উন্মত্ত ট্রাম্পের মাদকবিরোধী অভিযান ভেনেজুয়েলায়! মার্কিন মিডিয়া চুপ কেন?

Venezuela crisis: ট্রাম্প শুধু সমুদ্রেই নয়, 'স্থল ভাগে' কথিত মাদকচক্রকেও আঘাত হানার হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন— যা বাস্তবে ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক অভিযান ঘোষণার সমতুল্য।

Asish Gupta
৪ মিনিট
উন্মত্ত ট্রাম্পের মাদকবিরোধী অভিযান ভেনেজুয়েলায়! মার্কিন মিডিয়া চুপ কেন?

নেশা, অপরাধ ও নিরাপত্তার বয়ানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে 'নার্কো-স্টেট' ধারণাকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে আসছে, কিন্তু মার্কিন মূলধারার সংবাদমাধ্যম এই বয়ানটির ভ্রান্তি, উদ্দেশ্য এবং প্রমাণহীনতার দিকে সচরাচর আঙুল তোলে না। এই নীরবতা শুধু তথ্যগত ঘাটতি নয়; বরং যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতি, সামরিক কৌশল, ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ এবং কর্পোরেট লবির সম্মিলিত কাঠামোগত চাপের ফল। ফলে জনমত যেন সহজ ভাবে বিশ্বাস করে ক্যারিবিয়ানে, আন্দেস অঞ্চলে বা ভেনেজুয়েলার মতো দেশগুলি মাদকচক্র নিয়ন্ত্রিত রাষ্ট্র, এবং তাই যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ ন্যায্য। কিন্তু বাস্তবতা ও প্রমাণ— দু'টিই প্রায়শই এই বয়ানের বিপরীত কথা বলে।

সেপ্টেম্বর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ক্যারিবিয়ান সাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরে প্রায় দু'ডজন হামলা চালিয়েছে, এতে ৮০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। সর্বশেষ হামলায় আরও চারজন নিহত হয়েছেন। তবুও ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করা কথিত 'মাদক পাচারকারীদের' বিষয়ে কোনো প্রমাণ হাজির করেনি— নৌকাগুলিতে মাদক ছিল কি না, তারা যুক্তরাষ্ট্রের দিকে যাচ্ছিল কি না, কিংবা আদৌ কোনো আইনগত ভিত্তিতে এই হামলা চালানো হলো কি না কোনো কিছুই ব্যাখ্যা করা হয়নি। অনেক আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ ইতোমধ্যেই বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই হামলাগুলি আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে। কিন্তু এই মৌলিক প্রশ্নগুলি মার্কিন সংবাদমাধ্যমের বড় অংশেই গায়েব। বরং মিডিয়া দ্রুত সরকারের প্রচারিত 'মাদকবিরোধী অভিযান' বয়ানকে পুনরাবৃত্তি করে। ইতিহাস বলে, যুক্তরাষ্ট্র যখনই কোনো অঞ্চলে শাসন পরিবর্তন বা রাজনৈতিক চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করে, তখনই ‘নার্কো-স্টেট’ বা ‘মাদক-সন্ত্রাসবাদী’ ট্যাগটি হাজির হয়। এবারও ভেনেজুয়েলাকে এই ছাঁচেই ফেলা হয়েছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ট্রাম্প বনাম মাদুরো: কিউবান মিসাইল সংকটের ছায়া কি ফিরছে?

Trump vs Maduro: যুক্তরাষ্ট্র যদি আরও কঠোর সামরিক তৎপরতা দেখায়, আর ভেনেজুয়েলা পাল্টা প্রতিরোধে নামে তাহলে নতুন এক আঞ্চলিক সংকট তৈরি করতে পারে, যার প্রভাবে পুরো মহাদেশ অস্থিতিশীল হতে পারে।

