কোবিন্দের উত্তরসূরি খুঁজতে ভোট ১৮ জুলাই, কী ভাবে হয় দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন?

ভারতীয় সংবিধানের ৬২তম অনুচ্ছেদ অনুসারে, বিদায়ী রাষ্ট্রপতির পদের মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে তৈরি হওয়া শূন্যপদ বিদায়ী রাষ্ট্রপতির মেয়াদ শেষের আগেই নির্বাচনের মাধ্যমে পূরণ করতে হবে। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ৬০ দিনের মধ্যে জারি করতে হবে নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি।

tiasa gupta
৪ মিনিট
কোবিন্দের উত্তরসূরি খুঁজতে ভোট ১৮ জুলাই, কী ভাবে হয় দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন?

নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ভোটের দিন ঘোষণা করে দিল নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন যে দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে তাতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করতে ভোটগ্রহণ হবে ১৮ জুলাই। আর ভোটের গণনা হবে ২১ জুলাই। ৫ বছরের মেয়াদকাল থাকে একজন রাষ্ট্রপতির। সেদিক থেকে দেখলে বর্তমান রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের মেয়াদকাল শেষ হতে চলেছে। আর এই মেয়াদকাল শেষ হচ্ছে চলতি বছরের ২৪ জুলাই। সুতরাং তার আগেই নয়া রাষ্ট্রপতি নির্বাচন জরুরি। সেই কারণে ১৮ জুলাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। এই ভোটে দেশের মানুষ প্রত্যক্ষভাবে অংশ নেবেন না। তাঁদের হয়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেবেন এবং এই ভোটের দ্বারা বেছে নেওয়া হবে দেশের ১৬ তম প্রেসিডেন্টকে। ভারতীয় সংবিধানের ৬২তম অনুচ্ছেদ অনুসারে, বিদায়ী রাষ্ট্রপতির পদের মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে তৈরি হওয়া শূন্যপদ বিদায়ী রাষ্ট্রপতির মেয়াদ শেষের আগেই নির্বাচনের মাধ্যমে পূরণ করতে হবে। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ৬০ দিনের মধ্যে জারি করতে হবে নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি।

নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ভোটের দিন ঘোষণা করে দিল নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন যে দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে তাতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করতে ভোটগ্রহণ হবে ১৮ জুলাই। আর ভোটের গণনা হবে ২১ জুলাই। ৫ বছরের মেয়াদকাল থাকে একজন রাষ্ট্রপতির। সেদিক থেকে দেখলে বর্তমান রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের মেয়াদকাল শেষ হতে চলেছে। আর এই মেয়াদকাল শেষ হচ্ছে চলতি বছরের ২৪ জুলাই। সুতরাং তার আগেই নয়া রাষ্ট্রপতি নির্বাচন জরুরি। সেই কারণে ১৮ জুলাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। এই ভোটে দেশের মানুষ প্রত্যক্ষভাবে অংশ নেবেন না। তাঁদের হয়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেবেন এবং এই ভোটের দ্বারা বেছে নেওয়া হবে দেশের ১৬ তম প্রেসিডেন্টকে। ভারতীয় সংবিধানের ৬২তম অনুচ্ছেদ অনুসারে, বিদায়ী রাষ্ট্রপতির পদের মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে তৈরি হওয়া শূন্যপদ বিদায়ী রাষ্ট্রপতির মেয়াদ শেষের আগেই নির্বাচনের মাধ্যমে পূরণ করতে হবে। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ৬০ দিনের মধ্যে জারি করতে হবে নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতি

ভারতের রাষ্ট্রপতি পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতির সাহায্যে বিশেষ নির্বাচকমণ্ডলীর দ্বারা নির্বাচিত হন। সংবিধান অনুসারে ভারতের প্রথম নাগরিক রাষ্ট্রপতি। সংবিধানের ৫৪ নম্বর ধারা অনুযায়ী তিনি একটি পৃথক নির্বাচকমণ্ডলী দ্বারা গঠিত নির্বাচক সংস্থা কর্তৃক হস্তান্তরযোগ্য সমানুপাতিক প্রতিনিধিত্বের নীতিতে নির্বাচিত হন।

কারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করেন?

মূলত ইলেক্টোরাল কলেজের সদস্যদের দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। সংসদের উভয় কক্ষের নির্বাচিত সদস্য এবং দিল্লি ও পুদুচেরির পাশাপাশি সমস্ত রাজ্যের আইনসভার নির্বাচিত সদস্যদের ভোটদানের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। রাজ্যসভা, লোকসভা ও বিধানসভার মনোনীত সদস্যরা এবং বিধান পরিষদের সদস্যরা ভোট দিতে পারবেন না। সুতরাং, ইলেক্টোরাল কলেজে ৫৪৩ জন লোকসভার সাংসদ, ২৩৩ জন রাজ্যসভার সাংসদ এবং ৪,১২০ জন বিধায়ক রয়েছেন। ইলেক্টোরাল কলেজে ১০,৯৮,৯০৩ ভোট রয়েছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মুসলিম বিশ্বের চাপে বেকায়দায় ভারত, সামাল দিতে কী অস্ত্র মোদি-শাহর?

