আর কত গুলিগোলা! AI দিয়ে সীমান্তে জঙ্গি কার্যকলাপ আটকানো সম্ভব ভারতে?

AI Border Security: ইজরায়েলের মতো দেশের সীমান্ত কম্পিউটারাইজড থার্মাল ইমেজিং সিস্টেম সম্বলিত নিরাপত্তা বলয়ে মোড়া। কোনও প্রাণী, মানুষ বা যানবাহন সীমান্ত টপকালেই সে খবর তাদের কাছে পৌঁছয়।

Shamim Haque Mondal
৪ মিনিট
আর কত গুলিগোলা! AI দিয়ে সীমান্তে জঙ্গি কার্যকলাপ আটকানো সম্ভব ভারতে?

পরামাণু শক্তিধর দুই দেশের মধ্যে 'যুদ্ধ বিরতি’ চলছে। ‘বিরতি’ শব্দের মধ্যেই একটা শঙ্কা লুকিয়ে থাকে, বিরতি মানেই এই বুঝি তা শেষ হয়ে গেল! বিরতি কতদিন স্থায়ী হবে, বিরতি পরবর্তী পদক্ষেপ কী এই সমস্ত প্রশ্ন এক দিকে, আর ঠিক অন্যপিঠে রয়েছে পহেলগাঁওয়ের নারকীয় ঘটনা। যে স্বাভাবিক প্রশ্ন উঠে এসেছিল তা হলো, কাশ্মীরের মতো সেনা অধ্যুষিত জায়গায় কী করে হাজার দুয়েক পর্যটকদের কোনও নিরাপত্তা রক্ষী ছাড়াই রাখা হয়েছিল? কাশ্মীরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা শুধুই কি সেনা নির্ভর? এই প্রযুক্তিবিশ্বে সবুজ ঘাসের গালিচায় বুটের ভারী আওয়াজ ছাড়াও কি নিরাপত্তা বজায় রাখা সম্ভব?

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে, বুটের সংখ্যার চেয়ে প্রযুক্তি বড়— একথা তুমুল তার্কিকও মানবেন। এই সময়ে দাঁড়িয়ে পহেলগাঁওয়ের ঘটনা শুধু নারকীয় সন্ত্রাসই নয়, আমাদের বুদ্ধিমত্তার গোড়ায় করাঘাতও। দেশের সুরক্ষা নীতির পরিভাষায় যেটি ইন্টেলিজেন্স ফেলিওর নামে বহুল পরিচিত। বিশ্বের তাবড় তাবড় শক্তিধর রাষ্ট্রগুলো ইতিমধ্যেই এআই ভিত্তিক জাতীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রণয়ন করে ফেলেছে, সেখানে ভারত কেন এই নিয়ে পদক্ষেপ করছে না? ভারতের মতো জনবহুল দেশের চারিদিকে প্রায় পনেরো হাজার কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। এআই নির্ভর জাতীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা এখন আর বিলাসিতা নয়, সময়ের দাবি । ভারত কেন যে কোনও সীমান্তবর্তী আঘাতের আগাম খবর দিতে পারছে না এখনও?

জম্মু-কাশ্মীরের মতো অশান্ত জায়গায়, বা দেশের অন্য সীমান্ত অঞ্চলে সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলার জন্য ভারতের তিন কেন্দ্রীয় সংস্থা RAW, IB, ও NIA হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করে । কিন্তু আমলাতান্ত্রিক, প্রোটোকল নির্ভর এই ব‍্যবস্থা জঙ্গিহানার পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে কার্যকরী হলেও সম্ভাব্য জঙ্গি হানার খবর দিতে প্রায় ব্যর্থই। মানুষ নির্ভর এই ব‍্যবস্থায় আক্রমণের আগে কেন খবর পাওয়া যাচ্ছে না বা হামলা হওয়ার আগেই আটকানো গেল না কেন- এই জাতীয় প্রশ্ন তাই বড্ড বেসুরো।

