অ্যাম্বাসাডর ফিরছে ইলেকট্রিক স্কুটার হয়ে! কেমন হতে চলেছে নয়া এই যান?

এবার যে কোম্পানিটি ইলেকট্রিক স্কুটার নিয়ে আসছে, তা মোটেও কোনও সাধারণ কোম্পানি না, বরং এটি ভারতের প্রথম স্বাধীন গাড়ি নির্মাতা কোম্পানি- হিন্দুস্থান মোটরস।

Sourish Das
৫ মিনিট
অ্যাম্বাসাডর ফিরছে ইলেকট্রিক স্কুটার হয়ে! কেমন হতে চলেছে নয়া এই যান?

বিদ্যুৎচালিত গাড়ি ও বাইক, এই মুহূর্তে ভারতীয় অটোমোবাইল জগতে এই বিষয়টি রীতিমতো বিপ্লব ঘটিয়ে ফেলেছে। একাধিক স্টার্ট-আপ থেকে শুরু করে ভারতীয় এবং বিদেশি জনপ্রিয় কোম্পানিগুলি, সকলেই তাদের নিজস্ব বিদ্যুৎচালিত গাড়ি এবং দু'চাকার বাহন বাজারে নিয়ে আসতে ব্যস্ত। সঙ্গে এই ইলেকট্রিক গাড়ি ও স্কুটি-র হাত ধরে বাজারে নতুন করে ফিরতে প্রস্তুত একাধিক পুরনো অটোমোবাইল ব্র্যান্ড। মাসকয়েক আগেই আমরা জানতে পেরেছিলাম, ভারতের পুরনো বাইক-নির্মাতা কোম্পানি LML আবারও ফিরছে ইলেকট্রিক বাইকের হাত ধরে। কিন্তু, এবার যে কোম্পানিটি ইলেকট্রিক স্কুটার নিয়ে আসছে, তা মোটেও কোনও সাধারণ কোম্পানি না, বরং এটি ভারতের প্রথম স্বাধীন গাড়ি নির্মাতা কোম্পানি- হিন্দুস্থান মোটরস।

তবে, এই তালিকায় হিন্দুস্থান মোটরস-এর যুক্ত হওয়াটা যেন একেবারেই অপ্রত্যাশিত ছিল। ফরাসি গাড়ি-নির্মাতা সংস্থা পিউজো-র সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পরেই ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসতে শুরু করেছিল বয়সের ভারে জরাজীর্ণ হয়ে ওঠা হিন্দুস্থান মোটরস সংস্থায়। সম্ভাবনা ছিল, নতুন রূপে ফিরবে তাদের ট্রেডমার্ক অ্যাম্বাসাডর। হলোও ঠিক তাই। অ্যাম্বাসাডর ২.০ আসতে চলেছে আর কিছুদিনের মধ্যেই। সেই গাড়ির প্রথম লুক এবং ফিল দেখে রীতিমতো আপ্লুত হয়েছেন বিশ্বের তাবড় তাবড় গাড়িপ্রেমীরাও। কিন্তু গাড়ি কেনার ক্ষমতা তো আর সবার থাকে না। তাই এবার সাধারণ মানুষের কথা ভেবেই ঐতিহ্যের সঙ্গে নবীনত্বের মেলবন্ধন ঘটিয়ে বাজারে ফিরছে হিন্দুস্থান মোটরস। অ্যাম্বাসাডর গাড়ির পাশাপাশি এবার হিন্দুস্থান মোটরস তৈরি করবে ইলেকট্রিক স্কুটি। আর এই স্কুটার তৈরি হবে পশ্চিমবঙ্গেরই হিন্দমোটরের কারখানাটিতে।