নুপুর শর্মা-কাণ্ডের জেরে তৈরি হওয়া সংকট থেকে বিজেপিকে উদ্ধার করতে সম্ভবত ত্রাতা হয়ে উঠতে চলেছেন 'বাতিল' হওয়া সেই মুখতার আব্বাস নকভিই।

ইলেক্টোরাল কলেজ ফর্মুলা

ভারতের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ইলেক্টোরাল কলেজ ফর্মুলা নামে একটি পদ্ধতি মেনে চলা হয়। এর অর্থ হল, একজন সাংসদ বা বিধায়কের প্রতিটি ভোটের মূল্য ১-এর বেশি। প্রতিটি ভোটের মূল্য সংশ্লিষ্ট জনসংখ্যার উপর নির্ভর করে এই মূল্য নির্ধারিত হয়। একজন সাংসদের প্রতিটি ভোটের মূল্য হল ৭০৮। কোনও নির্দিষ্ট রাজ্যের প্রতিটি ভোটের মূল্য বের করতে, রাজ্যের জনসংখ্যাকে তার বিধানসভার বিধায়কের সংখ্যা দিয়ে ভাগ করতে হয়। পরে সেই ভাগফলকে ১ হাজার দিয়ে ভাগ করতে হয়। ভারতের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় উত্তরপ্রদেশ বিধায়ক সবচেয়ে বেশি এবং সবচেয়ে বেশি জনবহুল। সেখানে ভোটের মূল্য ২০৮। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সমস্ত সাংসদ ও বিধায়করা ভোটার। প্রত্যেক রাজ্যের ১৯৭১ সালের জনসংখ্যার ভিত্তিতে সেই রাজ্যের সাংসদ, বিধায়কদের ভোটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়। সেই ফর্মুলায় উত্তরপ্রদেশের ভোটের মূল্য সবচেয়ে বেশি। সবচেয়ে কম সিকিমের।

কীভাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়?

সংবিধানে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে। অনুচ্ছেদ ৫৫ (৩) ধারা অনুসারে, একক ভোটদানের মাধ্যমে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব মেনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই ব্যবস্থায়, ভোটারকে প্রার্থীদের নামের পাশে চিহ্নিত করে মতামত জানাতে হয়।

ভোটদাতারা একাধিক প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন। তবে, একাধিক প্রার্থীকে ভোট দিলে প্রথম পছন্দ কে, সেটাও ভোটদানের সময় জানাতে হয়। তবেই ব্যালট পেপার বৈধ হয়। এক্ষেত্রে বাকি পছন্দগুলোকে ঐচ্ছিক হিসেবে ধরা হয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি পাঁচ জন প্রার্থী থাকে, তাহলে ভোটার পাঁচ জনকেই ভোট দিতে পারেন। কিন্তু, প্রথম পছন্দ কে তা উল্লেখ করতে হবে। তবেই ভোট বৈধ হবে। আর, ভোটার যদি একজনকেই ভোট দেন, তবে তো কথাই নেই।

কে জিতলেন?

প্রতিটি ভোটের আলাদা গুরুত্ব থাকে। প্রতিটি বিধায়কের ভোটের মান নির্ধারিত হয়, রাজ্যের মোট জনসংখ্যাকে বিধায়কের সংখ্যা দিয়ে ভাগ করে, তাকে আরও ১,০০০ দিয়ে ভাগ করার পর যে ফল বের হয়, সেই ফল অনুযায়ী। সেই কারণে, রাজ্য অনুযায়ী বিধায়কদের ভোটের গুরুত্ব পরিবর্তিত হয়। যেমন উত্তরপ্রদেশের একজন বিধায়কের ভোটের মূল্য ২০৮, সেখানে সিকিমের একজন বিধায়কের ভোটের মূল্য ৭।

বিধানসভাগুলোয় এই ভোটের মূল্য যোগ করে দেখা হয় যে তার পরিমাণ ৫.৪৩ লক্ষ।

সংসদের ২টি কক্ষের জন্যও সেই রকমই ভোটের বরাদ্দ থাকে। সংসদের উভয় কক্ষে মোট ৭৭৬ জন সাংসদ রয়েছেন। তাই প্রতিটি সাংসদের ভোটের মূল্য দাঁড়ায় ৫.৪৩ লক্ষ ভাগ ৭৭৬। যার ফলাফল হয় ৭০০। বিধানসভা এবং সংসদের ২টি কক্ষ মিলিয়ে মোট ভোটের পরিমাণ দাঁড়ায় ১০.৮৬ লক্ষ। যিনি সবচেয়ে বেশি ভোট পান, তিনিই বিজয়ী ঘোষিত হন।

প্রার্থী হওয়ার জন্য কাদের নাম ভাসছে?

বিজেপি সূত্রে জানা যাচ্ছে, এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আদিবাসী মহিলা মুখ সামনে আনতে চাইছে তারা। সেক্ষেত্রে ওড়িশার আদিবাসী নেত্রী ও ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন রাজ্যপাল দ্রৌপদী মুর্মুর নাম রয়েছে সবার আগে। এছাড়াও আরেক আদিবাসী মহিলার নাম ঘুরছে রাজনীতির অলিন্দে। তিনি হলেন ছত্তিসগঢ়ের বর্তমান রাজ্যপাল অনসূয়া উইকে। আরেক মহিলা মুখ হিসেবে উঠে আসছেন উত্তরপ্রদেশের বর্তমান রাজ্যপাল তথা গুজরাতের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আনন্দী বেন প্যাটেল। অন্য নামগুলির মধ্যে সবার আগে উঠে আসছে কেরলের রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খানের নাম। অন্যদিকে বিরোধীদের তরফেও কয়েকটি নাম ঘোরাফেরা করছে। তাতে সবার আগে রয়েছে মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও এনসিপি প্রধান শরদ পওয়ার। এছাড়াও জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন রাজ্যপাল করণ সিংয়ের নামও উঠে আসছে।

লিখেছেন
tiasa gupta
tiasa gupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।