পাচ্ছেন মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক! কেন আবরার ফাহাদকে কখনও ভুলবে না বাংলাদেশ?

Abrar Fahad : আওয়ামী লীগের শাসন আমলে যে ঘটনাগুলি তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিল আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড তার মধ্যে অন্যতম বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। এই ঘটনার পর ক্ষমতাসীনদের প্রতি তীব্র ক্ষোভ উগরে দেয় বাংলাদেশবাসী।

Tanvia Barua
৪ মিনিট
পাচ্ছেন মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক! কেন আবরার ফাহাদকে কখনও ভুলবে না বাংলাদেশ?

আবরার ফাহাদকে স্বাধীনতা পদক ২০২৫-এ ভূষিত করছে বাংলাদেশ। এটি বাংলাদেশের সরকারের দেওয়া সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের শহিদদের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে এই পুরস্কার দেওয়া হয় থাকে। ৩ মার্চ বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সামাজিক মাধ্যমে এ কথা জানিয়েছেন। পোস্টে তিনি লেখেন, 'অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহসিকতার প্রতীক, মুক্ত চিন্তার এক প্রতিচ্ছবি- আবরার ফাহাদ। তার আদর্শ...আমাদের আলোকিত করে, ন্যায়বিচারের পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা দেয়। জাতি তোমাকে ভুলবে না, আবরার!' কে এই আবরার ফাহাদ?

আবরার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরে বাংলা হলে দ্বিতীয় বর্ষের এই পড়ুয়ার মৃত্যু হয়। অভিযোগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করে। সম্প্রতি বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী যে আন্দোলন গড়ে উঠেছিল সেখানেও আন্দোলনকারীদের মধ্যে তাঁর নাম বারবার উঠে এসেছিল। আওয়ামী লীগের শাসন আমলে যে ঘটনাগুলি তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিল আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড তার মধ্যে অন্যতম বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। এই ঘটনার পর ক্ষমতাসীনদের প্রতি তীব্র ক্ষোভ উগরে দেয় বাংলাদেশবাসী।

আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড

আবরার ৫ অক্টোবর কুষ্টিয়ার বাড়ি থেকে বুয়েটে এসে শেরে বাংলা হলে নিজের ১০১১ কক্ষে এসেছিলেন। অভিযোগ, ফেসবুকে তাঁর দেওয়া ভারত বিরোধী একটি পোস্টের জের ধরে তাঁকে রাত ৮ টার দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযোগ ওঠে, বুয়েট ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাঁকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল। পরে রাত ৩টে নাগাদ জানা গিয়েছিল আবরারের মৃত্যু হয়েছে। তাঁকে হত্যা করে একতলা ও দোতলার সিঁড়ির মাঝামাঝি ফেলে রাখা হয়েছিল। জানা গিয়েছিল, 'শিবির আখ্যা' দিয়ে দুই দফায় দুটি কক্ষে নির্মম নির্যাতনে নিহত হন আবরার। পরে বুয়েট মেডিক্যালের ডাক্তার এসে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সে সময় পুলিশ তরফেই জানানো হয়েছিল, আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের পর তীব্র ক্ষোভের জেরে অভিযুক্ত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের আটক করা হয়েছিল।

আবরার 'ভারতীয় আগ্রাসন বিরোধী' আন্দোলনের প্রতীক

এই হত্যাকাণ্ডের পর আবরারকে 'ভারতীয় আগ্রাসন বিরোধী' আন্দোলনের প্রতীক বলে উল্লেখ করেছিল বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন। হত্যাকাণ্ডের দুই দিন আগে ৫ অক্টোবর ফেসবুকে বাংলাদেশ ভারত সম্পর্ক নিয়ে একটি ফেসবুক পোস্ট করেছিলেন আবরার। হত্যাকাণ্ডের পর বুয়েটের পড়ুয়ার অনেকেই দাবি করেছিলেন যে মূলত এই পোস্টের জন্যই তাঁকে হত্যা করা হয়। আবরার হত্যাকাণ্ডের তদন্তের শেষে তখনকার কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, আবরারকে শিবির হিসেবে সন্দেহ করাটাই হত্যাকাণ্ডের পেছনে একমাত্র কারণ নয়। সমীহ করে সালাম না দেওয়া, র‍্যাগিং-এর নামে আতঙ্ক তৈরি করাও অন্যতম কারণ ছিল।

