মেশিন লার্নিং থেকে ডিপ লার্নিং: এআই কী ভাবে শেখে?

Artificial Intelligence: আমাদের মাঝে এখন স্মার্ট ওয়াচ খুবই জনপ্রিয়; সারাদিন কতটা হাঁটছি, কীভাবে হাঁটছি, এসব নিয়ে আমরা খুবই সচেতন। সেই ট্রেন্ডটাই কাজে লাগাচ্ছে কোম্পানিরা। আর এইসব ডেটায় আরও সমৃদ্ধ হচ্ছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক চ্যাটবট গুলি।

Shamim Haque Mondal
৪ মিনিট
মেশিন লার্নিং থেকে ডিপ লার্নিং: এআই কী ভাবে শেখে?

বর্তমানে চারিদিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জয়-জয়াকার। আমাদের সকাল থেকে রাত পর্যন্ত জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ছাপ ফেলেছে এই এআই— স্বাস্থ্য, বীমা, ব‍্যাঙ্কিং, প্রযুক্তি, গবেষণা, সবক্ষেত্রেই যেন রাজ করে চলেছে যন্ত্র, কারণ সে মানুষের মতো চিন্তা করতে শিখেছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এআই শিখলো কী করে?

শুধু কর্মঠ হলেই চলবে না, মেধাবী হতে হবে। আর তাই, যন্ত্রকে শেখানোর প্রচেষ্টা মানুষ বহুদিন ধরেই করে আসছে, এর একটা পোশাকি নামও আছে— ‘মেশিন লার্নিং’। আমাদের বাড়ির বাচ্চাদেরকে, আমরা যেমন কোনো নতুন জিনিস শেখাই, যার ফলে তারা কোনো জিনিসকে দেখে বুঝতে পারে সেটি ফুল না ফল, যন্ত্রকে ধীরে ধীরে শিক্ষিত করা হয় সেই গুণে। কোনো জিনিস দেখলে, আমাদের মস্তিষ্ক কী করে তার স্মৃতিতে থাকা ছবি গুলির সঙ্গে মেলানোর চেষ্টা করে, যাকে কম্পিউটার বিজ্ঞানের পরিভাষায় বলে ‘প্যাটার্ন রিকগনিশেন’। একই নিয়মে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় এআই নির্ভর চ‍্যাটবটকে; এক্ষেত্রে অজস্র ডেটা বিশ্লেষণ করে দেখার চেষ্টা করা হয় কোনো প্যাটার্ন লুকিয়ে আছে কি না। প্রযুক্তির জগতে, এটি ডিপ লার্নিং নামে বহুল পরিচিত; মূলত এআই এর বিকাশের জন্যই এর অবতারণা। তাড়াহুড়োতে, সময় বাঁচাতে আমরা অনেক সময় টাইপ না করে, স্পিচ রিকগনিশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকি, যার মূলেও আছে এই ডিপ লার্নিং।

যে কোনো উন্নত মেশিন লার্নিং সিস্টেম বানাতে গেলে সবচেয়ে ঝামেলার কাজ হলো অসংখ্য ডেটার মাঝে কোনো কমন প্যাটার্ন খুঁজে বের করা। কার্যত এই কাজটিই করে ডিপ লার্নিং। আপনার মনে হতেই পারে, কীভাবে কাজটি করে সে, অর্থাৎ কোন কোন বৈশিষ্ট্যের নিরিখে যন্ত্র মেধাবী সিদ্ধান্ত গুলি নিয়ে থাকে?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
এবার হাতের লেখা, সইও নকল করবে এআই! আপনি নিরাপদ তো?

AI Handwriting mimicry : এমন প্রযুক্তি তৈরি করা হয়েছে যা সামান্য কয়েকটি লিখিত অনুচ্ছেদের উপর ভিত্তি করে যে কারও হাতের লেখা অনুকরণ করতে পারে।

