ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় ছাড়! যেভাবে বছরের পর বছর গান্ধী পরিবারকে হেনস্থা করা হয়েছে

National Herald Case: এই মামলায় ইডির অভিযোগের উৎস ছিল একটি private complaint, অর্থাৎ ব্যক্তিগত অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি আদালতে এসেছে। কিন্তু সেই অভিযোগের সঙ্গে সরাসরি কোনো এফআইআর যুক্ত ছিল না।

inscript
৫ মিনিট
ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় ছাড়! যেভাবে বছরের পর বছর গান্ধী পরিবারকে হেনস্থা করা হয়েছে

ভারতীয় রাজনীতিতে এমন কিছু মামলা আছে, যা কেবল আইনের পরিসরে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক বিতর্ক, ক্ষমতার সংঘাত এবং রাষ্ট্রীয় সংস্থার ভূমিকা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে ধরে। ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলা তেমনই এক দীর্ঘস্থায়ী ও বহুমাত্রিক বিতর্কের নাম। প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা এই মামলাটি আবার নতুন করে আলোচনায় এসেছে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতের এক গুরুত্বপূর্ণ রায়ের পর।

ন্যাশনাল হেরাল্ড ঘিরে একের পর এক সমন, জিজ্ঞাসাবাদ, আদালতে হাজিরা এবং সম্পত্তি সংযুক্তির মতো পদক্ষেপ নিতে দেখা গিয়েছে তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে। প্রতিবারই এই পদক্ষেপগুলির সঙ্গে রাজনৈতিক আবহে একটি বার্তা স্পষ্ট ছিল— দেশের অন্যতম প্রধান বিরোধী দল ও তার নেতৃত্ব ‘দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত’। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে অভিযোগের আইনি ভিত্তি কতটা মজবুত, সেই প্রশ্নটি বারবারই অনালোচিত থেকে গিয়েছে।

এই মামলার সূচনা হয় ২০১২ সালে। সেই সময় বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী আদালতের দ্বারস্থ হয়ে একটি ফৌজদারি অভিযোগ দায়ের করেন, যার কেন্দ্রে ছিল অ্যাসোসিয়েটেড জার্নালস লিমিটেড (Associated Journals Limited) নামে একটি সংস্থা। এই সংস্থাই একসময় ন্যাশনাল হেরাল্ড পত্রিকা প্রকাশ করত, যা ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে। অভিযোগে বলা হয়, অ্যাসোসিয়েটেড জার্নালস লিমিটেডের বিপুল সম্পত্তি ও আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে অনিয়ম হয়েছে এবং সেই অনিয়মের সুবিধাভোগী হিসেবে উঠে আসে আরেকটি সংস্থার নাম— ইয়ং ইন্ডিয়ান প্রাইভেট লিমিটেড (Young Indian Private Limited)।

সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর অভিযোগ অনুযায়ী, কংগ্রেস দল অ্যাসোসিয়েটেড জার্নালস লিমিটেডকে আর্থিক সহায়তা হিসেবে ঋণ দিয়েছিল। পরে সেই ঋণের বিনিময়ে অ্যাসোসিয়েটেড জার্নালস লিমিটেডের নিয়ন্ত্রণ কার্যত চলে যায় ইয়ং ইন্ডিয়ানের হাতে। এই ইয়ং ইন্ডিয়ান সংস্থার প্রধান শেয়ারহোল্ডার ছিলেন কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধী। অভিযোগ ছিল, নামমাত্র মূল্যে বিপুল সম্পত্তি হাতবদল হয়েছে এবং সেই প্রক্রিয়া আইনি ভাবে স্বচ্ছ ছিল না। সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর দাবি, এটি ছিল একটি সুপরিকল্পিত আর্থিক কৌশল, যার মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তর করা হয়েছে বেআইনি পথে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নেহরু-নৈতিকতার বিসর্জন! ভারতের বিদেশনীতিতে দ্বিচারিতার যে ছায়া

India's Foreign Policy: যে ভারত একসময় নিরস্ত্রীকরণ, মানবাধিকার ও আত্মনিয়ন্ত্রণের পক্ষে নেতৃত্ব দিত, সে আজ অস্ত্র ও নজরদারি চুক্তির মোহে নিজেদের নীতিগত ভিত্তি বিসর্জন দিচ্ছে।

২০১৪ সালে দিল্লির একটি আদালত এই অভিযোগ গ্রহণ করে। এখান থেকেই মামলাটি আনুষ্ঠানিক আইনি যাত্রা শুরু করে। প্রাথমিক শুনানির পাশাপাশি বিভিন্ন নথি ও লেনদেনের খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখতে শুরু করে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। এই পর্যায়ে বিষয়টি মূলত আদালতের সীমার মধ্যেই ছিল এবং তখনও কোনো মানি লন্ডারিং সংক্রান্ত মামলা আনুষ্ঠানিক ভাবে সামনে আসেনি।

