ঠিক সিনেমার ক্লাইম্যাক্স! মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিণতি নিয়ে টানটান উত্তেজনা

পরিস্থিতি আরও জটিল করেছেন শিবসেনার সঞ্জয় রাউত। এক ট‍্যুইটে চরম পরিণতির ইঙ্গিত দিয়েছেন। রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের মধ্যেই মহারাষ্ট্র বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন রাউত।

Kanad Dasgupta
৪ মিনিট
ঠিক সিনেমার ক্লাইম্যাক্স! মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিণতি নিয়ে টানটান উত্তেজনা

মহারাষ্ট্রে বেমক্কা ভেন্টিলেশনে চলে গেল 'মহাবিকাশ অঘাড়ি' সরকার। জটিল রাজনৈতিক আবর্তে পাক খাচ্ছে মহারাষ্ট্র। কোনও নীতি, আদর্শ বা উদ্ধব ঠাকরের বিশেষ কোনও সিদ্ধান্তের কারণে কিন্তু সরকারের এই টলোমলো অবস্থা নয়। খোদ শিবঠাকুরের আপন সেনা-রাই নিজেদের স্বার্থে নিজেদের ঘর তছনছ করছে। কিছুই অসম্ভব নয়, পরবর্তী সময় হয়তো দলও বদলে ফেলতে পারে সৈনিকরা। ঠাকুর-দেবতাদের সেনা-ই যদি এমন সব কাণ্ড ঘটায়, তাহলে কেই-ই বা ভরসাযোগ্য!

মুম্বই সিনেমার ক্লাইম্যাক্সের ধাঁচেই টানটান উত্তেজনা মহারাষ্ট্রজুড়ে‌। সরকারের বাঁচা-মরা বিতর্কের মাঝেই ঢুকে পড়েছে করোনা। জানা গিয়েছে, করোনা-আক্রান্ত হয়েছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে এবং রাজ্যপাল ভগৎ সিংহ কোশিয়ারি। ঠাকরে মন্ত্রিসভার বৈঠক করবেন ভার্চুয়ালি, ওদিকে, রাজ্যপাল সরাসরি ভর্তি হয়েছেন হাসপাতালে।

নাটকের পর নাটক। একদিকে বিপাকে পড়া সরকার বাঁচাতে তড়িঘড়ি বৈঠক করছেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। বৈঠকে হাজির শরিক এনসিপি এবং কংগ্রেসের নেতারা। শিন্ডের গোঁসা ভাঙানোর চেষ্টা করেছিলেন ঠাকরে। কিন্তু, তাতে চিঁড়ে ভেজেনি। তারপরেই বিধানসভার দলনেতার পদ থেকে একনাথ শিন্ডেকে সরিয়ে দিয়েছেন উদ্ধব।

'বিদ্রোহী' নেতা একনাথ শিন্ডেও বসে নেই। রাতারাতি গুজরাতের সুরাত থেকে সদলবলে উড়ে গিয়েছেন অসমের গুয়াহাটি। সেখানে একটি বিলাসবহুল হোটেলকে কার্যত দুর্গ বানিয়ে রয়েছেন শিন্ডেবাহিনী। হোটেলে এসে শিন্ডের সঙ্গে দেখা করে গিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। বিজেপির শীর্ষ স্তরের নির্দেশ না থাকলে হিমন্ত ওই হোটেলে পা-ই রাখতেন না। ফলে শিন্ডের মাথায় বিজেপি-র যে হাত রয়েছে, তা স্পষ্ট। জল্পনা তুঙ্গে, তাহলে কি এবার শিন্ডে ও তাঁর অনুগামীরা গেরুয়া শিবিরের পথেই পা বাড়াচ্ছেন। গুয়াহাটির পাঁচতারা হোটেলে হিমন্ত বিশ্বশর্মার উপস্থিতি একাধিক জল্পনা তৈরি করেছে। এদিকে, শিবসেনা মুখপাত্র সঞ্জয় রাউত দাবি করেছেন, 'একনাথ তাঁদের সঙ্গেই আছেন। শিন্ডে এক জন শিবসৈনিক। সকালেই কথা হয়েছে ওঁর সঙ্গে। মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছি।’

