অনুপ্রবেশকারীদের উৎখাত: নির্বাচনী রাজনীতির হাতিয়ার?

BJP Politics: বিজেপি আসামে এবং পশ্চিমবঙ্গে একই সঙ্গে একটি বার্তা ছড়াতে চাইছে, ‘‌‘‌‌আমরাই অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে লড়ছি, আমরাই জমি ফিরিয়ে দিচ্ছি।”

Rajib Dey
৪ মিনিট
অনুপ্রবেশকারীদের উৎখাত: নির্বাচনী রাজনীতির হাতিয়ার?

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সম্প্রতি আসামে জনসভা করে ঘোষণা করেছেন, “লাখ লাখ একর জমি অনুপ্রবেশকারীদের হাত থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।” তাঁর বক্তব্যে বারবার ফিরে এসেছে “অবৈধ দখলদার” এবং “বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী” প্রসঙ্গ। এই শব্দবন্ধগুলি নতুন নয়। বরং গত এক দশকে আসামের রাজনৈতিক আলোচনায়, এমনকি পশ্চিমবঙ্গেও, এই শব্দগুলি বারবার উত্থাপিত হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, প্রধানমন্ত্রী কেন আবার এই প্রসঙ্গ তুললেন? এর উত্তর খুঁজতে খুব বশি কষ্ট করতে হয় না। আসামে বছর ঘুরলেই নির্বাচন এবং পশ্চিমবঙ্গেও প্রায় একই সঙ্গে ভোট। এবার নির্বাচনে বিরোধীরা যখন বিশেষ নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধনী বা এসআইআর-‌কে নির্বাচনী ইস্যু হিসেবে সবার উপরে রাখছেন, তখন গেরুয়া শিবিরের প্রধান রাজনৈতিক হাতিয়ার হল ‘‌অনুপ্রবেশ’‌। তাই পদ্ম শিবিরের নেতাদের মুখে বার বার উঠে আসছে ভুয়ো ভোটার এবং অনুপ্রবেশের প্রসঙ্গ। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীই-‌বা তার থেকে দূরে থাকবেন কেন। তাই সে বিহার হোক বা পশ্চিমবঙ্গ বা আসাম, প্রতিটি সরকারি বা রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে জমি দখল ও অনুপ্রবেশকারীর ইস্যুটি ফের জীবন্ত করে তুলতে চাইছে বিজেপি।

ইতিমধ্যেই গত কয়েক মাসে আসাম সরকার নতুন করে বহু জায়গায় জবরদখল উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে। উৎখাত হতে হয়েছেন লক্ষাধিক মানুষ। এই উৎখাত হওয়া মানুষদের সম্পর্কে সামান্য খোঁজখবর করলেই উঠে আসছে বেশ কিছু তথ্য। যেমন, তাদের ৯৯ শতাংশই মুসলিম ধর্মাবলম্বী। নদীর চর বা জঙ্গলে বসবাসকারী বেশিরভাগই হতদরিদ্র ঝুপড়িবাসী। এমনকী, এই মানুষগুলোর বেশিরভাগই গত কয়েক দশক ধরে আসামের নিম্নভাগে কোনওমতে দিনগুজরান করছে। এদেরই বলা হচ্ছে ‘‌অনুপ্রবেশকারী’‌। এখন এক সঙ্গত প্রশ্ন, এই ‘‌অনুপ্রবেশকারীদের’‌ সরকারি জমি থেকে উচ্ছেদ করে দেওয়ার পর তারা কোথায় যাচ্ছেন ?‌ কী করছেন ?‌ জবাব খুঁজতে বেশি কষ্ট করতে হচ্ছে না মোটেও। উচ্ছেদ হওয়া লাখো আবালবৃদ্ধবনিতা কিছু দূরে গিয়ে অন্য কোথাও বসবাস করছেন। অর্থাৎ জায়গা বদ হচ্ছে শুধুমাত্র। এখানেই অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, তাহলে সরকারের উদ্দেশ্য কী?‌ রাজ্য সরকার এবং দেশের প্রধানমন্ত্রী যাদের উৎখাত করে জমি পুণরুদ্ধারের জন্য নিজেরাই নিজেদের পিঠ চাপড়াচ্ছেন, সেই উৎখাত হওয়া মানুষগুলো তো রয়েই গেল !‌ তারা বেআইনি অনুপ্রবেশকারী চিহ্নিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন ?‌ গত কয়েক বছরে আসাম সরকার এমন কতজনের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করেছে?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
'ভোট চুরি' বা এসআইআর! নির্বাচন কমিশনের সেম-সাইড গোল?