২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে মামলাটি নতুন গতি পায়। ইডি (Enforcement Directorate) এবং অন্যান্য তদন্তকারী সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড জার্নালস লিমিটেড ও ইয়ং ইন্ডিয়ান প্রাইভেট লিমিটেডের আর্থিক লেনদেন, সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা এবং শেয়ার কাঠামো নিয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে শুরু করে। যদিও এই সময়ে মামলাটি এখনও তদন্ত স্তরেই ছিল এবং বিচার প্রক্রিয়া কার্যত শুরু হয়নি, তবু রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি ক্রমশ বড় ইস্যুতে পরিণত হতে থাকে।

২০২১ সালকে এই মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁক হিসেবে ধরা হয়। এই বছর থেকেই ইডি আনুষ্ঠানিক ভাবে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন (PMLA)-এর আওতায় বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করে। তদন্তকারী সংস্থার বক্তব্য ছিল, অ্যাসোসিয়েটেড জার্নালস লিমিটেড ও ইয়ং ইন্ডিয়ান প্রাইভেট লিমিটেডের মধ্যকার আর্থিক লেনদেনের মধ্যে মানি লন্ডারিং-এর প্রাথমিক ইঙ্গিত রয়েছে। বিপুল অঙ্কের সম্পত্তি ও অর্থের গতিপথ নিয়ে প্রশ্ন তুলে ইডি দাবি করে, এটি কেবল একটি কর্পোরেট পুনর্গঠন নয়, বরং সম্ভাব্য আর্থিক অপরাধ।

এই তদন্ত দীর্ঘ সময় ধরে চলার পর ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে বড় পদক্ষেপ নেয় ইডি। ১৫ এপ্রিল আদালতে একটি চার্জশিট দাখিল করা হয়, যেখানে সনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী ছাড়াও স্যাম পিত্রোদা ও সুমন দুবের নাম উল্লেখ করা হয়। চার্জশিটে বলা হয়, অ্যাসোসিয়েটেড জার্নালস লিমিটেডের সম্পত্তি ইয়ং ইন্ডিয়ানের মাধ্যমে কম দামে অধিগ্রহণ করা হয়েছে এবং সেই প্রক্রিয়াটি মানি লন্ডারিং-এর আওতাভুক্ত। ইডির দাবি অনুযায়ী, এই সম্পত্তি হস্তান্তরের ফলে গান্ধী পরিবারের আর্থিক লাভ হয়েছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কেন পিকের সঙ্গে বৈঠক প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর?

Priyanka Gandhi Meet Prashant Kishor: ২০২২ সালে পিকের কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, এমনকি দলীয় কৌশল পুনর্গঠন নিয়ে একাধিক প্রস্তাবও তিনি রেখেছিলেন।

এই সময়েই ইডি বিভিন্ন পর্যায়ে অ্যাসোসিয়েটেড জার্নালস লিমিটেডের সম্পত্তি সংযুক্ত করে এবং আদালতে জানায় যে এগুলি ‘অপরাধ থেকে পাওয়া টাকা' (proceeds of crime) হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। মে মাসে আদালতে এই চার্জশিট নিয়ে শুনানি শুরু হয়। ইডি জোর দিয়ে বলে, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের অধীনে এই মামলার বিচার হওয়া উচিত। তবে এখানেই আইনি জটিলতা সামনে আসে। কারণ, মানি লন্ডারিং মামলার ক্ষেত্রে যে ‘predicate offence’ বা মূল অপরাধের ভিত্তিতে এফআইআর থাকা জরুরি, তা এই ক্ষেত্রে স্পষ্ট ছিল না। মামলাটি মূলত একটি ব্যক্তিগত অভিযোগের উপর দাঁড়িয়ে ছিল।

দীর্ঘ শুনানির পর ২০২৫ সালের জুলাই মাসে আদালত রায় সংরক্ষণ করে। রাজনৈতিক মহলে তখন থেকেই জল্পনা শুরু হয়, আদালতের সিদ্ধান্ত কোন দিকে যাবে। অবশেষে ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫-এ দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত রায় ঘোষণা করে। আদালত জানায়, ইডির দাখিল করা মানি লন্ডারিং চার্জশিটের উপর এই মুহূর্তে ‘cognisance’ নেওয়া সম্ভব নয় অর্থাৎ আদালতের মামলাটি গ্রহণ করা সম্ভব নয়।

কেন ইডির অভিযোগ গ্রহণযোগ্য নয়?

