দুর্নীতি, গণপিটুনি! মমতা বিরোধী হলে কী করতেন? বিজেপি-সিপিএম সব কোথায় গেল?

Opposition Movement in West Bengal বিরোধীদের রাস্তায় নামতে ভয় নাকি রাস্তায় নামার মতো ক্ষমতাও নেই? সোশ্যাল মিডিয়াতেও বা কোথায় হইচই?

inscript
৪ মিনিট
দুর্নীতি, গণপিটুনি! মমতা বিরোধী হলে কী করতেন? বিজেপি-সিপিএম সব কোথায় গেল?

সিপিএমের ৩৪ বছরের শাসন টলানো তৃণমূল একটা বিষয় স্পষ্ট করে দিয়েছিল। বিরোধীদের ভূমিকা কতখানি মারাত্মক হলে শাসক ক্ষমতা থেকে টলে যেতে পারে। সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম জমি আন্দোলনে শাসক বামফ্রন্টকে এতটাই বিপাকে ফেলতে পেরেছিল তৃণমূল যে তারপর থেকে প্রায় ১৩ বছর হয়ে গেল, বামেরা ঘুরে দাঁড়াতেই পারল না। অথচ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই এক দশক পেরনো শাসনে একাধিক 'ফাউল' করেছে তৃণমূল। দুর্নীতি ছেয়ে গিয়েছে পঞ্চায়েত স্তর থেকে উপরমহল অবধি। শিক্ষা থেকে রেশন সর্বক্ষেত্রে কোটি টাকার খেলা। মন্ত্রী-আধিকারিকরা জেলে। লোকসভা নির্বাচনের আগে সন্দেশখালির ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। শেখ শাহজাহান ও তাঁর দলবলের অত্যাচারের কথা রাজ্য জুড়ে চাউর হয়ে যায়। বোঝা যায়, পাড়ায় পাড়ায় গুন্ডা পোষার সংস্কৃতি অন্যমাত্রায় নিয়ে গেছে তৃণমূল। লোকসভা ভোটের আগে দুর্নীতির রমরমা, ভোটের পর গণপিটুনির বাড়বাড়ন্ত- দু'টি ইস্যুই শাসককে বিড়ম্বনায় ফেলার জন্য যথেষ্ট পোক্ত ছিল। অথচ বিরোধীরা কই?

লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় এবার বিজেপির আসন কমেছে। সিপিএম-কংগ্রেস তো পর্যুদস্ত। ২৯টি আসনে জিতেছে তৃণমূল। লোকসভা ভোটে জয়ের পরেই তৃণমূলের সঙ্গে জড়িত অন্তত পাঁচটি এমন ঘটনা ঘটেছে যাতে শাসকদলকে চাইলেই চরম অস্বস্তিতে ফেলতে পারত বিরোধীরা। তৃণমূল এসব ঘটনা জানার পরেই কখনও নেতাদের কড়া সমালোচনা করে ভাবমূর্তি স্বচ্ছ রাখার চেষ্টা করেছে। কখনও টাকা দিয়ে চুপ করানোর চেষ্টাও হয়েছে। অথচ তৃণমূলের এই দুর্নীতি, এই গুন্ডা সংস্কৃতি, আইনকে দুরমুশ করে দুষ্কৃতীতের অঢেল ক্ষমতা দেওয়া— বিরোধীরা চাইলেই সব কিছু নিয়ে তুমুল আন্দোলন করতে পারত। কোথায় আন্দোলন? বিরোধী বিজেপির আসন কমেছে, সিপিএম শূন্য, কংগ্রেস তথৈবচ, তারপরেও কেন ক্ষমতা ফিরে পেতে মরিয়া নয় বিরোধীরা? এই একই ঘটনা বাম আমলে ঘটলে, তৃণমূল জ্বালাময়ী আন্দোলনে নামত, ধর্নায় বসত, নেতারা প্রয়োজনে হিংসার পথও নিতেন। এখন বিরোধীরা সব গেল কই? রাস্তায় নামতে ভয় নাকি রাস্তায় নামার মতো ক্ষমতাও নেই? সোশ্যাল মিডিয়াতেও বা কোথায় হইচই?