Rahul Gandhi Likens 'Vote Chori': মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক হোক বা আগামীতে হরিয়ানা — ভোটার তালিকা বা কোথাও ইভিএম-এর কারচুপির অভিযোগ উঠলে সেটি যথাযোগ্য ভাবে খণ্ডন করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের।

এবার আসা যাক তথ্যে। ধুবরিতে আদানি গোষ্ঠীর প্রকল্পের জন্য চার হাজার একর জমি থেকে প্রায় ১,৪০০ পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে। গোয়ালপাড়া, নলবাড়ি, লক্ষ্মীপুর-‌সহ বিভিন্ন জেলায় একই চিত্র। হাজার হাজার পরিবার, যাদের অধিকাংশই বাংলাভাষী মুসলিম, রাতারাতি ঘরবাড়ি হারিয়েছেন। সরকার তাদের চিহ্নিত করছে “অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী” হিসেবে। কিন্তু বিরোধী দল এবং মানবাধিকার সংগঠন বলছে, এদের অনেকেরই ভারতীয় নাগরিকত্বের বৈধ নথি রয়েছে, বহু প্রজন্ম ধরে তারা আসামে বসবাস করছে। গরিব ও প্রান্তিক হওয়ায় আদালতে নিজেদের পক্ষে দাঁড়ানোর মতো আর্থিক ও আইনি সামর্থ্য তাদের নেই। ফলে প্রশাসনের চোখে তাঁরা ‘‌বাংলাদেশি’‌। রাজনৈতিক ভাষণে তাঁরা ‘‌ভোটব্যাংক’‌, কিন্তু বাস্তবে তাঁরা শিকড়ছিন্ন হওয়া মানুষ।

এই অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তব্যের সময়োপযোগিতা তাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে অসমে শিগগিরই নির্বাচন। অন্যদিকে, চলতি বছরেই বিহার এবং তারপর পশ্চিমবঙ্গে আহামী বছরের শুরুতেই বিধানসভা ভোট। পদ্মশিবির মনে করে, ‘‌অনুপ্রবেশকারী’‌ প্রসঙ্গ এই আসাম তো বটেই বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জনমনে আবেগ জাগাতে স্টেরয়েডের মতো কাজ করবে। রাজনীতির ভাষায় যাকে বলে ‘‌তৈরি জমি’‌। আসামে নাগরিকপঞ্জি বা এনআরসি বিতর্কে ইতিমধ্যেই ‘‌অনুপ্রবেশকারী’‌ একটি মস্ত ইস্যু এবং বহুচর্চিত। আর পশ্চিমবঙ্গে গত কয়েক বছরে বিজেপি’‌র সংগঠন বিস্তারের মূল অস্ত্রই হয়েছে অনুপ্রবেশ। সেখানে প্রতিপক্ষ শাসকের অপশাসন বা দুর্নীতি অথবা ভবিষ্যতে আম জনতার জন্য বিশেষ কোনও প্রতিশ্রুতি গৌণ থেকেছে। মুখ্য ইস্যু করে তোলা হয়েছে সীমান্তের অনুপ্রবেশকে। মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে জাতীয়তাবাদের গন্ধ। কেল্লা ফতে !‌ আশানুরূপ না হলেও অনক সাফল্য মিলেছে ভোট বাক্সে। তাই সীমান্ত ঘেঁষা জেলা কোচবিহার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া, মালদহ, মুর্শিদাবাদ — এই সব জায়গাতেই বিজেপি ‘‌অনুপ্রবেশ’‌ ইস্যু তুলে ধরে কার্যত ভোটের আরও অনেকটা মেরুকরণ ঘটাতে চায়। মোদির বক্তব্য আসলে এই দ্বিমুখী রাজনৈতিক লক্ষ্যেই ছোঁড়া একটি মোক্ষম তীর।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
৬৮ জন ভোটারের ঠিকানা বার! ফের নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটচুরির অভিযোগ