আদালতের প্রথম এবং প্রধান যুক্তি ছিল মানি লন্ডারিং-এর আইনের মৌলিক শর্ত ঘিরে। বিচারকের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, মানি লন্ডারিংয়ের মামলা শুরু করার জন্য অবশ্যই একটি ‘predicate offence’ বা মূল অপরাধ থাকতে হবে, যার ভিত্তিতে একটি বৈধ এফআইআর নথিভুক্ত হওয়া জরুরি। এই মামলায় ইডির অভিযোগের উৎস ছিল একটি private complaint, অর্থাৎ ব্যক্তিগত অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি আদালতে এসেছে। কিন্তু সেই অভিযোগের সঙ্গে সরাসরি কোনো এফআইআর যুক্ত ছিল না। আদালতের মতে, এই পরিস্থিতিতে মানি লন্ডারিং-এর আওতায় মামলা গ্রহণ করা আইনত সম্ভব নয়। ফলে ইডির দাখিল করা অভিযোগকে এই পর্যায়ে ‘maintainable’ (গ্রহণযোগ্য) বলা যায় না। প্রশ্ন থাকছেই, এই অভিযোগ যেভাবে দাখিল করা হয়েছে, তা যদি গ্রহণ করা সম্ভব নাই হয়, তবে এত বছর ধরে এই মামলার ভার বহন করতে হলো কেন?

দ্বিতীয়ত, আদালত বিশেষভাবে জোর দিয়ে জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে মামলার বিষয়বস্তুর সত্যতা বা অভিযোগের নৈতিকতা সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করা হচ্ছে না। অর্থাৎ, সনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধী দোষী না নির্দোষ এই প্রশ্নে আদালত এখনও কোনো অবস্থান নেয়নি। বিচারক স্পষ্ট করেছেন, বর্তমান রায় কেবলমাত্র আইনি গ্রহণযোগ্যতা বা procedural validity সংক্রান্ত। ইডির অভিযোগ আইনগত কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলেই বিচার প্রক্রিয়া শুরু করা যাচ্ছে না, কিন্তু এতে অভিযোগের সারবত্তা নিয়ে কোনো চূড়ান্ত মত দেওয়া হয়নি।

তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ যুক্তিতে আদালত আরও একটি দিক তুলে ধরে। বিচারকের নজরে আনা হয়, দিল্লি পুলিশের অর্থনৈতিক অপরাধ দমন শাখা (Economic Offences Wing) ইতোমধ্যেই একই আর্থিক লেনদেন ও সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে একটি এফআইআর নথিভুক্ত করেছে। অর্থাৎ, যে অপরাধকে ‘predicate offence’ বা মূল অপরাধ হিসেবে ধরা যেতে পারে, তার একটি আইনি ভিত্তি ইতোমধ্যেই বিদ্যমান। আদালতের মতে, ইডি চাইলে সেই এফআইআরের উপর ভিত্তি করেই মানি লন্ডারিং অনুযায়ী তদন্ত চালাতে পারে। আইন অনুযায়ী সেই পথ খোলা রয়েছে, কিন্তু বর্তমান অভিযোগ যেভাবে দাখিল করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা সম্ভব নয়।

প্রসঙ্গত, এই রায়ের আইনি তাৎপর্য অত্যন্ত গভীর। মানি লন্ডারিং-এর মতো কঠোর আইনের ক্ষেত্রেও প্রক্রিয়াগত সঠিকতার প্রশ্নে আদালত আপস করতে রাজি নয়, এই বার্তাই উঠে এসেছে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক দিক থেকেও এই মামলা দীর্ঘদিন ধরেই কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে সংঘাতের অন্যতম অস্ত্র হয়ে উঠেছে। কংগ্রেস এই রায়কে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বিরুদ্ধে আইনি জয় হিসেবে দেখছে, অন্যদিকে বিজেপির বক্তব্য, এটি মামলার শেষ নয়, বরং একটি পর্যায় মাত্র। ভবিষ্যতে এই মামলা কোন দিকে মোড় নেয়, তা নির্ভর করবে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ ও উচ্চ আদালতের অবস্থানের উপর। কিন্তু আপাতত এটুকু স্পষ্ট, ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় ‘ছাড়’ শুধু একটি আইনি সিদ্ধান্ত নয়, এটি বছরের পর বছর ধরে চলা রাজনৈতিক হেনস্থার অভিযোগকে নতুন করে সামনে এনে দিয়েছে।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সিজেপির কর্মসূচির আগে ৬ হাজার পুলিশ, দুর্ভেদ্য দুর্গ কনট প্লেস

Connaught Place protest: সিজেপির কর্মসূচির আগে কনট প্লেস এবং তার আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে দিল্লি পুলিশ। কনট প্লেসের আশপাশে ৬ হাজারেরও বেশি পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?