বাংলা বই-বাজারে অনেক ম্যাকমিলান ছিলেন একদা

কাজের স্তর-অনুযায়ী একেকজনের জীবন যেমন পালটে যায়, বয়সের ফেরে বইয়ের গন্ধও তেমনই পালটে পালটে যায়। যেমন কাগজের রং হয়ে যায় হলদেটে। কত-যে প্রকাশক!

Ekram Ali
৪ মিনিট
বাংলা বই-বাজারে অনেক ম্যাকমিলান ছিলেন একদা

‘তার কূলজোড়া জল, বুকভরা ঢেউ, প্রাণভরা উচ্ছ্বাস। স্বপ্নের ছন্দে সে বহিয়া যায়। ভোরের হাওয়ায় তার তন্দ্রা ভাঙ্গে, দিনের সূর্য তাকে তাতায়; রাতের চাঁদ ও তারারা তাকে নিয়া ঘুম পাড়াইতে বসে, কিন্তু পারে না।’

তিতাস একটি নদীর নাম। লেখক অদ্বৈত মল্লবর্মণ। বেঁচে থাকতে উপন্যাসটি গ্রন্থাকারে ছাপা হয়নি, যদিও তিনি তৎকালীন বিখ্যাত পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর কয়েক বছর পর বন্ধুদের চেষ্টায় উপন্যাসটি বইয়ের আকার পায়। কিন্তু এ-ব্যাপারে আমি এমনই আনাড়ি-যে বইটির প্রথম সংস্করণের হদিস নানা চেষ্টা করেও পাইনি। তবে, পুথিঘরের প্রথম প্রকাশই যদি প্রথম সংস্করণ হয়, তবে তার তারিখ— আশ্বিন ১৩৬৩। আমরা পেয়েছি পুথিঘর প্রাইভেট লিমিটেড থেকে ছাপা বইটিই। রণেন আয়ন দত্তর অপূর্ব ঢেউ-তোলা প্রচ্ছদ। সাড়ে ছ-টাকা দাম। পুথিঘর তখন ছিল কর্নওয়ালিস স্ট্রিটে। বহু পরে যেদিন পেঙ্গুইন ইন্ডিয়ার পেপারব্যাক সংস্করণটি চোখে পড়ে, নারকেলডাঙার ষষ্ঠীতলানিবাসী অকালপ্রয়াত লেখকটির জন্য আর-একবার গর্ব কি হয়নি? রণেন আয়ন দত্তর সেই একই প্রচ্ছদ ছাপার গুণে সেখানে যেন আরো উজ্জ্বল!

অধ্যাপক সুবোধ চৌধুরী তাঁর বন্ধু অদ্বৈত মল্লবর্মণকে বলেছিলেন, ‘পদ্মা নদীর মাঝি’-র পর কি এ-বই লোকে পড়বে? অদ্বৈতর উত্তর ছিল: ‘সুবোধ, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বড় Artist, Master artist। কিন্তু বাওনের পোলা রোমান্টিক। আর আমি তো ‘জাউয়ার পোলা'।’’

‘পদ্মানদীর মাঝি’? সে-বই প্রথম ছাপা হয় সেকালের সেরা প্রকাশনা সংস্থা গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় অ্যান্ড সন্স থেকে। ১৯৩৬ সালে। এখান থেকেই শরৎচন্দ্রের সমস্ত বই বাঙালি পাঠকের হৃদয় কাঁপিয়েছে। এঁদের লেখক-তালিকায় ছিলেন রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, দিলীপকুমার রায়, শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ। দু-এক হাত ঘুরে ‘পদ্মানদীর মাঝি’ আসে প্রকাশ ভবনে। বলা যায়, এই প্রকাশ ভবনই বিনয় ঘোষের একদা-বিখ্যাত সব বইয়ের প্রকাশক। ওই একই বছরে ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’রও প্রথম প্রকাশ ডি এম লাইব্রেরি থেকে। এ-বইটিও দু-এক হাত ঘুরে আসে বেঙ্গল পাবলিশার্সে। সেই বেঙ্গল পাবলিশার্স, যাদের তিন খণ্ডে প্রকাশিত বই ‘জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ’। সতীনাথ ভাদুড়ীর ‘ঢোঁড়াই চরিত মানস’ও এদেরই বই।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
দূরে থাকা মানে বিচ্ছিন্ন থাকা নয়, শঙ্খ ঘোষের চিঠিতে স্মৃতির ঘর

Sankha Ghosh: 'অনেক সময়ে এমন সব কথাবার্তা উঠে আসে, যার মধ্যে জোর থাকে অনেক কিন্তু বিশ্বাস থাকে কম': শঙ্খ ঘোষ