প্রায় ন'বছরের বিরতির পর আবারও নতুন করে আলো জ্বলতে চলেছে হিন্দুস্তান মোটরসের উত্তরপাড়া কারখানায়। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী দু'বছরের মধ্যেই এই কারখানা থেকেই তৈরি হবে নতুন হিন্দুস্থান মোটরস ইলেকট্রিক স্কুটার। যদিও এই ইলেকট্রিক স্কুটারের নাম অ্যাম্বাসাডর গাড়ির নামে রাখা হবে কি না, তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। তবে এই ইলেকট্রিক স্কুটার যে ভারতীয় পথের 'রাজা'-র ঐতিহ্যকে বহন করবে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। যে সংস্থার কাছে ন'বছর আগে মাত্র ৮০ কোটি টাকায় বিক্রি হয়ে গিয়েছিল এশিয়ার দ্বিতীয় এবং ভারতের প্রথম গাড়ি নির্মাতা কোম্পানি হিন্দুস্থান মোটরস, সেই কোম্পানির হাত ধরেই মার্কেটে ফিরতে চলেছে অ্যাম্বাসাডর এবং নয়া একটি ইলেকট্রিক স্কুটার।

দিনকয়েক আগে থেকেই এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল। ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে অ্যাম্বাসাডর ২.০-এর প্রথম লুক। মানুষের মনে সাড়া ফেলতেও সক্ষম হয়েছে এই নতুন অ্যাম্বাসাডর। ভারতে যে কয়টি অটোমোবাইল ব্র্যান্ড তাদের ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো হিন্দুস্থান মোটরস। ব্রিটিশ মোটর কর্পোরেশনের মরিস অক্সফোর্ড সিরিজ ৩ গাড়িটি তৈরি করার মাধ্যমেই ১৯৫৪ সালে হুগলির উত্তরপাড়ার বুকে গড়ে উঠেছিল হিন্দুস্থান মোটরস। তারপর থেকেই কালক্রমে অ্যাম্বাসাডর এবং কনটেসা-র মতো আইকনিক কিছু গাড়ি তৈরি শুরু করে হিন্দুস্তান মোটরস। যে ধারা নতুন করে শুরু হতে চলেছে ফরাসি গাড়ি নির্মাতা কোম্পানি পিউজো-র হাত ধরে।

হিন্দুস্থান মোটরসের ইলেকট্রিক স্কুটার

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মন্ত্রীরা চড়তেন নিয়ম করে, বাঙালির প্রিয় অ্যাম্বাসাডার যতটা পথ পেরিয়ে এল

কখনো হলুদ কালো রংয়ের পাবলিক ট্যাক্সি, আবার কখনো সাদা রঙের প্রাইভেট কার, সে যুগে হিন্দুস্তান মোটরসের তৈরি অ্যাম্বাসাডরের  জুড়ি মেলা ভার ছিল কয়েক দশক। সাধারণ মানুষ থেকে নেতামন্ত্রী, অ্যাম্বাসাডারই ছিল প্রথম পছন্দ।

ইতিমধ্যেই ভারতের সবথেকে পুরনো গাড়ি নির্মাতা কোম্পানিটি বিদ্যুৎচালিত স্কুটার তৈরি করার লক্ষ্যে ইউরোপের একটি অটোমোবাইল কোম্পানির সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। হিন্দুস্থান মোটরসের ডিরেক্টর উত্তম বসু এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই ইউরোপের ওই সংস্থার সঙ্গে তাদের মউ স্বাক্ষর হয়ে গিয়েছে। একটি সাক্ষাৎকারে উত্তমবাবু জানিয়েছেন, দু'টি কোম্পানির মধ্যে ৫১:৪৯ অনুপাতে শেয়ার ভাগ হবে এবং হিন্দুস্থান মোটরস বেশি অংশগ্রহণ করবে। তবে, ইলেকট্রিক স্কুটি নির্মাণ করার জন্য কিন্তু হিন্দুস্থান মোটরস পিউজো-র সঙ্গে যুক্ত হয়নি। এখানে আবার অন্য একটি ইউরোপীয় ইলেকট্রিক গাড়ি নির্মাতা কোম্পানির সঙ্গে হাত মিলিয়েছে হিন্দুস্থান মোটরস।

তবে এখনও পর্যন্ত ইকুইটি প্যাটার্ন নিয়ে সম্পূর্ণ আলোচনা হয়নি। পরবর্তীতে ইকুইটি প্যাটার্ন পরিবর্তিত হতে পারে বলেও জানিয়েছেন উত্তমবাবু। কিন্তু হুগলি শিল্পাঞ্চলের জন্য সবথেকে খুশির খবরটি হল, ইলেকট্রিক স্কুটার তৈরির জন্য হিন্দুস্থান মোটরস বেছে নেবে হুগলি উত্তরপাড়ার এই প্ল্যান্টটিকেই। ২০১৪ সালেই এই কারখানায় তালা পড়েছিল অ্যাম্বাসাডরের জনপ্রিয়তার অভাবে।

