শব্দ শুধু উত্তর ভারতের লব্জেই মিশে যায়নি, নিশ্চুপে চলে গিয়েছে দক্ষিণেও। কেউ কেউ বলেন, কেরলা রাজ্যটিকে আরবি শব্দবিদরা খইর আল্লা— এভাবে ভাঙেন। এর অর্থ ইশ্বরের নিজস্ব তালুক।

'সিঙারা'কে হিন্দিতে বলে সামোসা। এই শব্দটিও ফারসি। আমিক খসরু. ইবন বতুতার লেখায় এই খাবারটির কথা আছে। আছে জিলিপির কথাও। নান, বিরিয়ানি, কাবাব, কোর্মা, নামে এবং স্বাদে কোনোটাই বিশুদ্ধ হিন্দুস্তানি নয়। আশা রাখা যায়, অমিত মালব্যরা এগুলি চেখে দেখেন না।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বাঙালির রক্তে স্বাধীন হওয়া ভারতে, আমরাই গণহত্যার দ্বারপ্রান্তে

West Bengal : ১৯৭১-এর পরে সারা বিশ্বে মুসলমান বাঙালির উপর ঘটা সবচেয়ে বড় গণহত্যাও ঘটেছে এই ভারতবর্ষে। এবং সেটা কিন্তু হিন্দু বাঙালির দ্বারা নয়, সেটাও ঘটেছে অন্য জাতির দ্বারা। 

শুধু হিন্দিই নয়, ভারতের বহু আঞ্চলিক ভাষাতেও আরবি ফারসির প্রবল প্রভাব লক্ষ্যণীয়। নরেন্দ্র মোদির মাতৃভাষা গুজরাটিও বিশুদ্ধ শাকাহারি দেশি নয়। মূলত তিন ধরনের গুজরাটির ব্যবহার ছিল স্বাধীনতা পূর্ববর্তী গুজরাটে। হিন্দি গুজরাটি, পারসি গুজরাটি, এবং মহামেডান গুজরাটি। হিন্দি গুজরাটি ব্যবহারকারী ব্রাক্ষ্মণ ও শ্রেষ্ঠীরা নিজের মুখের ভাষাকে সামনে রেখে বাকি দুই ধরনকে ক্রমাগত চেপে দেওয়ার কাজটা সফল ভাবে করেছেন। হরফের ক্ষেত্রে গুজরাটে মূলত দেবনাগরীই ব্যবহৃত হয়। যদিও বেশ কিছু মুসলিম পরিবার এখনও আরবি হরফও ব্যবহার করেন। 'Lisan ud-Dawat' শব্দটির অর্থ জমায়েতের ভাষা। এখনও দাউদি বোহরা ও আলভি বোহরা গোষ্ঠীর মানুষ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক জমায়েতে যে ধরনের শব্দ সেতু হিসেবে ব্যবহার করে তার বেশিটাই আরবি ফারসি ঘেঁষা। এখান থেকেই বোঝা যায়, গুজরাটি যে পুরোটাই সংস্কৃত নির্ভর এই মিথটি ভ্রান্ত।

উত্তর ভারতে ৫০০ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ প্রাকৃত ভেঙে অপভ্রংশ ভাষা তৈরি হয়। ১১০০ খ্রিস্টাব্দের আগে-পরে ভারতে সুলতানি শাসনের ক্রমপ্রসারণের ফলে ফারসি ও আরবি মিশতে থাকে স্থানীয় অপভ্রংশের সঙ্গে। এই শব্দের মিশ্রণ আরও বাড়ে মুঘল আমলে। যেহেতু আকবর থেকে ঔরঙ্গজেব দক্ষিণ ভারতেও সাম্রাজ্যকে নিয়ে গিয়েছিলেন তাই দাক্ষিণাত্যেও এই ভাষার অলংকার ছড়িয়ে থাকবে। প্রসঙ্গত, ১৮০০ শতকে মুঘল সাম্রাজ্যের পতন সূচিত হলে অপভ্রংশের উত্তরসূরী হিসেবে তৈরি হতে থাকে খড়িবোলি। পূর্ব ভারতের তথাকথিত হিন্দু উচ্চশ্রেণি এই খড়িবোলি ব্যবহার করত। এরই সমান্তরালে আবার গড়ে ওঠে উর্দু। খড়িবোলির প্রমিত, সংকর রূপ হিন্দি (সংস্কৃত, আরবি, ফারসির সংমিশ্রণ)।