হকার উচ্ছেদ নিয়ে সম্প্রতি বড় ঘোষণা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফুটপাথ দখলমুক্ত করার নির্দেশ দেওয়ামাত্র রাজ্য জুড়ে বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় ফুটপাথের একের পর এক দোকান। উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথের বুলডোজার চালানোর প্রশাসনিক কায়দার সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিদ্ধান্তের তুলনা শুরু হয়। কিন্তু মমতা নিজেই উল্টে দেন বক্তব্য। বলে দেন, ‘‘কাউকে বেকার করার অধিকার আমার নেই।’’ রাস্তাঘাট, ফুটপাথ, সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করার পাশাপাশি বিকল্প রুটিরুজির ব্যবস্থা করার নির্দেশও দিয়ে দেন। আগ্রাসী থেকে হয়ে যান মমতাময়ী। বিরোধীদের কিছু করারই থাকে না।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
শেখ শাহজাহান, জেসিবি, জয়ন্ত: পাড়ায় পাড়ায় বাহুবলী এটাই তৃণমূলের সংস্কৃতি?

Sheikh Shahjahan, JCB, Jayant Singh: সরকার পড়ে যাওয়ার মতো অবস্থা যদি তৈরি না হতো কেউ কি কোনওদিনও শেখ শাহজাহানের দাপটের আঁচ পেত?

ছেলেধরা, চোর, প্রেম বিভিন্ন ইস্যুতে রাজ্যে গণপিটুনির ঘটনা এই একমাসের মধ্যে হঠাৎ বেড়েছে। তারকেশ্বর থেকে ভাঙড়, বারাসত থেকে মেদিনীপুর— গণপিটুনিতে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। গত এক মাসে অন্তত ১৭টি গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে। মর্মান্তিক এবং ভয়াবহ! চাইলে এই নিয়ে আন্দোলন করে গদি উল্টে দেওয়া যায়। কিন্তু বিরোধীরা কই?

গত ৩০ জুন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম তাঁর এক্স হ্যান্ডলে একটি ভিডিও পোস্ট করেন যাতে দেখা যায় চোপড়ার তৃণমূল নেতা তাজিমুল হক ওরফে ‘জেসিবি’ এক যুগলকে রাস্তায় ফেলে পেটাচ্ছে। জেসিবি চোপড়ার তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ। বিজেপির অমিত মালব্যও ওই ভিডিও পোস্ট করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনকে তালিবানি বলেন। শেষ পর্যন্ত জেসিবি গ্রেফতার হয়। হামিদুলকে শোকজ করে তৃণমূল। যে মহিলাকে ফেলে জেসিবি পিটিয়েছিল সেই মহিলা উল্টে সেলিম এবং মালব্যর বিরুদ্ধে এফআইআর করেন। বিরোধীরা থেমে যায়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
যে কোনও যোগাযোগই রাষ্ট্রের হাতে? যে ভয়াবহ টেলিকম আইন ২০২৩ চালু হচ্ছে দেশে

The Telecommunications Bill, 2023: নতুন টেলিকম আইনে আবার সরকারের হাতে তার প্রয়োজনে কোনও রক্ষাকবচ ছাড়াই কোনও নির্দিষ্ট এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করার যথেচ্ছ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

কামারহাটির আড়িয়াদহের জয়ন্ত সিংয়ের দাপট ও গুন্ডাগিরির একাধিক ঘটনা ফাঁস হতে থাকে। এক মা-ছেলেকে পেটানোর ঘটনায় জয়ন্ত সিংকে গ্রেফতারও করে নেয় পুলিশ। সকলেই জানেন, তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের হাত রয়েছে জয়ন্তর মাথায়। গণপিটুনির মতো গুন্ডা সংস্কৃতি সংক্রামিত হচ্ছে। এত কিছু ঘটে যাচ্ছে বিরোধীরা কই?