জানুয়ারি, ২০১৭ সালে হিন্দুস্থান মোটরসের সঙ্গে‌ একটি বৈঠকের পর অ্যাম্বাসাডর নেমপ্লেট পুরোপুরি কিনে নেয় পিউজো। মাত্র ৮০ কোটি টাকায় ফরাসি কোম্পানির হাতে বিক্রি হয় হিন্দুস্থান মোটরসের অ্যাম্বাসাডর। তখন থেকেই নতুন গাড়ি আনার পরিকল্পনা শুরু হয়। অ্যাম্বাসাডর দীর্ঘ ৬ দশক ধরে ছিল ভারতের সবথেকে জনপ্রিয় গাড়ি। ভারতের প্রত্যেক মন্ত্রী-আমলা, এমনকী ফিল্মস্টাররা পর্যন্ত এই বিশেষ গাড়ি ব্যবহার করতেন। ট্যাক্সির জন্য ব্যবহার হতো এই গাড়ি। সেই ঐতিহ্যকে যখন আবার নতুন করে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে, তখন ইলেকট্রিক স্কুটার কেন নয়? বর্তমান যুগে যখন ইলেকট্রিক স্কুটারের জনপ্রিয়তা প্রতিদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, সেই সময় যদি হিন্দুস্থান মোটরসের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী কোম্পানি ইলেকট্রিক স্কুটার নিয়ে আসে, তাহলে তা যে জনগণের মধ্যে উন্মাদনা তৈরি করবে, তা অত্যন্ত স্বাভাবিক।

হিন্দুস্থান মোটরসের কারখানা

কলকাতার কাছেই হুগলি শিল্পাঞ্চল এলাকায় হিন্দুস্থান মোটরসের উত্তরপাড়া কারখানাটি এশিয়ার দ্বিতীয় সবচেয়ে পুরনো কারখানা। প্রথম স্থানে অবশ্যই রয়েছে জাপানের টয়োটা গাড়ির কারখানা। প্রথমে গুজরাতে ১৯৪৮ সালে এই কোম্পানিতে তৈরি হলেও সেইসময় গাড়ি তৈরি করার কোনওরকম সুযোগসুবিধা ছিল না। তারপরে ১৯৫৪ সালে এল পরিবর্তন। হিন্দুস্থান ল্যান্ডমাস্টারের হাত ধরে আত্মপ্রকাশ করল উত্তরপাড়া হিন্দুস্থান মোটরস প্ল্যান্ট। ২০১৪-র সেপ্টেম্বর মাসে এই কারখানায় তালা পড়লেও এখনও এই কারখানার কাছে রয়েছে ২৯৫ একর জায়গা। কোনও একটি গাড়ি কিংবা বাইকের প্ল্যান্ট তৈরি করতে হলে, এতটা জায়গা একেবারেই পারফেক্ট।

তাই উত্তরপাড়ার এই প্ল‍্যান্টকে সঠিকভাবে কাজে লাগানোর জন্য বদ্ধপরিকর হিন্দুস্থান মোটরস। তাদের ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে ইতিমধ্যেই অ্যাম্বাসাডর এবং ইলেকট্রিক স্কুটারের বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই কাজ করতে শুরু করেছে হিন্দুস্থান মোটরস। একটা সময় যে জায়গাটা জমজমাট থাকত এই কারখানার জন্য, সেখানে আজ আবারও আশার আলো জেগেছে। একটা সময় এই কারখানায় কর্মচারীর সংখ্যা ছিল ২,৩০০। এখন এই সংখ্যাটা মাত্র ৩০০ হলেও তাদের এই নতুন প্রজেক্ট নিয়ে আত্মবিশ্বাসী হিন্দুস্থান মোটরস।

