কে হবেন রাষ্ট্রপতি! বিরোধী ঐক্যের সর্পছিদ্রই বিজেপির পোয়াবারো?

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী শিবিরের সর্বসম্মত প্রার্থী স্থির করতে বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাদের ও মুখ্যমন্ত্রীদের চিঠি লিখেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Kanad Dasgupta
৪ মিনিট
কে হবেন রাষ্ট্রপতি! বিরোধী ঐক্যের সর্পছিদ্রই বিজেপির পোয়াবারো?

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সহমতের ভিত্তিতে বিরোধী প্রার্থী চূড়ান্ত করার কাজটি খুবই কঠিন। তবুও ২০২৪-এর দিকে তাকিয়ে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চেষ্টা চালাতে চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী শিবিরের ঐক্যবদ্ধ চেহারা তুলে ধরতে বুধবার দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে ২২টি বিরোধী দল বৈঠকে বসছে। এই বৈঠকের উদ্যোগ নিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এনডিএ বা বিজেপি-র তরফে কোনও নাম ঘোষণা না হলেও জল্পনায় রয়েছে একাধিক নাম। তবে শেষ মুহূর্তে অনেককে টপকে সামনে এসেছে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নাম। সবকিছু ঠিক থাকলে রাজনাথ সিং-ই রাষ্ট্রপতি পদে এনডিএ তথা বিজেপির প্রার্থী হতে চলেছেন বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

এদিকে, জাতীয় রাজনীতির প্রবীণতম চরিত্র শরদ পাওয়ার প্রার্থী হোন, এমনটাই চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কংগ্রেস সূত্রে খবর, সোনিয়া গান্ধীরও এই নামে আপত্তি নেই। কংগ্রেসের মল্লিকার্জুন খাড়গে ইতিমধ্যেই পাওয়ারের সঙ্গে কথাও বলেছেন। ফলে জোর জল্পনা, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এবার লড়াই হতে পারে এনডিএ-র রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে বিরোধী শিবিরের শরদ পাওয়ারের।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে শেষ হাসি হাসবে বিজেপি-বিরোধীরা? যে সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী শিবিরের প্রার্থী হিসেবে একাধিক নাম ভেসে উঠেছে। তবে এনসিপি সুপ্রিমো শারদ পাওয়ার, কাশ্মীরি পণ্ডিত করণ সিং, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন।

তবে এটাও ঠিক, চেষ্টা চললেও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সহমতের ভিত্তিতে বিরোধী প্রার্থী চূড়ান্ত করা কার্যত অসম্ভব। নাম একটা ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা অবশ্যই রয়েছে, কিন্তু তার পিছনে নিশ্চিতভাবেই লুকোনো থাকবে হরেক শর্ত। বিরোধী দলগুলি একক বা যৌথ বিবৃতি দেওয়ার সময় বিজেপি-বিরোধিতার প্রশ্নে তাদের ঐক্যবদ্ধ চেহারা তুলে ধরলেও যে কোনও বড় ইস্যু সামনে এলেই প্রকট হয়, ওই ঐক্য নেহাতই 'কসমেটিক'।

তবে রাজনীতিতে এমন হওয়া বিচিত্র কিছুই নয়। দেশে এই মুহূর্তে আঞ্চলিক দলগুলির রমরমা। প্রায় ৫০ শতাংশ রাজ্যে চলছে আঞ্চলিক দলের শাসন। এই দলগুলি তৈরি হওয়ার ইতিহাস খতিয়ে দেখলে স্পষ্ট হয়, এক একটি দল এক এক কারণে তৈরি হয়েছে। সব আঞ্চলিক দলই যে বিজেপি বা কংগ্রেস-বিরোধী, এমন নয়। নানা সময় এরা কখনও বিজেপি কখনও বা কংগ্রেসের সঙ্গে পথ হেঁটেছে। আঞ্চলিক দলগুলির স্থায়ী বন্ধু বা শত্রু বলে কিছু নেই। যখন যেমন প্রয়োজন, তখন তেমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং সেই সিদ্ধান্তকে জাস্টিফাই করতে সেই সময় যে যুক্তি দেয়, তা ওই একই দলের পূর্ববর্তী ঘোষিত নীতির ঠিক উল্টো। অতীতে বারবার দেখা গিয়েছে, দেশের আঞ্চলিক দলগুলি নীতি-আদর্শের সুদৃশ্য মোড়কে সুবিধে অনুসারে নিজেদের অবস্থান বদলে ফেলে। এমন অজস্র উদাহরণ দেওয়া যায়। ফলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে খুব সহজে বিরোধীরা একমত হবেন বলে রাজনৈতিক মহল মনে করে না। এবং এটাও নিশ্চিতভাবেই দেখা যাবে, সহমত না হলে বিরোধী দলগুলি প্রকাশ্যে একে অপরের ওপর দায় চাপাচ্ছে। এমন পরিণতির অপেক্ষাতেই রয়েছে বিজেপি। তবু রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সহমতের ভিত্তিতে বিরোধী প্রার্থী চূড়ান্ত করার একটা চেষ্টা থাকা জরুরি।

