বাহাদুরগঞ্জের মানুষের জন্যে খোলা চিঠি

Sharjeel Imam: তারা আমাদের কখনো ভাবতে দেবে না। আমাদের এই দলগুলোর কবল থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। অন্তত সেখানে যেখানে আমরা আমাদের রাজনীতি করতে পারি।

Sharjeel Imam
৭ মিনিট
বাহাদুরগঞ্জের মানুষের জন্যে খোলা চিঠি

আজ দেশের পরিস্থিতি কেমন, তা আপনাদের বলার দরকার নেই। বিশেষ করে আমাদের সঙ্গে কী ধরনের ব্যবহার করা হচ্ছে, তা আপনারা নিজের চোখে দেখছেন। এই পরিবেশে একটাই প্রশ্ন আমাদের যুবকদের, পড়াশোনা করা মানুষদের এবং সাধারণ জনগণের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে— এখন আমরা কী করব, কোন পথ বেছে নেব? মনে হচ্ছে আমরা একেবারে অসহায়, কিছুই করতে পারছি না, শুধু একসঙ্গে এসে সেই দল বা প্রার্থীকে ভোট দেব যারা বিজেপিকে হারানোর প্রতিশ্রুতি দেয়, এমনকি সেই আসনেও যেখানে বিজেপি লড়াই করছে না। এই প্রতিশ্রুতি ছাড়া কি আর কিছুর প্রয়োজন নেই? এই ব্যবস্থায় কি এমন কোনো ত্রুটি নেই যা ঠিক করার জন্য আমাদের একত্রিত হওয়া উচিত? সীমাঞ্চলের মতো এলাকায়, যেখানে আমরা আমাদের নেতৃত্বকে আমাদের সম্প্রদায়ের এবং আঞ্চলিক সমস্যার ভিত্তিতে বেছে নিতে পারি পারি, সেখানেও কি আমরা শুধু বিজেপির ভয়ে ভোট দেব?

এ প্রসঙ্গে আমি আমার সম্পর্কে দু'একটি তথ্য দিতে চাই। আমার পৈতৃক বাড়ি জাহানাবাদে, তবে আমি বড় হয়েছি পাটনায়, সেখানেই পড়াশোনা করেছি। আমার নানির বাড়িও পাটনায় ছিল। তাঁর গ্রাম ’৪৬ সালের দাঙ্গায় ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল শৈশবেই উদ্বাস্তু হয়ে পাটনায় চলে এসেছিলেন তিনি। আমার জীবনের প্রথম বেলায় বাবা-মা ছাড়া নানির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। যাই হোক, সেখান থেকে আমি আইআইটি বোম্বাইয়ে ভর্তি হতে পেরেছিলাম, আমি কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং-এ ডিগ্রি পাই। এই সময়ে আমি ২০০৯ সালে কয়েক মাস ডেনমার্কে চাকরিও করেছি। ২০১১ সালে আমি কয়েক লাখ টাকার প্যাকেজ নিয়ে বেঙ্গালুরু চলে যাই। কিন্তু শৈশব থেকে যা শুনেছি, দেখেছি, তা আমাকে কখনো চুপ করে থাকতে দেয়নি, শান্তির জীবন বেছে নিতে দেয়নি। তাই একটা স আমি সেই চাকরি ছেড়ে দিই, যে চাকরি কোটি কোটি মানুষের কাছে স্বপ্নের মতো, আর একটি সাধারণ চাকরি নিয়ে ইতিহাস পড়তে জেএনইউ, দিল্লি চলে আসি।

দুর্ভাগ্যবশত, সেই বছরই আমার বাবার মৃত্যু হয়। তিনি তাঁর জীবন জনগণের সেবায় উৎসর্গ করেছিলেন। সমস্যা বাড়ল, কিন্তু আমি হতাশ হইনি এবং ইতিহাস নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যাই, পাশাপাশি চাকরিও করি। এমনকি ২০১৯-২০২০ সালে সিএএ-এনআরসি আন্দোলনে, প্রায় ৩২ বছর বয়সে, আমাকে জেলে পাঠানো হয়। শাহিন বাগ চক্কা জাম আন্দোলনে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালনের কারণে আমার বিরুদ্ধে অনেক ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হয়।