বিদ্যুৎচালিত দুই চাকার যান নির্মাণ

ইউরোপীয় যে কোম্পানির সঙ্গে হিন্দুস্থান মোটরস যুক্ত হয়েছে, সেই কোম্পানিটি কিন্তু প্রধানত লক্ষ রাখবে বিদ্যুৎচালিত দুই চাকার যানবাহনের ওপরেই। বিদ্যুৎচালিত গাড়ি তৈরি করবে পিউজো। তাই তারা ব্যবহার করছে চেন্নাইয়ের কারখানাটি। যে-সময় হিন্দুস্থান মোটরস নতুন ইলেকট্রিক স্কুটার মার্কেটে নিয়ে আসছে, সেই সময় এটির জনপ্রিয়তা এবং প্রয়োজনীয়তা ব্যাপক।

হিন্দুস্থান মোটরসের ডিরেক্টর উত্তম বসুও এই যৌথ প্রজেক্ট নিয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। তাঁর কথায়, এখন জ্বালানির দামের যা পরিস্থিতি, সেই দিক থেকে দেখতে গেলে বিদ্যুৎ এখনও অনেকের কাছেই অনেক সহজলভ্য এবং সাশ্রয়ী। পশ্চিমি বিশ্বে এই জিনিসটির জনপ্রিয়তা এখন এতটাই বেশি যে, সাধারণ স্কুটারের থেকেও কোনও কোনও জায়গায় জনপ্রিয়তায় এগিয়ে এসেছে ইলেকট্রিক স্কুটার। তাই এই যৌথ প্রকল্প হিন্দুস্থান মোটরসের জন্যও বেশ লাভদায়ক হবে বলে মনে করছেন উত্তম বসু। তিনি সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন, এই যৌথ প্রকল্পে হিন্দুস্থান মোটরসের তরফ থেকে দেওয়া হবে জমি এবং কারিগর। অন্যদিকে ইউরোপীয় ওই কোম্পানিটি প্রদান করবে অর্থ এবং টেকনোলজি। তবে এই যৌথ প্রোজেক্টের ব্যাপারে এখনও অনেক বিষয়ই অজানা। কিন্তু তাতে কী, তাদের সাধের 'HM'-এর প্রতি যে তাদের ভালবাসা এখনও অটুট, তা তো অ্যাম্বাসাডর ২.০-র প্রথম ঝলকেই স্পষ্ট।

লিখেছেন
Sourish Das
Sourish Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

AI-এর যুগে মানুষ কি নিজের বুদ্ধিটাই মেশিনের হাতে তুলে দিচ্ছে?

Artificial Intelligence: ছোটবেলায় অনেকেই ভাবত রোবট এসে মানুষের কায়িক শ্রমের কাজগুলি করে দেবে। মানুষ অবসর পেয়ে গান শুনবে, কবিতা লিখবে কিংবা বারান্দায় বসে কফি খাবে। বাস্তবে দেখা গেল ঠিক তার উল্টো চিত্র। রোবট এখন কবিতা লিখছে, ছবি আঁকছে আর কোড তৈরি করছে। অন্যদিকে মানুষ সকাল থেকে রাত ল্যাপটপের সামনে বসে শিখছে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং।

মহাকাশে রওনা নাসার টেলিস্কোপের, বদলে দিতে পারে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি?

NASA’s Roman Space Telescope: নাসার নতুন ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ বদলে দেবে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি? হাবল ও জেমস ওয়েবের পর কেন প্রয়োজন হলো এই নতুন মহাকাশ-চোখের? ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, গ্যালাক্সি ও এক্সোপ্ল্যানেট সম্পর্কে কি নতুন তথ্য দেবে রোমান? মহাবিশ্বের প্রসারণের ইতিহাস বুঝতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে এই অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ?

সৌরপৃষ্ঠ আসলে কেমন? ৩৩ বছর পর মিলল উত্তর

Sun’s surface mystery: সূর্যের পৃষ্ঠকে এতদিন দূর থেকে তুলোর মতো নরম ও শান্ত দেখালেও, তা কি সত্যিই এমন? বিশ্বের বৃহত্তম সৌর টেলিস্কোপ ড্যানিয়েল কে ইনোয়ের তোলা সর্বোচ্চ-রেজোলিউশনের ছবিতে দেখা গেল ছোট ছোট হিংস্র প্লাজমার ঘূর্ণি। ৩৩ বছর আগে করা জোয়ান কার্পেনের সেই ভবিষ্যদ্বাণী কি অবশেষে সত্যি প্রমাণিত হলো? এই আবিষ্কার কি বদলে দেবে সৌরপৃষ্ঠ সম্পর্কে ধারণা?