কী-সব বই! সে-সব বইয়ের প্রকাশনা সংস্থা বাংলাবাজারের একেকটা ম্যাকমিলান যেন। আমাদের ছিল যেমন সুবর্ণরেখা। তখনো আমি সিউড়ির কলেজে। কলকাতা এসেছি দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের উসকানিতে। একদিন মহাত্মা গান্ধি রোড থেকে পিছন দিকে সরু, বাঁকানো সিঁড়ি। উঠে রাস্তার দিকে বুক-চাপা বারান্দা। ডানহাতি ঘুরলে ঘুপচি ঘরে এক ভদ্রলোক। হাতে-কাচা ধুতি-পাঞ্জাবি। প্রথম আলাপে— সে-সব বাহাত্তর-তিয়াত্তর সালের কথা— বীরভূম শুনে, বীরভূমের কোথায়? সিউড়ি-বোলপুর রাস্তায়, পুরন্দরপুর নামে একটা আধা গ্রামে। পুরন্দরপুর? ওখানে দুর্দান্ত মাছভাজা খেয়েছি। বাউলের দোকানে। চেনেন?

ইনি ইন্দ্রনাথ মজুমদার ছাড়া আর কে! ততদিনে এঁরই প্রকাশনীর বই ‘প্রাচীন শিল্প পরিচয়’, ‘ঠগী কাহিনী’, ‘নিম অন্নপূর্ণা’ এবং সবার উপরে ‘অন্তর্জলী যাত্রা’ আমার পড়া। অকালপক্বই ছিলাম বলতে হবে। এই সুবর্ণরেখা থেকে কাছাকাছি সময়েই ছাপা হয় শামশেরদার (আনোয়ার) ‘মা কিংবা প্রেমিকা স্মরণে’। অনেক পরে তাঁরই গদ্যের বই ‘শক্তি ও তাঁর পরবর্তী কবিরা’। সুবর্ণরেখার বই এমনই। ‘ছিল’ বলা যায় না। আছে। এবং থাকবে।

লেটারপ্রেসের অতি নগণ্য সব জিনিসপত্র। পাইকা, স্মল পাইকা, আর ছিল নজর লাগিয়ে দেওয়ার মতো এক টাইপ— বর্জাইস! সেইসব দিয়েই কী-যে অসাধারণ বই নির্মিত হত, এখনো হয়ে রয়েছে, দেখলে আজো চমৎকৃত হতে হয়।

একটু দক্ষিণে গেলে, কলেজ স্কোয়ার পেরিয়ে, সূর্য সেন স্ট্রিট। লাল, পুরনো একটা বাড়ি। ঘরোয়া ঢঙে ধুতি। কখনো লুঙি। গায়ে ফতুয়া। পায়ে অতি সাধারণ চপ্পল— কৃষ্ণগোপাল মল্লিক থেকে কে.জি. হওয়ার দিকে সবে এগোচ্ছেন। স্টেটসম্যানের চাকরি ছেড়ে এমন এক অকুতোভয় মাসিক পত্রিকা চালাচ্ছেন, যার নাম ‘গল্পকবিতা’, যে-পত্রিকাটি একদিন-কী-একদিন অফুরন্ত নীল সাগরে ভেসে যাবেই। অধুনা-নামের দুঃসাহসী এক প্রকাশনার কর্তাও তিনি। তত দিনে বাংলাভাষায় বেশ কয়েকটি পেপারব্যাক সে-প্রকাশনা থেকে বেরিয়ে গেছে, যেগুলোর প্রথমটির লেখক সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়, ‘সমবেত প্রতিদ্বন্দ্বী ও অন্যান্য’ (জুলাই ১৯৬৯), যে-বইটি সম্বন্ধে স্টেটসম্যান লিখেছিল— ‘Now the pocketbook has at last made its debut in Bengal.’ (29.9.69)

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বাড়িতে পোষেন ডাইনোসর! জ্যোতির্ময় দত্তকে নিয়ে এমনই বিশ্বাস অনেকের

Jyotirmoy Dutta: জ্যোতির্ময় দত্তকে নিয়ে গল্পের শেষ নেই। তাঁর সঙ্গে আলাপ একটু দেরিতে। '৮৮/'৮৯ সালে। ততদিনে তিনি কিংবদন্তি।

বাংলা বইয়ের সেরকম প্রচ্ছদ তার আগে কখনো দেখা যায়নি। পরে? নিশ্চিত হয়ে বলতে পারব না। আমাদের বন্ধু দেবু, দেবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, তখন ‘গল্পকবিতা’য়— বলেছিলেন, আঁকা প্রচ্ছদটি কেষ্টগোপাল ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেখে একটা কাঁচি নিয়ে খচখচ করে এদিকওদিক কেটে ফেললেন। যা দাঁড়াল, ইংরেজিতেই সম্ভব সেটা।

