অগ্নিপথ থেকে দলীয় কোন্দল, ঘরে-বাইরে চাপ! এই মুহূর্তে নির্বাচন হলে কী হবে বিজেপির?

ঘরে-বাইরে অস্বস্তি বেড়েই চলেছে বিজেপি-র। পরিস্থিতি যেদিকে গড়াচ্ছে, তা দেখে রাজনৈতিক মহলের অভিমত, এই মুহূর্তে লোকসভা নির্বাচন হলে বিজেপির পরাজয় নিশ্চিত।

Kanad Dasgupta
৪ মিনিট
অগ্নিপথ থেকে দলীয় কোন্দল, ঘরে-বাইরে চাপ! এই মুহূর্তে নির্বাচন হলে কী হবে বিজেপির?

ঘরে-বাইরে অস্বস্তি বেড়েই চলেছে বিজেপি-র। পরিস্থিতি যেদিকে গড়াচ্ছে, তা দেখে রাজনৈতিক মহলের অভিমত, এই মুহূর্তে লোকসভা নির্বাচন হলে বিজেপির পরাজয় নিশ্চিত।

'অগ্নিপথ’ নিয়ে বিহার, হরিয়ানা, তেলেঙ্গানা-সহ একাধিক রাজ্য অগ্নিগর্ভ। প্রতিবাদীদের অগ্নিসংযোগের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত রেলের ক্ষতি হয়েছে ৭০০ কোটি টাকার। পরিস্থিতি সামাল দিতে তিন সেনাপ্রধানের সঙ্গে রবিবার জরুরি বৈঠক করতে হয়েছে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-কে। আলোচনার পর সরকারের তরফে সাংবাদিক বৈঠক পর্যন্ত করেছেন সেনাকর্তারা। তবুও ছবি বদলাচ্ছে না।

আর এর মাঝেই আগুনে ঘি ঢেলেছেন বিজেপির অন্যতম সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এবং পশ্চিমবঙ্গে দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। রবিবার মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে এই অগ্নিপথ প্রকল্প কত ভালো তা বোঝাতে গিয়ে বলেছেন, ‘অগ্নিবীরদের বিজেপি অফিসে গার্ডের চাকরি দেব।' এই বেফাঁস মন্তব্য আন্দোলনকারীদের হাত আরও শক্ত করে দিচ্ছে। বিরোধী নেতা-নেত্রীরা তো বটেই, বিজেপি সাংসদ বরুণ গান্ধীও এই মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করে এক টুইটে বলেছেন, ‘সেনাবাহিনীতে যোগদান শুধুমাত্র একটি চাকরি নয়। দেশের সেবা। এই কথা বুঝতে হবে।’ কংগ্রেস মুখপাত্র সাংসদ জয়রাম রমেশের বলেছেন, "আজ বোঝা যাচ্ছে, ২০১৯ সালে কেন বিজেপির প্রচার স্লোগান ছিল, ‘ম্যায় ভি চৌকিদার।" তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে টুইট করে বলা হয়েছে, ‘দেশের যুবসমাজের দায়িত্ব বিজেপি অফিসের দ্বাররক্ষী হওয়া নয়। যুবসমাজ দেশের সেবা করতে চায়। প্রধানমন্ত্রীর উচিত এই মন্তব্যের ক্ল্যারিফিকেশন দেওয়া।’

The youth of India is not meant to be door keepers of

offices.

The young power wants to serve this nation unlike the Modi government. The Prime Minister should clarify whether these are also comments by 'fringe' elements.

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
অগ্নিপথ-এর নেপথ্যে আসলে আরএসএস? যে প্রশ্ন উঠে আসছে

যে প্রশ্ন দু'-একদিন ধরে মাথাচাড়া দিয়েছে, তা হল এটা নিছক কোনও প্রকল্প কি? এর মধ্য দিয়ে সেনার গায়ে গেরুয়া রং লেপে দেওয়ার কোনও ফন্দি নয় তো? প্রশ্ন উঠছে, সেনার নিয়ন্ত্রণ নিতে এটি আরএসএস-এর গুপ্ত এজেন্ডা নয় তো?

