বাংলার রাজনীতিতে বিজেপির দিন শেষ? যে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে

বাংলার মানুষ বিজেপিকে আর বিশ্বাস করতে পারছে না। গেরুয়া-শিবিরের সিংহভাগ লোকজনও এমনটাই মনে করছেন। দলের কর্মীদের ধারণা, পরবর্তী নির্বাচনে দলের নির্বাচিত সাংসদ বা বিধায়কদের একজনের পক্ষেও আসন টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়।

Kanad Dasgupta
৫ মিনিট
বাংলার রাজনীতিতে বিজেপির দিন শেষ? যে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে

অদূর ভবিষ্যতেও বঙ্গ-রাজনীতির মূল স্রোতে বিজেপির ফেরা কঠিন। উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গের সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফলাফল স্পষ্টভাবে সেই বার্তাই দিয়েছে।

রাজ্যে একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রাপ্ত ভোট কমে এখন তলানিতে। বিধানসভা নির্বাচনে গেরুয়া শিবিরের পাওয়া ৩৮ শতাংশ ভোট কিছুদিন আগে হয়ে যাওয়া ১০৮টি পুরসভা ভোটে ঠেকেছিল ১৩ শতাংশে। সদ্যসমাপ্ত শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদ এবং দক্ষিণবঙ্গের ৬টি পুর ওয়ার্ডের উপনির্বাচনের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, এই মুহূর্তে ১৩ শতাংশ ভোটও বিজেপির সঙ্গে নেই। একদিকে সাধারণ মানুষ যখন ভোট দিচ্ছে না, তখনও বিজেপির অন্দরে চালু নিজস্ব 'গৃহদাহ কর্মসূচি'। ফলে এই দলকে ভরসাযোগ্য মনে করার ন্যূনতম কারণও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আর এই দায় বিজেপিকেই নিতে হবে।

এই প্রথমবার শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদ দখলে পেল তৃণমূল। গত ৫ বছর এই বোর্ড সামলেছে বামেরা। শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের অন্তর্গত গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট আসন ২২টি। এর মধ্যে তৃণমূল পেয়েছে ১৯টি। ত্রিশঙ্কু ৩। পঞ্চায়েত সমিতিতে ৬৬টি আসনের মধ্যে তৃণমূল ৫৪টি, বিজেপি ১০টি, নির্দল ২টি আসন পেয়েছে। মহকুমা পরিষদের ৯টি আসনের মধ্যে তৃণমূল ৮টি, বিজেপি ১টি পেয়েছে। দক্ষিণবঙ্গে যে ৬টি পুর ওয়ার্ডে উপনির্বাচন হয়েছে, তার ৪টিতে জিতেছে তৃণমূল। বাকি দু'টি গিয়েছে কংগ্রেস ও সিপিএমের ঝুলিতে। এই ফল বলছে, বঙ্গ-রাজনীতিতে অনেকটাই ঝাপসা হয়ে গিয়েছে বিজেপি। তবে জিতলে মহকুমা পরিষদের সভাধিপতি হতেন তৃণমূল প্রার্থী কাজল ঘোষ, এমনই জল্পনা ছিল নির্বাচনের আগে। নির্বাচনে তৃণমূলের জয়জয়কার হলেও খড়িবাড়ি ব্লকের বিন্নাবাড়ি-রানিগঞ্জ ৫ নম্বর আসনে বিজেপির এক অনামী প্রার্থী অজয় ওঁরাওয়ের কাছে হারতে হয়েছে শিলিগুড়ির এই ডাকসাইটে নেতা কাজল ঘোষকে। স্থানীয় তৃণমূলের একাংশ অবশ্য বলেছে, এই হারের পিছনে তীব্র দলীয় কোন্দল অনুঘটকের কাজ করেছে। সমস্যা ছিল প্রার্থীকে নিয়েই। ফলে এই জয়ে বিজেপির কৃতিত্ব কম।

