বলতেই হবে জয় শ্রীরাম! ওড়িশা থেকে যেভাবে প্রাণে বেঁচে ফিরলেন আশিক

Murshidabad migrant worker Ashik Mohammed: “হামলার শুরুটাই হয়েছিল একটি ধর্মীয় স্লোগান বলার দাবিকে কেন্দ্র করে,” ইনস্ক্রিপ্ট-কে জানান আশিক মহম্মদ। স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে এখনও তাঁর গলা কেঁপে ওঠে।

Tanvia Barua
৩ মিনিট
বলতেই হবে জয় শ্রীরাম! ওড়িশা থেকে যেভাবে প্রাণে বেঁচে ফিরলেন আশিক

ওড়িশায় কাজ করতে গিয়ে ২৪ ডিসেম্বর প্রাণ হারিয়েছেন মুর্শিদাবাদের ১৯ বছরের তরুণ জুয়েল রানা। কিন্তু সেই একই রাতে, একই রাস্তায়, একই হামলাকারীদের হাতে গুরুতর আহত হন জুয়েলের পরিচিত এবং মুর্শিদাবাদেরই আর এক পরিযায়ী শ্রমিক— আশিক মহম্মদ। জুয়েল আর ফেরেননি, আশিক ফিরেছেন ভাঙা বাঁ পা, যন্ত্রণায় কাঁপা শরীর আর আজীবনের আতঙ্ক নিয়ে।

ওড়িশার আইন্থাপল্লী থানার অন্তর্গত দানিপালি এলাকায় নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করতে আসা বাঙালি যুবক আশিক মহম্মদ সবজি কিনতে বেরিয়েছিলেন। তখনই হামলা হয় তাঁর উপর। জুয়েলের ঘর থেকে আশিকের ঘরের দূরত্ব মাত্র ১০ মিনিট। কাজের জায়গাও প্রায় কাছাকাছি।

হামলার শুরুটাই হয়েছিল একটি ধর্মীয় স্লোগান বলার দাবিকে কেন্দ্র করে

ইনস্ক্রিপ্ট-কে জানান আশিক মহম্মদ। স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে এখনও তাঁর গলা কেঁপে ওঠে। তিনি বলেন,

হঠাৎ করে কয়েকজন এসে আমাদের ঘিরে ধরে। ওরা প্রথমেই বলছিল ‘জয় শ্রীরাম’ বলতে। আমি বলতে চাইনি। তখন ভাবলাম, আধার কার্ড দেখালে হয়ত ছাড়বে।

আশিক দ্রুত পার্স থেকে আধার কার্ড বের করে দেখান। কিন্তু তাতেও নিস্তার মেলেনি।

আধার দেখিয়েও মার থামেনি। তারপরও মারছিল

বলেন আশিক।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
এক মাসে তিন রাজ্যে তিন পরিযায়ী শ্রমিকের উপর হামলা! গোটা দেশে যে ভাবে কোনঠাসা জুয়েলের মতো বাঙালি মুসলিমরা

Bengali Migrant Workers Targeted as ‘Bangladeshis’: মাত্র পাঁচ দিন আগেই কাজের খোঁজে ওড়িশায় যান জুয়েল। ২৪ ডিসেম্বর রাত সাড়ে আটটা নাগাদ সম্বলপুর জেলার আইন্থাপল্লী থানার দানিপালি এলাকায় তাঁর উপর হামলা হয়।

আশিকের কথায়, হামলাকারীরা ছিল মোট ছ’জন। তারা তিনটি বাইকে করে এসেছিল। সকলের কপালে ছিল লাল টিকা।

ওদের হাতে মোটা, বড় লোহার রড ছিল। ওই রড দিয়েই আমাকে মারে

জানান তিনি।

সে দিন রাতে প্রথমে জুয়েলের উপর আক্রমণ করা হয়। আশিক তখন কিছুটা দূরে। মুহূর্তের মধ্যেই আক্রমণ নেমে আসে তাঁর উপরেও।

হাত-পা ধরে মারছিল। আমি চিৎকার করছিলাম। কিন্তু কেউ ছাড়েনি। রডের কোপেই বাঁ পা ভেঙে যায়

বলেন আশিক।

মাথায় আঘাতের যন্ত্রণা এখনও কমেনি। শরীরের একাধিক জায়গায় কালশিটে। কিন্তু সবচেয়ে গভীর ক্ষতটা পড়েছে মনে। আশিকের দাবি, জুয়েলকে মারধর করে হত্যার পরেই হামলাকারীরা তাঁর দিকে আসে। তিনি বলেন,

জুয়েলকে মেরে ফেরার পরই ওরা আমাকে মারে

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ফের যেভাবে ওড়িশার ১৪ জনকে বাংলদেশে ঠেলে দেওয়া হলো

Odisha residents pushed to Bangladesh:  এই ১৪ জনের মধ্যে রয়েছেন ছ'জন পুরুষ, ছ'জন মহিলা এবং দু'জন শিশু। প্রত্যেকেই দাবি করছেন, তাঁরা ভারতের নাগরিক।

এই বক্তব্য নতুন করে প্রশ্ন তুলছে— এটি কি নিছক উত্তেজনায় ঘটে যাওয়া ঘটনা, নাকি পরিকল্পিত আক্রমণ?

বহরমপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি আশিক মহম্মদ

আশিক মহম্মদ পেশায় রাজমিস্ত্রি। মাত্র আড়াই মাস আগে কাজের খোঁজে ওড়িশায় যান তিনি। সংসারের দায়, জীবিকার তাগিদ— সব মিলিয়েই ভিনরাজ্যে পাড়ি দেওয়া। কিন্তু সেই কাজই আজ তাঁর কাছে আতঙ্ক।

আর যাব না বাইরে কাজ করতে। মুর্শিদাবাদেই কাজ করব

স্পষ্ট বলেন আশিক।

ঘটনার পরদিনই আশিক-সহ মোট ১২ জন শ্রমিক একসঙ্গে মুর্শিদাবাদে ফিরে আসেন। তাঁদের অনেকেই মানসিকভাবে বিধ্বস্ত। তাঁরাও ওই এলাকায় শ্রমিকের কাজ করতেন বলে জানান আশিক। মুর্শিদাবাদের সুতি থানায় আশিকের ঘটনায় একটি এফআইআর রুজু হয়েছে।

তবে প্রশ্ন উঠছে, কেন আশিককে নিয়ে নীরবতা? জুয়েল রানার মৃত্যু নিয়ে কিছুটা হলেও আলোচনায় এসেছে ঘটনা। কিন্তু যেভাবে জুয়েল, আশিকদের ঘটনা রাজনৈতিক মঞ্চে বা মিডিয়ার প্রাইমটাইমে উঠে আসা উচিত ছিল তা হয়নি। প্রশ্ন উঠছে, কেন জুয়েল, আশিকদের যন্ত্রণা অদৃশ্য?

হামলার সময় আশিককে ‘বাংলাদেশি’ বলে সন্দেহ করা হয়। 'জয় শ্রীরাম' বলাতে চাওয়া থেকে শুরু হয় বচসা, যা দ্রুত রূপ নেয় ভয়াবহ হিংসায়। এই ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল, যখন বাংলাদেশি’ ও ‘রোহিঙ্গা’ চিহ্নিত করার নামে কেন্দ্রীয় সরকারের সাম্প্রতিক তৎপরতার প্রেক্ষাপটে দেশে এক নতুন সামাজিক আতঙ্ক তৈরি হয়েছে, যার সরাসরি শিকার হচ্ছেন বাংলাভাষী মুসলমানরা। প্রশাসনিক নজরদারি ও যাচাইয়ের নামে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়ার সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় সাধারণ মানুষকে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে, আর সেই সন্দেহই একের পর এক জায়গায় রূপ নিচ্ছে গণহিংসায়। আর তার সবচেয়ে বড় শিকার হচ্ছেন বাংলাভাষী মুসলমান পরিযায়ী শ্রমিকরা, যাঁরা কাজের খোঁজে রাজ্য ছাড়েন, কিন্তু সুরক্ষার কোনো নিশ্চয়তা পান না।

ডিসেম্বর মাসেই ভারতের একাধিক রাজ্যে এই প্রবণতার ভয়াবহ চিত্র সামনে এসেছে। মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে তিনটি আলাদা রাজ্যে গণপিটুনিতে মৃত্যুর ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই পরিচয়, ভাষা কিংবা ধর্ম— এইগুলিই সন্দেহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

ওড়িশার এই ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ২০২৪ সালেই ওড়িশায় কাজ করতে গিয়ে গুরুতরভাবে আহত হয়ে পশ্চিমবঙ্গে ফিরে আসেন মুর্শিদাবাদের তিন পরিযায়ী শ্রমিক— সইরুদ্দিন মোমিন, রকিবউদ্দিন মোমিন ও মনজরুল শেখ। অভিযোগ, ‘বাংলাদেশি’ সন্দেহে তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়েছিল। আহত অবস্থায় রাজ্যে ফিরে এসে চিকিৎসা নিতে হয় তাঁদের। ২০২৫ সালে একই ধরনের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন সুজন সরকার। প্লাস্টিকের সামগ্রী ফেরি করার কাজ নিয়ে ওড়িশায় গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেখানেও ‘বাংলাদেশি’ সন্দেহ তুলে তাঁকে পুশব্যাক করা হয়। এখন জুয়েল রানা, আশিক মহম্মদের সঙ্গেও একই ঘটনা ঘটল।

সম্প্রতি আবার ওড়িশার ১৪ জনকে বাংলদেশে ঠেলে দেওয়া হলো। অভিযোগ, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ নারী, পুরুষ ও শিশু-সহ মোট ১৪ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেয়। তাঁরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাঁরা ভারতেরই নাগরিক তবুও তাদের ছাড়া হয়নি।

আশিকের প্রশ্ন,

আমি তো ভারতের নাগরিক। আধার দেখিয়েও কেন মার খেলাম?

এটিই আজ সমাজের সামনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

লিখেছেন
Tanvia Barua
Tanvia Barua
7 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।