মোদি যেভাবে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠতে চাইছেন

Narendra Modi’s Bengal strategy: তাহেরপুরের সভায় মোদির বক্তব্যের কেন্দ্রে ছিল ‘গো ব্যাক’ স্লোগান। তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূল কংগ্রেস তাঁকে ‘গো ব্যাক মোদি’ বলতে ব্যস্ত, কিন্তু অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে নীরব।

Tanvia Barua
৪ মিনিট
মোদি যেভাবে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠতে চাইছেন

নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতি ততই প্রতীকী হয়ে উঠছে। সরাসরি মাঠে নামতে না পারলেও তাহেরপুরের সভায় পাঠানো অডিওবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বুঝিয়ে দিয়েছেন, বাংলা এখন তাঁর রাজনৈতিক হিসেবের কেন্দ্রে রয়েছে। সেই বক্তব্যের ভাষা, বিষয়বস্তু এবং নীরবতাগুলি একসঙ্গে বিচার করলে স্পষ্ট হয়, বিজেপি বাংলায় প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠার জন্য পুরনো অস্ত্রেই শান দিচ্ছে: অনুপ্রবেশ, ভোটব্যাঙ্ক, সাংস্কৃতিক প্রতীক এবং ‘ডবল ইঞ্জিন’-এর প্রতিশ্রুতি। কিন্তু এই অস্ত্রগুলির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে, বিশেষ করে এসআইআর-এর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর।

তাহেরপুরের সভায় মোদির বক্তব্যের কেন্দ্রে ছিল ‘গো ব্যাক’ স্লোগান। তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূল কংগ্রেস তাঁকে ‘গো ব্যাক মোদি’ বলতে ব্যস্ত, কিন্তু অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে নীরব। এই বক্তব্যে বিজেপির বহুদিনের রাজনৈতিক কৌশল স্পষ্ট, রাজ্যের শাসক দল ভোটব্যাঙ্কের স্বার্থে অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করছে, আর বিজেপি একমাত্র দল যারা এই ‘সত্য’ প্রকাশ করতে পারে। মোদির কথায়, পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি গলিতে লেখা থাকা উচিত ‘গো ব্যাক অনুপ্রবেশকারী’। এই বাক্যটি শুধু স্লোগান নয়, বিজেপির সমগ্র বাংলা রাজনীতির সারসংক্ষেপ।

কিন্তু এই বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গে যেটা চোখে পড়ে, সেটা হলো কী বলা হয়নি। মোদি যাঁদের উদ্দেশ্যে এই অডিওবার্তা পাঠালেন, সেই মতুয়া অধ্যুষিত অঞ্চলে এসআইআর-এর খসড়া তালিকায় সবচেয়ে বেশি নাম বাদ পড়েছে। অথচ তাঁর বক্তব্যে এসআইআর-এর কাঠামো, বাদ পড়া নাম, কিংবা সেই উদ্বেগ নিয়ে কোনো সরাসরি আশ্বাস নেই। সোনালি খাতুনদের মতো পরিযায়ী শ্রমিকদের জীবন, পুশব্যাক বা সীমান্তে মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রসঙ্গও অনুপস্থিত। অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ভাষা থাকলেও, যাঁদের নাম বাদ পড়েছে তাঁদের বাস্তব সংকট নিয়ে নীরবতা ছিল স্পষ্ট।

এই নীরবতা আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে খসড়া ভোটার তালিকার পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে। রাজ্যে মোট ৫৮ লক্ষের বেশি নাম বাদ পড়েছে, যার বড় অংশই মৃত বা স্থানান্তরিত ভোটার বলে দেখানো হয়েছে। কিন্তু যখন অনুপ্রবেশকারী মুসলমানদের ‘এক কোটি’ সংখ্যার দাবি বারবার তোলা হয়েছিল, তখন ৭৫ শতাংশ মুসলমান অধ্যুষিত বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে নো-ম্যাপিং ভোটারের হার অত্যন্ত কম পাওয়া গিয়েছে। ডোমকল, রানিনগর, সামসেরগঞ্জ বা লালগোলার মতো এলাকায় এই হার এক শতাংশের আশেপাশে। এই তথ্য বিজেপির বহুল প্রচারিত ‘অবৈধ অনুপ্রবেশ’ তত্ত্বকে কার্যত প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দেয়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
পশ্চিমবঙ্গে খসড়া ভোটার তালিকা: যে শিক্ষা আমাদের নিতে হবে

West Bengal Draft Voter List: এই খসড়া বিজেপির অতিপ্রিয়  'অবৈধ, অনুপ্রবেশকারী মুসলমান' তত্ত্বের মুখোশ খুলে দিয়েছে। প্রমাণিত হয়েছে যে মুসলমানরা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী নয় বরং তাদের বেশিরভাগেরই প্রয়োজনীয় নথি আছে।