গবেষকদের মতে, বাংলা ভাষায় প্রায় সোয়া লাখ শব্দ আছে। এর মধ্যে ১০ হাজার আরবি-ফারসি, এক হাজার ইংরেজি ও ৪০০ তুর্কি শব্দ আছে। কারো কারো মতে, বাংলার ৩০ শতাংশ শব্দ হচ্ছে আরবি। মোটামুটি ভাবে বাংলায় আসা আরবি ফারসি শব্দকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়, যেমন- প্রশাসনিক ও আইন, ধর্ম সম্পর্কীয় শব্দ, শিক্ষা-সংক্রান্ত, সংস্কৃতি ও বিবিধবিষয়ক। বাংলা ভাষায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত আরবি ফারসি (উর্দু শব্দের অভিধানটি সংকলন ও সম্পাদনা করেছেন ড. মোহাম্মদ হারুন রশিদ, বাংলা একাডেমি ঢাকা)।

আসলে খাদ্য, বস্ত্র, অর্থনীতি, লোকাচার, সংস্কৃতি, স্থাননাম ভারতীয় জনজীবনের সর্বত্র আরবি ফারসির সহজাত ভাবেই ঢুকেছে। বাংলা হোক বা হিন্দি, ভাষাকাঠামোকে সমৃ্দ্ধ করেছে। হিন্দুস্তানের তোতা বলা হতো আমির খসরুকে। তাঁর লেখার ছত্রে ছত্রে পারসি আর আদি হিন্দি মিলেমিশে একাকার। আসলে ভাষার শতফুল এভাবেই বিকশিত হয়। ভাষা নামক নদী এভাবেই উৎস থেকে অজস্র ছোট বড় প্রবাহকে ধারণ করে নিজেকে মেলে ধরে। মির্জা গালিব, কাজী নজরুলের শব্দ-বাক্য ব্যবহার সেই সমৃদ্ধির চূড়ান্ত প্রদর্শন।

এসব কথা অমিত মালব্যরা মানবেন না। কারণ যুক্তি আর হোয়াটস-অ্যাপ ইউনিভার্সিটির দূরত্ব বিস্তর। কিন্তু আপনি-আমি? এক ভাষা-ছাদে দাঁড়ানো মানুষের দিকে হাত বাড়ানোর দায়িত্ব কার?

লিখেছেন
Arka Deb
Arka Deb
7 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘মহাকাব্য যদি কোথাও জন্মে থাকে, তবে তা ফুটপাতে’—কৃষ্ণপ্রিয় দাশগুপ্তের সঙ্গে 'আড্ডা'য় অত্রি ভট্টাচার্য

The Other Kolkata of krishnapriya Dasgupta: কলকাতার সেই অচেনা ফুটপাতের মানুষরা কীভাবে বেঁচে থাকেন? সাংবাদিকতার দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় আজকালের প্রাক্তন সাংবাদিক কৃষ্ণপ্রিয় দাশগুপ্ত কী দেখেছেন? আর আজকের সংবাদমাধ্যম কেন বদলে গেল তাঁদের দেখার চোখে? তাঁর স্মৃতি, সাংবাদিকতা ও আজকের বদলে যাওয়া শহর নিয়েই তাঁর সঙ্গে আলাপচারিতায় অত্রি ভট্টাচার্য।

১৯৭১ থেকে ২০১১: কলকাতার ফুটপাথে থাকা মানুষদের রোজনামচা কেমন ছিল?