ইতিহাস নিয়ে আমার গবেষণা থেকে আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি:

১. ১৯৪৭ সালের পর থেকেই মুসলিমদের রাজনৈতিকভাবে এই ব্যবস্থার কাঠামোর মাধ্যমে প্রান্তিক করে দেওয়া হয়েছে।

২. পথ খুলবে তখনই, যখন আমরা সেই মৌলিক পরিবর্তনগুলো নিয়ে আলোচনা শুরু করব, যা আমাদের জরুরি প্রয়োজন। আমি প্রথম ব্যক্তি নই যে এই কথা বলছি— ১৯৪৭ সালে হাসরত মোহানি থেকে জাস্টিস সচার কমিটির রিপোর্টে এই বিষয়গুলোর উল্লেখ পাওয়া যায়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
অবশেষে জামিন শার্জিল ইমামের, তবু কেন জেলের অন্ধকারেই দিন কাটাতে হবে মেধাবী গবেষককে

Sharjeel Imam: বুধবার দিল্লি হাইকোর্টে জামিন মিলল দেশদ্রোহ মামলায় ধৃত জেএনইউয়ের গবেষক শার্জিল ইমামের। তবে সবকটি মামলায় নয়। দিল্লি হিংসার মামলা থেকে রেহাই দেওয়া হয়েছে তাঁকে।

সেই মৌলিক পরিবর্তনগুলো কী? প্রথমত, নির্বাচনের পদ্ধতি বদলাতে হবে— অর্থাৎ, যে দল যত শতাংশ ভোট পাবে, তাকে তত শতাংশ আসন পেতে হবে। ভেবে দেখুন, এতে কি আমাদের সঠিক প্রতিনিধিত্বের দরজা খুলবে না? বর্তমান পদ্ধতিতে, আপনি কোনো আসনে ৪০% ভোট পেয়েও হেরে যান, আর শেষে পুরো রাজ্যে মাত্র ৫-৭% বিধায়ক পান। এই নির্বাচন পদ্ধতি বড় অন্যায়— শুধু আমাদের জন্য নয়, অন্যান্য পিছিয়ে পড়া এবং ছোট সম্প্রদায়ের জন্যও। উদাহরণস্বরূপ, উত্তর প্রদেশে বিএসপি (মায়াবতী) ২০১৭ ও ২০২২ সালে ১০% এর বেশি ভোট পেয়েছে, কিন্তু আসন পেয়েছে মাত্র ২-৩টি। ১০% ভোট পেলে কি বিএসপির ৪০-৫০টি আসন পাওয়া উচিত নয়? ধরুন, যদি বিহারে কোনো দল বারবার ১৫% ভোট পায়, তাহলে কি তাদের ৩৬ জন বিধায়ক পাওয়া উচিত নয়?

মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘুর জন্য আসন সংরক্ষণ

যদি আমাদের জনসংখ্যা ১৮% হয়, তাহলে প্রতিটি ক্ষেত্রে ১৮% সংরক্ষণ এবং তার মধ্যে অর্ধেক বা দুই-তৃতীয়াংশ পশমান্দা মুসলিমদের জন্য। অন্ততপক্ষে অতি-পিছিয়ে পড়া মুসলিমদের জন্য এক-তৃতীয়াংশ সংরক্ষণ নিশ্চিত হওয়া উচিত।

ধর্মীয় স্বাধীনতা

যে কোনো ধর্মীয় বিষয়, যা তাদের ধর্মীয় ব্যাপারের সঙ্গে সম্পর্কিত, তার সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার শুধু সেই ধর্মের মানুষেরই থাকবে। উদাহরণস্বরূপ, ওয়াকফের বিষয়— বর্তমান ওয়াকফ ব্যবস্থায় ত্রুটি থাকতে পারে, কিন্তু তা সংশোধনের অধিকার, দায়িত্ব এবং ক্ষমতা শুধু মুসলিম জনগণেরই থাকবে, যারা গণতান্ত্রিকভাবে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করে তাদের কথা বলবে।