Election Commission : সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি শুধু দাবিই করেননি ভোটার তালিকাও দেখিয়েছেন। ওই তালিকায় দেখা গিয়েছে, চারটি ভিন্ন ভোটকেন্দ্রেই একটি ব্যক্তির নাম রয়েছে।

তবে সমস্যার অন্য দিকও আছে। আসামে উচ্ছেদের নামে যে হাজার হাজার মানুষ শিকড়হারা হচ্ছেন, তাঁদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রশ্ন সামনে আসছে। রাজ্য সরকারের দেওয়া তথ্য বলছে, ২০১৬ থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১৫,২৭০ পরিবার সরকারি জমি থেকে উচ্ছেদ হয়েছে। অন্তত আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য গুয়াহাটি হাইকোর্টের সাম্প্রতিক একটি পর্যবেক্ষণ। সিমেন্ট কারখানার জন্য তিন হাজার বিঘা জমি বরাদ্দের সিদ্ধান্তে সরকারের ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেছে হাইকোর্ট। আদালত স্পষ্ট বলেছে, জনগণের মতামত না নিয়ে, আইনি প্রক্রিয়া উপেক্ষা করে জমি অধিগ্রহণ হয়েছে। এখানেই শেষ নয়। হিমন্ত বিশ্বশর্মার সরকার মুখে বলছে অনুপ্রবেশকারীদের সরানো হচ্ছে, জমি উদ্ধারের কাজ চলছে। কিন্তু সরকার এখনও পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট পরিসংখ্যান প্রকাশ করেনি — কতজন প্রকৃত অনুপ্রবেশকারী শনাক্ত হয়েছে, কতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে কিংবা তাদের নিজেদের দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা হয়েছে কিনা। আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, উদ্ধার হওয়া এই বিশাল পরিমাণ জমি ভবিষ্যতে সরকার কী কাজে লাগাবে — কৃষক ও গৃহহীনদের পুনর্বাসনে, নাকি কর্পোরেট প্রকল্পের জন্য তা হস্তান্তর হবে? এই জ্বলন্ত প্রশ্নগুলো সরকারের উদ্দেশ্য নিয়ে নতুন সংশয় তৈরি করছে।

অতএব, প্রধানমন্ত্রী যখন জনসভা থেকে জমি উদ্ধারের কথা বলেন, তখন বুঝতে হবে এটি কেবল আইনের শাসনের দাবি নয়, বরং রাজনৈতিক কৌশলও বটে। বিজেপি আসামে এবং পশ্চিমবঙ্গে একই সঙ্গে একটি বার্তা ছড়াতে চাইছে, ‘‌‘‌‌আমরাই অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে লড়ছি, আমরাই জমি ফিরিয়ে দিচ্ছি।” এতে স্বাভাবিকভাবেই সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দু ভোটারদের একাংশে আবেগে সুড়সুড়ি দেওয়া যায় বটে। কিন্তু এর আড়ালে প্রান্তিক মানুষ, দরিদ্র কৃষক এবং সংখ্যালঘু পরিবারদের দুর্দশা চাপা পড়ে যায়। গণতন্ত্রে যে রাষ্ট্রের প্রথম দায়িত্ব নাগরিকদের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষা করা, সেটিই অনেক সময় রাজনৈতিক লাভের হিসেবের আড়ালে হারিয়ে যায়। এই প্রসঙ্গ তাই শুধু আসাম বা পশ্চিমবঙ্গ নয়, গোটা দেশের জন্যই একটি সতর্ক সংকেত।

লিখেছেন
Rajib Dey
Rajib Dey
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।