দ্বিতীয় পকেটবুক একটি কবিতার সংকলনগ্রন্থ ‘কবিতার পুরুষ’-এর পর ফের আগুন— তুষার রায়ের গল্পগ্রন্থ ‘শেষ নৌকা’ (অগাস্ট ১৯৭১)। শুরু হচ্ছে উন্মাদ গদ্য— ‘দূরান্তে নীল বিলীন আকাশ মেশে সমুদ্রে যেখানে সেখানে মৃদু রক্তিমা ম্লান শুকনো ব্রাশ ঘষার মতো ঈষৎ দৃষ্ট— তা নাহলে আকাশ আর জলের ফারাক যেতো না বোঝা, জলধোয়া ছবির মতো বালিয়াড়ি বেলাভূমি সামান্য হরিদ্রাভ ছায়াধূসর— এসব ডিটেল থেকে প্যানোরামিক চোখকে প্যান করে অর্থাৎ ঘাড় ঘুরিয়ে সম্মোহন আরো কিছু যেনো দেখতে চাইলো এবং দেখতে পেলোও ইতিউতি সঞ্চরমান সিল্যুট সিল্যুট সব যুবক-যুবতীদের।’

কিন্তু, এসব তো পরের পর বেরিয়ে যেতে পারে না! সব বিপ্লবেরই শেষ আছে। আর তাই চতুর্থ পকেটবুক ‘অসীম রায়ের গল্প’ই সম্ভবত ওই সিরিজের শেষ বই।

তারপর কোনো-একদিন ক্রমে তিনি কে.জি. নামে পরিচিত হবেন। এমন এক লেখক, দু-খণ্ডে যাঁর গদ্যসমগ্র প্রকাশ পাবে। বিদেশী ভাষায় অনুবাদ হবে সে-লেখা।

সে-যাই হোক, কাজের স্তর-অনুযায়ী একেকজনের জীবন যেমন পালটে যায়, বয়সের ফেরে বইয়ের গন্ধও তেমনই পালটে পালটে যায়। যেমন কাগজের রং হয়ে যায় হলদেটে। কত-যে প্রকাশক! মনে পড়ে জীবনানন্দ দাশের ‘শ্রেষ্ঠ কবিতা’র নাভানাকে। অরুণা প্রকাশনীর ‘সতীনাথ গ্রন্থাবলী’কে, যা আজ মিত্র ও ঘোষ থেকে বেরোচ্ছে ‘সতীনাথ ভাদুড়ী রচনাবলী’ নামে। এই যে আজকের দে’জ পাবলিশিং। তারও তো বয়স পঞ্চাশ বছর হয়ে গেল। তাদের প্রথম দিককার কোনো কোনো বই খোঁজ করলে আজো পাওয়া যায়।

কিন্তু শতবর্ষের পুরনো? ১৮৪১ সালে ব্যাপটিস্ট মিশন প্রেস থেকে ছাপা একটি ফার্সি-ইংরেজি ডিকশনারি রয়েছে রামধন সেনের। সে বইয়ের বয়স তো হলুদ হতে হতে গুটিগুটি পায়ে দুশো বছরের দিকে এগোচ্ছে! কিংবা পঞ্চানন তর্করত্নের মনুসংহিতা, যেটি বাংলা ১৩১৫ সালে ছাপা, যার বয়স ১১৭ বছর!

এরা বহু আগেই অমরত্ব পেয়ে গেছে। সামনের বইমেলায় হয়তো কারো কারো পুনর্জন্মলাভ হবে। আমরা তাদের স্বাগত জানাব।

লিখেছেন
Ekram Ali
Ekram Ali
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

ঋত্বিক: ফিরে দেখা

Ritwik Ghatak: আমরা যখন ছোট ছিলাম, মানে ষাটের দশকের সেই শেষ দিকে বা সত্তরের দশকে, তিনি কত না অদ্ভুতভাবে আমাদের প্রভাবিত করতেন। যেমন একদিন আমাদের রবীন্দ্রসদনের সামনে দেখতে পেয়ে তিনি হঠাৎ বললেন, আমাকে একটা ট্যাক্সি ধরে দেবে?