এরকম আরও অনেক মৌলিক বিষয় আছে যা এই ব্যবস্থার কাঠামোর সঙ্গে জড়িত। আমি শুধু এগুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম। যতক্ষণ না আমরা এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা শুরু করব, যতক্ষণ না আমরা সেই বীজ বুনব যা ভবিষ্যতে গাছ হয়ে উঠবে, ততক্ষণ আমরা আমাদের ভোটকে নষ্ট করছি— আর একটা খারাপ জায়গায় আটকে আছি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
অক্লান্ত নির্ভীক গৌরী লঙ্কেশরা মরণজয়ী

Gauri Lankesh: সৈনিকের দেহের মৃত্যু হলেই তো আর মতাদর্শ মরে না। আদর্শগুলো কোন এক ম্যাজিকে বার বার হাওয়ায় ছড়িয়ে যায়, নতুন জমিতে বীজ হয়ে ফিরে আসে।

আজ হিন্দুত্বের বিষ যেভাবে আমাদের ঘিরে ফেলেছে, ঘৃণার রাজনীতি আমাদের অসহায় করে দিয়েছে, আরএসএস-বিজেপি এই সিস্টেমের প্রতিটি কোণ কব্জা করে নিয়েছে— এসব সত্য। কিন্তু যেখানে তাদের রাজনৈতিক ভিত্তি নেই, সেখানেও যদি আমরা ভয়ে আমাদের চিন্তাশক্তিকে মেরে ফেলি, আমাদের মনকে বন্ধ করে দিই, তাহলে আমরা এই লড়াই আগেই হেরে গেছি।

কাশ্মীর, পশ্চিম উত্তর প্রদেশ, মালাবার, হায়দ্রাবাদ, মুম্বই, পশ্চিম আসাম, পশ্চিমবঙ্গ এবং বিহারের সীমাঞ্চলে আমরা আমাদের মৌলিক সমস্যা এবং সংবিধানের ত্রুটিগুলো নিয়ে আলোচনা করে একটি আন্দোলন গড়ে তুলতে পারি। এটি আপনাদের দায়িত্বও বটে, সুযোগও বটে। বিশেষ করে বিহারে, যেখানে বিজেপি অর্ধেক আসনে লড়েই না, আমরা একটি পরিকল্পনা করে, ঝুঁকি নিয়ে আমাদের আন্দোলন গড়ে তুলতে পারি।

বাহাদুরগঞ্জ থেকে নির্বাচনে লড়ার সবচেয়ে বড় কারণ এটাই যে, আজ যে বিপদ আমরা আসামে দেখছি, উত্তর প্রদেশে দেখছি, সেই একই বিপদ বিহারেও রয়েছে। দেশ এমন একটা সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, আমাদের চিন্তাধারাকে একটা নতুন পথ দেখাতে হবেই। কেন আমরা নতুন পথের কথা ভাবতে পারছি না? এর সবচেয়ে বড় কারণ, আমাদের দিনরাত বিজেপির ভয় দেখানো হচ্ছে, এমনকি সেখানেও, যেখানে বিজেপি লড়ছে না। আর কংগ্রেসের মতো দল, যারা এই ব্যবস্থা তৈরি করেছে, এর সুযোগ নিয়েছে এবং আমাদের এই দুরবস্থায় ফেলে দিয়েছে, তারা চায় না আমরা এই ব্যবস্থার ত্রুটিগুলোর দিকে নজর দিই। তারা চায় আমরা সবসময় তাদের সামনে অসহায় হয়ে থাকি, যেন আমরা বলি, “আমাদের বিজেপির হাত থেকে বাঁচাও, আমাদের বাঁচতে দাও।” তারা আমাদের কখনো ভাবতে দেবে না। আমাদের এই দলগুলোর কবল থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। অন্তত সেখানে যেখানে আমরা আমাদের রাজনীতি করতে পারি। যেখানে আমাদের জনসংখ্যা কম, সেখানে আমরা বিজেপিকে হারানোর জন্য ভোট দেব, কিন্তু যেখানে আমরা নিজেরা জিততে পারি, সেখানে আমরা এই রাজনীতি করব না কেন?

