পশ্চিমবঙ্গে খসড়া ভোটার তালিকা: যে শিক্ষা আমাদের নিতে হবে

West Bengal Draft Voter List: এই খসড়া বিজেপির অতিপ্রিয়  'অবৈধ, অনুপ্রবেশকারী মুসলমান' তত্ত্বের মুখোশ খুলে দিয়েছে। প্রমাণিত হয়েছে যে মুসলমানরা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী নয় বরং তাদের বেশিরভাগেরই প্রয়োজনীয় নথি আছে।

Suman Kalyan Moulik
৫ মিনিট
পশ্চিমবঙ্গে খসড়া ভোটার তালিকা: যে শিক্ষা আমাদের নিতে হবে

পশ্চিমবঙ্গে গত তিনমাস ধরে চলা এসআইআর প্রক্রিয়া শেষে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। রাজ্যের মানুষ সব কাজ ফেলে তালিকায় নিজের নাম খুঁজছেন। এই তালিকা প্রকাশের আগেই কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপির পক্ষ থেকে এসআইআরের সম্ভাব্য পরিণাম সংক্রান্ত ফলাফল নিয়ে এক আগ্রাসী ন্যারেটিভ তৈরি করা হয়েছিল যা মেইন স্ট্রিম মিডিয়ার সৌজন্যে সর্বত্র প্রচারিত হয়। এই ন্যারেটিভের প্রচারক ছিলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং এ রাজ্যে বিজেপির সভাপতি, বিরোধী দলনেতা থেকে শুরু করে চার আনা-আট আনার নেতারা। সেই ন্যারেটিভের মূল কথা ছিল পশ্চিমবঙ্গ, বিশেষ করে বাংলাদেশ সংলগ্ন সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলাগুলো অবৈধ অনুপ্রবেশকারী/ রোহিঙ্গা/ ঘুসপেটিয়াতে ভরে গিয়েছে। এরা সবাই রাজ্যের সম্পদে ভাগ বসাচ্ছে, এখানে নানান ধরণের অনৈতিক কাজকর্ম করছে সর্বোপরি রাজ্যের শাসকদলের ভোটব্যাঙ্ক হিসাবে কাজ করছে।

এসআইআরের প্রয়োজনীয়তার কথা প্রমাণ করতে গিয়ে বলা হয়েছিল এই বিশেষ নিবিড় সংশোধনী শেষে নিদেনপক্ষে এক কোটি রোহিঙ্গা/ ঘুষপেটিয়া বাদ পড়বে, রাজ্য জঞ্জালমুক্ত হবে এবং বিজেপি নিশ্চিতভাবে ক্ষমতায় আসবে। এই ন্যারেটিভে একটা দুর্বল অংশও ছিল। সেটা ছিল দলিত শরনার্থী হিন্দু যারা মতুয়া সম্প্রদায় নামে পরিচিত। এদের অনেকেই ১৯৭০ পরবর্তী সময়ে এদেশে আসেন এবং তাদের নাগরিকত্বের দাবি ছিল একশ শতাংশ ন্যায্য। বিজেপির এই ঘৃণ্য অনুপ্রবেশ তত্ত্বে এই মতুয়াদের পরিণতি কি হবে তা নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন প্রথম থেকেই ছিল এবং বিজেপির কাছে তা ছিল অস্বস্তিকর। দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, এসআইআরের অসাংবিধানিক গঠন, পরোক্ষে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের নীল নকশার বিরুদ্ধে এ রাজ্যে প্রায় কোনো সংসদীয় দল বিরোধিতা করেনি। তৃণমূল কংগ্রেস, কংগ্রেস, বামফ্রন্টের শরিক দলগুলির এসআইআর বিরোধিতা ছিল আংশিক ও মূলত প্রয়োগবিধির জটিলতা সম্পর্কিত। তাই বলা যায় কোনো কার্যকরী বিরোধিতা ছাড়াই এই রাজ্যে সমীক্ষা শেষ হয়েছে।

