সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৫৫% তুর্কি নাগরিক এরদোগানের প্রতি অসন্তুষ্ট, যা ২০১৭ সালের তুলনায় ৩২ শতাংশ বেশি!
উত্তাল তুরস্ক, গ্রেফতার বিরোধী দলনেতা, এরদোগানের গদি টলমল?
Turkey political unrest: ইস্তাম্বুলের ১৬ মিলিয়ন নাগরিকের তুলনায় বিক্ষোভকারীর সংখ্যা এখনও কম। এরদোগানের ধর্মীয় ও জাতীয়তাবাদী সমর্থক ভিত্তি এখনও শক্তিশালী।
তুরস্কে লাখ লাখ বিক্ষোভকারী রাস্তায় নেমে এসেছে। দেশের অন্যতম প্রধান বিরোধী নেতা একরেম ইমামোগলুকে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতারের প্রতিবাদে রাজধানী ইস্তাম্বুলের পথে নেমে এসেছে লক্ষাধিক মানুষ। এই গ্রেফতারিকে ব্যাপকভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে সমালোচনা করা হচ্ছে। তুরস্কে গত এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় পথবিক্ষোভ শুরু হয়েছে। এটি দেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন নিয়ে উদ্বেগকে আরও গভীর করেছে। সোমবার টানা ষষ্ঠদিনে লোকজন রাস্তায় নেমে আসেন। তুরস্কের বড় শহরগুলোতে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে বিক্ষোভ চলছে, যেখানে লাখ লাখ মানুষ ইমামোগলুর সমর্থনে সমবেত হয়েছেন। বুধবার ইমামোগলুকে গ্রেফতারের পর থেকেই প্রতিদিন বিক্ষোভ তীব্র থেকে তীব্রতর হয়েছে। ইস্তাম্বুল, আঙ্কারা ও ইজমিরে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে জলকামান, কাঁদানে গ্যাস, মরিচের স্প্রে এবং প্লাস্টিকের গুলি ব্যবহার করেছে। বিক্ষোভকারীদের কেউ কেউ পুলিশের দিকে পাথর, আতশবাজি ও অন্যান্য বস্তু ছুড়েছে। দেশজুড়ে বিক্ষোভ বাড়ছে। মোট ১,১৩৩ জনকে আটক করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলি ইয়েরলিকায়া জানিয়েছেন, ১০০-র বেশি পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। সংবাদকর্মীদের সংগঠন ডিস্ক-বাসিন-ইস ইউনিয়ন জানিয়েছে, অন্তত আটজন সাংবাদিক ও চিত্রসাংবাদিককে আটক করা হয়েছে, বিষয়টিকে তারা "সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং জনগণের সত্য জানার অধিকারের উপর আক্রমণ" বলে অভিহিত করেছে।
একরেম ইমামোগলুকে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়েপ এরদোগানের প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। দুর্নীতির অভিযোগে আটক হওয়া সত্ত্বেও তিনি প্রধান বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টি (সিএইচপি) থেকে ২০২৮ সালের নির্বাচনের জন্য প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। আর প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়ন পাওয়ার পর, তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়। ২০১৯ সালের মার্চে ইমামোগলু তুরস্কের বৃহত্তম শহর ইস্তাম্বুলের মেয়র নির্বাচিত হন, যা এরদোগান এবং তাঁর শাসক দল জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির (একেপি) জন্য বড় ধাক্কা ছিল। একেপি গত পঁচিশ বছর ধরে ইস্তাম্বুল শাসন করে আসছিল। এরদোগানের দল নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ফলাফল বাতিলের দাবি জানায়। ফলে কয়েক মাস পরে পুনঃনির্বাচন হয়, তাতেও ইমামোগলুই জয়ী হন। গত বছরের স্থানীয় নির্বাচনে তিনি আবারও তাঁর পদ ধরে রাখেন এবং সিএইচপি একেপির বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করে।
আরও পড়ুন- ৪০ বছরের সশস্ত্র সংগ্রাম শেষ! কেন অস্ত্র নামিয়ে রাখার ঘোষণা কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির?
সিএইচপি নেতা ওজগুর ওজেল বলেছেন, "ইমামোগলু একদিকে জেলে, অন্যদিকে প্রেসিডেন্সির পথে।" ইমামোগলুর বিরুদ্ধে অপরাধমূলক সংগঠন পরিচালনা, ঘুষ গ্রহণ, চাঁদাবাজি, ব্যক্তিগত তথ্য অবৈধভাবে রেকর্ড করা এবং দরপত্রে কারচুপির অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে সন্ত্রাস-সংক্রান্ত অভিযোগে তাঁকে কারাগারে রাখার অনুরোধ খারিজ করেছে আদালত। মেয়র এই সমস্ত অভিযোগকে "অকল্পনীয় অভিযোগ ও কুৎসা" বলে অভিহিত করেছেন। আদালতের রায়ের পর ইমামোগলুকে ইস্তাম্বুলের পশ্চিমে সিলিভ্রি জেলে স্থানান্তর করা হয়। তার সঙ্গে আরও ৪৭ জনকে বিচারের অপেক্ষায় জেলে পাঠানো হয়েছে, যার মধ্যে ইস্তাম্বুলের দুই জেলা মেয়রও রয়েছেন। এদের মধ্যে একজনকে মেয়রের স্থানে সরকারের নিয়োগকৃত প্রশাসক বসানো হয়েছে।
কেন এই গ্রেফতারি?