— All India Trinamool Congress (@AITCofficial)

শুধু কৈলাস বিজয়বর্গীয় নন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জি কিষেন রেড্ডিও এই বিতর্ক আরও উসকে দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট বলেছেন, ‘অগ্নিপথে দক্ষতা বৃদ্ধির পথেও হাঁটবে কেন্দ্র। নাপিত, ধোপা, ইলেকট্রিশিয়ান, ড্রাইভারের কাজ শেখানো হবে। ৪ বছর ট্রেনিংয়ের পর এই ট্রেনিং তাঁদের কাজে লাগবে।’

প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি যুবকদের বাহিনীতে নেওয়া হবে এসব কাজ করানোর জন্যই? যুব সম্প্রদায় দেশের সেবা করবে বলে সেনা হতে চায়। বিজেপি পার্টি অফিসের দারোয়ান বা ধোপা, নাপিত, ড্রাইভার হতে কেউ সেনাবাহিনীতে যোগ দেয় না। বিজেপি দেশের যুব সম্প্রদায়কে ঠান্ডা মাথায় অপমান করছে। গেরুয়া নেতাদের এই ধরনের মন্তব্যে বিজেপি শীর্ষ নেতারা আরও চাপে পড়ে গিয়েছেন।

অন্যদিকে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে 'ক্রস ভোটিং'-এর বেনজির চাপে বিজেপি। ভোটের পাটিগণিত বলছে, এনডিএ প্রার্থীকে জিতিয়ে আনতে ন্যূনতম যত সংখ্যক ভোট প্রয়োজন, তার থেকে কম পড়ছে ২.৯৭ শতাংশ ভোট। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয় গোপন ব্যালটে। এই ভোটে কোনও দলীয় ‘হুইপ’ দেওয়া যায় না। প্রেফারেন্স ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হন রাষ্ট্রপতি ৷ প্রেফারেন্স ভোট দেওয়া যায় এমন প্রযুক্তি থাকা ইভিএম এখনও তৈরিই হয়নি। ফলে ভোট হবে সেই ব্যালট পেপারের মাধ্যমেই। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য যে ধরনের ব্যালট পেপার ব্যবহার করা হয়, সেখানে থাকে মাত্র দু'টি কলাম। বাঁদিকের কলামে এই ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থীদের নাম থাকে। আর ডানদিকে প্রত্যেক প্রার্থীর নামের পাশে থাকে ফাঁকা চৌকো বাক্স। এই বাক্সেই ভোটাররা নিজেদের পছন্দ অনুসারে ১,২,৩ লিখে দেন। কোনও প্রার্থীর নামের পাশে '১' লেখার অর্থ, সংশ্লিষ্ট ভোটার ওই প্রার্থীকেই ফার্স্ট প্রেফারেন্স ভোট দিয়েছেন‌‌। এভাবেই সেকেন্ড, থার্ড প্রেফারেন্স ভোট দেওয়া যায়। এইখানেই রক্তচাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে মোদি, শাহ, নাড্ডার। মন্ত্রিত্ব না পাওয়া বা মন্ত্রিত্ব খোয়ানো মানেকা গান্ধী, বরুণ গান্ধী, রবিশঙ্কর প্রসাদ, প্রকাশ জাভরেকর, জয়ন্ত সিনহার মতো কয়েক ডজন বিজেপি সাংসদ দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষোভে ফুঁসছেন। গোপন ব্যালটের সুযোগ নিয়ে এই সাংসদরা বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বকে 'শিক্ষা' দিতে পারেন, এমন উদ্বেগেই ঘুম ছুটেছে মোদি-শাহ-র।

এইসব চাপ সামলাতেই যখন দিশাহারা বিজেপি, ঠিক তখনই দলের অন্দর থেকেই বড়সড় তোপ ধেয়ে গিয়েছে শীর্ষ গেরুয়া নেতৃত্বের দিকে। এই তোপ সামলাতে না পারলে পদ্ম-শিবিরের ছন্নছাড়া চেহারা প্রকাশ্যে চলে আসতে পারে।