গত কয়েক বছরে কাশ্মীরের পরিকাঠামো উন্নয়নে ও পর্যটনে প্রশাসন এত গুরুত্ব দিয়েছে যে লোকালয়ে বা যে সমস্ত দর্শনীয় স্থানগুলির যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত, সেখানে সর্বক্ষণের নজরদারির ব্যবস্থা রয়েছে। সেই দিক থেকে বৈসরন উপত্যকা ব‍্যতিক্রম, কারণ সেখানে ঘোড়া ও পায়ে হেঁটে ছাড়া যাওয়ার উপায় নেই। এই তথ্য সন্ত্রাসবাদীরা তথা গোটা দুনিয়া জানত।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
পুলিশের নজর এড়িয়েই বৈসরনে পর্যটকরা! নিরাপত্তার যে যে গাফিলতি স্বীকার কেন্দ্রের

Amit Shah on Kashmir: কেন পুলিশের অনুমতি ছাড়াই এমন বিপজ্জনক জায়গায় পর্যটকদের প্রবেশ সম্ভব হচ্ছে? এর দায় কার?

ইজরায়েলের মতো দেশে নজরদারির জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার হচ্ছে অনেক দিন ধরেই। তাদের গোয়েন্দা সংস্থা এআই ব‍্যবহার করে ফোনের মেটাডেটা, সোশ্যাল মিডিয়ায় আদানপ্রদান হওয়া বিভিন্ন মেসেজ, স‍্যাটেলাইট ভিত্তিক বিভিন্ন তথ‍্য বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য হুমকির হদিশ পাচ্ছে। পাশাপাশি প্রতিরক্ষা দফতরের প্রত‍্যক্ষ নজরদারি তো আছেই। তাদের সীমান্ত কম্পিউটারাইজড থার্মাল ইমেজিং সিস্টেম সম্বলিত নিরাপত্তা বলয়ে মোড়া। কোনও প্রাণী, মানুষ বা যানবাহন সীমান্ত টপকালেই সে খবর তাদের কাছে পৌঁছয়।

অপরদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শঙ্কাপ্রবণ এলাকায় প্রতি মুহূর্তে ড্রোনের নজরদারি চালায় এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই ছবি এআই-এর সাহায্যে বিশ্লেষণ করে। সেখানে কোনও সম্ভাব্য আশঙ্কার হদিশ পেলে সেই এলাকাকে আরও জুম করে বিশ্লেষণ করে প্রতিরক্ষা বিভাগের নজরে আনে। সেই সঙ্গে আমেরিকার ‍ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি (NSA) ও ডিপার্টমেন্টাল হোমল‍্যান্ড সিকিউরিটির (DHA) সর্বক্ষণের বিভাগীয় তদন্ত তো আছেই।

এআই কীভাবে আমাদের দেশের নিরাপত্তা, বিশেষ করে সীমান্ত নজরদারি ব‍্যবস্থা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে?

সমাধান খোঁজার আগে, একবার দেখে নেওয়া যাক কী কী সম্পদ আছে ভারতের? রয়েছে অগণিত দক্ষ ইঞ্জিনিয়র, ডেটা সায়েন্টিস্ট। পাশ্চাত্যের তথ্য প্রযুক্তি কাজের জন্য উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ইঞ্জিনিয়র ভারত সরবরাহ করে। ডিআরডিও-র নিজস্ব ল‍্যাবরেটরি ছাড়াও রয়েছে অজস্র তথ্যপ্রযুক্তি স্টার্টআপ। এসব প্রযুক্তিগত সুবিধা নিয়ে ভারত যা করতে পারে—

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কীভাবে গাজার বিরুদ্ধে যুদ্ধে AI ব্যবহার করল ইজরায়েল?