খসড়া তালিকা নিয়ে আলোচনায় প্রবেশের আগে 'নো ম্যাপিং' ক্যাটাগরির অর্থটা বুঝে নেওয়া দরকার। নির্বাচন কমিশনের ভাষায় তাদের ঐতিহাসিক ডাটাবেস হলো ২০০২ সালের ভোটার তালিকা। এই তালিকার সঙ্গে সম্পর্কহীন (প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ) মানুষদের নাম এই তালিকায় নেই। আর ভোটের নিয়ম সম্পর্কে সামান্য ধারণা আছে এমন মানুষরা জানেন যে ভোটার তালিকায় এএসডি ক্যাটাগরি থাকে যাদের মধ্যে আছে অনুপস্থিত/ মৃত/ ডুপ্লিকেট ভোটারদের নাম। পশ্চিমবঙ্গে খসড়া তালিকা অনুযায়ী ৫৮,২০,৮৯৮ জনের নাম বাদ গিয়েছে। এর মধ্যে মৃত ভোটার ২৪,১৫,৮৫২ জন। স্থানান্তরিত ভোটার ১৯,১৫,৮৫২ জন। নিখোঁজ ভোটার ১২,২০,২৩৮ জন। ডুপ্লিকেট এবং অন্যান্য ভোটার ১,৯৫,৯৩৪ জন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বাংলায় এসআইআর ২০২৫: বিজেপির অনুপ্রবেশ দাবি আর তথ্য যা বলছে

SIR 2025 in West Bengal: বিজেপি দীর্ঘদিন ধরে বলে এসেছে, সংখ্যালঘু-প্রধান সীমান্ত জেলাগুলিতে বেশি অনথিভুক্ত মানুষ রয়েছেন। কিন্তু এসআইআর-এর তথ্য বলছে ঠিক উল্টো, এই জেলাগুলিতেই বৈধ নথি থাকা মানুষের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

এই খসড়া তালিকায় প্রথমে আমাদের খোঁজা দরকার ঘৃণার কারবারীদের মুখে বারংবার উচ্চারিত এক কোটি রোহিঙ্গাদের। এই তালিকায় উদাহরণ হিসাবে এমন সাতটি বিধানসভা কেন্দ্র বেছে নেওয়া হচ্ছে যেখানে ভোটারদের ৭৫% মুসলমান। আমরা এই কেন্দ্রগুলোতে নো ম্যাপিং বা আন ম্যাপড ভোটারদের শতাংশগুলি দেখব— ডোমকল (০.৪২%), রানিনগর (০.৯১%), হরিহরপাড়া (০.৬%), সুজাপুর (০.৫%), রঘুনাথগঞ্জ (০.৭%), সামসেরগঞ্জ (১%) এবং লালগোলা (১.১%)। এই পরিসংখ্যান শুধু এক কোটি রোহিঙ্গার গাঁজাখুরি তত্ত্বের মুখোশ খুলছে না, একই সঙ্গে বিজেপির ধর্মীয় মেরুকরণের লক্ষ্যকেও উন্মোচিত করছে। কোনোরকম তথ্য প্রমাণ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী রাজ্যের সীমান্ত জেলাগুলিতে জনবিন্যাস পাল্টে যাবার যে অভিযোগ তুলেছিলেন, তার অসারতা প্রমাণ করছে।