ওদিকে, সদ্য-সমাপ্ত রাজ্যসভা ভোটে বিরোধীদের ছন্নছাড়া পরিস্থিতি ফের প্রকট হয়েছে। মহারাষ্ট্রে শিবসেনা- কংগ্রেস-এনসিপি-র ‘মহা বিকাশ আগড়ি’ জোটকে জোর ধাক্কা দিয়ে মোট ৬টি আসনের মধ্যে ৩টিই জিতে নিয়েছে বিজেপি। অথচ মহারাষ্ট্রে এখন ওই ৩ দলের জোটই সরকার চালাচ্ছে৷ খোদ মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের দল শিবসেনা দু’জন প্রার্থী দাঁড় করিয়ে একটিমাত্র আসন জিততে পেরেছে। সব বিধায়কের ভোট জোগাড় করতে না পারায় মহারাষ্ট্রের কংগ্রেস, এনসিপি একটি করে আসন জিতেছে। ওদিকে কংগ্রেস এবং জেডিএস-এর মধ্যে ন্যূনতম সমন্বয়ের অভাবে কর্নাটকেও ৪টির মধ্যে ৩টি আসন ছিনিয়ে নিয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে রাজ্যসভার ভোট মিটতেই মহারাষ্ট্র সরকারের অন্দরে কাজিয়া তুঙ্গে উঠেছে। পরিস্থিতি এমনই, শিবসেনা-কংগ্রেস-এনসিপি-র ‘মহা বিকাশ আগড়ি’ জোট ভেঙেও যেতে পারে। জোটের পতন রুখতে মরিয়া হয়ে আসরে নেমেছেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে এবং প্রবীণ শরদ পাওয়ার। ২০১৯ সালে আগড়ি-জোট মহারাষ্ট্রে সরকার গড়েছে। আড়াই বছরের মধ্যেই সরকারের অভ্যন্তরীণ কোন্দল তুঙ্গে। একদিকে মহারাষ্ট্রের কংগ্রেস মন্ত্রীরা দলের হাই কমান্ডের কাছে অভিযোগ করেছেন, এনসিপি ও শিবসেনা তাদের উপযুক্ত মর্যাদা দিচ্ছে না। ওদিকে মুখ্যমন্ত্রী পদ দখলের আওয়াজ তুলেছে এনসিপি। দিনকয়েক আগে এনসিপির মন্ত্রী ধনঞ্জয় মুন্ডে বলেছেন, "মহারাষ্ট্রে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী এনসিপি-র কেউ হবেন।" এই বক্তব্য সমর্থন করেছেন এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারের মেয়ে সুপ্রিয়া সুলে। যদিও এই সংকট কাটাতে এনসিপি-র প্রবীণ নেতা এবং মহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিলীপ ওয়ালসে পাতিল স্পষ্ট জানিয়েছেন, "মুখ্যমন্ত্রী বদলের প্রশ্নই নেই। পুরো পাঁচ বছর উদ্ধব ঠাকরেই মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন।" সমস্যা হয়তো আপাতত মিটবে, কিন্তু এই ইস্যুতে জোটে ফাটল লেগেই গিয়েছে৷ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে হাতিয়ার করে বিজেপি মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে নতুন করে সুড়সুড়ি দিতে নামলে কী হবে, বলা মুশকিল৷ এই মুহূর্তে বিরোধী শিবিরের অন্যতম দুর্গ মহারাষ্ট্র দখল করতে পারলে বিজেপি-র শক্তি নিশ্চিতভাবেই বৃদ্ধি পাবে।

ওদিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে আগামী ১৮ জুলাই। ফল ঘোষণা হবে ২১ জুলাই। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী শিবিরের সর্বসম্মত প্রার্থী স্থির করতে বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাদের ও মুখ্যমন্ত্রীদের চিঠি লিখেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধীদের একজোট করতে উদ্যোগ নিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। এই ইস্যুতে বিরোধী নেতা-নেত্রীদের নিয়ে আগামী ১৫ জুন দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে বৈঠক ডেকেছেন তিনি। ওই চিঠিতে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, দেশের গণতন্ত্রের এই বিপদের সময় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে সমস্ত প্রগতিশীল বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির জোট বাঁধা উচিত।

এই চিঠি পাঠানো হয়েছে সোনিয়া গান্ধী, উদ্ধব ঠাকরে, নবীন পট্টনায়েক, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, পিনারাই বিজয়ন, এমকে স্ট্যালিন-সহ মোট ২২ জন বিরোধী নেতানেত্রীকে। যদিও সোনিয়া গান্ধী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সঙ্গে জানা গিয়েছে, উদ্ধব ঠাকরে এই বৈঠকে হাজির থাকছেন না। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, তিনি সেদিন গোয়া-য় থাকবেন অন্য কাজে। রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, উদ্ধব ঠাকরে কারণ যাই-ই দেখান, মহারাষ্ট্র সরকারের অন্দরে সম্প্রতি শরিকদের মধ্যে যে বিতর্ক চলছে, সেই কারণেও কনস্টিটিউশন ক্লাবের বৈঠক এড়িয়ে যেতে পারেন ঠাকরে।

মহারাষ্ট্র, কর্নাটকে রাজ্যসভা নির্বাচনের পর রাজনৈতিক শিবিরে জোরালো প্রশ্ন উঠেছে, রাজ্যসভা নির্বাচনেই যখন বিরোধী শিবির এককাট্টা হয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়তে পারেনি, সেখানে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কীভাবে তারা এক হয়ে লড়বে? অথচ, এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধীরা ঐক্যবদ্ধ হতে না পারলে ২০২৪-এর লোকসভা দখলের লড়াইয়ে অনেকটাই এগিয়ে যাবে নরেন্দ্র মোদির দল। এই আশঙ্কার কথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাথায় রয়েছে বলেই তিনি এতখানি ঝুঁকি নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছেন। এখন যদি অন্য কোনও বিরোধী দল আলাদাভাবে প্রার্থী দিতে চেষ্টা করে, তাহলে বিজেপিকে অনেকটাই সুবিধা করে দেওয়া হবে। আপাতত সবার নজরে এখন ১৫ জুনের বিরোধী-বৈঠক।

লিখেছেন
Kanad Dasgupta
Kanad Dasgupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।