বড়জোর একটা ফেসবুক-এক্স পোস্ট। কিছু সাংবাদিকের এগিয়ে দেওয়া বুমের সামনে বিবৃতি। এর বাইরে বিরোধী নেতাদের ভূমিকা কই? শাসকের একাধিক দুর্নীতি, একাধিক দুষ্কর্মের প্রমাণ হাতেনাতে পেয়েও ছেড়ে দিচ্ছেন কেন তারা? সংগঠিত আন্দোলন কেন গড়ে তোলা যাচ্ছে না? তৃণমূল আমলে রাজ্য কি তবে সত্যিই বিরোধীশূন্য? বিজেপির নেতাদের অভিযোগ, তৃণমূলের ভয়ে তাদের অনেক কর্মী ঘরছাড়া। দলের এই কর্মীদের সাহায্য করাটাই বিজেপির মূল কাজ হয়ে যাচ্ছে। ফলে আন্দোলন তীব্র করা যাচ্ছে না। সন্দেশখালি ইস্যুতে একমাত্র বিজেপিই সম্মুখ সমরে নেমেছিল তৃণমূলের সঙ্গে। খোদ নরেন্দ্র মোদি বসিরহাট আসনে প্রার্থী বেছেছিলেন। শেখ শাহজাহান ও তাঁর সাঙ্গপাঙ্গদের গ্রেফতার করা হয়। বিজেপির প্রার্থী রেখা পাত্রও হেরে যান। সন্দেশখালি ইস্যু নেতিয়ে যায়।

রাজ্যের আরেক বিরোধী সিপিএম কী করছে? নিন্দুকেরা বলে সিপিএম সোশ্যাল মিডিয়ায় ভোট করালেই একমাত্র ক্ষমতায় ফিরতে পারে। বাস্তবেও খানিক তেমনই ঘটছে। সোশ্যাল মিডিয়াতে ইস্যু ভিত্তিক পোস্ট শেয়ার করা আর বিভিন্ন জায়গায় সাংগঠনিক রুটিন মাফিক সভা ছাড়া আন্দোলনে কোথায় বামেরা? বিক্ষোভ সমাবেশ হচ্ছে। হকারদের যৌথ মঞ্চ গড়ে সেই বিক্ষোভ সমাবেশ ডাকা হয়েছে। সকলেই জানেন বিক্ষোভ ওই সমাবেশেই শেষ। কেউই নবান্ন অবধি গিয়ে রক্তও ঝরাবেন না, হিংসার পথও নেবেন না, এমনকী রাজ্যজুড়ে তিলমাত্র প্রভাবও ফেলতে পারবেন না। তবু বামেরা বলছে, আন্দোলন হচ্ছে না, এটা বলা সত্যের অপলাপ। আন্দোলন যদি হয়েই থাকে, তা দেখা যাচ্ছে না কেন?

তৃণমূল কি বিরোধী স্বর দমন করছে? নাকি বিরোধীদের স্বরগুলি ক্ষমতার কাছে থাকতে চেয়ে দলবদল করছে? নাকি সকলে মেনেই নিয়েছেন তৃণমূলের বাহু ও অর্থবলের কাছে কোনও আন্দোলনই দানা বাঁধানো যাবে না। অথচ ২০১১ সালে সিঙ্গুর নন্দীগ্রামের মতো কোন দুই অজানা গ্রামকে দিয়ে পাশা পাল্টে দেন মমতা। বিরোধীদের কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকেই বিরোধিতার পাঠ শেখা উচিত নয়?

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।

হুথিরা যেভাবে স্থানীয় বিদ্রোহী থেকে মধ্যপ্রাচ্যের শক্তিতে পরিণত হলো

Houthi Expansion in Yemen: ইয়েমেনে ফের কেন যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে? হুথিরা কীভাবে স্থানীয় জায়দি আন্দোলন থেকে শক্তিশালী সামরিক-রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হল? ইরানের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কতটা গভীর? মোখা ও হানিশ দ্বীপপুঞ্জ দখলের পর কেন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বাব আল-মান্দাব? এই সংঘাতের প্রভাব কি শেষ পর্যন্ত বিশ্ব বাণিজ্য, জ্বালানি পরিবহণ ও মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে পড়বে?