টলাতে পারে না ৪০ কেজি বিস্ফোরকও! কীভাবে তৈরি হল দেশের প্রথম কেবল স্টেড ব্রিজ?

India's First Cable-stayed Bridge : ২১৩ কেজি সমান প্রবল ঝড়ো হাওয়া অথবা মারাত্মক বিস্ফোরণ সবেতেই অবিকল থাকবে এই অভিনব সেতুটি।

Kankana Mukherjee
৪ মিনিট
টলাতে পারে না ৪০ কেজি বিস্ফোরকও! কীভাবে তৈরি হল দেশের প্রথম কেবল স্টেড ব্রিজ?

আর মাত্র মাস দুয়েক, তারপরই চালু হয়ে যেতে পারে দেশের প্রথম কেবল-স্টেড ব্রিজ। দুর্গম জম্মু কাশ্মীরের পথ এবার হতে পারে আগের থেকে অনেক সুগম। অভিনব এই ব্রিজ নির্মাণের কাজ প্রায় শেষের পথে। উত্তর রেলওয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই বছরের মে মাসের মধ্যে সেতুটির ডেক প্রস্তুত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একবার প্রস্তুত হলে, জম্মু থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরে নির্মিত সেতুটিতে ১০০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা বেগে ট্রেন চলবে। কাটরা এবং বানিহালকে জুড়বে এই সেতু। কেবল তারের সাহায্যেই জোড়া রয়েছে এই বিশেষ সেতু।

এতদিন যাবৎ এই অঞ্চল ছিল খুবই দুর্গম, অথচ জনপ্রিয়তা কোনও অংশেই কম ছিল না এখনকার। ফলে সেই কথা মাথায় রেখেই কাজ শুরু করে রেল কর্তৃপক্ষ। অত্যাধুনিক এই সেতুর রয়েছে বিশেষ কিছু ক্ষমতা। জানা গিয়েছে ২১৩ কিমি প্রতি ঘণ্টায় বইতে থাকা ঝড়কেও অনায়াসে রুখে দিতে পারে এই সেতু। শুধু তাই নয় ২৯০ মিটার দীর্ঘ এই সেতুটিতে লাগানো রয়েছে বেশ কিছু সেন্সর। ৪০ কেজি বিস্ফোরকও সেতুটির কোনও ক্ষতি করতে পারবে না, বলেই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

দুর্গমতাকে জয় করার মোহ মানুষের চিরকালীন। ঠিক এই কারণেই সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে অসম্ভবকে সম্ভব করার কাজ করে চলেছেন বিশেষজ্ঞরা। কর্মকর্তাদের মতে, ইতিমধ্যেই এই আঞ্জি সেতুর ৪৭টি বিভাগের মধ্যে ৪১টির কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। বাকিগুলিও এপ্রিলের শেষের দিকে বা মে মাসের প্রথম সপ্তাহে শেষ হয়ে যাবে বলেই আশাবাদী তাঁরা।

নির্মীয়মাণ এই সেতুটির আর ৫২.৫ মিটার অংশের কাজ বাকি। যা অনায়াসেই মাস দুয়েকের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। মোট ৯৬টি কেবল তথা তার দিয়ে তৈরি হওয়া সেতুটি নির্মাণের সময়ই পরীক্ষা চালিয়েছে আইআইটি রুরকি এবং আইআইটি দিল্লি। নির্মাণ সম্পূর্ণ হওয়ার পরও নিয়মিত পরীক্ষা করা হবে সেতুটি। যেহেতু ওই এলাকায় নিয়মিত ধস কিংবা ভূমিকম্প হয় তাই এর স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখার জন্য এই বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
পৃথিবীর উচ্চতম সেতুর উপর দিয়ে বন্দে ভারত! মেঘের উপর দিয়ে এবার যে গন্তব্যে যাবে ট্রেন

Jammu-Srinagar Vande Bharat Train: ১,৪০০ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি এই খিলান সেতুটি প্যারিসের আইফেল টাওয়ারের চেয়েও ৩৫ মিটার লম্বা।