পোস্টে যা ছিল

আবরার ফেসবুক পোস্টে লিখেছিলেন, '১. ৪৭-এ দেশভাগের পর দেশের পশ্চিমাংশে কোনও সমুদ্রবন্দর ছিল না। তৎকালীন সরকার ৬ মাসের জন্য কলকাতা বন্দর ব্যবহারের জন্য ভারতের কাছে অনুরোধ করল। কিন্তু দাদারা নিজেদের রাস্তা নিজেদের মাপার পরামর্শ দিচ্ছিলো। বাধ্য হয়ে দুর্ভিক্ষ দমনে উদ্বোধনের আগেই মোংলা বন্দর খুলে দেওয়া হয়েছিল। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে আজ ইন্ডিয়াকে সে মোংলা বন্দর ব্যবহারের জন্য হাত পাততে হচ্ছে। ২. কাবেরী নদীর পানি ছাড়াছাড়ি নিয়ে কানারি আর তামিলদের কামড়াকামড়ি কয়েকবছর আগে শিরোনাম হয়েছিল। যে দেশের এক রাজ্যই অন্যকে পানি দিতে চায় না সেখানে আমরা বিনিময় ছাড়া দিনে দেড় লাখ কেউবিক লিটার পানি দিব। ৩. কয়েক বছর আগে নিজেদের সম্পদ রক্ষার দোহাই দিয়ে উত্তরভারত কয়লা-পাথর রপ্তানি বন্ধ করেছে অথচ আমরা তাদের গ্যাস দিব। যেখানে গ্যাসের অভাবে নিজেদের কারখানা বন্ধ করা লাগে সেখানে নিজেদের সম্পদ দিয়ে বন্ধুর বাতি জ্বালাবো।'

হত্যা মামলা দায়ের

আবরারের বাবা রাজধানীর চকবাজার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন। এই মামলায় ছাত্রলীগের ১৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল, তবে তদন্তের পর সেই সংখ্যা দাঁড়ায় ২৫। এই মামলার চার্জশিটে বলা হয়েছিল আবরার হত্যাকাণ্ডের সাথে ১১ জন সরাসরি সম্পৃক্ত এবং বাকিরা পরোক্ষভাবে জড়িত ছিল। পুলিশ তরফে জানানো হয়েছিল, আটক করা ৮ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। ২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর এই মামলার রায়ে বুয়েটের ২০ শিক্ষার্থীকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫ শিক্ষার্থীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় আদালত।

ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ

আবরার হত্যাকাণ্ডে বুয়েটের ছাত্রলীগের ১৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার প্রেক্ষাপটে শিক্ষার্থীরা ১০ দফা দাবিতে আন্দোলন করছিলেন। তাদের দাবিগুলির মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করার বিষয়টিও ছিল। কিন্তু ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করার বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছিল বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলো সহ আরও কিছু সংগঠন। তাদের বক্তব্য ছিল- সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি বা টেন্ডারবাজির দায় পুরোটা ছাত্র রাজনীতির ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আবরার হত্যাকাণ্ড

আবরার ফাহাদের নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর এই ঘটনা নিয়ে নিয়মিত সংবাদ প্রকাশ হত। জাতীয় সংবাদ মাধ্যমের পাশাপাশি আন্তজার্তিক গণমাধ্যমেও এই হত্যাকাণ্ড সমালোচিত হয়েছিল। বিবিসি এই ঘটনা নিয়ে লাগাতার সংবাদ প্রকাশ করেছিল। ২০১৯ সালের ৯অক্টোবর তাদের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ৪ ঘণ্টা ধরে আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, 'ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন সরকারের জল নিয়ে চুক্তির সমালোচনা করে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ায় আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।' ওই প্রতিবেদনে ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবির বিষয়টিও উল্লেখ ছিল। গার্ডিয়ানে আবরারের বাবার বক্তব্য ও আবরার হত্যার পর প্রতিবাদ ও ক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠা পরিস্থিতি নিয়ে লেখা হয়েছিল।

বাংলাদেশের জন্য আবরারের হত্যাকাণ্ড এক কলঙ্কিত অধ্যায়। আবরারের বিচারের দাবিতে সোচ্চার হয়েছিল গোটা দেশ। উত্তাল হয়ে ওঠে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়। মিছিল, ব্যানার, প্ল্যাকার্ড, পোস্টার ও স্লোগানে আবরারের বিচারের দাবি ওঠে। গ্রাফিতি, কার্টুন, দেয়াল লিখন হয়ে ওঠে প্রতিবাদের ভাষা।

আবরারের এই মরণোত্তর পদকপ্রাপ্তিতে খুশি বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ। খুশি জেন ওয়াই। জনতার বক্তব্য, দেরিতে হলেও, ন্যায়বিচার পেলেন আবরার ফাহাদ।

লিখেছেন
Tanvia Barua
Tanvia Barua
7 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।

রামলীলার পর কী? কী করবেন বিরোধীরা?

INDIA bloc Unity Under strain: ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানে ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ২১ দল একজোট হলেও মঞ্চ শেষেই ভেতরের টানাপোড়েন স্পষ্ট। বাম নেতাদের বক্তৃতায় প্রাধান্য, ‘ফ্যাসিবাদ’ বিরোধী সুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জাতীয় ভূমিকা’র সতর্কবার্তা। প্রিয়াঙ্কা, সুপ্রিয়া সুলে, সঞ্জয় রাউত বক্তৃতার সুযোগ না পাওয়ায় শরিক-অসন্তোষ।

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে বিপাকে ভারতীয়রা, মিডটার্ম নির্বাচনে কতটা প্রভাব পড়বে?

US Midterm Elections 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের ৬২% ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে। ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসা কড়াকড়ি ও অর্থনৈতিক নীতির জেরে ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানাল কার্নেগির সমীক্ষা।