কলকাতায় চালু হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ স্কুল অফ ম্যাজিক অ্যান্ড পারফর্মিং আর্টস

West Bengal School of Magic: মুখ্যমন্ত্রী ‘পশ্চিমবঙ্গ স্কুল অফ ম্যাজিক, ইল্যুশন অ্যান্ড পারফর্মিং আর্টস’ স্থাপনের প্রস্তাবে অনুমোদন করেছেন। পুজোর পর উপদেষ্টা কমিটির সদস্যরা বৈঠক করবেন।

বিভূতিভূষণের উপন্যাস কেবল দৃশ্যের নয়, শব্দেরও এক জগৎ তৈরি করে

Bibhutibhushan Bandyopadhyay: বাংলা সাহিত্যে বিভূতিভূষণকে আমরা সাধারণত প্রকৃতির কবি বলেই চিনি। তাঁর বর্ণনায় নদী, মাঠ, বন, আকাশ, ঋতু আর গ্রামীণ জীবনের যে ছবি ফুটে ওঠে, তা নিয়ে বহু আলোচনা হয়েছে। কিন্তু তাঁর সাহিত্যকে যদি একটু অন্য দিক থেকে দেখা যায়? যদি আমরা শুধু দৃশ্যের দিকে না তাকিয়ে শোনার চেষ্টা করি?

স্ট্যাচু অব লিবার্টি ও আমেরিকার অভিবাসন: আমেরিকার ইতিহাসে আশ্রয়প্রার্থীদের জায়গা কোথায়?

Statue of Liberty: স্ট্যাচু অব লিবার্টির ধারণার সূত্রপাত ১৮৬৫ সালে। ফরাসি রাজনৈতিক চিন্তাবিদ এদুয়ার্দ দ্য লাবুলে আমেরিকার স্বাধীনতার শতবর্ষ এবং ফ্রান্স-আমেরিকার বন্ধুত্বকে স্মরণ করে স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের ধারণা দেন।

এশিয়ার সেরা মিউজিয়ামের স্বীকৃতি পাটনার, কীভাবে বিশ্বসেরাদের টেক্কা দিল বিহার মিউজিয়াম?

Patna Outranks paris: বিশ্বের সেরা ১০০টি মিউজিয়ামের তালিকায় নবম স্থান অর্জন করে কীভাবে ল্যুভর ও মেটের মতো বিখ্যাত জাদুঘরকে পিছনে ফেলে এশিয়ার সেরা মিউজিয়াম হয়ে উঠল পাটনার বিহার মিউজিয়াম?

দেশভাগের ইতিহাসকে নারীর চোখে দেখা: অংশুমান করের ‘হিরণবালা’

Hiranbala Novel Review: বাংলা উদ্বাস্তু-আখ্যানের বড় অংশে দেশভাগের অভিজ্ঞতা এসেছে পুরুষের জীবন, তার মনস্তত্ত্ব ও তার গতিবিধির ভিতর দিয়ে। ‘হিরণবালা’ প্রথমেই এই কাঠামো ভেঙে দেয়। উদ্বাস্তু পরিবারের গল্পে একজন নারীকে নিষ্ক্রিয় বা পরোক্ষ ভূমিকায় না দেখিয়ে, উদ্বাস্তু হওয়ার অভিজ্ঞতাটিকে প্রত্যক্ষভাবে বুনে দেয় নারীটির জীবন। দেশভাগকে প্রায় অদৃশ্য করে হিরণকে উদ্বাস্তু করা শুরু হয় ১৯৪৬ সালে, বিয়ের মধ্য দিয়ে।

সুকুমার রায়ের সঙ্গে চার্লি চ্যাপলিনের ভীষণ মিল পাই: স্বাগতালক্ষ্মী দাশগুপ্ত

Sukumar Ray Literature: কেউ যদি অনেক বড় বয়সেও ছোট থাকতে চায়— যেমন আমি বলি যে আমার বয়স বাড়েনি— আর যদি নিজের বয়সটাকে একই জায়গায় ধরে রাখতে ইচ্ছে করে, তবে মনে হয় সুকুমার রায়ের সমগ্র তাঁর সারাজীবন বিছানার পাশে গীতবিতানের মতোই চিরসঙ্গী হয়ে থাকতে পারে।

বাংলার দেশি খাসির মাংস থেকে চিংড়ি শুঁটকি, জিআই তকমার অপেক্ষায় কোন কোন খাবার?

GI Tag Registration: বাংলার দেশি খাসির মাংস, ইলিশের বিভিন্ন পণ্য ও চিংড়ি শুঁটকি জিআই স্বীকৃতি পেতে চলেছে। আবেদন প্রক্রিয়া এগিয়েছে, আগামী এক বছরের মধ্যে স্বীকৃতি পাওয়ার আশা। কিন্তু জিআই তকমা কী এবং এই স্বীকৃতি পেলে বাংলার উৎপাদকদের কী লাভ হবে?