সদ্যসমাপ্ত এই নির্বাচন ফের ঝুঝিয়েছে বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে জেলায় জেলায় গেরুয়া শিবিরে যে ধস নামতে শুরু করেছিল, তা অব্যাহত৷ পুরভোটের ফলাফলে তারই মাশুল গুনতে হয়েছে বিজেপিকে। বঙ্গ বিজেপিতে হয়েই চলেছে রক্তক্ষরণ। শুধু ব্লক, গ্রাম বা জেলা স্তরেই নয়, অভ্যন্তরীণ কোন্দলের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজ্য কমিটির গা থেকেও সশব্দে খসে পড়ছে পলস্তারা। রাজ্য নেতাদের একাংশ ক্রমাগত পরস্পরের বিরুদ্ধে কাদা ছুড়ছেন। তাতে সাধারণ মানুষ তো বটেই, দীর্ঘদিনের বিজেপি সমর্থকরাও এখন তিতিবিরক্ত। রাজনৈতিক প্রজ্ঞাহীন তথা সাংগঠনিক ভাবনাচিন্তাহীন কিছু লোকজন বঙ্গ বিজেপিকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এমন লোকজন অবশ্য আগেও ছিল। তবে তাঁরা গায়ে-গতরে খেটে ফাঁকটা ভরাট করার চেষ্টা করেছেন। ইদানীং সেই প্রচেষ্টা বিলুপ্ত হয়েছে। যে কোনও দলের শীর্ষ পদে কাউকে বাছাই করা হলে সেই ব্যক্তির বিশ্বস্ততা বা সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ন্যূনতম যোগ্যতা কতখানি, তা যাচাই করার পাশাপাশি দেখা হয় সেই ব্যক্তি কতখানি গ্ল্যামারাস, কতখানি পরীক্ষিত, তাঁর নামে কোনও পথসভায় পাঁচটা বাড়তি লোক আসেন কি না। বঙ্গ বিজেপির একাংশই বলেছেন, দলের রদবদলে এসবের কিছুই বিবেচিত হয়নি। বর্তমান রাজ্য সভাপতি শিক্ষিত, পরিশীলিত, মার্জিত এবং বিশ্বস্ত হলেও বাকি কোনও রাজনৈতিক গুণের অধিকার এখনও অর্জন করে উঠতে পারেননি। অন্যান্য পদাধিকারীরা এখনও জনমানসে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা প্রতিষ্ঠা করতে পারেননি। সাধারণ মানুষ জানেই না, ওই দলের অন্যান্য পদে কারা আছেন। এরা সম্ভবত এখনও আছেন অনেকটা 'অ্যাপ্রেন্টিস' মোডে। ছোট বা বড় ভোটের প্রচারে সামান্যতম দাগ কাটতেও যে এঁরা ব্যর্থ, তা প্রথম ধরা পড়ে কলকাতা পুরভোটের সময়। তারপর ১০৮টি পুরসভার ভোটেও একই ছবি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ত্রিপুরায় রাজধানী থেকেই নিকেশ বিজেপি, চাণক্যের নাম সুদীপ রায় বর্মন

Tripura Assembly by- Election | আগরতলায় জিতে আরও একবার দূরদর্শিতার প্রমাণ দিলেন সুদীপ রায় বর্মন।

সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনে তা আরও নগ্নভাবে সামনে এসেছে। বিগত বিধানসভা নির্বাচনের সময় যে যাইই ভাবুক, বাংলার মানুষ এখন আর বিজেপিকে তৃণমূলের বিকল্প শক্তি হিসেবে মানতেই চাইছে না। এই না-মানার একমাত্র কারণ, বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বর সামগ্রিক ব্যর্থতা। সাম্প্রতিক কোনও নির্বাচনের প্রচারেই তাঁরা মানুষের সামনে তুলে ধরতেই পারেননি ক্ষমতায় এলে তাঁরা কী কাজ করবেন। উত্তর বা দক্ষিণবঙ্গ, সর্বত্রই এক ছবি। বঙ্গ-বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা বর্তমান জাতীয় সহ-সভাপতি ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণ করতে যতখানি ব্যস্ত ছিলেন, তার একাংশ এনার্জিও দেখা যায়নি ভোট প্রচারে। বিরোধী দলনেতা ক্যামেরা ছাড়া কোথাও যান না, শুধুমাত্র প্রচারের ওপর টিকে আছেন। মোদি-শাহর স্টাইলে দু'-চারটি সভা করেই দায় সেরেছেন তথাকথিত রাজ্য নেতারা। যদি এই মানসিকতা নিয়ে ভোট করেন, তাহলে এর থেকে ভালো ফল হবে কেন? তাই প্রতি ভোটের শেষে বিজেপির 'ফটোকপি' বয়ান, "ভোট লুঠ হয়েছে, সন্ত্রাস হয়েছে, আমাদের ভোট দিতে দেওয়া হয়নি।" সাধারণ মানুষের কাছে প্রত্যাখ্যাত বঙ্গ বিজেপির ভাবখানা এমনই, "একটুর জন্য ক্ষমতা হাতছাড়া হয়েছে। মানুষ ভোট দিতে পারলেই আমাদের জয় নিশ্চিত ছিল।" একবারও ভাবছে না, দিশাহীন, নড়বড়ে এই বিজেপিকে সাধারণ মানুষ কেন ভোট দেবে?