AI in Gaza War: ইজরায়েলি বাহিনীকে 'টার্গেট' নির্ধারণ করতে গাজা জুড়ে অজস্র ফিলিস্তিনিদের মুখ স্ক্যান করতে গুগল ফটো ফেসিয়াল রিকগনিশন পরিষেবা ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছে গুগল।

প্রথমত, এআই সহযোগে স্পর্শকাতর এলাকায় অহেতুক লোকজনের আনাগোনা, কোনও বিশেষ জায়গায় মানুষের সারাক্ষণের অনলাইন অ‍্যাক্টিভিটি, অরণ্য এলাকায় হঠাৎ মানুষের উপস্থিতি, এসব তথ্যের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ প্রয়োজন। যদি কোনও গণ্ডগোল ধরা পড়ে, তা তৎক্ষণাৎ নজরে আনা।

দ্বিতীয়ত, বৈসরনের মতো লোকালয় থেকে বিচ্ছিন্ন এলাকায় রীতিমতো অত‍্যাধুনিক ড্রোনের সাহায্যে নজরদারি চালানো উচিত, যাতে কোনও গুলির আওয়াজ, একাধিক লোকের উদ্দেশ্যহীনভাবে বিচরণ বা কোনও অসামঞ্জস্য নজরে পড়ে।

তৃতীয়ত, এআই-এর ফেসিয়াল রিকগনিশন ব্যবস্থার ব্যবহার। আমাদের মুখমণ্ডলে অনেকগুলো নোডাল পয়েন্ট রয়েছে, যেমন গ্লাবেলা, গ‍্যানাথিয়ন, ম‍্যান্ডিবল ইত্যাদি। বয়সের ভারে বা খাদ‍্যাভ‍্যাসজনিত কারণে যদি চেহারায় কোনও হেরফের হয়, তাও এদের অবস্থান বা দু'টি নোডাল পয়েন্টের মধ্যে দূরত্বের বিশেষ তারতম্য হয় না। উন্নত বিশ্ব দাগী আসামিদের ধরার ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি ব‍্যবহার করে। বিভিন্ন ব‍্যস্ত জায়গার (বাস স্ট্যান্ড, রেল স্টেশন, হসপিটাল ইত্যাদি) সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখা উচিত কোনও সন্দেহভাজন ব্যক্তির দেখা পাওয়া যাচ্ছে কিনা। সীমান্তবর্তী এলাকার সমস্ত উৎস থেকে পাওয়া তথ্য সন্দেহজনক ব্যক্তির তথ্যভাণ্ডার আরও সমৃদ্ধ করবে।

চতুর্থত, ন‍্যাচারাল ল‍্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন কন্টেন্ট ও ডার্ক ওয়েব পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

পাশাপাশি, আমাদের সীমান্তগুলোতে থার্মাল ইমেজিং সিস্টেম চালু করা দরকার, যাতে কোনও হুমকি এলেই, তা সেন্ট্রাল সার্ভার সিস্টেমে সংকেত পাঠাতে পারে।

এই সমস্ত কাজ একসঙ্গে না হলেও আমাদের যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোয় বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থা, রাজ্য পুলিশ, বিএসএফ, আর্মি, ন‍্যাশনাল ক্রাইম ব‍্যুরো, সব তথ্য একত্রিত করে একটা ডেটা ক্লাউড তৈরি করা যেতে পারে, যেটা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব‍্যবহার করা যাবে। এই একবিংশ শতাব্দীতে গুলি-বন্দুক দিয়ে সন্ত্রাস নির্মূল করা সম্ভব নয়, দরকার উন্নতমানের অ‍্যালগরিদম আবিষ্কার করা। হামলার পরে তা কাটাছেঁড়া করার চেয়ে দেশের সীমান্তবর্তী নিরাপত্তা ব‍্যবস্থা এতটাই নিশ্ছিদ্র করা উচিত যে কোনও সন্ত্রাসী হামলার চক্রান্ত শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই যেন সেনার কাছে খবর চলে আসে। আরও পুলওয়ামা বা বৈসরন যেন না দেখতে হয় দেশবাসীকে।

মতামত লেখকের ব্যক্তিগত। মতামতের দায় ইনস্ক্রিপ্টের নয়

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।