বর্তমানে, উধমপুর থেকে কাটরা সেকশনের মধ্যে ট্রেন চলাচল করার কথা জানা গিয়েছে। ১১১ কিলোমিটার কাটরা থেকে বানিহাল লাইনের প্রকল্পের কাজ বর্তমানে চলছে এবং আঞ্জি ও চেনাবের সেতু সহ এই বিভাগের ৫২ কিলোমিটার মহারাষ্ট্র-সদর দফতর কোঙ্কন রেলওয়ে দ্বারা নির্মিত হচ্ছে। পাশাপাশি জানা গিয়েছে, এই পথে বানিহাল এবং বারামুল্লাও ট্রেন দ্বারা সংযুক্ত হবে।

প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে কী কী বিশেষ সুবিধা পাওয়া যেতে পারে?

দেশের প্রথম কেবল-স্টেড ব্রিজ নির্মাণের কাজ একবার সম্পূর্ণ হলে, এই USBRL প্রকল্পটি কাশ্মীর উপত্যকাকে জাতীয় রেল নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করবে। আঞ্জি ব্রিজ হল এমন একটি সেতু যা একটি একক তোরণে নির্মিত এবং এর উভয় প্রান্তে সুড়ঙ্গ রয়েছে। কাটরা প্রান্তে একটি টানেলের দৈর্ঘ্য ৫ কিমি এবং কাশ্মীরের প্রান্তে আরেকটি টানেলের দৈর্ঘ্য ৩ কিমি। উভয় দিকেই স্থাপন করা হয়েছে নির্দিষ্ট একটি ট্র্যাক। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আঞ্জি সেতুর তারের স্থিত অংশটি ৪৭২.২৫ মিটার যেখানে সেতুটির মোট দৈর্ঘ্য ৭২৫.৫ মিটার, যা একটি বাঁধ সহ চারটি অংশে বিভক্ত। জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালেই প্রথম এই বিশেষ সেতু নির্মাণের কাজ শুরুর পরিকল্পনা করা হয়। যদিও মূল ক্যাবল-স্টেড ব্রিজের কাজটি শুরু হয় ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে। প্রবল ঝড়ো হাওয়া এবং ৪০ কেজি সমান বিস্ফোরক সহ্য করা পাশাপাশি সেতুটিতে একটি সমন্বিত মনিটরিং সিস্টেমও থাকবে যেখানে বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য সেন্সর লাগানো থাকবে, যা সেতুটির সবকিছু পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যবেক্ষণ করবে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
৫ ঘণ্টায় কামরূপ-কামাক্ষা! বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের নতুন ট্রেন ছুটবে যে পথে...

Guwahati New Jalpaiguri Vande Bharat Express: সম্ভবত নিউ আলিপুরদুয়ার, নিউ কোচবিহার এবং নিউ বোঙ্গাইগাঁওয়ে থামবে এই ট্রেন।

রেলওয়ে আধিকারিকদের মতে, সেতুটি হিমালয়ের ইয়ংফোল্ড পর্বতে অবস্থিত যেখানে পথ খুবই দুর্গম। অসংখ্য ভাঁজ, গিরিখাত সমন্বিত। এছাড়া এই অঞ্চল ভূমিকম্প প্রবণও বটে। ফলে সবধরনের সাবধানতার কথাই মাথায় রাখা হয়েছে।

জানেন এই বিশেষ ক্যাবল স্টেড ব্রিজ কীভাবে কাজ করে?

হাউ স্টাফ ওয়ার্কস-এর একটি প্রতিবেদন অনুসারে বল হয়, প্রাথমিক ভাবে ঝুলন্ত লেনের কারণে কেবল-স্টেড সেতুটিকে ঝুলন্ত সেতুর একটি বৈচিত্র বলে মনে হয়। কেবল-স্টেড সেতুগুলি ঝুলন্ত সেতুগুলির থেকে আলাদা কারণ এগুলিতে অ্যাঙ্কোরেজ বা দুটি টাওয়ারের প্রয়োজন হয় না। পরিবর্তে, তারগুলি রাস্তা থেকে একটি একক টাওয়ার পর্যন্ত প্রসারিত হয়, যা পুরো ওজন বহন করে।