শিন্ডেও পাল্টা বৈঠক ডেকেছেন। পদচ্যুত হতেই ট‍্যুইটে একনাথ শিন্ডে দাবি করেছেন, এখনও তিনি শিবসেনাতেই রয়েছেন। কোনও পরিস্থিতিতেই কিংবা ক্ষমতার লোভে তিনি বালাসাহেব ঠাকরের আদর্শের সঙ্গে বেইমানি করবেন না। পাশাপাশি হুঙ্কার দিয়েছেন, '৪০ নয়, শিবসেনা এবং নির্দল মিলিয়ে ৪৬ জন বিধায়ক রয়েছেন আমার সঙ্গে। আসার কথা আরও ৪ বিধায়কের।'

ওদিকে শরিক কংগ্রেস এবং এনসিপি-ও ময়দানে নেমে পড়েছে। কংগ্রেসের পরিষদীয় দলনেতা বালাসাহেব থোরাটের সঙ্গে দেখা করেছেন সদ্য-নিযুক্ত এআইসিসি পর্যবেক্ষক কমল নাথ। তিনি বলেছেন, 'টাকার খেলায় ঝাড়খণ্ড এবং মধ্যপ্রদেশের মতো মহারাষ্ট্রেও যে ধরনের রাজনীতি শুরু হয়েছে তা ভারতের সংবিধানের পরিপন্থী। এ ধরনের রাজনীতি মাথাচাড়া দিলে গণতন্ত্রের ভবিষ্যতের জন্য বিপজ্জনক নজির স্থাপন করবেই।' কংগ্রেস বলছে, তাদের বিধায়করা ঠিক আছেন। শিবসেনা নিজেদের বিধায়কদের সামলে নিক‍।

পাশাপাশি, মহারাষ্ট্রের 'আয়রন-ম্যান' তথা এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারের বাসভবনে মহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিলীপ ওয়ালসে পাতিল বৈঠক করেন। সেখানে ছিলেন মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী বালাসাহেব পাতিলও। সব মিলিয়ে রাজনৈতিক মহল কৌতূহলি, কোন দিকে গড়াবে জল?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মহারাষ্ট্রে সরকার ভাঙতে চাইছে বিজেপি? শিবসেনার অন্তর্দ্বন্দ্বে যে জল্পনা উঠে আসছে

হঠাৎ করে যাঁকে ঘিরে মহারাষ্ট্রের রাজনীতি তোলপাড়, তিনি একনাথ শিন্ডে। একনাথ শিন্ডে মহারাষ্ট্রের থানে এলাকার প্রভাবশালী নেতা।

অন্যদিকে পরিস্থিতি আরও জটিল করেছেন শিবসেনার সঞ্জয় রাউত। এক ট‍্যুইটে চরম পরিণতির ইঙ্গিত দিয়েছেন। রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের মধ্যেই মহারাষ্ট্র বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন রাউত। তিনি ট‍্যুইটে লিখেছেন, 'মহারাষ্ট্রে হঠাৎ চালু হওয়া রাজনৈতিক সংকট বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার দিকে যাচ্ছে।'

কী হতে পারে মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রাক্কালে এই প্রশ্নই বড় হয়ে দেখা দিয়েছে।

১) আপাতত যা পরিস্থিতি, তাতে এটা নিশ্চিত, একনাথ শিন্ডেকে শিবসেনা ফিরিয়ে আনতে না পারলে আচমকা ভেন্টিলেশনে যাওয়া মহারাষ্ট্রে সরকারের অকাল-মৃত্যু নিশ্চিত। শোনা যাচ্ছে, শিন্ডে নাকি নতুন শিবসেনা গঠন করে বিজেপির সঙ্গে জোট করবে।

২) শিন্ডের দাবি, শিবসেনা এবং নির্দল মিলিয়ে তাঁর সঙ্গে ৪৬ জন বিধায়ক রয়েছেন। আসার কথা নাকি আরও ৪ বিধায়কের। ওদিকে বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ১১৩, অন্যান্য ৫ জন। ১টি আসন শূন্য। মহারাষ্ট্র বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগার ১৪৫। বিজেপি এবং শিন্ডের দাবি অনুসারে আপাতত ৪৬ বিধায়ক থাকলে এবং শিন্ডে বিজেপির পাশে দাঁড়ালে সেই সংখ্যা দাঁড়াবে ১৫৯, যা সরকার গঠনের জন্য যথেষ্ট।