ট্রাম্প শুধু সমুদ্রেই নয়, 'স্থল ভাগে' কথিত মাদকচক্রকেও আঘাত হানার হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন— যা বাস্তবে ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক অভিযান ঘোষণার সমতুল্য। ইতোমধ্যে বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড, হাজার হাজার মার্কিন সেনা ও এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ক্যারিবিয়ানে মোতায়েন করা হয়েছে— যা কয়েক দশকের মধ্যে এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শক্তি প্রদর্শন। ভেনেজুয়েলার উপকূলের এত কাছে মার্কিন যুদ্ধবিমান শনাক্ত হওয়ায় কারাকাস সরকার এটিকে 'ঔপনিবেশিক হুমকি', 'মিলিটারি হ্যারাসমেন্ট' ও দেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত বলে চিহ্নিত করেছে। ভেনেজুয়েলার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভ্লাদিমির পাদ্রিনো লোপেজ জানিয়েছেন বিমানগুলি দেশের উপকূল থেকে মাত্র ৭৫ কিমি দূরে উড়ছিল— যদিও আকাশসীমা ভাঙেনি, তবুও এই উপস্থিতিকে ভেনেজুয়েলার সরকার উস্কানি হিসেবেই বিবেচনা করছে। মার্কিন মিডিয়া এসব আইনি প্রশ্ন, সার্বভৌমত্বের সংকট বা সামরিক সহিংসতার প্রমাণগুলি নিয়ে প্রায় নীরব।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের নীরবতা যে রাজনৈতিক ভাবে সুবিধাজনক তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে যখন দেখা যায়, ট্রাম্প প্রশাসন কংগ্রেসকে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র এখন নাকি 'মাদক কার্টেল'-এর বিরুদ্ধে 'অ-আন্তর্জাতিক সশস্ত্র সংঘাত'-এ নিযুক্ত, অর্থাৎ বিদেশি কার্টেলের সদস্যরা হবে 'বেআইনি যোদ্ধা'— এটিও মূলত একটি আইনি ফাঁক তৈরি করে নির্বিচার অভিযানকে বৈধ দেখাতে। পরে এই কার্টেলগুলিকে 'নার্কো-সন্ত্রাসবাদী' হিসেবে পুনরায় ব্র্যান্ড করা হলো, যা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপকে আরও সহজে তুলে ধরার কৌশল। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কথায় ভেনেজুয়েলার আকাশসীমা 'বন্ধ'— যা আন্তর্জাতিক আইন, বাণিজ্যিক উড্ডয়ন ও আঞ্চলিক শান্তির উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। অথচ এসব পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা বা প্রমাণ নিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের গভীর অনুসন্ধান নেই; বরং সরকারি বয়ান বারবার প্রতিষ্ঠা পায়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মাচাদো: শান্তির মুখোশে সাম্রাজ্যবাদী ছায়া পুতুল

Maria Corina Machado: মারিয়া কোরিনা মাচাদোর অর্থনৈতিক নীতি ও পরিকল্পনা কেবল ভেনেজুয়েলার রাজনীতিক ব্যবস্থার পরিবর্তন নয়, বরং লাতিন আমেরিকার ঐতিহাসিক অর্থনৈতিক নিওলিবারেল মডেলের পুনরাবৃত্তি।

ভেনেজুয়েলার ভেতরে এ পরিস্থিতি তৈরি করেছে ভয়, বিভক্তি ও অনিশ্চয়তার পরিবেশ। মার্কিন চাপকে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রাপক মারিয়া কোরিনা মাচাদো-র নেতৃত্বে কিছু মানুষ স্বাগত জানাচ্ছে বলে মনে হলেও জরিপগুলি বলে— বাস্তবে ভেনেজুয়েলার বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ নাগরিক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, সামরিক হস্তক্ষেপ বা বিদেশি হামলার বিরোধিতা করে। গবেষণা সংস্থা 'ডাটানালিসিসের' জরিপ অনুযায়ী, ৫৫ শতাংশ মানুষ অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার বিপক্ষে, ৫৫ শতাংশ বিদেশি সামরিক হামলারও বিরোধী। তাদের উদ্বেগ— বেসামরিক মৃত্যু, গৃহযুদ্ধ, বিশৃঙ্খলা ও অর্থনীতির আরও ধস। তারা জানে অতীতে পানামা, লিবিয়া, সিরিয়া কিংবা ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ কোনো দেশেই স্থিতিশীলতা আনেনি, বরং ধ্বংস, শাসন-শূন্যতা, অস্ত্রবাহী গোষ্ঠী ও মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে।