কম্পিউটার বিজ্ঞানের খুবই পরিচিত একটা সমস্যার কথা উল্লেখ করি। ধরা যাক, আপনার বাগানের দু'টো গোলাপ ফুলের ছবি একই ক‍্যামেরায় পরপর তোলা হয়েছে, ওই ধরুন মাত্র ২ সেকেন্ড অন্তর। আমাদের চোখে দু'টি ছবি একইরকম দেখতে লাগলেও, এআই এর জোরে কম্পিউটার কিন্তু ঠিক বুঝবে দুটো আলাদা ছবি, কারণ এদের পিক্সেল আলাদা। এবার সমস্যাটা একটু পাল্টে দেই। ধরুন, বাগানের উত্তর দিকের এক কোণে থাকা গত সিজনের গোলাপের ছবির সঙ্গে এবছরের একই গাছের গোলাপের তুলনা করা হচ্ছে, এক্ষেত্রে ছবি দু'টির অনেক পার্থক্যই ধরা পড়বে; কারণ বাগানে আলোর পরিমাণ, ছবি তোলার ভঙ্গি, ব্যাকগ্রাউন্ড, এসবের কিছু তারতম্য তো থাকবেই। এখন, প্রশ্ন হচ্ছে ছবি দু'টি যে আলাদা, এই জ্ঞান যন্ত্রকে কী করে শেখানো হলো?

কিছু বৈশিষ্ট্যকে সামনে রেখে কোডিং করেই দেওয়া যায়, কিন্তু কাজটা অনেক সময় সাপেক্ষ। এইসব ক্ষেত্রে সাহায্য নিতে হয় ডিপ লার্নিং এর; অজস্র প্রাসঙ্গিক তথ্য সহযোগে প্রশিক্ষিত করতে হয় সিস্টেমকে। যেগুলি বিশ্লেষণ করে, একসময় নিজেরাই আপাত দৃষ্টিতে পৃথক বিন্দুগুলি জুড়তে পারে। অর্থাৎ, নিজেরাই প্যাটার্ন শনাক্ত করতে শিখে যায়; অনেকটা আমাদের মস্তিষ্কের নিউরাল নেটওয়ার্কের মতোই। ১৯৫০ এর পর থেকেই নিউরাল নেটওয়ার্কের ধারণা পাওয়া যায়। তবে এআই এর জন‍্য, বর্তমান সময়ে এটির এত রমরমা। এই সফলতার পেছনে কারণ মূলত দুটো। প্রথমত, কাজের প্রয়োজনে আমাদেরকে এখন বিশাল সংখ্যক তথ্য নাড়াচাড়া করতে হয়, সেই সঙ্গে এখনকার কম্পিউটার আগের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী ও দ্রুত কাজ করে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জগৎ মূলত দাঁড়িয়ে আছে ডেটার উপরে। এআইকে দক্ষ বানাতে গেলে একে যত বেশি সম্ভব ডেটা দিয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে; আর তার জন‍্য দরকার লাখ লাখ ডেটা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
এআই যতটা গর্জাচ্ছে ততটা বর্ষাবে?

AI Revolution: এই এআই বিপ্লব এখনও উপন্যাসের মধ্যভাগে, পথচলা অনেক বাকি, সবেমাত্র চরিত্ররা নিজস্ব ছাপ ছেড়ে যাচ্ছে, ক্লাইম্যাক্স এখনও অনেক দূর।

বর্তমানে সময়ে, তো আমরা বাস করছি ডেটার সমুদ্রে; প্রতি মুহূর্তে ইন্টারনেটে অসংখ্য ভিডিও, অডিও, ছবি, ইত্যাদি আপলোড হচ্ছে। ফলে যন্ত্রকে শেখানোর জন্য ডেটার কোনো ঘাটতি নেই। ডিপ মাইন্ড নামের গুগলের এক কোম্পানি আলফা গো (AlphaGo) নামক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক একটি সিস্টেম তৈরি করে, যেটি চিনা বোর্ড গেম ‘গো’ (Go) খেলায় বেশ দক্ষ। এই সিস্টেমের কাছে, ২০১৬ সালের গো চ্যাম্পিয়ন জয়ী খেলোয়াড়, লি সিডল (Lee Sedol) পরাজিত হয়। আশ্চর্যের ব্যাপার হলো ‘আলফা গো’ কে এই খেলার নিয়ম কেউ শেখায়নি এর আগে; শুধুমাত্র পুরোন খেলার ভিডিও দেখেই সে এতই দক্ষ হয়ে ওঠে, যে হারিয়ে দেয় লি-কে।