Kolkata pavement dwellers survey: ১৯৭১ থেকে ২০১১—এই চার দশকে কলকাতার ফুটপাথবাসীর সংখ্যা ৫০ হাজার থেকে বেড়ে প্রায় ৭০ হাজারে পৌঁছেছে। ফুটপাথবাসীদের নির্দিষ্ট কোনো ঠিকানা নেই। কেউ থাকেন উড়ালপুলের নীচে, কেউ রেললাইনের পাশে, আবার কেউ পরিত্যক্ত পাইপের ভিতরে। শহরের অসংগঠিত অর্থনীতিতে ফুটপাথবাসীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাঁদের জীবনযাপন, কাজ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের পরিস্থিতি নিয়ে অতীতে বেশ কিছু গবেষণা ও সমীক্ষাও হয়েছে।

শুধু আমেরিকা বা আফ্রিকাতেই নয়, বাংলাতেও ছিল দাসপ্রথা

International Day for the Remembrance of the Slave Trade and its Abolition: ২৩ আগস্ট আন্তর্জাতিক দাসব্যবসা স্মরণ দিবস। হাইতির দাসবিদ্রোহের পাশাপাশি স্মরণ করতে হবে, বাংলার মাটি থেকে লক্ষাধিক মানুষকে বলপূর্বক নির্বাসিত করার ইতিহাস। চট্টগ্রাম, হুগলি, সুন্দরবন হয়ে আরব, আফ্রিকা, মরিশাসে পৌঁছেছেন বাংলার দাসেরা। শুধু ইতিহাসে নয়, আজও বাঙালির আন্তর্জাতিকতা চর্চায় দাসেদের উল্লেখ প্রাসঙ্গিক।

ঘাড়ধাক্কা খেয়ে ওপারে, বাংলাদেশে যেভাবে বেঁচে আছেন সাইদা ফকির

Saida Fakir Deportation: বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার অভিযোগের পর কী ভাবে দিন কাটছে সাইদা ফকিরের? বাংলাদেশের কোথায় আছেন? কারা আশ্রয় দিল তাঁকে?

সোনালি সুইটির পর এবার সাইদা, 'ঘাড়ধাক্কা'র তালিকায় নতুন নাম যে প্রশ্ন তুলছে

Saida Fakir Case: সাইদা ফকিরকে বাংলাদেশি সন্দেহে সীমান্ত পার করে দেওয়ার অভিযোগ নতুন করে নাগরিকত্ব যাচাই ও আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। সোনালি খাতুন ও সুইটি বিবির ঘটনারই যেন পুনরাবৃত্তি। কাউকে দেশছাড়া করার আগে যথাযথ তদন্ত ও সাংবিধানিক সুরক্ষা কতটা নিশ্চিত হচ্ছে, সেই বিতর্ক ফের উঠে এসেছে।

ফিরে দেখা: সোনালি-সুইটিদের নরক যাত্রা

Sonali Khatun, Sweety Bibi: দু'দশক দিল্লিতে থাকার পরও কেন সোনালি খাতুন ও সুইটি বিবিদের ‘বাংলাদেশি’ সন্দেহে সীমান্ত পেরিয়ে পাঠানো হলো? নাগরিকত্বের নথি থাকা সত্ত্বেও কেন জেল, পুশব্যাক ও অপমানের শিকার হতে হলো তাঁদের? সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ কি প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও মানবাধিকার প্রশ্নকে আরও সামনে এনে দিল?

উচ্চমাধ্যমিকে রাজ্যে নবম, তবু ফল প্রকাশের দিন হোটেলে কাজে ব্যস্ত সাগর

Sagar Mondal: উচ্চমাধ্যমিকে রাজ্যে নবম। মোট ৪৮৮ নম্বর। কিন্তু ফল প্রকাশের দিন বাড়িতে নয়, গুজরাটের আমেদাবাদের একটি হোটেলে কাজে ব্যস্ত ছিল পূর্ব বর্ধমানের সাগর মণ্ডল। পরিযায়ী শ্রমিকের ছেলে সাগরের স্বপ্ন আইএএস হওয়ার।