এই ভোটার তালিকায় সবচেয়ে বেশি যাদের নাম বাদ পড়েছে তারা হলেন হিন্দু দলিত অর্থাৎ মতুয়া সম্প্রদায়। এক কথায় বলতে গেলে মতুয়ারা বিজেপির নাগরিকত্বের ফাঁদে ধরা পড়লেন। আমরা এবার দেখে নেব মতুয়া অধ্যুষিত বিধানসভা কেন্দ্র গুলোর অবস্থা— গাইঘাটা তফসিলি (১৪.৫১%), বাগদা তফসিলি ( ১২.৬৯%), কল্যাণী তফসিলি (১১.৯২%), বনগাঁ উত্তর তফসিলি (১১.৩%), রানাঘাট উত্তর-পূর্ব তফসিলি (১১.১৯%), বনগাঁ দক্ষিণ তফসিলি (১০.৮৩%), কৃষ্ণনগর তফসিলি (১০.৪৩%), রানাঘাট উত্তর পশ্চিম (১০.৪৮%), রানাঘাট দক্ষিণ তফসিলি (৯.৩২), স্বরূপনগর তফসিলি ( ৬.৮৭%)। সারা রাজ্যে নো ম্যাপিং এর গড় ৩.৯৯%, সেখানে মতুয়া প্রভাবিত এলাকাতেই রয়েছে গড় ৯.৪৩%। এককথায় এই খসড়া তালিকা মতুয়াদের জন্য বিপর্যয় ডেকে এনেছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
'সভ্যতা' থেকে বিচ্ছিন্ন আজও | টোটোপাড়ায় এসআইআর যে প্রশ্ন তুলছে

Totopara fears sparked by SIR: ধনঞ্জয় টোটো বলেন, আমরা ভোট দিতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছি, আমরা হিন্দু নই, তবু আমাদের হিন্দু সাজানো হচ্ছে! এটা এক নতুন বিপদ টোটোদের কাছে।

মতুয়াদের এই বিপর্যয়ের আশঙ্কা কিন্তু আগেই ছিল। এই খসড়া তালিকা, লক্ষ্য ভিন্ন হলেও আসামের এনআরসিকে মনে করিয়ে দিচ্ছে। ৫ বছর আগে সেই প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত তালিকায় ৩.২৯ কোটি আবেদনকারীদের মধ্যে ১৯ লাখ লোকের নাম বাদ যায়। আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সেই ১৯ লাখের মধ্যে ৭ লক্ষ মানুষ মুসলিম ও ১২ লক্ষ মানুষ হিন্দু। সেই হিন্দুদের মধ্যে আবার সংখ্যাগরিষ্ট হলো দলিত। সেখানেও বাংলাদেশ সংলগ্ন জেলাগুলোতে বাদ যাওয়ার শতাংশ ছিল তুলনায় কম যেমন শালমারা (৭.২২%), ধুবুরী (৮.২৫%), করিমগঞ্জ (৭.৬৭%)। নাম বাদ পড়া মানুষের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ছিল হোজাই (৩২.৯৯%) এবং দারাং (৩০.৯০%)। অনেকেই আশঙ্কা করেছিলেন যে হিন্দুদের মসিহা বলে দাবি করা বিজেপি সিএএ আদতে নাগরিকত্বের প্রশ্নটিকে জটিল করবে। বাস্তবে হলোও তাই। এসআইআরের ২০০২-এর শর্তটি ১৯৭১ পরবর্তী সময়ে আসা হিন্দু শরণার্থীদের জন্য একটি কাঠামোগত বাঁধা হয়ে দাঁড়াল। কারণ সব হারানো প্রান্তিক মানুষদের কাছে কাগজ ছিল না। এদের নাগরিকত্ব আইন সিএএ দিয়ে রক্ষা করার কথা বলা হচ্ছিল। অথচ আমরা দেখলাম এসআইআর ও সিএএ পরস্পর বিরোধী পক্ষ হয়ে মতুয়াদের বিশ বাঁও জলে ডুবিয়ে দিল।