অন্যদিকে, যে দলগুলো গত ৩০-৪০ বছর ধরে শুধু আবেগপ্রবণ স্লোগান আর ভাষণের ওপর চলছে, তারা কখনো সংবিধানের ত্রুটিগুলো নিয়ে কথা বলার সাহস করেনি। এই সময়ে তাদের রাজনীতি থেকে কী অর্জন হয়েছে? পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। আপনারা যে ব্যক্তিকে বিধায়ক বানিয়েছেন তাদের আবেগপ্রবণ বক্তৃতা শুনে— তারা দল বদলেছে দু'দিন পর। এমন মানুষ কি ভরসার যোগ্য হতে পারে? যখন কোনো পরিকল্পনা থাকে না, শুধু আবেগপ্রবণ স্লোগান আর লোভ থাকে, তখন এমন মানুষই জনতার প্রতিনিধি হতে চায়।

আমি যাদের বিরুদ্ধে লিখছি, তারা নিশ্চয়ই বলবে আমি ভোট কাটার কাজ করছি, বলবে পাগল, আরও নানা তকমা জুটবে!

পাগল তো আমি বটেই— চাকরি করলে এতদিনে আমার বেতন কোটি টাকায় পৌঁছে যেত। সেই চাকরি ছেড়ে, আরাম-আয়েশ ত্যাগ করে আমি আমার সম্প্রদায়ের সমস্যাগুলো বোঝার জন্য বেরিয়েছি, আর এখন সাড়ে পাঁচ বছর ধরে জেলের কুঠুরিতে বন্দি আছি, যেখানে শুধু আল্লাহ আমার সঙ্গী আর কিছু বই, যা অন্ধকারে আলোর মতো।

আমি মুম্বই থেকে নির্বাচন লড়ছি না যে টাকা রোজগার হবে। আমি ভারতের সবচেয়ে দরিদ্র এলাকা থেকে নির্বাচন লড়ছি। বিজেপি তো সেখানে লড়েই না।

সাড়ে পাঁচ বছরে ছয়টি মামলায় জামিন পেয়েছি, একটিতে এখনও বাকি আছে। দোয়া করবেন, যেন জামিন হয়ে যায়। শুনানি শেষ হয়েছে। না হলেও সুপ্রিম কোর্ট আছে, আমি আশা করি, ইনশাআল্লাহ, শিগগিরই বেরিয়ে আসব। কিন্তু যখন বেরোব, তখন কিছু কথিত “হিতৈষী” নিশ্চয়ই বলবে, এই যে এসে গেছে বিজেপির পক্ষে কাজ করতে। যাদের বাড়িতে গত দশ বছরে পুলিশ, ইডি কিছু যায়নি, তারা আমাকে বিজেপির এজেন্ট বললে হাসি তো পাবেই।

কে বিজেপি আর আরএসএসের শত্রু, আর কার যৌবন জেলে কাটছে, তা অনেকেই বুঝে গেছে। এখন আমি আপনাদের জিজ্ঞাসা করি, এটা কি স্পষ্ট নয় যে সম্প্রদায়ের উন্নতি আর অধিকারের জন্য কে ত্যাগ করছে? জনগণ কি এটা বুঝতে পারবে না কে দুনিয়ার আলোর পিছনে ছুটছে আর কে ন্যায়ের জন্য লড়ছে?

বিহার ভারতের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া রাজ্যগুলোর একটি, আর সীমাঞ্চল বিহারের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া এলাকা। শিক্ষার হার, স্কুল, হাসপাতাল, কারখানা, ফোনের কাগজপত্র— এই সবই এখানে সবচেয়ে কম। ভোটার তালিকার নামে যা হচ্ছে, তা আপনাদের সামনে। আমাদের বুঝতে হবে, আসামের তুলনায় সীমাঞ্চলে এনআরসি-র ক্ষতি বেশি হবে। আসামের জনগণ প্রস্তুত ছিল, তাই তারা বেশি ক্ষতি করতে পারেনি, কিন্তু তখন থেকে তাদের নজর সীমাঞ্চলের ওপর। এনআরসি-র হুমকি তাই ছড়ানো হয়েছিল, কিন্তু দেশ এমন একটা আন্দোলন দেখেছে যে এটা তাদের গলার কাঁটা হয়ে গেছে। তাদের পিছু হটতে হয়েছে। কিন্তু তারা আবার চোরাগোপ্তা পথে এনআরসি আনার চেষ্টা করছে। আমাদের এর বিরুদ্ধে প্রস্তুত থাকতে হবে।