গত বিধানসভা ভোটে শিলিগুড়ি পুর এলাকায় ভালো ফল করেছিল বিজেপি। এবার সেসব ছবি হয়ে গিয়েছে। দলের বিধায়ক নিজের বুথে, নিজের পাড়ার হেরেছেন। ঘুরে দাঁড়ানো তো দূরের কথা, নিজেদের ভোটও ধরে রাখতে পারেনি বিজেপি। আসানসোলে জিতেন্দ্র তিওয়ারি, অগ্নিমিত্রা পলেরা নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। পর পর দু'বারের সাংসদ বাবুলের অনুপস্থিতি হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে বিজেপি। গেরুয়া-শিবির এমন কাউকে সামনে রাখতে পারেনি, যার হাত ধরে, যার বুদ্ধিতে, দল ঘুরে দাঁড়াতেই পারে। একই ছবি সর্বত্র। মমতা-সুনামিতে খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়েছে পদ্ম-বাহিনী। কোথাও তৃতীয়, কোথাও চতুর্থ হয়েও ঢাক পেটানো বন্ধ করছে না কিছু নেতা। নিশ্চিহ্ন হয়েও অশৌচ পালনের কোনও তাগিদই নেই বঙ্গ বিজেপির। এর আগে রাজ্যজুড়ে হয়ে যাওয়া পুরভোটের পর কর্মীরা প্রশ্ন তুলেছিলেন, ভোটের দিন পুর এলাকাগুলিতে দলের ক'জন কর্মী সক্রিয় ছিলেন? কেন তাঁরা ছিলেন না? রাজ্য নেতারা একবারও তা ভেবেছেন? নেতাদের ভাবার সময় কোথায় ? কেউ ব্যস্ত মিডিয়ায় বিপ্লব করতে, কেউ ব্যস্ত আজগুবি, অপ্রাসঙ্গিক কথা বলে নিজেকে প্রাসঙ্গিক রাখতে, আবার কেউ কেউ দূরে দাঁড়িয়ে মজা লুটছেন, কখন এই বিজেপি মুখ থুবড়ে পড়ে! এমন হবুচন্দ্রর দলের ভবিষ্যৎ কী হতে পারে, তা বুঝতে রকেট-সায়েন্টিস্ট হতে হবে না।

বিজেপির নিচুতলার কর্মীরা সংগতভাবেই তাই আজ প্রশ্ন তুলছেন, তৃণমূলের সন্ত্রাসের জন্য দলের ভরাডুবি হচ্ছে, অজুহাত হিসেবে এমন কথা আর কতদিন বলা হবে? দলের নেতা-বিধায়কদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশকে কেন এলাকায় এলাকায় মাটি কামড়ে পড়ে থাকতে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে না? কলকাতার মতো তৃণমূল-দুর্গে জয়ী বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ শাসক দলের চোখে চোখ রেখে কথা বলে সাফল্য পেয়েছেন। সেটা দেখার পরেও কেন রাজ্য নেতাদের চৈতন্য হলো না?

বিজেপি এভাবে ধরাশায়ী হওয়ায় মুছে যাওয়া বামেরা এখন আহ্লাদিত। সিপিএম নেতা-কর্মীরা বলছেন, বাংলার বিরোধী রাজনীতির পরিসরে উঠে আসছে বামেরা। উঠে আসার নমুনা হিসেবে চন্দননগরের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ের কথা তুলে ধরছে। কিন্তু একবারও বলছে না, উত্তরবঙ্গের নির্বাচনে কেন ধরাশায়ী হতে হলো।

আসলে বাংলার মানুষ বিজেপিকে আর বিশ্বাস করতে পারছে না। গেরুয়া-শিবিরের সিংহভাগ লোকজনও এমনটাই মনে করছেন। দলের কর্মীদের ধারণা, পরবর্তী নির্বাচনে দলের নির্বাচিত সাংসদ বা বিধায়কদের একজনের পক্ষেও আসন টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। তাঁরা বলছেন, এখনই বলে দেওয়া যায়, সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত প্রত্যাখ্যানই অপেক্ষা করছে বিজেপির জন্য।

বঙ্গ-রাজনীতির মূল পর্বে সম্ভবত আর কখনওই খেলতে পারবে না ভারতীয় জনতা পার্টি।

লিখেছেন
Kanad Dasgupta
Kanad Dasgupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সিজেপির কর্মসূচির আগে ৬ হাজার পুলিশ, দুর্ভেদ্য দুর্গ কনট প্লেস

Connaught Place protest: সিজেপির কর্মসূচির আগে কনট প্লেস এবং তার আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে দিল্লি পুলিশ। কনট প্লেসের আশপাশে ৬ হাজারেরও বেশি পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?