চেন আর বল বেয়ারিং-এ দুফোঁটা মোবিল! সস্তায় ভরসা দেয় ‘সাইকেল’, জানেন এর বাংলা কী?
Bengali terms of cycle : চলতে ফিরতে সাইকেল চাপা বাঙালি কি জানেন এর বাংলা আসলে কী?

বাংলা টাংলা এখন অনেকেরই ঠিক আসে না, তাই চলতে ফিরতে ইংরেজি বলাই দস্তুর। অভিভাবকরাও সাহস করে সন্তানদের বাংলা মাধ্যমে ভর্তি করান না আর। তবুও বাংলা আছে। অজস্র ইংরেজির ভিড়েই বাংলা আছে। বছরের ওই একটা দিন, ২১ ফেব্রুয়ারি তাকে তাক থেকে নামিয়ে ফুল চন্দন দেওয়া হয়। কিন্তু চলতে ফিরতে এমন কিছু ইংরেজী শব্দ আমরা প্রায়শই বলি, যা অচিরেই যেন বাংলা অভিধানে জায়গা করে নিয়েছে। খুব কষ্ট করে মনে করার চেষ্টা করলেও তাদের বাংলা প্রতিশব্দগুলো মনে আসে না আর। অথবা বলার সময় ঠিক খেয়াল থাকে না!
এরকমই একটি শব্দ হল সাইকেল। অনেকেই হয়তো ভাববেন এটা তো বাংলা শব্দই, কিন্তু জেনে রাখা দরকার সাইকেল মোটেই বাংলা শব্দ নয়, তবে বাংলা কথ্য ভাষা তো বটেই এমনকী সাহিত্যের পাতাতেও দেদার ব্যবহৃত হয় এই শব্দটাই। কিন্তু জানেন কি এই বহুল প্রচলিত শব্দটির বাংলা প্রতিশব্দ আসলে কী? কীভাবেই বা বাঙালির মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়লো এই শব্দটি?
- আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
History of Football Bicycle Kick : চিলের তালকাহুয়ানো বন্দরের মাঠে রামোন উনসাগা বল নিয়ে এই কসরতের আবিষ্কর্তা।
অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন যে, আধুনিক সভ্যতার শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার বাইসাইকেল। তাতে না লাগে তেল, আর না লাগে কয়লা, মানুষের পায়েই চলে যান, অথচ গতি বেড়ে যায় প্রায় কয়েক গুণ। আর এর সবচেয়ে দিক হল, এটি সমাজের সব শ্রেণির মানুষের হাতের নাগালের মধ্যে। আজকের যুগে আমরা সাইকেল ছাড়া জীবন ভাবতেই পারি না। ছোট বেলায় কমবেশি প্রতিটি শিশুকে সাইকেল চালানো শেখান অভিভাবকরা। অথচ বাংলা অভিধানে সাইকেল কি সত্যিই জায়গা পেয়েছে এতো কিছুর পরও? সাইকেলের বাংলা নাম জিজ্ঞেস করলেই তো হোঁচট খাবে অনেকেই।
চেন আর বল বেয়ারিং এ দুফোঁটা মোবিল দেওয়া ছাড়া আর কোনও খরচা নেই। আর যদি পাংচার হয়, তবে টায়ার টিউব সারাতে যতটুকু লাগে। ব্যাস! ১৮১৭ সালে জার্মানির ম্যানহেইম শহরে কার্ল ভন ড্যারন প্রথম সাইকেল আবিষ্কার করেন। এরপর ১৮৮০ সালে সর্বপ্রথম একে দুই চাকার সাইকেল রাস্তায় চলে, এবং এর সঙ্গে চেন ও টায়ার সংযুক্ত করা হয়। নানান পরীক্ষা-নীরিক্ষা করার পর সাইকেল আজকের চেহারায় এসেছে। একেবারেই পরিবেশ দূষণ মুক্ত যান এটি। বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই ব্যবহৃত হয় সাইকেল। স্ত্রী, পুরুষ অথবা শিশুদের জন্য এই সাইকেলের ভিন্ন ভিন্ন ধরন বাজারে মেলে। বর্তমানে আধুনিকীকরণের হাত ধরে বাজারে এসেছে জনপ্রিয় ইলেকট্রিক সাইকেল। এছাড়াও রেসিং সাইকেল, পাহাড়ে ওঠার মত আলাদা ধরনের সাইকেল পাওয়া যায়। সাইকেল রেস রীতিমতো একটা স্পোর্টস হিসেবে গন্য হয়। এই সাইকেলের বাংলা নাম হল ‘দ্বিচক্রযান’।
