একটি কেবল-স্টেড সেতুর টাওয়ার কম্প্রেশনাল স্ট্রেস শোষণ এবং মোকাবিলা করতে পরে। বিভিন্ন পদ্ধতিতে পাকদন্ডি রাস্তার সাথে একটি রেডিয়াল বিন্যাসে তারগুলো লাগানো হয়। উদাহরণস্বরূপ, একটি একক খুঁটির সাথে সংযুক্ত একাধিক মাছ ধরার লাইনের মতো তারগুলি রাস্তার বিভিন্ন স্থান থেকে টাওয়ারের একক পয়েন্টে পৌঁছায়। তারগুলি সমান্তরাল কনফিগারেশনে বিভিন্ন পয়েন্টে রাস্তা এবং টাওয়ারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে। প্রকৌশলীরা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইউরোপে প্রথম কেবল-স্টেড ব্রিজ তৈরি করেছিলেন, কিন্তু তার অন্তর্নিহিত নকশাটি ১৬ শতকের এবং ক্রোয়েশিয়ান উদ্ভাবক ফাউস্ট ভ্রাঙ্কিকের। ভ্রাঙ্কিক ছিলেন একজন জ্যোতির্বিজ্ঞানী। তাঁর বই ‘ম্যাচিনি নোভা’-তে প্রথম একটি কেবল-স্টেড ব্রিজের স্কেচ লক্ষ্য করা যায়।

আজকাল অবশ্য এই ক্যাবল-স্টেড ব্রিজ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কারণ ৫০০ থেকে ২৮০০ ফুট পর্যন্ত এই দীর্ঘ স্প্যানগুলির মধ্যে কম খরচে একটি ঝুলন্ত সেতুর সমস্ত সুবিধা প্রদান করে এটি৷ এতে ইস্পাতের ব্যবহারও কম, তাছাড়া খুবই তাড়াতাড়ি এর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব। প্রচুর পরিমাণে ইস্পাত এবং কংক্রিটের পরিবর্তে এক্ষেত্রে একটি বা দুটি গাছের শিকড়ই যথেষ্ট বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। ফলে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় এর মতো বিকল্প আর কীই বা হতে পারে!

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

AI-এর যুগে মানুষ কি নিজের বুদ্ধিটাই মেশিনের হাতে তুলে দিচ্ছে?

Artificial Intelligence: ছোটবেলায় অনেকেই ভাবত রোবট এসে মানুষের কায়িক শ্রমের কাজগুলি করে দেবে। মানুষ অবসর পেয়ে গান শুনবে, কবিতা লিখবে কিংবা বারান্দায় বসে কফি খাবে। বাস্তবে দেখা গেল ঠিক তার উল্টো চিত্র। রোবট এখন কবিতা লিখছে, ছবি আঁকছে আর কোড তৈরি করছে। অন্যদিকে মানুষ সকাল থেকে রাত ল্যাপটপের সামনে বসে শিখছে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং।

মহাকাশে রওনা নাসার টেলিস্কোপের, বদলে দিতে পারে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি?

NASA’s Roman Space Telescope: নাসার নতুন ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ বদলে দেবে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি? হাবল ও জেমস ওয়েবের পর কেন প্রয়োজন হলো এই নতুন মহাকাশ-চোখের? ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, গ্যালাক্সি ও এক্সোপ্ল্যানেট সম্পর্কে কি নতুন তথ্য দেবে রোমান? মহাবিশ্বের প্রসারণের ইতিহাস বুঝতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে এই অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ?

সৌরপৃষ্ঠ আসলে কেমন? ৩৩ বছর পর মিলল উত্তর

Sun’s surface mystery: সূর্যের পৃষ্ঠকে এতদিন দূর থেকে তুলোর মতো নরম ও শান্ত দেখালেও, তা কি সত্যিই এমন? বিশ্বের বৃহত্তম সৌর টেলিস্কোপ ড্যানিয়েল কে ইনোয়ের তোলা সর্বোচ্চ-রেজোলিউশনের ছবিতে দেখা গেল ছোট ছোট হিংস্র প্লাজমার ঘূর্ণি। ৩৩ বছর আগে করা জোয়ান কার্পেনের সেই ভবিষ্যদ্বাণী কি অবশেষে সত্যি প্রমাণিত হলো? এই আবিষ্কার কি বদলে দেবে সৌরপৃষ্ঠ সম্পর্কে ধারণা?