অসংখ্য ছবি থেকে নির্দিষ্ট কোনো ছবি, অথবা বহুভাষী কথোপকথনের মাঝে কোনো বিশেষ ভাষা খোঁজার জন্যে নিউরাল নেটওয়ার্কের জুড়ি নেই। সেজন্য বিভিন্ন কোম্পানি তাদের পণ্যের প্রচারের জন্য, বিভিন্ন স্পিচ রিকগনিশন সিস্টেমের জন্য এই নিউরাল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে। শুধুই স্পিচ নয়, মানুষের মুখবায়ব শনাক্তকরণের জন্য তৈরি ফেস ডিটেকশন সিস্টেমেও এই নেটওয়ার্কের বহুল ব্যবহার রয়েছে। এটিকে, আরও শক্তিশালী করে তোলার জন্যে কাজে লাগানো হচ্ছে ফেসবুক, ইউটিউবের মতো কোম্পানির বিশাল সংখ্যক ডেটা ভাণ্ডার।

আমাদের মাঝে এখন স্মার্ট ওয়াচ খুবই জনপ্রিয়; সারাদিন কতটা হাঁটছি, কীভাবে হাঁটছি, এসব নিয়ে আমরা খুবই সচেতন। সেই ট্রেন্ডটাই কাজে লাগাচ্ছে কোম্পানিরা। আর এইসব ডেটায় আরও সমৃদ্ধ হচ্ছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক চ্যাটবট গুলি। অর্থাৎ, আমাদের প্রয়োজনে আমরা স্মার্ট গাজেটে ডেটা দিচ্ছি, যেগুলি যাচ্ছে কোনো না কোনো ডিপ লার্নিং সিস্টেমে, আবার তারাই সেই ডেটা থেকে স্বতপ্রণদিত ভাবে, তারা আরও প্রশিক্ষিত হচ্ছে। এ যেন সিস্টেম নিজেই তার জ্বালানি (ডেটা) জোগাড় করছে প্রতিনিয়ত।

আধুনিক বিশ্বে, ডিপ লার্নিং খুবই শক্তিশালী একটি কৌশল, এর সফল প্রয়োগ লক্ষ করা যায় স্বয়ংক্রিয় বা রোবট ভ্যাকুয়াম ক্লিনার, বিভিন্ন অটোনোমাস ভেহিকল বা স্ব-চালিত যানবাহন, ইত্যাদি ক্ষেত্রে। যে কোনো এআই সিস্টেম টিকে আছে মেশিন লার্নিং এর উপর, যেটি আবার ডিপ লার্নিং এর উপর নির্ভরশীল। রহস্যময় এই প্রযুক্তি মাঝে মধ্যে ঘোল খাওয়াচ্ছে তাবড়-তাবড় গবেষকদের। কারণ, এর উপর নির্ভর করছে ভবিষ্যতের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জগৎ।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

AI-এর যুগে মানুষ কি নিজের বুদ্ধিটাই মেশিনের হাতে তুলে দিচ্ছে?

Artificial Intelligence: ছোটবেলায় অনেকেই ভাবত রোবট এসে মানুষের কায়িক শ্রমের কাজগুলি করে দেবে। মানুষ অবসর পেয়ে গান শুনবে, কবিতা লিখবে কিংবা বারান্দায় বসে কফি খাবে। বাস্তবে দেখা গেল ঠিক তার উল্টো চিত্র। রোবট এখন কবিতা লিখছে, ছবি আঁকছে আর কোড তৈরি করছে। অন্যদিকে মানুষ সকাল থেকে রাত ল্যাপটপের সামনে বসে শিখছে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং।

মহাকাশে রওনা নাসার টেলিস্কোপের, বদলে দিতে পারে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি?

NASA’s Roman Space Telescope: নাসার নতুন ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ বদলে দেবে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি? হাবল ও জেমস ওয়েবের পর কেন প্রয়োজন হলো এই নতুন মহাকাশ-চোখের? ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, গ্যালাক্সি ও এক্সোপ্ল্যানেট সম্পর্কে কি নতুন তথ্য দেবে রোমান? মহাবিশ্বের প্রসারণের ইতিহাস বুঝতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে এই অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ?