৩) তেমন হলে মহারাষ্ট্রে ফিরবে বিজেপি। তবে পরিস্থিতি সেইদিকে গড়ালে উদ্ধব ঠাকরে বিধানসভা ভেঙে দেওয়ারই সুপারিশ করবেন‌।

৪) সরকার পড়ে গেলে অথবা মহাজোট ভেঙে গেলে মহারাষ্ট্র বিধানসভার অন্তর্বর্তী নির্বাচন অবশ্যম্ভাবী‌।

৫) একনাথ শিন্ডে যদি নতুন শিবসেনা গঠন করেন তাহলে নতুন দল নিয়ে তাঁকে ভোটে যেতে হবে। শিন্ডে যত বড় নেতাই হোন, মহারাষ্ট্রে ঠাকরে-দের প্রভাব অনেক বেশি। সেক্ষেত্রে শিন্ডের এককভাবে সরকার গড়ার দাবিদার হওয়ার সম্ভাবনা কম৷ কোনও জোটে তাঁকে যেতেই হবে। শিন্ডের প্রথম পছন্দ নিশ্চিতভাবেই বিজেপি। তবে ২০-২৫ আসন নিয়ে বিজেপি জোটে শিন্ডে কতটা গুরুত্ব পাবেন, সেটাও প্রশ্ন।

৬) কংগ্রেসের ৪৪ জন বিধায়ক ঐক্যবদ্ধ। একজনও বিজেপি বা শিন্ডের সঙ্গে যাবেন না। নির্বাচন হলে শিন্ডের সঙ্গে জোটেও যাবে না কংগ্রেস।

৭) এখন দেখার বিজেপি এনসিপি ভাঙতে পারে কি'না৷ শিবসেনার পর বিজেপি পাওয়ারের দলেও ভাঙ্গন লাগাতে পারলে মহারাষ্ট্রের রাজনীতি অন্য খাতে বইবে৷ একচ্ছত্র ক্ষমতা নিয়ে ফিরবে বিজেপি।

৮) পরিস্থিতির জল যেদিকে গড়াচ্ছে, শিন্ডে এবং তাঁর অনুগামীরা শিবসেনার ঝাঁকে না মিশলে মহারাষ্ট্রে অকাল ভোটই হবে। বিজেপি-শিন্ডে জোটকে কিছুতেই সরকার গড়তে দেবে না শিবসেনা, এনসিপি বা কংগ্রেস‌। বিজেপির সরকার গঠন আটকানোর একমাত্র পথ, বিধানসভা ভেঙে দেওয়া৷ এই ইঙ্গিত ইতিমধ্যেই দিয়েছেন শিবসেনার সঞ্জয় রাউত‌।

৯) আর রাজনৈতিক মহলের অভিমত, মহারাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন হলে বিজেপি জোট বা 'মহাবিকাশ অঘাড়ি' কেউই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না‌। ফের শুরু হবে ঘোড়া কেনাবেচা। ফলে আগামী দিনেও মহারাষ্ট্রে শক্তপোক্ত সরকারের আশা বড়ই ক্ষীণ।

লিখেছেন
Kanad Dasgupta
Kanad Dasgupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।

হুথিরা যেভাবে স্থানীয় বিদ্রোহী থেকে মধ্যপ্রাচ্যের শক্তিতে পরিণত হলো

Houthi Expansion in Yemen: ইয়েমেনে ফের কেন যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে? হুথিরা কীভাবে স্থানীয় জায়দি আন্দোলন থেকে শক্তিশালী সামরিক-রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হল? ইরানের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কতটা গভীর? মোখা ও হানিশ দ্বীপপুঞ্জ দখলের পর কেন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বাব আল-মান্দাব? এই সংঘাতের প্রভাব কি শেষ পর্যন্ত বিশ্ব বাণিজ্য, জ্বালানি পরিবহণ ও মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে পড়বে?