৩ অগাস্ট থেকে বদলে যাচ্ছে শেয়ার বাজারের নিয়ম!

Stock Market India: নতুন ব্যবস্থার অধীনে শেয়ার বাজার বন্ধের সময়কে তিনটি আলাদা অংশে ভাগ করা হয়েছে। তবে নন-এফএন্ডও (Non-F&O) স্টকগুলির ক্ষেত্রে আগের মতোই বিকেল ৩:৩০টা পর্যন্ত স্বাভাবিক লেনদেন চালু থাকবে, এতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। কিন্তু এফএন্ডও স্টকগুলির ক্যাশ মার্কেটে প্রতিদিন একটানা লেনদেন চলবে বিকেল ৩:১৫ মিনিট পর্যন্ত।

আইআইটি-র দুই প্রাক্তনীর বৈদ্যুতিক কৃষিযন্ত্রে একরপ্রতি খরচ মাত্র ৪০ টাকা

Electric Power Tiller: বাজারে যেসব ট্র্যাক্টর পাওয়া যায়, তা হয় বিশাল বড় জমির উপযোগী, না হয় কেনা ও চালানো দুটোই খুব ব্যয়বহুল। ভারতে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ কৃষকের জমিই ছোট ও খণ্ড-বিখণ্ড, যেখানে বড় যন্ত্র ঢোকানোই সম্ভব নয়। আবার চিন থেকে আমদানি করা ছোট ছোট সস্তা মেশিনগুলিতে যন্ত্রাংশ ও সার্ভিসিংয়ের চূড়ান্ত সমস্যা তৈরি হয়। তাই বিদেশ থেকে আমদানির কথা না ভেবে, আইআইটি বোম্বের দুই প্রাক্তনী ঐশ্বর্য রামকৃষ্ণন ও কেদার গোখলে সিদ্ধান্ত নেন খাঁটি দেশীয় প্রযুক্তিতে ভারতের মাটির উপযোগী সমাধান তৈরি করার।

মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও উষ্ণ থাকে সোনাম ওয়াংচুকের বাড়ি

Sonam Wangchuk House: সোনম ওয়াংচুক মানেই পাহাড়ঘেরা লাদাখের ছবি, বরফে ঢাকা জীবন আর নতুন এক ভাবনার আলো। পেশায় তিনি একজন প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ এবং উদ্ভাবক। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে তিনি যেন রূপকথার সেই মানুষটি, যিনি পাহাড়ের রুক্ষ জীবনের কঠিন সমস্যাগুলিকে বিজ্ঞানের সহজ ছোঁয়ায় অত্যন্ত সহজ করে তুলেছেন।

মহাকাশে মিলল চিনির সন্ধান, কেন গুরুত্বপূর্ণ এই আবিষ্কার?

natural sugar in space: ছায়াপথের কেন্দ্রের একটি আণবিক মেঘে প্রথমবারের মতো প্রকৃত মনোস্যাকারাইড ‘এরিথ্রুলোজ’-এর সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এই আবিষ্কার জানাচ্ছে, নক্ষত্র ও গ্রহ তৈরির আগেই মহাকাশে জটিল জৈব অণু তৈরি হতে পারে। ফলে পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি এবং মহাবিশ্বে জীবনের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে গবেষণার আগ্রহ বেড়েছে।

কর্মদক্ষতা মাপল এআই, চাকরি হারালেন কর্মীরা? মেটার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মামলা

Meta mass layoffs: কর্মীদের ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নেবে? মেটার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় অভিযোগ, এআই-নির্ভর মূল্যায়নের কারণে মাতৃত্বকালীন ও চিকিৎসাজনিত ছুটিতে থাকা কর্মীরা অন্যায্যভাবে চাকরি হারিয়েছেন।