এর বিপরীতে, মতুয়া অধ্যুষিত তফসিলি কেন্দ্রগুলিতে নো-ম্যাপিংয়ের হার রাজ্যের গড়ের দ্বিগুণেরও বেশি। গাইঘাটা, বাগদা, বনগাঁ, রানাঘাট— প্রায় সব জায়গাতেই দশ শতাংশের কাছাকাছি বা তার বেশি ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এক কথায়, যে সম্প্রদায়কে বিজেপি নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন এবং হিন্দু শরণার্থী রাজনীতির মুখ হিসেবে তুলে ধরেছিল, সেই মতুয়ারাই এসআইআর-এর সবচেয়ে বড় শিকার। এই বাস্তবতা মোদির বক্তব্যে অনুপস্থিত থাকাটা রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

মোদি অবশ্য সভার পরে বিরোধীদের কটাক্ষের জবাব দিতে এক্স হ্যান্ডেলে মতুয়া ও নমশূদ্র পরিবার গুলিকে আশ্বাস দিয়েছেন, সিএএ-এর কথা তুলে ধরে বলেছেন, তাঁরা তৃণমূলের দয়ায় নয়, বিজেপির আইনের জোরে মর্যাদার সঙ্গে ভারতে থাকবেন। কিন্তু এই আশ্বাস বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে কতটা সঙ্গতিপূর্ণ, সেই প্রশ্ন থেকেই যায়। কারণ এসআইআর-এর খসড়া তালিকা দেখিয়ে দিয়েছে, নাগরিকত্বের রাজনীতি কাগজে যতটা সহজ, বাস্তবে ততটাই জটিল ও বিপজ্জনক।

মোদির বক্তব্যে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সাংস্কৃতিক প্রতীকের ব্যবহার। নদীয়ার প্রসঙ্গে চৈতন্যদেব, কীর্তন, ঐক্যের কথা এসেছে। বঙ্কিমচন্দ্রের নাম এসেছে আগের সভাগুলির মতোই। প্রতিবার নির্বাচনের মুখে রবীন্দ্রনাথ, বঙ্কিম, নেতাজি, বিবেকানন্দ— এই নামগুলি বিজেপির বক্তৃতায় অবধারিত হয়ে ওঠে। কিন্তু এই উল্লেখগুলো কি নিছক শ্রদ্ধা, না কি রাজনৈতিক ব্র্যান্ডিং? বঙ্কিমচন্দ্রকে ‘বঙ্কিমদা’ বলে ফেলার পর তড়িঘড়ি সংশোধন, কিংবা বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির সূক্ষ্মতায় বারবার হোঁচট— এগুলি দেখিয়ে দেয়, বিজেপি এখনও বাংলাকে পুরোপুরি আত্মস্থ করতে পারেনি।

এই সাংস্কৃতিক আইকন ব্যবহারের রাজনীতি আসলে বহিরাগত তকমা ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা। বাংলায় বিজেপিকে আজও ‘বাইরের দল’ হিসেবেই দেখা হয়। সেই ঘাটতি ঢাকতে ইতিহাস ও সংস্কৃতিকে ভোটের ভাষায় অনুবাদ করা হচ্ছে। কিন্তু সংস্কৃতি যখন কেবল নির্বাচনী হাতিয়ার হয়ে ওঠে, তখন তার ভিত ফাঁপা থাকাই স্বাভাবিক। বাংলার সমাজ ও রাজনীতির সঙ্গে গভীর সম্পর্ক ছাড়া শুধু নাম উচ্চারণ করে হৃদয়ে জায়গা করা যায় না— এই বাস্তবতা বিজেপি এখনও পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারেনি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মনরেগা থেকে শান্তি বিল: যেভাবে লোকসভা হাসির খোরাকে পরিণত হলো

Winter Session 2025: মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন (MNREGA)-এর জায়গায় আনা বিকশিত ভারত-জি রাম জি (VB-G RAM G) বিলটি প্রকল্পটির চরিত্রই বদলে দেয়।