নরেন্দ্র মোদি যেভাবে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিক্রি করার মহাযজ্ঞে নেমেছেন, তার প্রতিবাদে ‘সেভ সিপিএসইউ, সেভ নেশন’ কর্মসূচি নিয়ে এবার পথে নামছে বিজেপির শ্রমিক সংগঠন, ভারতীয় মজদুর সংঘ বা বিএমএস।

বিজেপির শ্রমিক শাখার প্রস্তাবিত এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বলা হয়েছে দেশের মোট ৬-টি শহরে জাতীয় সমাবেশ করা হবে৷ এই ৬-টি শহরের মধ্যে চারটি শহরই বিজেপি-শাসিত রাজ্যের অন্তর্গত। বিএমএস স্পষ্ট জানিয়েছে, উত্তরপ্রদেশ থেকেই প্রতিবাদ আন্দোলন শুরু হবে৷ আগামী ১০ জুলাই উত্তরপ্রদেশের কানপুরে হবে মোদির রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিক্রির প্রতিবাদে প্রথম জাতীয় সমাবেশ। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, প্রধানমন্ত্রী নিজেই উত্তরপ্রদেশের সাংসদ। আর সেই রাজ্যে দাঁড়িয়েই বিজেপির শ্রমিক সংগঠন বিএমএস মোদির বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কানপুর সমাবেশের পর বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলির আর কোন শহরে জাতীয় সমাবেশ করবে বিএমএস, তাও জানিয়েছেন সংগঠনের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বিনয়কুমার সিনহা। তিনি বলেছেন, আগামী ৩১ জুলাই মধ্যপ্রদেশের ভূপালে সমাবেশ হবে। হরিয়ানার আম্বালায় সমাবেশ হবে আগামী ৭ আগস্ট৷ অসমের গুয়াহাটিতেও এই ইস্যুতে জাতীয় সমাবেশ হবে। বিজেপি-শাসিত এই ৪ রাজ্যের পাশাপাশি আগামী ২৪ জুলাই কেরলের কোচিতে এবং ২৯ আগস্ট ওড়িশার ভুবনেশ্বরে জাতীয় সমাবেশ করবে বিএমএস। গেরুয়া শিবিরের শ্রমিক সংগঠনের এই ধরনের কেন্দ্র- বিরোধী আন্দোলনকে যথেষ্টই গুরুত্ব দিচ্ছে রাজনৈতিক মহল। বিরোধী দলগুলির সুরেই ভারতীয় মজদুর সংঘ বলেছে, দেশের একাধিক রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বেসরকারিকরণের উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। দেখা গিয়েছে, অনেক ক্ষেত্রেই বাণিজ্যিকীকরণের পথেই হাঁটতে চায় কেন্দ্র। সরকারের এমন সিদ্ধান্ত শ্রমিক-কর্মচারীদের স্বার্থবিরোধী। এর ফলে হাজার হাজার মানুষের চাকরি খোয়ানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রের এই কাজের প্রতিবাদ জানানো জরুরি। বিএমএস জানিয়েছে, তাদের এই ‘সেভ সিপিএসইউ, সেভ নেশন’ কর্মসূচিতে দেশের পাওয়ার, টেলিকম, ব্যাঙ্কিং, ইঞ্জিনিয়ারিং, বিমা'র মতো রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার কর্মীরা তো বটেই, একই সঙ্গে প্রতিরক্ষা, রেল, ডাক বিভাগে কর্মরত কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরাও যোগ দেবেন। প্রথম দফার এই কর্মসূচিতে কেন্দ্রের ঘুম না ভাঙলে পরবর্তীতে এই ইস্যুতেই জাতীয় স্তরে অন্যান্য বাম ও ডানপন্থী শ্রমিক সংগঠনগুলির সঙ্গেও যৌথভাবে মোদি-বিরোধী আন্দোলনে নামতে পারে বিএমএস, এমন ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে।

সব মিলিয়ে প্রবল ঘরোয়া দ্বন্দ্বে প্রায় বিবস্ত্র হওয়ার মুখে ভারতীয় জনতা পার্টি।

লিখেছেন
Kanad Dasgupta
Kanad Dasgupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।