এসআইআর | যেভাবে নাভিশ্বাস উঠছে বিএলওদের

BLO's problems:বিএলওরা সবচেয়ে বেশি বিপন্নতার শিকার হচ্ছেন। প্রতি বুথ পিছু একজন আধিকারিক।

Suman Kalyan Moulik
৪ মিনিট
এসআইআর  | যেভাবে নাভিশ্বাস উঠছে বিএলওদের

মিডিয়ার সৌজন্যে ইতিমধ্যেই ছবিগুলো ভাইরাল। এক শিক্ষক সজল নয়নে জেলাশাসকের কাছে আর্জি জানাচ্ছেন এসআইআর প্রক্রিয়ার দায়িত্ব থেকে মুক্তির। কারণ, এই শিক্ষিত মানুষটি বুথ লেভেল অফিসার(বিএলও)-এর অমানবিক কাজের চাপ নিতে পারছেন না। আরেক জায়গায় দেখলাম এক আইসিডিএস কর্মী একই ভাবে কাঁদতে কাঁদতে ক্যামেরার সামনে তাঁর যন্ত্রণার কথা বলছেন। এই উত্তর আধুনিক সমাজে খবরের বাসি হতে সময় লাগে না, তবুও মনে করাতে চাই, আমাদের এক সহ নাগরিক নমিতা হাঁসদার করুণ পরিণতির কথা। পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের তথাকথিত পবিত্রতার ধ্বজা উর্ধ্বে তুলতে গিয়ে তাঁর ব্রেন স্ট্রোকে মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের মানুষজন জানিয়েছেন, বিএলও হিসেবে কীভাবে দায়িত্ব পালন করবেন এই চিন্তা তাঁকে তাড়িয়ে বেড়াত। এই ছবিটা নতুন নয়। অনেকের স্মরণে থাকতে পারে ২০২১ সালে করোনা অতিমারীর ছবিটা যখন সারা পৃথিবীতে প্রকট, তখন চরম অব্যবস্থার মধ্যে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে সরকারি কর্মীরা (যাদের মধ্যে বেশিরভাগই শিক্ষক) গণতন্ত্রের 'উৎসব' সম্পন্ন করেছিলেন।

এসআইআরের পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি-তর্ক অনেক হলেও সাধারণ মানুষের মধ্যে এই বিএলওদের বিপন্নতা নিয়ে কোনো আলোচনা নেই। এমনকি, বার্ষিক পরীক্ষার মুখে পাঠশালা বন্ধ করে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা না ভেবে, চারমাসের সময়সীমায় এই যজ্ঞ কেন, তা নিয়েও প্রশ্ন করতে আমরা ভুলে গেছি। স্বাভাবিক ভাবে নিজেদের জীবন তথা অস্তিত্ব রক্ষা করতে বিএলওরা বিচ্ছিন্ন বা সংগঠিত ভাবে প্রতিবাদ করছেন। বর্তমান নিবন্ধ এই বিষয়টিকে আলোচনার বৃত্তে আনতে চায়।

