আতঙ্ক বিশ্বজুড়ে! ভয়াবহ পরমাণু যুদ্ধর সম্ভাবনা কতটা জোরালো হচ্ছে?

Nuclear war: নিজের ক্ষমতা ধরে রাখতে এই মুহূর্তে পুতিন পরমাণু যুদ্ধর হুমকি দিচ্ছেন।

Satyaki Tat
৬ মিনিট
আতঙ্ক বিশ্বজুড়ে! ভয়াবহ পরমাণু যুদ্ধর সম্ভাবনা কতটা জোরালো হচ্ছে?

If the radiance of a thousand suns were to burst at once into the sky, that would be like the splendour of the mighty one. Now I am become death, the destroyer of Worlds.

১৬ জুলাই, ১৯৪৫। নিউ মেক্সিকোর মরুভূমিতে প্রথমবার পারমাণবিক বোমা পরীক্ষার পর এই কথাগুলো বলেছিলেন রবার্ট ওপেনহাইমার। পরমাণু বোমার জনক, ম্যানহাটান প্রকল্পের প্রধান। তার ঠিক কয়েক সপ্তাহ পরেই জাপানের হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে তিন দিনের ব্যবধানে আছড়ে পড়ে লিটল বয় এবং ফ্যাট ম্যান। প্রায় দুই লক্ষ মানুষ বিস্ফোরণের অভিঘাতে প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই প্রাণ হারান, আহত হন অগণিত। প্রজন্মের পর প্রজন্ম তেজষ্ক্রিয়তার কারণে পঙ্গুত্বের শিকার হয়। মানবতার ইতিহাসে প্রথম এবং একমাত্র দেশ হিসেবে নাম লেখায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তার পর মাত্র একবারই পৃথিবী পরমাণু যুদ্ধর খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। ঠান্ডা যুদ্ধ এবং কিউবার মিসাইল সংকট পৃথিবীকে ঠেলে দিয়েছিল এক ভয়াবহ সংকটের দিকে। দুই রাষ্ট্রনেতা যদি সেদিন সংযত না হতেন, তাহলে আজ কোথায় দাঁড়াত পৃথিবী, কেউ জানে না। আজ, কিউবা সংকটের ছয় দশক পর পৃথিবী আবার পরমাণু যুদ্ধর মুখোমুখি। ভ্লাদিমির পুতিনের পরমাণু বোমা ব্যবহার করার হুমকি আবারও প্রশ্নের মুখে ফেলছে এই গ্রহে প্রাণের অস্তিত্বকে। রুশ রাষ্ট্রপতি এমন এক পথ বেছে নিতে চাইছেন, যে পথ অন্ধকারের। সেই যুদ্ধে কোনও পক্ষেরই জয় সম্ভব নয়। কিন্তু কেন তিনি এই সুরে কথা বলছেন? রাশিয়ার ইউক্রেন অভিযান ঠিক কোন পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে? সেই বিষয়ে আলোচনার আগে একটু ইতিহাসের পাতা উল্টে নেওয়ার প্রয়োজন। পৃথিবীর ইতিহাসে যে একক পরমাণু বোমা নিক্ষেপের উদাহরণ রয়েছে তার কারণ খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। ঠিক কোন পরিস্থিতিতে এমন কাজ করেছিল তারা? লক্ষ লক্ষ নিরপরাধ মানুষের প্রাণ ওইভাবে কেড়ে নিতে একবারও হাত কাঁপেনি রাষ্ট্রপতি হ্যারি ট্রুম্যানের?

তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধর প্রায় শেষ পর্যায়। ইতালির পরাজয় হয়েছে। তাদের নেতা বেনিতো মুসোলিনি জনতার দরবারে শাস্তি পেয়ে গিয়েছেন। পরাজিত হয়েছে জার্মানিও। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু করার জন্য অন্যতম দায়ী, নাৎসি জার্মানির প্রধান অ্যাডলফ হিটলার তাঁর বাঙ্কারে আত্মঘাতী হয়েছেন। লড়াইয়ের ময়দানে টিকে রয়েছে শুধুমাত্র জাপান। অক্ষশক্তির একমাত্র প্রতিনিধি। তারা আত্মসমর্পণ করলেই শেষ হবে যুদ্ধ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রথমে ভেবেছিল, খুব সহজেই তারা এই কাজ সেরে ফেলবে। কিন্তু দ্রুত তাদের এই ধারণা ভেঙে যায়। জাপানিরা নিজেদের প্রাণ খুব সহজেই দিয়ে দিচ্ছিল, কিন্তু পরাজয় শিকার করতে তারা রাজি ছিল না। আমেরিকা সেই সময়ে দেখে, সামরিক যুদ্ধে জাপানকে পরাজিত করে তাদের দিয়ে আত্মসমর্পণ করাতে বহু সংখ্যায় তাদের সৈন্যের প্রাণহানি হবে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হবে চূড়ান্ত। একই সঙ্গে ম্যানহাটান প্রকল্পের কাজও প্রায় শেষ হয়ে এসেছিল। আমেরিকা চেয়েছিল এক ঢিলে দুই পাখি মারতে। প্রথমত, তারা বহু কোটি টাকা ব্যয় করে বানানো এই বোমাকে পরীক্ষা করতে চেয়েছিল, দ্বিতীয়ত, মাত্র একটি বোমার ব্যবহারে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ করে বার্তা দিতে চেয়েছিল গোটা বিশ্বকে। বিশ্ববরেণ‍্য বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের সতর্কবার্তার পত্র খুলেও দেখেননি মার্কিন রাষ্ট্রপতি। কত নিরপরাধ মানুষের প্রাণ চলে যাবে, কত প্রজন্ম শেষ হয়ে যাবে, তা নিয়ে ভাবার পরিসর ছিল না ক্ষমতার দম্ভে মগ্ন হ্যারি ট্রুম্যানের। তিনি ব্যাগ্র ছিলেন লিটল বয় এবং ফ্যাট ম্যান ব্যবহারের ফলাফল দেখার জন্যে। সেই সঙ্গে গোটা বিশ্বকে দেখানো, যে পৃথিবীর অবিসংবাদী, সবথেকে শক্তিশালী দেশ হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ৬ এবং ৯ অগাস্ট পাল্টে যায় পৃথিবীর ভবিষ্যৎ। চিরকালের জন্য।

মজার বিষয় হলো, বেশিদিন এই প্রযুক্তি নিজেদের কুক্ষিগত করে রাখতে পারেনি আমেরিকা। পরমাণু বোমা নির্মাণের বিজ্ঞান হাতে চলে আসে সোভিয়েত ইউনিয়নের। হিটলার যা পারেননি, তা অনায়াসে করে ফেলেন সোভিয়েত ইউনিয়নের গুপ্তচররা। পাল্টে যায় ক্ষমতার সমীকরণ। নতুন মোড় নেয় ঠান্ডা যুদ্ধ এবং বিশ্বরাজনীতি।

সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর মনে করা হয়েছিল, পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কা আপাতত নেই। পরমাণু অস্ত্রের সম্প্রসারণ রোধ করার জন্য ঠান্ডা যুদ্ধর সময় থেকেই বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১৯৭০ সালের Nuclear Non-Proliferation Treaty, ১৯৭২ সালের Strategic Arms Limitation Treaty এবং ১৯৯১ সালের Strategic Arms Reduction Treaty। বলাই বাহুল্য, তাতে না পরমাণু অস্ত্রের প্রসার রোধ করা গিয়েছে, না এসেছে বিশ্বশান্তি, না গেছে পৃথিবীর বুক থেকে পরমাণবিক শৈত্যের আশঙ্কা। এত কিছুর পরেও আজ পৃথিবীর নয়টি দেশ পরমাণু অস্ত্রের অধিকারী। মোট ওয়ারহেড বা অস্ত্রের সংখ্যা প্রায় ১৪,০০০। এর মধ্যে সবথেকে বেশি অস্ত্র রয়েছে রাশিয়ার কাছে। সবথেকে শক্তিশালী বোমাও রয়েছে রাশিয়ার অস্ত্রাগারে। বোমার নাম জার বোম্বা, সমস্ত বোমার রাজা। তার ধ্বংস করার ক্ষমতার কাছে লিটল বয় এবং ফ্যাট ম্যান নিতান্তই শিশু। ওই বোমা যেখানে আঘাত করবে, তার ৫০০ বর্গকিলোমিটার জায়গা মুহূর্তের মধ্যে ধুলোয় মিশে যাবে। চোখের পলকে ধ্বংস হয়ে যাবে একটি গোটা শহর। প্রভাব পড়বে হাজার কিলোমিটার জায়গাজুড়ে। খুব বেশি পিছিয়ে নেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও। তাদের অস্ত্রাগারও এতটাই বিধ্বংসী যে, তারা দায়িত্ব নিয়ে পৃথিবীর বুক থেকে সমস্তরকম প্রাণকে বিলুপ্ত করে দিতে পারে। শুধুমাত্র রাশিয়া এবং আমেরিকার কাছে যত পরমাণু বোমা রয়েছে, তারা যদি চায়, পৃথিবীর সমস্ত বৃহৎ শহরে তারা দশটি করে বোমা নিক্ষেপ করতে পারবে। সেই বোমা পৌঁছে দেবে তাদের অত্যাধুনিক বিমান, আন্তর্মহাদেশীয় মিসাইল, ডুবোজাহাজ।