এবারের খসড়া তালিকার একটি বড় বিষয় হলো হিন্দিভাষীদের নাম বাদ পড়া। একই সঙ্গে নো ম্যাপিং-এর সংখ্যাটাও যথেষ্ট বড়। হিন্দিভাষী মানুষ যে সব বিধানসভায় বেশি তাদের কিছু উদাহরণ দেখা যেতে পারে— ভাটপাড়া (বাদ ২০.৩৮% ,নো ম্যাপিং ৯.৩%), আসানসোল উত্তর (১৪.৭১%,৮.৭৪%), বালি (১৯.৫১%,১৭.৮১%), হাওড়া উত্তর (২৬.৯৫%,১২.৪২%)। আবার কলকাতার তিনটি আসনে বাদ পড়ার সংখ্যা গুরুত্বপূর্ণ— জোড়াসাঁকো (৩৬.৬৬%), চৌরঙ্গি (৩৫.৪৫%), কলকাতা পোর্ট (২৬.০৯%), কলকাতা উত্তর (২৫.১৩%) এবং কলকাতা দক্ষিণ (২৩.৮৬%)। গড়ে হিন্দিভাষী প্রবণ এলাকায় বাদ পড়ছে ১৫%-৩৬%। এই ঘটনার কারণ প্রধানত অর্থনৈতিক। তুলনায় অর্থনৈতিক ভাবে সমৃদ্ধ এলাকায় কাজের সন্ধানে যাওয়ার ফলে এই রিভার্স মাইগ্রেশনের কারণ হতে পারে। যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো ডেটা কারোর কাছে নেই।

এই খসড়া তালিকা বিশ্লেষণ করে কতগুলি প্রাথমিক ট্রেন্ড বেরিয়ে আসছে যা আগামী দিনে রাজ্য তথা দেশের রাজনীতিতে নিশ্চিত প্রভাব ফেলবে। প্রথমত, এই খসড়া বিজেপির অতিপ্রিয় 'অবৈধ, অনুপ্রবেশকারী মুসলমান' তত্ত্বের মুখোশ খুলে দিয়েছে। প্রমাণিত হয়েছে যে মুসলমানরা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী নয় বরং তাদের বেশিরভাগেরই প্রয়োজনীয় নথি আছে। দ্বিতীয়ত, দলিত হিন্দুদের (মতুয়া) অস্তিত্বকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। একই সঙ্গে মতুয়া সমাজের রাজনৈতিক নেতৃত্বের আচরিত রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।নির্বাচনী রাজনীতিতে কেউই চূড়ান্ত মিত্র নয় বরং নিজের সম্প্রদায়ের স্বার্থকে নিশ্চিত করার জন্য কখনও বাম, কখনও তৃণমূল, কখনও বিজেপির প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন তাদের নাগরিকত্বের সমস্যার সমাধান করতে পারেনি। রাজনৈতিক দলকে ব্যবহার করতে গিয়ে তারা নিজেরাই ব্যবহৃত হয়ে গেছে। তৃতীয়ত, হিন্দিভাষীরা প্রকৃত অর্থে বিজেপির মানদন্ডে বহিরাগত প্রমাণিত হয়েছে।চতুর্থত, যদিও বিধানসভা নির্বাচন কয়েক মাস দূরে, এসআইআরকে ঘিরে বিজেপির রাজনৈতিক পরিকল্পনা অনেকটাই ঘেঁটে গিয়েছে। মুসলমানদের ভোটার তালিকায় থেকে যাওয়া, মতুয়াদের নাম বাদ পড়া এবং একটা বড় অংশের হিন্দিভাষীদের তালিকায় না থাকা বিজেপিকে প্রকারান্তরে দুর্বল করবে। পঞ্চমত, সংখ্যার বিচারে কম হলেও কিছু নাগরিক সংগঠন, সমাজকর্মী বলছিলেন এসআইআর একটি নিরামিষ সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নয় বরং মানুষের ভোটাধিকার ও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার রাজনৈতিক কৌশল— এই খসড়া সেই বক্তব্যকে বৈধতা দিল।

মনে রাখতে হবে, এই তালিকা খসড়া মাত্র, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা তৈরি করার আগে এই দলদাস নির্বাচন কমিশন আরও কিছু কৌশল নেবে। তাই এসআইআরকে বিরোধ করার, তাঁর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যকে প্রশ্ন করার কাজটা জারি রাখতে হবে।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।