Exclusive: এক মঞ্চে দেখা যেতে পারে মমতা-রাহুলকে?

Bharat Jodo Nyay Yatra Exclusive: 'ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা' বাংলায় প্রবেশ করে বৃহস্পতিবার। কোচবিহার শহর এবং সংলগ্ন এলাকায় রোড শো করেন রাহুল।

inscript
৩ মিনিট
Exclusive: এক মঞ্চে দেখা যেতে পারে মমতা-রাহুলকে?

ছেড়ে রেখেই ধরে রাখা। এই কি কংগ্রেস ও তৃণমূল সম্পর্কের নতুন রসায়ন? এই রসায়নেই কি দূরে গিয়েও কাছে আসতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাহুল গান্ধী, তথা তৃণমূল ও কংগ্রেস?

'ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা' বাংলায় প্রবেশ করে বৃহস্পতিবার। কোচবিহারে যাত্রাকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। কোচবিহার শহর এবং সংলগ্ন এলাকায় রোড শো করেন রাহুল। রাতে থাকার কথা ছিল ফালাকাটায়। কথা ছিল ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের উপলক্ষে দিল্লি যাবেন তিনি। কিন্তু হঠাৎ গুরুত্বপূর্ণ কারণে ২৫ জানুয়ারিই দিল্লি ফিরে যেতে হয় রাহুলকে।

যাত্রার দ্বিতীয় পর্ব শুরু হতে চলেছে ২৮ জানুয়ারি, রবিবার। কিন্তু এর মধ্যেই কয়েকটি ঘটনা ঘটে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। অধীর রঞ্জন চৌধুরী ডেরেক ও'ব্রায়ানকে 'বিদেশি' বলে ফেলে ক্ষমা চেয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, "আমার কারও সঙ্গে কোনও কথা হয়নি। আমার প্রস্তাব প্রথম দিনেই (ওরা) প্রত্যাখ্যান করেছে। তখন থেকেই আমরা একলা লড়ব বলে ঠিক করে নিয়েছিলাম।" অর্থাৎ জোটের সম্ভাবনা তেমন নেই বললেই চলে। যদিও এই ব্যাপারে অধীর চৌধুরীকেই দায়ী করছে তৃণমূল। বাংলায় আসন সমঝোতা নিয়ে কংগ্রেসের সঙ্গে একমত হতে পারেনি তৃণমূল। কংগ্রেস যে পরিমাণ আসন দাবি করেছিল, তৃণমূল সেই পরিমাণ আসন তাদের ছাড়তে রাজি ছিল না। এরপরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই উক্তি পরিষ্কার করে দিয়েছে, আসন সমঝোতায় যাচ্ছে না তৃণমূল। এখান থেকেই মতানৈক্যের শুরু।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কংগ্রেসের সঙ্গে আসন ভাগ করবেন? ইন্ডিয়া জোটের অস্তিত্ব নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মমতার

CM Mamata Banerjee : মমতা বলছেন, রাহুলের ন্যায় যাত্রা যে বাংলায় আসবে, ইন্ডিয়া জোটের শরিক দলের শাসনের রাজ্যে আসবে তা তো তাঁকে জানানোই হয়নি!

রাহুল দিল্লি রওনা হওয়ার পরপরই প্রশ্ন ওঠে, তবে কি দিল্লি থেকে আসতে চলেছে সন্ধি প্রস্তাব? তা হলে কি সোনিয়া গান্ধী দূরভাষে যোগাযোগ করবেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে? ইতিমধ্যেই, আজ জয়রাম রমেশ বলেছেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চিরকাল বলে এসেছেন তাঁর প্রধান লক্ষ বিজেপিকে পরাজিত করা। কংগ্রেস এবং ইন্ডিয়া ব্লকেরও মূল লক্ষ তাই। আমরা আবার যাত্রা শুরু করছি বাংলায়। তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দিলে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত হব। এই জোট গড়ে তোলার নেপথ্যে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।" মল্লিকার্জুন খাড়্গে আজ একটি চিঠিতে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে তাঁর আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। যাত্রায় কয়েকজন সমস্যা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তিনি অনুরোধ করেছেন যেন রাহুলের নিরাপত্তার ব্যাপারটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটু দেখেন। গান্ধী পরিবারের সঙ্গে মমতার সুসম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। অসমর্থিত সূত্রের খবর, প্রিয়াঙ্কা এবং সোনিয়ার মোবাইল থেকে দু'টি টেক্সট মেসেজ এসছে আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। যদিও এ থেকে জোটের আসন সমঝোতার কোনও ইঙ্গিতই পাওয়া যায় না। তবে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চাইছে উভয় পক্ষই।

| Congress leader Jairam Ramesh says, "...She (CM Mamata Banerjee) has always ended by saying that her priority is to defeat the BJP which is also the priority for the Congress and the INDIA group...Right now we are trying to resume the Bharat Jodo Nyay yatra tomorrow. We…

— ANI (@ANI)

প্রথমে জল্পনা শোনা যাচ্ছিল, রাহুলের সঙ্গে মমতার দেখা হতে পারে মালদায়। কিন্তু আগামীকাল, রবিবার, কিছু দলীয় কর্মসূচি পালনের উদ্দেশ্যে হাসিমারায় আসছেন মুখ্যমন্ত্রী বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, তিনি রাত্রিবাসও করতে পারেন হাসিমারায়। সেখান থেকে কোচবিহারের দিকে যাওয়ার কথা তাঁর। হাসিমারা থেকে জলপাইগুড়ির দূরত্ব মাত্র ৮৭ কিমি। দুই ঘণ্টার দূরত্বে থেকেও কি দেখা হবে না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাহুল গান্ধীর? অনেকে মনে করছেন, আগামীকাল জলপাইগুড়িতে একসঙ্গে হাঁটতে দেখা যেতে পারে তাঁদের। কেউ কেউ মনে করছেন, যাত্রায় না হাঁটলেও একত্রে বৈঠক করতে পারেন তাঁরা। অথবা মালদার জনসভাতেও এক সঙ্গে দেখা যেতে পারে মমতা এবং রাহুলকে। আপাতত সেই দিকেই তাকিয়ে আছেন বাংলার মানুষ।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।