ভোটার তালিকায় সংশোধন যে কোনো গণতন্ত্রে একটি স্বাভাবিক বিষয়। ভারতবর্ষ কখনও তার ব্যতিক্রম ছিল না। মৃতদের তালিকা থেকে বিয়োজন, নতুনদের সংযোজন, স্থানান্তরিত মানুষদের এক তালিকা থেকে অন্য তালিকায় নাম ওঠানো এক স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত বুথ লেভেল অফিসাররা বছরের পর বছর ধরে অত্যন্ত যোগ্যতার সঙ্গে এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি সম্পাদন করছেন। কিন্তু এবারের কাজটি একেবারে আলাদা। যাঁরা বলছেন ২০০২ সালে এসআইআর হয়েছিল, তাঁর অর্ধসত্য বলছেন। এভাবে বাড়ি বাড়ি এনুমারেশন ফর্ম বিলি ও ফেরত নিয়ে, তাতে 'ফ্যামিলি লেগাসি ডেটা' বসিয়ে, সেই তথ্য আবার নির্দিষ্ট সময়ে আপলোড করা কখনও হয়নি। এটা এইভাবে করা হচ্ছে কারণ এসআইআর ঘুরপথে এনআরসি। এখানেই বিএলওরা সবচেয়ে বেশি বিপন্নতার শিকার হচ্ছেন। প্রতি বুথ পিছু একজন আধিকারিক। যদি আমরা ধরে নিই বুথ পিছু ভোটার সংখ্যা ১০০০ এবং একটা ফর্ম আপলোড করতে গড়ে ১০ মিনিট সময় লাগবে, তাহলে মোট সময় লাগবে ১০০০× ১০= ১০,০০০ মিনিট। সারা দিন বাড়ি বাড়ি ঘোরার পরে এই পর্বতপ্রমাণ ডেটা নির্দিষ্ট সময়ে আপলোড করা পেশাদারী দক্ষতা ছাড়া কোনো মানুষের পক্ষে করা সম্ভব? বিএলও যাঁরা হয়েছেন তাঁরা বেশিরভাগই শিক্ষক এবং আইসিডিএস কর্মী। এঁদের মোবাইল আছে কিন্তু একটি নির্দিষ্ট অ্যাপে কাজ করার অভিজ্ঞতা তাঁদের নেই। প্রাত্যহিক চাকরি জীবনে তাঁরা যে কাজটি করেন, তার কোথাও এই ধরনের পেশাদারি স্কিলের দরকার হয়নি। আর, এই কাজটি ভালোভাবে করতে ল্যাপটপের প্রয়োজন, যা বেশিরভাগ কর্মীর কাছে নেই। ফলত, তারা অকূল পাথারে পড়েছেন। পরিস্থিতি আরও খারাপ করছে কিছু রাজনৈতিক নেতা ও মিডিয়া। একটি সুপরিকল্পিত প্রচার তথা ন্যারেটিভ, এমন ভাবে তৈরি করা হচ্ছে যাতে মনে হয়, কোনো নাগরিকের নাম যদি এসআইআর থেকে বাদ যায় তবে তার জন্য ডিটেনশন ক্যাম্প অপেক্ষা করছে। মানুষ এই প্রচারের খপ্পরে পড়ে আরও আতঙ্কিত হয়ে বিএলওর কাছে ছুটে যাচ্ছেন। বিএলওদের আজ এক প্রাণঘাতী চাপের মুখে কাজ করতে হচ্ছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কেন ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন সন্দেহজনক?

Special Intensive Revision : ওই খসড়া তালিকা অনুযায়ী, বিহারের জামুই জেলায় চৌডিহা পঞ্চায়েতের আমিন গ্রামের ২৩০ জন বাসিন্দার ঠিকানা ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ৩ নম্বর বাড়ি।