সৌরপৃষ্ঠ আসলে কেমন? ৩৩ বছর পর মিলল উত্তর

Sun’s surface mystery: সূর্যের পৃষ্ঠকে এতদিন দূর থেকে তুলোর মতো নরম ও শান্ত দেখালেও, তা কি সত্যিই এমন? বিশ্বের বৃহত্তম সৌর টেলিস্কোপ ড্যানিয়েল কে ইনোয়ের তোলা সর্বোচ্চ-রেজোলিউশনের ছবিতে দেখা গেল ছোট ছোট হিংস্র প্লাজমার ঘূর্ণি। ৩৩ বছর আগে করা জোয়ান কার্পেনের সেই ভবিষ্যদ্বাণী কি অবশেষে সত্যি প্রমাণিত হলো? এই আবিষ্কার কি বদলে দেবে সৌরপৃষ্ঠ সম্পর্কে ধারণা?

৩ অগাস্ট থেকে বদলে যাচ্ছে শেয়ার বাজারের নিয়ম!

Stock Market India: নতুন ব্যবস্থার অধীনে শেয়ার বাজার বন্ধের সময়কে তিনটি আলাদা অংশে ভাগ করা হয়েছে। তবে নন-এফএন্ডও (Non-F&O) স্টকগুলির ক্ষেত্রে আগের মতোই বিকেল ৩:৩০টা পর্যন্ত স্বাভাবিক লেনদেন চালু থাকবে, এতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। কিন্তু এফএন্ডও স্টকগুলির ক্যাশ মার্কেটে প্রতিদিন একটানা লেনদেন চলবে বিকেল ৩:১৫ মিনিট পর্যন্ত।

আইআইটি-র দুই প্রাক্তনীর বৈদ্যুতিক কৃষিযন্ত্রে একরপ্রতি খরচ মাত্র ৪০ টাকা

Electric Power Tiller: বাজারে যেসব ট্র্যাক্টর পাওয়া যায়, তা হয় বিশাল বড় জমির উপযোগী, না হয় কেনা ও চালানো দুটোই খুব ব্যয়বহুল। ভারতে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ কৃষকের জমিই ছোট ও খণ্ড-বিখণ্ড, যেখানে বড় যন্ত্র ঢোকানোই সম্ভব নয়। আবার চিন থেকে আমদানি করা ছোট ছোট সস্তা মেশিনগুলিতে যন্ত্রাংশ ও সার্ভিসিংয়ের চূড়ান্ত সমস্যা তৈরি হয়। তাই বিদেশ থেকে আমদানির কথা না ভেবে, আইআইটি বোম্বের দুই প্রাক্তনী ঐশ্বর্য রামকৃষ্ণন ও কেদার গোখলে সিদ্ধান্ত নেন খাঁটি দেশীয় প্রযুক্তিতে ভারতের মাটির উপযোগী সমাধান তৈরি করার।

মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও উষ্ণ থাকে সোনাম ওয়াংচুকের বাড়ি

Sonam Wangchuk House: সোনম ওয়াংচুক মানেই পাহাড়ঘেরা লাদাখের ছবি, বরফে ঢাকা জীবন আর নতুন এক ভাবনার আলো। পেশায় তিনি একজন প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ এবং উদ্ভাবক। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে তিনি যেন রূপকথার সেই মানুষটি, যিনি পাহাড়ের রুক্ষ জীবনের কঠিন সমস্যাগুলিকে বিজ্ঞানের সহজ ছোঁয়ায় অত্যন্ত সহজ করে তুলেছেন।

মহাকাশে মিলল চিনির সন্ধান, কেন গুরুত্বপূর্ণ এই আবিষ্কার?

natural sugar in space: ছায়াপথের কেন্দ্রের একটি আণবিক মেঘে প্রথমবারের মতো প্রকৃত মনোস্যাকারাইড ‘এরিথ্রুলোজ’-এর সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এই আবিষ্কার জানাচ্ছে, নক্ষত্র ও গ্রহ তৈরির আগেই মহাকাশে জটিল জৈব অণু তৈরি হতে পারে। ফলে পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি এবং মহাবিশ্বে জীবনের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে গবেষণার আগ্রহ বেড়েছে।

কর্মদক্ষতা মাপল এআই, চাকরি হারালেন কর্মীরা? মেটার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মামলা

Meta mass layoffs: কর্মীদের ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নেবে? মেটার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় অভিযোগ, এআই-নির্ভর মূল্যায়নের কারণে মাতৃত্বকালীন ও চিকিৎসাজনিত ছুটিতে থাকা কর্মীরা অন্যায্যভাবে চাকরি হারিয়েছেন।