২০২৪ সালে তুরস্কের স্থানীয় নির্বাচনে এরদোগানের জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (একেপি) বড় শহরগুলোতে, বিশেষ করে ইস্তাম্বুল ও আঙ্কারায়, বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টির (সিএইচপি) কাছে পরাজিত হয়। এটি ছিল এরদোগানের রাজনৈতিক জীবনের এক বড় ধাক্কা। এই পরাজয় এরদোগানের জনপ্রিয়তায় ধস এবং তাঁর দলের অভ্যন্তরীণ দুর্বলতার ইঙ্গিত দেয়। পিউ রিসার্চ সেন্টারের ২০২৪ সালের একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৫৫% তুর্কি নাগরিক এরদোগানের প্রতি অসন্তুষ্ট, যা ২০১৭ সালের তুলনায় ৩২ শতাংশ বেশি! ২০২৩ সালের প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচনে এরদোগান আবারও জয়ী হয়ে তার ক্ষমতার মেয়াদ বাড়িয়েছেন। তবে তুরস্কের সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাঁর দুই মেয়াদের সীমা রয়েছে এবং ২০২৮ সালে তাঁর বর্তমান মেয়াদ শেষ হবে। ২০২৪ সালের মার্চে তিনি ঘোষণা করেছিলেন যে, স্থানীয় নির্বাচনগুলোই তাঁর 'শেষ' নির্বাচন হবে। যদিও অনেকের মনে প্রশ্ন ছিল যে, তিনি ক্ষমতা ছাড়তে প্রস্তুত কিনা! কিন্তু ২০২৫ সালে এসে তিনি সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে আরেকটি মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি। এই উদ্দেশ্যে তিনি কুর্দি সমর্থিত পিপলস ইকুয়ালিটি অ্যান্ড ডেমোক্রেসি পার্টির (ডিইএম) সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করছেন, যা তাঁর জন্য সংসদে প্রয়োজনীয় ভোট সংগ্রহের একটি কৌশল। একরেম ইমামোগলুকে রিপাবলিকান পিপলস পার্টি দেশের আগামী প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ঘোষণা করায় এরদোগানের হিসেব নিকেশ গোলমাল হয়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে তিনি বিরোধীদের দমনের জন্য কঠোর পদক্ষেপ করেছেন— প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী একরেম ইমামোগলুকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুধু গ্রেফতারই নয়, ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয় একরেম ইমামোগলুর স্নাতক ডিগ্রি বাতিল করে, যা তাঁকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অযোগ্য করে তোলে। বিশ্ববিদ্যালয় বলেছে যে, উচ্চশিক্ষা পরিষদের নিয়ম লঙ্ঘনের কারণে তাঁর ডিগ্রি বৈধ নয়। তুরস্কের সংবিধান অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট প্রার্থীদের উচ্চশিক্ষা ডিগ্রি থাকতে হয়।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়েপ এরদোগান
গণ আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ার আরেকটি কারণ অর্থনৈতিক অস্থিরতা
তুরস্কের অর্থনৈতিক অস্থিরতা গত কয়েক বছর ধরে দেশটির জন্য একটি গুরুতর চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই অস্থিরতার মূলে রয়েছে একাধিক কারণ— মুদ্রার মূল্যহ্রাস, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক ঋণের চাপ, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং সরকারের অর্থনৈতিক নীতি।সাম্প্রতিক দিনগুলিতে পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে উঠেছে যে, এটি শুধু তুরস্কের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিকেই প্রভাবিত করছে না, বরং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলছে। তুরস্কের অর্থনীতির সবচেয়ে বড় সমস্যাগুলোর একটি হলো তুর্কি লিরার ক্রমাগত মূল্যহ্রাস। গত এক দশকে লিরার মূল্য ডলারের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। উদাহরণস্বরূপ, ২০১৮ সালে যেখানে ১ ডলারের বিনিময়ে ৪-৫ লিরা পাওয়া যেত, সেখানে ২০২৫ সালে ২৪ মার্চ পাওয়া গেছে ৩৮ তুর্কি লিরা। এই মূল্যহ্রাসের পেছনে রয়েছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ হ্রাস, বিনিয়োগকারীদের আস্থার অভাব এবং সরকারের অপ্রচলিত মুদ্রানীতি। ফলে আমদানি পণ্যের দাম বেড়ে গেছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তুরস্কে মূল্যস্ফীতির হার গত কয়েক বছরে আকাশচুম্বী হয়েছে। ২০২৩ সালে এই হার ৬০%-এর বেশি ছিল এবং ২০২৫ সালেও তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেনি। খাদ্য, জ্বালানি এবং গৃহস্থালি পণ্যের দাম বৃদ্ধি জনগণের ক্রয় ক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এই মূল্যস্ফীতির পেছনে লিরার দুর্বলতা ছাড়াও সরবরাহ চেইনের সমস্যা, বৈশ্বিক তেলের দাম বৃদ্ধি এবং অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা কাজ করছে। সরকারের দাবি, এটি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ফল। কিন্তু সমালোচকরা বলছেন, সরকারের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতাই এর প্রধান কারণ।