সাধারণ ভেনেজুয়েলানদের বড় অংশের দলীয় রাজনৈতিক পরিচয় নেই, ৬০ শতাংশ মানুষ সরকার বা বিরোধী কারও পক্ষেই নয়। তাদের প্রধান উদ্বেগ বেঁচে থাকা, মূল্যস্ফীতি, নিরাপত্তা ও কাজ। কিন্তু মার্কিন মূলধারার সংবাদমাধ্যম এই মানবিক বাস্তবতার চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় ট্রাম্প প্রশাসনের বয়ান, সামরিক কৌশল বা 'মাদক দমন'-এর চাঞ্চল্যকর উপস্থাপনাকে। ফলে আঞ্চলিক বাস্তবতা— ভেনেজুয়েলার বিশাল তেল, গ্যাস, সোনা, ইউরেনিয়াম ও খনিজ সম্পদের জন্যই যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী— তা আলোচনায় আসে না। অথচ তরুণ ভেনেজুয়েলানদের বড় অংশ মনে করে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ আসলে এসব কৌশলগত সম্পদের প্রতি, গণতন্ত্র বা 'মাদকবিরোধী' নীতির প্রতি নয়। মার্কিন অভিযানগুলি যে মানবিক ক্ষতি করছে— মোট নিহতের সংখ্যা ৮০ ছাড়িয়ে গিয়েছে, এ সব নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা 'বেআইনি হত্যাকাণ্ড' বলছেন। কিন্তু এ বিষয়েও যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমে খুব কম প্রতিবেদন প্রকাশিত হচ্ছে। বরং তারা এই অভিযান গুলিকে ট্রাম্পের 'মাদক দমন' উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরছে— এ যেন এক পূর্বপরিচিত স্ক্রিপ্ট, যেখানে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত দেশকে প্রথমে 'নার্কো-স্টেট' বলা হয়, পরে মানবিক সংকট ও সামরিক অভিযানকে ন্যায়সঙ্গত করা হয়, আর শেষে শাসন পরিবর্তনের চেষ্টা করা হয়।

এখন ভেনেজুয়েলার সরকারও পাল্টা শক্তি প্রদর্শনে নেমেছে— সেনা সমাবেশ, বিমান-বিধ্বংসী ব্যবস্থা, 'ব্যাপক মোবিলাইজেশন'— দু'টি রাষ্ট্রই এখন এমন এক সীমানার দিকে এগোচ্ছে যেখানে একটি ভুল হিসাব যুদ্ধ ডেকে আনতে পারে। সাধারণ মানুষও দ্বিধাগ্রস্ত, কেউ কেউ উন্নতির আশা করছে, কেউ ভয়ে খাবার মজুত করবে বলেও ভাবছে, কেউ পরিবারকে নিয়ে আশ্রয় খুঁজবে, কেউ আবার বিশ্বাসে ভর করে ভাবে কিছুই হবে না। তাদের জীবনের এই বাস্তব সংকট কিন্তু মার্কিন মিডিয়ার আলোচনার অন্তর্ভুক্ত নয়।

স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে, 'নার্কো-স্টেট' বয়ানটি যুক্তরাষ্ট্রের ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষার একটি হাতিয়ার। মিথ্যা বা অর্ধসত্য তথ্য ব্যবহার করে কোনো দেশকে অস্থিতিশীল বলে চিহ্নিত করা, সামরিক উপস্থিতিকে ন্যায়সঙ্গত করা, শাসন পরিবর্তনকে গ্রহণযোগ্য করে তোলা— এই বড় কৌশলেরই অংশ। মার্কিন মিডিয়া এই প্রচারযন্ত্রের অংশ হয়ে ওঠে কারণ তারা সরকারি সূত্র, সামরিক ব্রিফিং ও কর্পোরেট স্বার্থের প্রতি নির্ভরশীল; আর দক্ষিণ গোলার্ধের বাস্তবতা, মানবিক ক্ষতি বা রাজনৈতিক জটিলতা তাদের কভারেজে জায়গা পায় না। যারা যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থাকে, তাদের জন্য সত্যের শেষ পরিমাপ হয় মার্কিন রাষ্ট্রের বয়ান— এতে মিথ ভাঙা তো হয়ই না, বরং সেই মিথই আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে। ভেনেজুয়েলার উপকূলের কাছে মার্কিন যুদ্ধবিমান, সামরিক মিশন ও আইনি অসঙ্গতির প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও 'নার্কো-স্টেট' নামে এক প্রমাণহীন গল্পকেই মিডিয়া প্রতিধ্বনিত করে চলেছে— যা আজকের বৈশ্বিক তথ্যব্যবস্থার গভীরতম সংকটগুলির একটি প্রতিফলন।

লিখেছেন
Asish Gupta
Asish Gupta
2 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

নিষিদ্ধ নয়, বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা, কী আছে ফিলিস্তিনপন্থী স্যালি রুনির বইয়ে

Sally Rooney: ফিলিস্তিনপন্থী সংগঠন প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে রয়্যালটি দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশের পর ব্রিটেনে স্যালি রুনির বই সরবরাহ বন্ধ করেছে ফ্যাবার।

সিজেপির কর্মসূচির আগে ৬ হাজার পুলিশ, দুর্ভেদ্য দুর্গ কনট প্লেস

Connaught Place protest: সিজেপির কর্মসূচির আগে কনট প্লেস এবং তার আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে দিল্লি পুলিশ। কনট প্লেসের আশপাশে ৬ হাজারেরও বেশি পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?