এসআইআর করতে গিয়ে বিএলওদের অবস্থা ঢাল-তলোয়ারহীন নিধিরাম সর্দারের মতো। টালিগঞ্জ অগ্রগামীকে রিয়েল মাদ্রিদের সাথে ফুটবল খেলতে নামিয়ে দিলে যা হওয়ার কথা, ঠিক তাই হচ্ছে। কাজ শুরু হওয়ার আগে সাধারণ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, কিন্তু এবারের এসআইআরের জন্য যে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া দরকার, তা অতি সামান্য ও প্রাথমিক। বিএলওদের ঠিক উপরে (ইমিডিয়েট বস) যে সুপারভাইজাররা আছেন, তাদেরও কোনো বিশেষ প্রশিক্ষণ নেই। তাই বিএলওরা কাজ করতে গিয়ে যে সমস্ত সমস্যার সন্মুখীন হয়েছেন, তার কোনো উত্তর নেই সুপারভাইজারদের কাছে। সবচেয়ে হতাশাজনক হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা। বিএলওরা নতুন নতুন নির্দেশে বিভ্রান্ত। দু-একটা উদাহরণ দিলে বিষয়টা পরিষ্কার হবে। প্রথমে বলা হল, ভোটারদের ছবি বাধ্যতামূলক নয়, তারপর বলা হল ছবি বাধ্যতামূলক। একটা বড় দ্বন্দ্ব দেখা গেল আত্মীয় বলতে ফর্মে কী বোঝানো হচ্ছে। ঠাকুরদা, ঠাকুমা, দাদু, দিদা, ভাই, বোন- বিতর্ক অন্তহীন। কাজ শুরু হওয়ার ১৫ দিন পরেও ঠিক নির্দেশিকা কী, সে সম্বন্ধে এখনও কর্মীরা নিশ্চিত নন। এই প্রক্রিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, ডেটা আপলোড। প্রথম দিন থেকে কর্মীরা সঠিকভাবে ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের দাবি তুলেছেন কিন্তু কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। আরেকটা বড় সমস্যা হল, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নামের বানান, বয়স, ছবিতে ভুল আছে। কেউ বলছেন সেই ভুলটাই লিখতে হবে, আরেক পক্ষের বক্তব্য পরে যা সংশোধন হয়েছে তা লিখতে হবে। এই প্রশ্নগুলোর চটজলদি কোনো সমাধান নির্বাচন কমিশনের নেই বরং অঘোষিতভাবে আছে শোকজ বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থার হুমকি।

এমনিতেই সব জায়গায় বহু মানুষ লিখতে পড়তে জানেন না, তার উপর ফর্ম পূরণের ক্ষেত্রে ভুল হয়ে যাওয়ার ভয় কাজ করছে। নির্বাচন কমিশন বুথ লেভেল অফিসার হিসাবে স্থানীয় মানুষদের মনোনীত করেছেন। বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, বিএলওরা মানবিক কারণে নিজেরাই ফর্ম পূরণ করে দিচ্ছেন। বিশেষ করে গ্রামের দিকে এই ছবিটা বেশি দেখা যাচ্ছে। সত্যিটা হল রাতের ঘুমোনোর সময়টা বাদ দিলে বিএলওরা উদয়াস্ত পরিশ্রম করছেন। তাও কাজের তুলনায় অতি সামান্য পারিশ্রমিকের বিনিময়ে।

আজ এই এসআইআর প্রক্রিয়া করতে গিয়ে শিক্ষক তথা সরকারি কর্মীদের বলির পাঁঠা বানানো হল। প্রক্রিয়ার শুরুতে এক নির্বোধ আমলা নিদান দিয়েছিলেন যে, স্কুলে যাবার আগে ও পরে বিএলওরা এসআইআরের কাজ করবে। সমবেত প্রতিবাদে সেই তুঘলকি নিদান প্রত্যাহার করা হয়। কিন্তু বাস্তবতার চাপে কোনো কোনো শিক্ষককে (বিশেষ করে প্রাথমিকে) স্কুলে যেতে হচ্ছে। বিএলওদের ফোন নাম্বার সার্বজনীন করে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো ব্যক্তির কোনো সমস্যা হলে বা নাম বাদ গেলে প্রথম দায়ী করা হবে বিএলওদের অথচ ফর্ম সংগ্রহ করে আপলোড করা ছাড়া তাঁদের কোনো ক্ষমতাই নেই। দৈহিক পরিশ্রম, প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক চাপ, সর্বোপরি এক অপদার্থ, অযোগ্য ও রাজনৈতিক অভিসন্ধিযুক্ত নির্বাচন কমিশনের কারণে আজ বিএলওরা বিপর্যস্ত। সম্প্রতি জানা গিয়েছে, সুপারভাইজারদের সঙ্গে মিটিং এর সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে এক বিএলও ভর্তি হয়েছেন। এই ধরণের ঘটনা আরও ঘটার সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে এবং এর দায় নির্বাচন কমিশনকে নিতেই হবে।

( মতামত লেখকের ব্যক্তিগত)

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।