সবথেকে মজার বিষয় হলো, অনেকে ভেবেছিলেন যে, পরমাণু বোমা বিশ্বশান্তি আনবে। যদি দু'-তরফের কাছেই পরমাণু বোমার মালিকানা থাকে, তাহলে কেউই একই ওপরকে আক্রমণ করার সাহস পাবে না। কথাটা একেবারে মিথ্যে নয়। কিন্তু যুদ্ধ একেবারে আটকানো গেছে কি? শুধুমাত্র ওই বোমার ব্যবহার হয়নি। কিন্তু নয়টি পরমাণু শক্তিধর দেশের (আমেরিকা, রাশিয়া, চিন, ব্রিটেন, ফ্রান্স, ভারত, পাকিস্তান, ইজরায়েল এবং উত্তর কোরিয়া) মধ্যে শুধুমাত্র ব্রিটেন এবং ফ্রান্স এই মুহূর্তে কোনও দেশের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে নেই। তাও তারা ন্যাটোর অংশ এবং সামান্য পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটলেই তারাও সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে। উত্তর কোরিয়া কিছুদিন আগেও নিজেদের শক্তি পরীক্ষা করেছে। চিন তাইওয়ান দখল করতে বদ্ধপরিকর এবং আমেরিকা জানিয়ে দিয়েছে যে, কোনও ভাবে চিন তাইওয়ান আক্রমণ করলে তারা যুদ্ধ ঘোষণা করবে চিনের বিরুদ্ধে। ইজরায়েল এবং প্যালেস্তাইনের যুদ্ধ শেষ হয়নি, এবং গোটা মধ্যপ্রাচ্য ইজরায়েলের বিরুদ্ধে। যে-কোনও দিন গোটা অঞ্চলে আবার যুদ্ধ লেগে যেতে পারে। পড়ে রইল ভারত এবং পাকিস্তান। এই বিষয় নতুন করে কিছু লেখার নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে যদি পুরোদস্তুর পরমাণু যুদ্ধ শুরু হয়, তাহলে শুধু দুই দেশের মানুষ নয়, মৃত্যু হবে গোটা পৃথিবীর প্রায় দুই বিলিয়ন মানুষের। কীভাবে? প্রথমত এই দুই দেশের জনঘনত্ব খুব বেশি। এই দুই দেশেই অনেক প্রাণহানি হবে। সেই সঙ্গে যে পরিমাণ ধোঁয়ার সৃষ্টি হবে, তা গোটা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়বে। আসবে পারমাণবিক শৈত্য। সূর্যের আলো বহু দিনের জন্য পৃথিবীর অনেক প্রান্তে পৌঁছবে না। খাদ্যের অভাবে মারা যাবেন কোটি কোটি মানুষ। এই ঘটনা ঘটবে আমেরিকা এবং রাশিয়ার কোনও ভূমিকা ছাড়াই। সেক্ষেত্রে এই দুই দেশ পরমাণু যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে কী পরিণতি, তা নিশ্চয়ই আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

এই ঘটনাগুলি যে ঘটবে, তা কি ভ্লাদিমির পুতিন জানেন না? তা সত্ত্বেও তিনি কী কারণে এই হুমকি দিচ্ছেন? আসলে যুদ্ধে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল একেবারেই আসেনি তাঁর জন্য। এত মাস ধরে এত বোমা বর্ষণ, এত সৈন্য পাঠিয়ে, গণধর্ষণ, গণহত্যা চালিয়েও তিনি ইউক্রেনকে বাগে আনতে পারেননি। ইউক্রেন প্রবল বিক্রমে লড়ছে, পুনর্দখল করে নিচ্ছে অনেক অঞ্চল। সম্প্রতি রাশিয়া অধিকৃত অঞ্চল ক্রাইমিয়ার এক ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজও তারা উড়িয়ে দিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে তার। নিজের ক্ষমতা ধরে রাখতে এই মুহূর্তে তিনি পরমাণু যুদ্ধর হুমকি দিচ্ছেন। ব্ল্যাকমেল করছেন যাতে পশ্চিমি দেশগুলি ইউক্রেনকে সাহায্য করা থেকে পিছিয়ে আসে। রাশিয়ার ছয় হাজার পরমাণু বোমাকে তিনি নিজের বিমা হিসেবে ব্যবহার করছেন। কিন্তু এই হুমকিকে হালকাভাবে কেউই নিচ্ছেন না। ইউক্রেন-সহ পশ্চিমি দেশগুলি প্রস্তুতি নিচ্ছে রুশ পরমাণু আক্রমণের। কোনও ভাবে যদি একটি মিসাইল পুতিন নিক্ষেপ করেন, তা সে যতই কম ক্ষমতার হোক, তা এক ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। ন্যাটো সরাসরি জানিয়ে দিয়েছে, তারা রাশিয়াকে তীব্রভাবে আক্রমণ করবে যদি এমন কোনও ঘটনা ঘটে। বলাই বাহুল্য, তাতে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে, যেখানে বিজয়ী হবে মৃত্যু।

I know not with what weapons World War III will be fought, but World War IV will be fought with sticks and stones.

-Albert Einstein

লিখেছেন
Satyaki Tat
Satyaki Tat
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।