আমি বলতে চাই, আপনারা যদি আমাকে বেছে নেন, আমি সেই দলের সঙ্গে থাকব যারা বিজেপির বিরুদ্ধে লড়বে। আমাদের লড়াই জুলুমের বিরুদ্ধে এবং ন্যায়ের জন্য। আমরা প্রতিটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কাজ করব যারা আমাদের মৌলিক সমস্যা এবং ব্যবস্থার ত্রুটিগুলো নিয়ে কথা বলবে। দ্বিতীয়ত, বাহাদুরগঞ্জের জনগণের কাছে আমার প্রতিশ্রুতি, আমি এখানে মৌলিক সুবিধার জন্য কাজ করব। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দক্ষতা— এই তিনটি বিষয় আমার প্রচেষ্টার শীর্ষে থাকবে। স্কুল, হাসপাতাল, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র তৈরি করা এবং শিক্ষিত, দক্ষ মানুষদের আনা আমার দায়িত্ব হবে। আমি আইআইটি থেকে আমার সহপাঠীদের কাছ থেকে যতটা সম্ভব সাহায্য নিয়ে আসব। আমি একজন টেকনোক্র্যাট, প্রযুক্তিগত মানুষ, কিছু সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা আমার আছে। বন্যা ত্রাণ এবং তার সমাধানে কাজ করাও আমার দায়িত্ব হবে। অপরাধের বিরুদ্ধে এবং আইন ও শান্তির পক্ষে কাজ করা আমাদের কর্তব্য। বিনা পক্ষপাতে অত্যাচারীকে রুখতে হবে, নির্যাতিতকে ন্যায় দিতে হবে। নারীদের নিরাপত্তা, শিক্ষা এবং তাদের স্বাবলম্বী করা, তাদের আইনি অধিকার দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। মেয়েদের জন্য স্কুল যেন কাছাকাছি হয়, এটা জরুরি। আমি আরেকটি প্রতিশ্রুতি দিতে পারি— বিধানসভায় আমি যেভাবে আপনাদের প্রতিনিধিত্ব করব, তেমনটি হয়তো আর কেউ পারবে না। আগামী নির্বাচন থেকে সীমাঞ্চলের রাজনীতি একটা নতুন মোড় নিতে চলেছে। যতদিন বেঁচে আছি, সীমাঞ্চলই আমার রাজনীতির কেন্দ্র থাকবে, ইনশাআল্লাহ। আপনাদের সবাইকে অনুরোধ, আমার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আমাদের এই লড়াইয়ে সঙ্গ দিন। আগামী দিনে পুরো সম্প্রদায় এবং দেশের বঞ্চিত সমাজ সীমাঞ্চলকে উদাহরণ হিসেবে চিনবে।

লিখেছেন
Sharjeel Imam
Sharjeel Imam
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

পিস বন্ড কী, কেন দিতে হয়? নেহা বোরার আপত্তিতে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ঔপনিবেশিক আমলের আইন

Peace Bond: শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করলেই কি দিতে হবে পিস বন্ড? AISA-র জাতীয় সভাপতি নেহা বোরার আপত্তিতে নতুন করে বিতর্কে ঔপনিবেশিক আমলের প্রতিরোধমূলক আইন। ব্রিটিশ আমল থেকে স্বাধীন ভারত, CrPC থেকে BNSS—কীভাবে বদলেছে এই আইনি ব্যবস্থা? কেন কাউকে ১০ হাজার টাকার মুচলেকা দিতে বলা হয়? কী বলছে আইন?

রামলীলা ময়দানের সভায় ভিড় দেখাতে এআই ছবি? কতটা সত্যি?

Ramlila Maidan AI image controversy: দিল্লির রামলীলা ময়দানে ১ নভেম্বরের ‘ইন্ডিয়া’ জোটের সমাবেশে ভিড় ও এআই ছবি ব্যবহার নিয়ে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে বিতর্ক তুঙ্গে। ভাইরাল ছবিগুলোর সত্যতা কী?

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।