আরও পড়ুন- লক্ষ্য ‘বৃহত্তর ইজরায়েল’ গঠন? আগামীতে যে ভয়াবহ সঙ্কটে পড়তে পারে প্যালেস্টাইন
তুরস্কের অর্থনীতি বৈদেশিক ঋণের উপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। দেশটির ব্যাঙ্ক ও বেসরকারি খাত বিদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ ঋণ নিয়েছে, যা মূলত ডলার ও ইউরোতে। লিরার মূল্য কমে যাওয়ায় এই ঋণ পরিশোধ করা ক্রমশ কঠিন হয়ে পড়েছে। ২০২৫ সালে তুরস্কের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ জিডিপির একটি বড় অংশ দখল করে আছে, যা অর্থনীতির উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বা অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সাহায্য না নেওয়ার সরকারি নীতি এই সমস্যাকে আরও জটিল করেছে।

একরেম ইমামোগলু
এছাড়া, ২০২৩ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্প তুরস্কের অর্থনীতির উপর গভীর প্রভাব ফেলেছে। এই দুর্যোগে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এবং অবকাঠামোগত ক্ষতির পরিমাণ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। বিশ্বব্যাঙ্ক, জাতিসংঘ এবং তুরস্ক সরকারের প্রাথমিক মূল্যায়ন অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পের ফলে তুরস্কে অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩৪.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে, পুনর্গঠন ও পরোক্ষ অর্থনৈতিক ক্ষতি (যেমন উৎপাদন হ্রাস, বাণিজ্যে বাধা) সহ মোট ক্ষতির পরিমাণ ১০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করেছেন। পুনর্গঠনের জন্য সরকারকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে, যা ইতিমধ্যে চাপে থাকা অর্থনীতিকে আরও দুর্বল করেছে। ভূমিকম্প-কবলিত অঞ্চলগুলোতে শিল্প ও কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় স্থানীয় অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অর্থনৈতিক সংকটের ফলে তুরস্কে বেকারত্বের হার বেড়েছে, বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে। ব্যবসা-বাণিজ্যে মন্দা এবং বিনিয়োগ হ্রাসের কারণে কর্মসংস্থানের সুযোগ কমে গেছে। বর্তমান অনুমানে তুরস্কে বেকারত্বের হার ৮.৭% এবং বেকারের সংখ্যা প্রায় ৩০ লাখ, যদিও বৃহত্তর হিসাবে এটি ৯২ লাখ পর্যন্ত হতে পারে।
অর্থনীতির ক্ষেত্রে এই বহুমুখী সমস্যা সামাজিক অসন্তোষ বাড়িয়েছে, যা রাজনৈতিক অস্থিরতার সঙ্গে মিশে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। জনগণের ক্রয় ক্ষমতা কমে যাওয়ায় দারিদ্র্যের হারও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি। এই প্রেক্ষাপটে দীর্ঘমেয়াদি আন্দোলন অর্থনীতিকে আরও দুর্বল করতে পারে, যা জনগণের অসন্তোষ বাড়াবে। ইমামোগলুর গ্রেফতারি বিরোধীদের ঐক্যবদ্ধ করেছে। যদি রিপাবলিকান পিপলস পার্টি এই গতি ধরে রাখে, তবে ২০২৮ সালের নির্বাচন এরদোগানের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হবে। তবে, এরদোগান এখনও সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং বিচার বিভাগের উপর শক্ত নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছেন। ২০১৬ সালের ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পর তিনি বিরোধীদের দমনে সফল হয়েছেন। বিক্ষোভগুলো এখনও জাতীয় স্তরে ছড়ায়নি। ইস্তাম্বুলের ১৬ মিলিয়ন নাগরিকের তুলনায় বিক্ষোভকারীর সংখ্যা এখনও কম। এরদোগানের ধর্মীয় ও জাতীয়তাবাদী সমর্থক ভিত্তি এখনও শক্তিশালী।চলমান আন্দোলন যদি বৃহত্তর জাতীয় আন্দোলনে রূপ নেয় এবং বিরোধীরা ঐক্যবদ্ধ থাকে, তবে তা এরদোগানের জন্য গুরুতর হুমকি হতে পারে। কিন্তু বর্তমানে এটি তাঁর ক্ষমতাকে পুরোপুরি বিপন্ন করার মতো পর্যায়ে পৌঁছয়নি। পরিস্থিতির পরবর্তী গতিপথ নির্ভর করবে বিক্ষোভের ধরন, বিরোধীদের কৌশল এবং এরদোগানের প্রতিক্রিয়ার উপর।