৩ অগাস্ট থেকে বদলে যাচ্ছে শেয়ার বাজারের নিয়ম!

Stock Market India: নতুন ব্যবস্থার অধীনে শেয়ার বাজার বন্ধের সময়কে তিনটি আলাদা অংশে ভাগ করা হয়েছে। তবে নন-এফএন্ডও (Non-F&O) স্টকগুলির ক্ষেত্রে আগের মতোই বিকেল ৩:৩০টা পর্যন্ত স্বাভাবিক লেনদেন চালু থাকবে, এতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। কিন্তু এফএন্ডও স্টকগুলির ক্যাশ মার্কেটে প্রতিদিন একটানা লেনদেন চলবে বিকেল ৩:১৫ মিনিট পর্যন্ত।

আইআইটি-র দুই প্রাক্তনীর বৈদ্যুতিক কৃষিযন্ত্রে একরপ্রতি খরচ মাত্র ৪০ টাকা

Electric Power Tiller: বাজারে যেসব ট্র্যাক্টর পাওয়া যায়, তা হয় বিশাল বড় জমির উপযোগী, না হয় কেনা ও চালানো দুটোই খুব ব্যয়বহুল। ভারতে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ কৃষকের জমিই ছোট ও খণ্ড-বিখণ্ড, যেখানে বড় যন্ত্র ঢোকানোই সম্ভব নয়। আবার চিন থেকে আমদানি করা ছোট ছোট সস্তা মেশিনগুলিতে যন্ত্রাংশ ও সার্ভিসিংয়ের চূড়ান্ত সমস্যা তৈরি হয়। তাই বিদেশ থেকে আমদানির কথা না ভেবে, আইআইটি বোম্বের দুই প্রাক্তনী ঐশ্বর্য রামকৃষ্ণন ও কেদার গোখলে সিদ্ধান্ত নেন খাঁটি দেশীয় প্রযুক্তিতে ভারতের মাটির উপযোগী সমাধান তৈরি করার।

মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও উষ্ণ থাকে সোনাম ওয়াংচুকের বাড়ি

Sonam Wangchuk House: সোনম ওয়াংচুক মানেই পাহাড়ঘেরা লাদাখের ছবি, বরফে ঢাকা জীবন আর নতুন এক ভাবনার আলো। পেশায় তিনি একজন প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ এবং উদ্ভাবক। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে তিনি যেন রূপকথার সেই মানুষটি, যিনি পাহাড়ের রুক্ষ জীবনের কঠিন সমস্যাগুলিকে বিজ্ঞানের সহজ ছোঁয়ায় অত্যন্ত সহজ করে তুলেছেন।

মহাকাশে মিলল চিনির সন্ধান, কেন গুরুত্বপূর্ণ এই আবিষ্কার?

natural sugar in space: ছায়াপথের কেন্দ্রের একটি আণবিক মেঘে প্রথমবারের মতো প্রকৃত মনোস্যাকারাইড ‘এরিথ্রুলোজ’-এর সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এই আবিষ্কার জানাচ্ছে, নক্ষত্র ও গ্রহ তৈরির আগেই মহাকাশে জটিল জৈব অণু তৈরি হতে পারে। ফলে পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি এবং মহাবিশ্বে জীবনের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে গবেষণার আগ্রহ বেড়েছে।

কর্মদক্ষতা মাপল এআই, চাকরি হারালেন কর্মীরা? মেটার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মামলা

Meta mass layoffs: কর্মীদের ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নেবে? মেটার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় অভিযোগ, এআই-নির্ভর মূল্যায়নের কারণে মাতৃত্বকালীন ও চিকিৎসাজনিত ছুটিতে থাকা কর্মীরা অন্যায্যভাবে চাকরি হারিয়েছেন।