মোদির বক্তব্যে ‘মহাজঙ্গলরাজ’-এর উল্লেখ, বিহার ও ত্রিপুরার উদাহরণ, ডবল ইঞ্জিন সরকারের প্রতিশ্রুতি— সবই পরিচিত বিজেপি বয়ান। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের বাস্তবতা আলাদা। এখানে এসআইআর-এর মতো প্রক্রিয়া দেখিয়ে দিয়েছে, কেন্দ্রীয় রাজনীতির একমুখী সিদ্ধান্ত রাজ্যের সামাজিক কাঠামোকে কীভাবে নাড়িয়ে দিতে পারে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে কার্যকর সংসদীয় বিরোধিতা প্রায় অনুপস্থিত। তৃণমূল, কংগ্রেস, বাম— সকলের বিরোধিতাই ছিল আংশিক। ফলে নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকারের মতো মৌলিক প্রশ্নে রাজ্য কার্যত একপ্রকার নীরব সম্মতির মধ্য দিয়েই এগিয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে মোদির তাহেরপুরের অডিওবার্তা বিজেপির শক্তি ও দুর্বলতা— দু'টোই একসঙ্গে প্রকাশ করে। শক্তি এই যে, তিনি এখনও অনুপ্রবেশ ও জাতীয়তাবাদের প্রশ্নে নিজের মূল সমর্থকদের চাঙা করতে পারেন। দুর্বলতা এই যে, এসআইআর-এর পরিসংখ্যান এবং মতুয়াদের বাস্তব অভিজ্ঞতা সেই বয়ানকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। মুসলমানদের ‘অবৈধ’ তত্ত্ব খসড়া তালিকায় ধসে পড়েছে, আর হিন্দু দলিতদের বাদ পড়া বিজেপির নাগরিকত্ব রাজনীতির ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, মোদি যেভাবে বাংলায় প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠতে চাইছেন, তা কতটা টেকসই। একদিকে তিনি অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ভাষা ব্যবহার করছেন, অন্যদিকে যাঁরা বাস্তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত— মতুয়া, দলিত, সীমান্তবাসী মানুষ তাঁদের সংকট নিয়ে সরাসরি কথাই বলছেন না। সাংস্কৃতিক প্রতীক ব্যবহার করে আবেগ ছোঁয়ার চেষ্টা চলছে, কিন্তু সেই আবেগের নিচে বাস্তব সমস্যার সমাধান নেই।

এসআইআর-এর খসড়া তালিকা বিশ্লেষণ করে যে ট্রেন্ডগুলি উঠে এসেছে, তা বিজেপির জন্য স্বস্তিদায়ক নয়। মুসলমানরা তালিকায় থেকে গিয়েছেন, মতুয়ারা বাদ পড়েছেন, বহু হিন্দিভাষীও বাদ পড়েছেন। এর ফলে বিজেপির ধর্মীয় মেরুকরণের কৌশল দুর্বল হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে তাহেরপুরের অডিওবার্তা এক ধরনের প্রতীকী রাজনীতি হয়ে দাঁড়ায়। মোদি বাংলার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও জাতীয়তাবাদের ভাষা ব্যবহার করে নিজের উপস্থিতি জানান দিলেন, কিন্তু এসআইআর-এর বাস্তব প্রশ্নগুলিকে পাশ কাটালেন। মতুয়া অধ্যুষিত অঞ্চলে সেই অডিও চললেও, মতুয়ারাই সবচেয়ে বেশি বাদ পড়েছেন— এই বৈপরীত্যই বর্তমান বাংলার রাজনীতির সবচেয়ে বড় চিত্র।

নির্বাচন যত কাছে আসবে, মোদির বক্তৃতায় আরও বেশি করে বঙ্কিম, চৈতন্য, রবীন্দ্রনাথ আসবেন, অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে স্লোগান আরও তীব্র হবে। কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যাবে, এই প্রতীকী রাজনীতি কি বাংলার বাস্তব সামাজিক সংকটের উত্তর দিতে পারবে? নাকি এসআইআর-এর মতো প্রক্রিয়া বিজেপিরই তৈরি করা ফাঁদে তাদের প্রিয় ভোটব্যাঙ্ককে আটকে দেবে? তাহেরপুরের অডিওবার্তা সেই প্রশ্নটাই আরও জোরালো করে তুলেছে।

লিখেছেন
Tanvia Barua
Tanvia Barua
7 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

নিষিদ্ধ নয়, বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা, কী আছে ফিলিস্তিনপন্থী স্যালি রুনির বইয়ে

Sally Rooney: ফিলিস্তিনপন্থী সংগঠন প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে রয়্যালটি দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশের পর ব্রিটেনে স্যালি রুনির বই সরবরাহ বন্ধ করেছে ফ্যাবার।

সিজেপির কর্মসূচির আগে ৬ হাজার পুলিশ, দুর্ভেদ্য দুর্গ কনট প্লেস

Connaught Place protest: সিজেপির কর্মসূচির আগে কনট প্লেস এবং তার আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে দিল্লি পুলিশ। কনট প্লেসের আশপাশে ৬ হাজারেরও বেশি পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?